শিরোনাম

শুক্রবার থেকে বাজারে মিলবে ইলিশ

ভোলা সংবাদদাতা
শুক্রবার থেকে বাজারে মিলবে ইলিশ
ছবি: সংগৃহীত

মাছ ধরার ওপর টানা দুই মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে আজ মধ্যরাতে। এরই মধ্যে ক্রেতা-বিক্রেতাদের চিরচেনা মাছের আড়ৎগুলো ধোঁয়ামোছা চলছে। শুক্রবার সকাল থেকেই জমে উঠবে আড়ৎগুলো। চলবে বেচা-কেনা।

জেলা মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, জাটকা সংরক্ষণ ও ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে ২ মাসের (মার্চ-এপ্রিল) নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছিল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টায় এবং শেষ হচ্ছে বৃহস্পতিবার রাত ১২টায়।

ভোলা মৎস্য বিভাগের হালনাগাদ তথ্য মতে, ভোলার ৭ উপজেলায় মোট নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন ১ লাখ ৬৭ হাজার ৯৭০ জন। এর মধ্যে ভোলা সদর উপজেলায় ২২ হাজার ৪১২ জন, দৌলতখানে ২১ হাজার ২৯৩ জন, বোরহানউদ্দিনে ১৯ হাজার ৮৩৮ জন, লালমোহনে ২৪ হাজার ৮০৬ জন, তজুমুদ্দিনে ১৯ হাজার ৫৭২ জন, চরফ্যাশনে ৪৪ হাজার ৩১২ জন ও মনপুরা উপজেলায় ১৫ হাজার ৭৩৮ জন। তাদের অনুকূলে মাসে ৪০ কেজি করে ৯০ হাজার ২শ জেলে পরিবারকে সরকারি খাদ্য সহায়তার ভিজিএফ চাল দিয়েছে মৎস্য বিভাগ। এছাড়া এবারই প্রথম ইলিশ সম্পদ প্রকল্পের আওতায় ১৩ হাজার ৬০০ জন জেলেকে বিভিন্ন ধরনের খাদ্যসামগ্রী দিয়েছে সরকার।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, মধ্যরাতে নিষেধাজ্ঞার শেষ হওয়ার খবরে জাল-ট্রলার মেরামতসহ মাছ ধরার সব সরঞ্জাম প্রস্তুত করে রেখেছেন জেলেরা। আবার কেউ কেউ শেষ মুহূর্তে তাদের জাল-ট্রলার মেরামতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

জেলে শাজাহান, বশির ও জোবায়ের বলেন, আমরা নদীতে গিয়ে মাছ ধরার জন্য সব প্রস্তুতি নিয়েছি। রাত ১২টার পর নদীতে নামব। আশা করি, মাছ বিক্রির পর বিগত দিনের দেনার পুষিয়ে নিতে পারব।

আড়তদার ইমতিয়াজ আহমেদ নাসিম বলেন, ঢাকা খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন মোকাম থেকে দাদন (টাকা) এনে তা জেলেদের দিয়েছি। নিষেধাজ্ঞার কারণে জেলেরা নদীতে মাছ ধরতে পারেনি। নদীতে যেতে আমরাই জেলেদের নিরুৎসাহিত করেছি। জেলেরা কাঙ্ক্ষিত মাছ পেলে আশা করি আমরা সবাই লাভবান হতে পারব।

/এসআর/