টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম এখন দুর্ভোগের নগরী

টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম এখন দুর্ভোগের নগরী
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিতে দুর্ভোগের নগরীতে পরিণত হয়েছে চট্টগ্রাম। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমরপানি। এতে দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য।
নগরীর পুলিশ লাইন্সের অদূরে শান্তিবাগ আবাসিক এলাকায় পানি থইথই করছে। পাশে খাল থাকায় প্রতি জোয়ারে পানি ওঠে। কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি এই পানিকে বাড়িয়ে দিয়েছে দ্বিগুণ।
শান্তিবাগ আবাসিক এলাকায় ৩ সন্তান নিয়ে বসবাস করেন রেখা বেগম। তার খাটের নিচে হাঁটুসমান আর ঘরের সামনে কোমরপানি। ছেলেমেয়েদের এখন দিন কাটছে খাটের ওপর শুয়ে-বসে।
রেখা বেগমের খালাতো ভাই তামিম হাসান জানান, ৩ দিন ধরে রান্না বন্ধ, গোসল বন্ধ। বাথরুমের কমোড থেকে পানি ঘরের ভেতরে ঢুকছে।
নগরীর পাঁচলাইশ ও ইপিজেডসংলগ্ন নেভি কলোনি এলাকার বেশির ভাগ বাসিন্দা এখন পানিবন্দি। কলোনির পাশেই শরিফুল ইসলামের স্টেশনারি দোকান। তিনি বলেন, কলোনির একেকটি ভবন ৮-৯ তলা। তিন দিন ধরে বাজার সদাই করতে নামতে পারছেন না সেখানকার বাসিন্দারা। সোমবার থেকে এখানে পানি বাড়তে থাকে। বৃষ্টি যত বেড়েছে পানি তত বেড়েছে। একপর্যায়ে কোমরসমান পানি হয় আশপাশের এলাকাতে। বৃহস্পতিবার কিছুটা কমলেও এখনও পানিতে ভাসছে পুরো কলোনি।
টানা বৃষ্টিতে নগরের মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, মোহাম্মদপুর, চকবাজার, আগ্রাবাদ, হালিশহর, রামপুরা, বেপারীপাড়া, মুহুরীপাড়া, উত্তর কাট্টলী, দেওয়ান বাজার, কাপাসগোলা, শান্তিবাগ, পাঠানটুলি, পুলিশ লাইন্স, এয়ারপোর্ট, চান্দগাঁও, মোহরা, কুয়াইশ, অক্সিজেনসহ বেশকিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
নগরীর বাইরে বাঁশখালী উপজেলার পুঁইছড়ি, ছনুয়া, শেখেরখীল, গন্ডামারা, শীলকূপসহ বিভিন্ন জায়গায় পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট, পুকুর জলাশয়ে পানি প্রবেশ করে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে। পানিবন্দি এসব এলাকায় লোকজনের চুলায় রান্না হচ্ছে না। দুইদিন ধরে শুকনো খাবার খেয়ে কোনো রকমে দিন কাটছে এসব এলাকার মানুষের।

কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিতে দুর্ভোগের নগরীতে পরিণত হয়েছে চট্টগ্রাম। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমরপানি। এতে দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য।
নগরীর পুলিশ লাইন্সের অদূরে শান্তিবাগ আবাসিক এলাকায় পানি থইথই করছে। পাশে খাল থাকায় প্রতি জোয়ারে পানি ওঠে। কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি এই পানিকে বাড়িয়ে দিয়েছে দ্বিগুণ।
শান্তিবাগ আবাসিক এলাকায় ৩ সন্তান নিয়ে বসবাস করেন রেখা বেগম। তার খাটের নিচে হাঁটুসমান আর ঘরের সামনে কোমরপানি। ছেলেমেয়েদের এখন দিন কাটছে খাটের ওপর শুয়ে-বসে।
রেখা বেগমের খালাতো ভাই তামিম হাসান জানান, ৩ দিন ধরে রান্না বন্ধ, গোসল বন্ধ। বাথরুমের কমোড থেকে পানি ঘরের ভেতরে ঢুকছে।
নগরীর পাঁচলাইশ ও ইপিজেডসংলগ্ন নেভি কলোনি এলাকার বেশির ভাগ বাসিন্দা এখন পানিবন্দি। কলোনির পাশেই শরিফুল ইসলামের স্টেশনারি দোকান। তিনি বলেন, কলোনির একেকটি ভবন ৮-৯ তলা। তিন দিন ধরে বাজার সদাই করতে নামতে পারছেন না সেখানকার বাসিন্দারা। সোমবার থেকে এখানে পানি বাড়তে থাকে। বৃষ্টি যত বেড়েছে পানি তত বেড়েছে। একপর্যায়ে কোমরসমান পানি হয় আশপাশের এলাকাতে। বৃহস্পতিবার কিছুটা কমলেও এখনও পানিতে ভাসছে পুরো কলোনি।
টানা বৃষ্টিতে নগরের মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, মোহাম্মদপুর, চকবাজার, আগ্রাবাদ, হালিশহর, রামপুরা, বেপারীপাড়া, মুহুরীপাড়া, উত্তর কাট্টলী, দেওয়ান বাজার, কাপাসগোলা, শান্তিবাগ, পাঠানটুলি, পুলিশ লাইন্স, এয়ারপোর্ট, চান্দগাঁও, মোহরা, কুয়াইশ, অক্সিজেনসহ বেশকিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
নগরীর বাইরে বাঁশখালী উপজেলার পুঁইছড়ি, ছনুয়া, শেখেরখীল, গন্ডামারা, শীলকূপসহ বিভিন্ন জায়গায় পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট, পুকুর জলাশয়ে পানি প্রবেশ করে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে। পানিবন্দি এসব এলাকায় লোকজনের চুলায় রান্না হচ্ছে না। দুইদিন ধরে শুকনো খাবার খেয়ে কোনো রকমে দিন কাটছে এসব এলাকার মানুষের।

টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম এখন দুর্ভোগের নগরী
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিতে দুর্ভোগের নগরীতে পরিণত হয়েছে চট্টগ্রাম। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমরপানি। এতে দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য।
নগরীর পুলিশ লাইন্সের অদূরে শান্তিবাগ আবাসিক এলাকায় পানি থইথই করছে। পাশে খাল থাকায় প্রতি জোয়ারে পানি ওঠে। কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি এই পানিকে বাড়িয়ে দিয়েছে দ্বিগুণ।
শান্তিবাগ আবাসিক এলাকায় ৩ সন্তান নিয়ে বসবাস করেন রেখা বেগম। তার খাটের নিচে হাঁটুসমান আর ঘরের সামনে কোমরপানি। ছেলেমেয়েদের এখন দিন কাটছে খাটের ওপর শুয়ে-বসে।
রেখা বেগমের খালাতো ভাই তামিম হাসান জানান, ৩ দিন ধরে রান্না বন্ধ, গোসল বন্ধ। বাথরুমের কমোড থেকে পানি ঘরের ভেতরে ঢুকছে।
নগরীর পাঁচলাইশ ও ইপিজেডসংলগ্ন নেভি কলোনি এলাকার বেশির ভাগ বাসিন্দা এখন পানিবন্দি। কলোনির পাশেই শরিফুল ইসলামের স্টেশনারি দোকান। তিনি বলেন, কলোনির একেকটি ভবন ৮-৯ তলা। তিন দিন ধরে বাজার সদাই করতে নামতে পারছেন না সেখানকার বাসিন্দারা। সোমবার থেকে এখানে পানি বাড়তে থাকে। বৃষ্টি যত বেড়েছে পানি তত বেড়েছে। একপর্যায়ে কোমরসমান পানি হয় আশপাশের এলাকাতে। বৃহস্পতিবার কিছুটা কমলেও এখনও পানিতে ভাসছে পুরো কলোনি।
টানা বৃষ্টিতে নগরের মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, মোহাম্মদপুর, চকবাজার, আগ্রাবাদ, হালিশহর, রামপুরা, বেপারীপাড়া, মুহুরীপাড়া, উত্তর কাট্টলী, দেওয়ান বাজার, কাপাসগোলা, শান্তিবাগ, পাঠানটুলি, পুলিশ লাইন্স, এয়ারপোর্ট, চান্দগাঁও, মোহরা, কুয়াইশ, অক্সিজেনসহ বেশকিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
নগরীর বাইরে বাঁশখালী উপজেলার পুঁইছড়ি, ছনুয়া, শেখেরখীল, গন্ডামারা, শীলকূপসহ বিভিন্ন জায়গায় পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট, পুকুর জলাশয়ে পানি প্রবেশ করে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে। পানিবন্দি এসব এলাকায় লোকজনের চুলায় রান্না হচ্ছে না। দুইদিন ধরে শুকনো খাবার খেয়ে কোনো রকমে দিন কাটছে এসব এলাকার মানুষের।

চট্টগ্রামে ভয়াবহ বন্যা, জেলা প্রশাসনের ছুটি বাতিল

