বারবার ইউএস বাংলার ফ্লাইটে বিঘ্ন, উদ্বিগ্ন যাত্রীরা

বারবার ইউএস বাংলার ফ্লাইটে বিঘ্ন, উদ্বিগ্ন যাত্রীরা
রুবেল আবিদ

ভাগ্য ভালো যে বিমান উড্ডয়নের আগেই বিষয়টি ঘটেছে। আর না হলে গত শুক্রবার (২৬ জুন) বড় কোনো দুর্ঘটনার মুখেই পড়তে পারত ইউএস বাংলার ফ্লাইটটি। মালয়েশিয়া থেকে ঢাকা আসার পথে ইউএস বাংলার শুক্রবার বিকাল ৩টার বিএস ০৩১৬ ফ্লাইটের সামনের কাচ ফেটে যায়। সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে বিমানটি আর সেদিন উড্ডয়ন করেনি। সেদিন বড় কোনো ক্ষতি না হলেও প্রশ্ন উঠেছে, ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে বারবার এমন বিঘ্ন ঘটছে কেন! এর আগে গত ২৪ জুন ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটেও যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছিল।
মালয়েশিয়া থেকে ঢাকা আসার ফ্লাইটটিতে বোর্ডিং সম্পন্ন হওয়ার পর যাত্রীরা জানতে পারেন, ফ্লাইট ঢাকায় যাবে না। ফ্লাইটের ৫০০– এর বেশি যাত্রীকে কুয়ালামপুর বিমানবন্দরের কাছে একটি হোটেলে রাখা হয়েছিল। সেখানে তাদের থাকা ও খাওয়ায় কোনো সমস্যা না হলেও অনেকেই মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছেন। অন্যদিকে স্বজনদের বরণ করে নিতে যারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন, তাদের অনেকেই চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন।
বিমানের সবকিছু পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে চলাচলের উপযোগী করে তুলে পরের দিন শনিবার (২৭ জুন) সব যাত্রী নিয়ে ফ্লাইটটি ঢাকায় ফেরে। বিষয়টি নিয়ে ইউএস বাংলার মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে সিজেডএনকে তিনি বলেন, ‘এটা কোনো দুর্ঘটনা নয়, এমন সমস্যা হতেই পারে। আমরা যাত্রীদের যথেষ্ট সেবা দিয়েছি এবং সবকিছু পর্যবেক্ষণ করে বিমানটি চলাচলের উপযোগী আছে মনে করার পর যাত্রীদের নিয়ে ঢাকায় ফিরেছে।’
কিন্তু ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটের এমন হঠাৎ জটিলতা নতুন কিছু নয়। মালয়েশিয়া থেকে ঢাকাগামী ফ্লাইটের এমন বিভ্রাটের দুদিন আগে গত বুধবারও (২৪ জুন) একটি ঘটনা ঘটে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী একটি ফ্লাইট রানওয়ের দিকে যাওয়ার সময় হঠাৎ ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। যাত্রীদের পরে জরুরি ভিত্তিতে দরজা ভেঙে বাইরে বের করে আনা হয়। ফ্লাইটিতে প্রায় ৭০ জন যাত্রী ছিল বলে জানা গেছে।

এর আগে, ২০১৮ সালে নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস বাংলার একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল। ২০১৮ সালের মার্চ মাসের সেই দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা ৭১ জন যাত্রীর ৫১ জনই মারা যান, ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল।
জুন মাসে পরপর দুটি ফ্লাইটে বিঘ্ন ঘটার পর নিয়মিত বিমানযাত্রীদের অনেকেই বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ ও চলাচলের অনুপযোগী বিমান উড্ডয়ন নিষিদ্ধ করার বিষয়ে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। এ ছাড়া ব্যবহৃত বিমানগুলো কিনে তা নকশার পরিবর্তন করে সিট বাড়ানোর ঘটনাও ঘটছে। এগুলো বন্ধ করতে না পারলে যাত্রী ভোগান্তি ও দুর্ঘটনা বাড়বে।
বিষয়টি নিয়ে জানতে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল বেবিচকের ফ্লাইট সেফটি অ্যান্ড রেগুলেশন বিভাগের পরিচালক এয়ার কমডোর মো. মনিরুল ইসলামের সঙ্গে। সাংবাদিক পরিচয় দিলে তিনি ‘মিটিংয়ে আছেন এবং কোনো জিজ্ঞাসা থাকলে জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগ’– এর পরামর্শ দিয়ে ফোন কেটে দেন।
পরে তাকে হোয়াটসঅ্যাপে দুটি প্রশ্ন পাঠানো হয়– গত ২৬ জুন মালয়েশিয়া থেকে ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটের জানালার কাচ ভেঙে যাওয়ায় বিলম্ব হয়েছে। আপনি কি বিষয়টি অবগত আছেন? এবং ইউএস বাংলার ফ্লাইটের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগেও নেপালে বড় একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। ইউএস বাংলার ফ্লাইটের ক্ষেত্রে এমনটা বারবার কেন হচ্ছে? এরা কি বিমান ঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করে না? আপনারা এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন কি?
এয়ার কমডোর মো. মনিরুল ইসলাম দুটি প্রশ্নের কোনোটিরই উত্তর দেননি। হোয়াটসঅ্যাপে তার সঙ্গে পরে আবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন কেটে দেন।

ভাগ্য ভালো যে বিমান উড্ডয়নের আগেই বিষয়টি ঘটেছে। আর না হলে গত শুক্রবার (২৬ জুন) বড় কোনো দুর্ঘটনার মুখেই পড়তে পারত ইউএস বাংলার ফ্লাইটটি। মালয়েশিয়া থেকে ঢাকা আসার পথে ইউএস বাংলার শুক্রবার বিকাল ৩টার বিএস ০৩১৬ ফ্লাইটের সামনের কাচ ফেটে যায়। সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে বিমানটি আর সেদিন উড্ডয়ন করেনি। সেদিন বড় কোনো ক্ষতি না হলেও প্রশ্ন উঠেছে, ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে বারবার এমন বিঘ্ন ঘটছে কেন! এর আগে গত ২৪ জুন ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটেও যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছিল।
মালয়েশিয়া থেকে ঢাকা আসার ফ্লাইটটিতে বোর্ডিং সম্পন্ন হওয়ার পর যাত্রীরা জানতে পারেন, ফ্লাইট ঢাকায় যাবে না। ফ্লাইটের ৫০০– এর বেশি যাত্রীকে কুয়ালামপুর বিমানবন্দরের কাছে একটি হোটেলে রাখা হয়েছিল। সেখানে তাদের থাকা ও খাওয়ায় কোনো সমস্যা না হলেও অনেকেই মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছেন। অন্যদিকে স্বজনদের বরণ করে নিতে যারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন, তাদের অনেকেই চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন।
বিমানের সবকিছু পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে চলাচলের উপযোগী করে তুলে পরের দিন শনিবার (২৭ জুন) সব যাত্রী নিয়ে ফ্লাইটটি ঢাকায় ফেরে। বিষয়টি নিয়ে ইউএস বাংলার মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে সিজেডএনকে তিনি বলেন, ‘এটা কোনো দুর্ঘটনা নয়, এমন সমস্যা হতেই পারে। আমরা যাত্রীদের যথেষ্ট সেবা দিয়েছি এবং সবকিছু পর্যবেক্ষণ করে বিমানটি চলাচলের উপযোগী আছে মনে করার পর যাত্রীদের নিয়ে ঢাকায় ফিরেছে।’
কিন্তু ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটের এমন হঠাৎ জটিলতা নতুন কিছু নয়। মালয়েশিয়া থেকে ঢাকাগামী ফ্লাইটের এমন বিভ্রাটের দুদিন আগে গত বুধবারও (২৪ জুন) একটি ঘটনা ঘটে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী একটি ফ্লাইট রানওয়ের দিকে যাওয়ার সময় হঠাৎ ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। যাত্রীদের পরে জরুরি ভিত্তিতে দরজা ভেঙে বাইরে বের করে আনা হয়। ফ্লাইটিতে প্রায় ৭০ জন যাত্রী ছিল বলে জানা গেছে।

এর আগে, ২০১৮ সালে নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস বাংলার একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল। ২০১৮ সালের মার্চ মাসের সেই দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা ৭১ জন যাত্রীর ৫১ জনই মারা যান, ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল।
জুন মাসে পরপর দুটি ফ্লাইটে বিঘ্ন ঘটার পর নিয়মিত বিমানযাত্রীদের অনেকেই বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ ও চলাচলের অনুপযোগী বিমান উড্ডয়ন নিষিদ্ধ করার বিষয়ে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। এ ছাড়া ব্যবহৃত বিমানগুলো কিনে তা নকশার পরিবর্তন করে সিট বাড়ানোর ঘটনাও ঘটছে। এগুলো বন্ধ করতে না পারলে যাত্রী ভোগান্তি ও দুর্ঘটনা বাড়বে।
বিষয়টি নিয়ে জানতে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল বেবিচকের ফ্লাইট সেফটি অ্যান্ড রেগুলেশন বিভাগের পরিচালক এয়ার কমডোর মো. মনিরুল ইসলামের সঙ্গে। সাংবাদিক পরিচয় দিলে তিনি ‘মিটিংয়ে আছেন এবং কোনো জিজ্ঞাসা থাকলে জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগ’– এর পরামর্শ দিয়ে ফোন কেটে দেন।
পরে তাকে হোয়াটসঅ্যাপে দুটি প্রশ্ন পাঠানো হয়– গত ২৬ জুন মালয়েশিয়া থেকে ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটের জানালার কাচ ভেঙে যাওয়ায় বিলম্ব হয়েছে। আপনি কি বিষয়টি অবগত আছেন? এবং ইউএস বাংলার ফ্লাইটের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগেও নেপালে বড় একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। ইউএস বাংলার ফ্লাইটের ক্ষেত্রে এমনটা বারবার কেন হচ্ছে? এরা কি বিমান ঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করে না? আপনারা এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন কি?
এয়ার কমডোর মো. মনিরুল ইসলাম দুটি প্রশ্নের কোনোটিরই উত্তর দেননি। হোয়াটসঅ্যাপে তার সঙ্গে পরে আবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন কেটে দেন।

বারবার ইউএস বাংলার ফ্লাইটে বিঘ্ন, উদ্বিগ্ন যাত্রীরা
রুবেল আবিদ

ভাগ্য ভালো যে বিমান উড্ডয়নের আগেই বিষয়টি ঘটেছে। আর না হলে গত শুক্রবার (২৬ জুন) বড় কোনো দুর্ঘটনার মুখেই পড়তে পারত ইউএস বাংলার ফ্লাইটটি। মালয়েশিয়া থেকে ঢাকা আসার পথে ইউএস বাংলার শুক্রবার বিকাল ৩টার বিএস ০৩১৬ ফ্লাইটের সামনের কাচ ফেটে যায়। সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে বিমানটি আর সেদিন উড্ডয়ন করেনি। সেদিন বড় কোনো ক্ষতি না হলেও প্রশ্ন উঠেছে, ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে বারবার এমন বিঘ্ন ঘটছে কেন! এর আগে গত ২৪ জুন ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটেও যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছিল।
মালয়েশিয়া থেকে ঢাকা আসার ফ্লাইটটিতে বোর্ডিং সম্পন্ন হওয়ার পর যাত্রীরা জানতে পারেন, ফ্লাইট ঢাকায় যাবে না। ফ্লাইটের ৫০০– এর বেশি যাত্রীকে কুয়ালামপুর বিমানবন্দরের কাছে একটি হোটেলে রাখা হয়েছিল। সেখানে তাদের থাকা ও খাওয়ায় কোনো সমস্যা না হলেও অনেকেই মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছেন। অন্যদিকে স্বজনদের বরণ করে নিতে যারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন, তাদের অনেকেই চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন।
বিমানের সবকিছু পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে চলাচলের উপযোগী করে তুলে পরের দিন শনিবার (২৭ জুন) সব যাত্রী নিয়ে ফ্লাইটটি ঢাকায় ফেরে। বিষয়টি নিয়ে ইউএস বাংলার মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে সিজেডএনকে তিনি বলেন, ‘এটা কোনো দুর্ঘটনা নয়, এমন সমস্যা হতেই পারে। আমরা যাত্রীদের যথেষ্ট সেবা দিয়েছি এবং সবকিছু পর্যবেক্ষণ করে বিমানটি চলাচলের উপযোগী আছে মনে করার পর যাত্রীদের নিয়ে ঢাকায় ফিরেছে।’
কিন্তু ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটের এমন হঠাৎ জটিলতা নতুন কিছু নয়। মালয়েশিয়া থেকে ঢাকাগামী ফ্লাইটের এমন বিভ্রাটের দুদিন আগে গত বুধবারও (২৪ জুন) একটি ঘটনা ঘটে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী একটি ফ্লাইট রানওয়ের দিকে যাওয়ার সময় হঠাৎ ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। যাত্রীদের পরে জরুরি ভিত্তিতে দরজা ভেঙে বাইরে বের করে আনা হয়। ফ্লাইটিতে প্রায় ৭০ জন যাত্রী ছিল বলে জানা গেছে।

এর আগে, ২০১৮ সালে নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস বাংলার একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল। ২০১৮ সালের মার্চ মাসের সেই দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা ৭১ জন যাত্রীর ৫১ জনই মারা যান, ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল।
জুন মাসে পরপর দুটি ফ্লাইটে বিঘ্ন ঘটার পর নিয়মিত বিমানযাত্রীদের অনেকেই বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ ও চলাচলের অনুপযোগী বিমান উড্ডয়ন নিষিদ্ধ করার বিষয়ে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। এ ছাড়া ব্যবহৃত বিমানগুলো কিনে তা নকশার পরিবর্তন করে সিট বাড়ানোর ঘটনাও ঘটছে। এগুলো বন্ধ করতে না পারলে যাত্রী ভোগান্তি ও দুর্ঘটনা বাড়বে।
বিষয়টি নিয়ে জানতে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল বেবিচকের ফ্লাইট সেফটি অ্যান্ড রেগুলেশন বিভাগের পরিচালক এয়ার কমডোর মো. মনিরুল ইসলামের সঙ্গে। সাংবাদিক পরিচয় দিলে তিনি ‘মিটিংয়ে আছেন এবং কোনো জিজ্ঞাসা থাকলে জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগ’– এর পরামর্শ দিয়ে ফোন কেটে দেন।
পরে তাকে হোয়াটসঅ্যাপে দুটি প্রশ্ন পাঠানো হয়– গত ২৬ জুন মালয়েশিয়া থেকে ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটের জানালার কাচ ভেঙে যাওয়ায় বিলম্ব হয়েছে। আপনি কি বিষয়টি অবগত আছেন? এবং ইউএস বাংলার ফ্লাইটের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগেও নেপালে বড় একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। ইউএস বাংলার ফ্লাইটের ক্ষেত্রে এমনটা বারবার কেন হচ্ছে? এরা কি বিমান ঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করে না? আপনারা এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন কি?
এয়ার কমডোর মো. মনিরুল ইসলাম দুটি প্রশ্নের কোনোটিরই উত্তর দেননি। হোয়াটসঅ্যাপে তার সঙ্গে পরে আবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন কেটে দেন।




