শিশুদের টিকার আওতায় আনতে বিশেষ উদ্যোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

শিশুদের টিকার আওতায় আনতে বিশেষ উদ্যোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ১৯: ১৪

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে মাঠ পর্যায়ে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের পাশাপাশি বাসা-বাড়িতে প্রচারণা জোরদার করা হবে। মোবাইল এসএমএস ও পুশ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে অভিভাবকদের কাছে টিকার তথ্য পৌঁছে দেয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
ডিএনসিসি) প্রশাসক বলেন, সমন্বিত এই উদ্যোগের ফলে কোনো শিশুই টিকার বাইরে থাকবে না। একই সঙ্গে নগরবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সিটি করপোরেশনের অন্যতম দায়িত্ব।
তিনি বলেন, ১ লাখ ২০ হাজার শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। এজন্য জনবল বাড়ানো হবে।
সভায় ইউনিসেফের প্রতিনিধি মালাইলা ইউসুফজাই বলেন, শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনতে আমাদের সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। সরকারের টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে ইতোমধ্যে পোলিও ও ধনুষ্টঙ্কার নির্মূল, হেপাটাইটিস নিয়ন্ত্রণ এবং সম্প্রতি ৯৩ শতাংশ এইচপিভি ও ৯৭ শতাংশ টিসিভি টিকার কভারেজ অর্জিত হয়েছে। বর্তমানে ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় ৯টি অ্যান্টিজেনের মাধ্যমে ১২টি রোগের বিরুদ্ধে টিকা প্রদান করা হচ্ছে।
ইপিআই কাভারেজ ইভালুয়েশন সার্ভে ২০২৩ অনুযায়ী, দেশের নগর এলাকায় টিকাদান কভারেজ ৭৯ শতাংশ। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে কভারেজ ৭৫ দশমিক ৪ শতাংশ। যা ২০১৯ সালের তুলনায় ১ দশমিক ২ শতাংশ বেশি।
সভায় ২০২৬ সালের চলমান হাম-রুবেলা প্রাদুর্ভাবের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮ জেলায় হাম সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে এবং পরিস্থিতিকে জাতীয় পর্যায়ে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। আক্রান্তদের বড় অংশই শিশু। বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।
আলোচনা সভায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম, ইউনিসেফের ইমিউনাইজেশন ম্যানেজার ড. রিয়াদ মাহমুদ এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ড. নিজাম উদ্দীন আহমেদ বক্তব্য রাখেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে মাঠ পর্যায়ে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের পাশাপাশি বাসা-বাড়িতে প্রচারণা জোরদার করা হবে। মোবাইল এসএমএস ও পুশ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে অভিভাবকদের কাছে টিকার তথ্য পৌঁছে দেয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
ডিএনসিসি) প্রশাসক বলেন, সমন্বিত এই উদ্যোগের ফলে কোনো শিশুই টিকার বাইরে থাকবে না। একই সঙ্গে নগরবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সিটি করপোরেশনের অন্যতম দায়িত্ব।
তিনি বলেন, ১ লাখ ২০ হাজার শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। এজন্য জনবল বাড়ানো হবে।
সভায় ইউনিসেফের প্রতিনিধি মালাইলা ইউসুফজাই বলেন, শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনতে আমাদের সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। সরকারের টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে ইতোমধ্যে পোলিও ও ধনুষ্টঙ্কার নির্মূল, হেপাটাইটিস নিয়ন্ত্রণ এবং সম্প্রতি ৯৩ শতাংশ এইচপিভি ও ৯৭ শতাংশ টিসিভি টিকার কভারেজ অর্জিত হয়েছে। বর্তমানে ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় ৯টি অ্যান্টিজেনের মাধ্যমে ১২টি রোগের বিরুদ্ধে টিকা প্রদান করা হচ্ছে।
ইপিআই কাভারেজ ইভালুয়েশন সার্ভে ২০২৩ অনুযায়ী, দেশের নগর এলাকায় টিকাদান কভারেজ ৭৯ শতাংশ। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে কভারেজ ৭৫ দশমিক ৪ শতাংশ। যা ২০১৯ সালের তুলনায় ১ দশমিক ২ শতাংশ বেশি।
সভায় ২০২৬ সালের চলমান হাম-রুবেলা প্রাদুর্ভাবের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮ জেলায় হাম সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে এবং পরিস্থিতিকে জাতীয় পর্যায়ে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। আক্রান্তদের বড় অংশই শিশু। বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।
আলোচনা সভায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম, ইউনিসেফের ইমিউনাইজেশন ম্যানেজার ড. রিয়াদ মাহমুদ এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ড. নিজাম উদ্দীন আহমেদ বক্তব্য রাখেন।

শিশুদের টিকার আওতায় আনতে বিশেষ উদ্যোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ১৯: ১৪

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে মাঠ পর্যায়ে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের পাশাপাশি বাসা-বাড়িতে প্রচারণা জোরদার করা হবে। মোবাইল এসএমএস ও পুশ নোটিফিকেশনের মাধ্যমে অভিভাবকদের কাছে টিকার তথ্য পৌঁছে দেয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
ডিএনসিসি) প্রশাসক বলেন, সমন্বিত এই উদ্যোগের ফলে কোনো শিশুই টিকার বাইরে থাকবে না। একই সঙ্গে নগরবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সিটি করপোরেশনের অন্যতম দায়িত্ব।
তিনি বলেন, ১ লাখ ২০ হাজার শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। এজন্য জনবল বাড়ানো হবে।
সভায় ইউনিসেফের প্রতিনিধি মালাইলা ইউসুফজাই বলেন, শতভাগ শিশুকে টিকার আওতায় আনতে আমাদের সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। সরকারের টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে ইতোমধ্যে পোলিও ও ধনুষ্টঙ্কার নির্মূল, হেপাটাইটিস নিয়ন্ত্রণ এবং সম্প্রতি ৯৩ শতাংশ এইচপিভি ও ৯৭ শতাংশ টিসিভি টিকার কভারেজ অর্জিত হয়েছে। বর্তমানে ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় ৯টি অ্যান্টিজেনের মাধ্যমে ১২টি রোগের বিরুদ্ধে টিকা প্রদান করা হচ্ছে।
ইপিআই কাভারেজ ইভালুয়েশন সার্ভে ২০২৩ অনুযায়ী, দেশের নগর এলাকায় টিকাদান কভারেজ ৭৯ শতাংশ। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে কভারেজ ৭৫ দশমিক ৪ শতাংশ। যা ২০১৯ সালের তুলনায় ১ দশমিক ২ শতাংশ বেশি।
সভায় ২০২৬ সালের চলমান হাম-রুবেলা প্রাদুর্ভাবের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮ জেলায় হাম সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে এবং পরিস্থিতিকে জাতীয় পর্যায়ে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। আক্রান্তদের বড় অংশই শিশু। বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।
আলোচনা সভায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম, ইউনিসেফের ইমিউনাইজেশন ম্যানেজার ড. রিয়াদ মাহমুদ এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ড. নিজাম উদ্দীন আহমেদ বক্তব্য রাখেন।
/এসবি/

মেধাবী শিক্ষার্থীদের চেক দেবে ডিএনসিসি


