
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিরতির পরপরই দলে পরিবর্তন এনেছে ব্রাজিল। লুকাস পাকেতার বদলে মাঠে নেমেছেন এনদ্রিক। ম্যাচে পিছিয়ে আছে সেলেসাওরা। জাপান প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে ম্যাচ জেতার স্বপ্ন দেখছে। এদিকে ৪৮ মিনিটের সময় হলুদ কার্ড দেখেছেন ব্রাজিলের রাইট ব্যাক দানিলো।

শেষ হলো প্রথম ৪৫ মিনিটের লড়াই। কাইশু সানোর দুর্দান্ত গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে গেলো জাপান। ঘুরে দাঁড়ানোর নতুন ছক কষতে হবে কার্লো আনচেলত্তির দলের।
প্রথমার্ধে বল দখলে এগিয়ে আছে ব্রাজিল। ৬৮ শতাংশ সময় বল পায়ে ছিল সেলেসাওদের। প্রথমার্ধে ব্রাজিল গোলমুখে ৮টি শট নিয়ে লক্ষ্যে রেখেছে ২টি। অন্যদিকে জাপানের ৪ শটের ২টি লক্ষ্যে ছিল। যার একটি গোলকিপার ঠেকান। অপরটি গোল হয়।

অবিশ্বাস্য গোল কাইশু সানোর! ব্রাজিলের ডিফেন্ডারদের নাচিয়ে ড্রিবলিং করে গোল করলেন এই জাপানি মিডফিল্ডার। একে একে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের বোকা বানিয়ে বক্সের ঠিক বাইরে থেকে নেন দুর্দান্ত কোণাকুণি শট। বল ব্রাজিলের রক্ষণ ভেঙে আশ্রয় নিল জালের বাঁ দিকের একদম নিচের কোণায়। আলিসনের মতো বিশ্বসেরা গোলকিপারের সাধ্য ছিল না সেই বুলেট গতির শট ঠেকানোর। স্তব্ধ ব্রাজিল শিবির, হিউস্টনে উলে মেতেছে মাতল ব্লু সামুরাইরা!
ব্রাজিলের বক্সের একটু বাইরে জাপানের এক খেলোয়াড়কে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেছেন অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার কাসেমিরো। ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিটে আক্রমণে এগিয়ে ব্রাজিলই।
ব্রাজিল (৪-৩-৩): আলিসন, দানিলো, মার্কিনিওস, গ্যাব্রিয়েল মাগালাইস, দগলাস সান্তোস, ব্রুনো গিমারাইস, কাসেমিরো, লুকাস পাকেতা, রায়ান, মাতেউস কুনিয়া, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
জাপান (৩-৪-২-১): জিওন সুজুকি, তাকেহিরো তোমিয়াসু, শোগো তানিগুচি, হিরোকি ইতো, রিতসু দোয়ান, কাইশু সানো, দাইচি কামাদা, কেইতো নাকামুরা, জুনিয়া ইতো, দাইজেন মায়েদা, আয়াসে উয়েদা।