রাজধানীর ডেমরায় পৃথক দুর্ঘটনায় ২ বাইক আরোহী নিহত

রাজধানীর ডেমরায় পৃথক দুর্ঘটনায় ২ বাইক আরোহী নিহত
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ডেমরায় পৃথক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ১০টার দিকে ডেমড়া সুলতানা কামাল ব্রিজের পশ্চিম পাশে পিকআপের ধাক্কায় সাদ্দাম হোসেন (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
নিহত সাদ্দাম হোসেন নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জ রুপশীর আব্দুল লতিফের ছেলে। তিনি রাজধানীর কাকরাইলে একটি রিক্রুটিং এজেন্সিতে কাজ করতেন।
এজেন্সির মালিক মো. সজল হোসেন জানান, কাকরাইলে আমার ‘এসএসবি গ্লোবাল ওভাসিস’ নামে আমার একটি এজেন্সি আছে। সেই এজেন্সিতে মার্কেটিংয়ে কাজ করতো সাদ্দাম। প্রতিদিনের মতো আজও সে রূপগঞ্জের রুপশী থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে অফিসে আসছিল। পথে ডেমরা সুলতানা কামাল ব্রিজের পশ্চিম পাশে পিকআপের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়। পরে থানা পুলিশ তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাদ্দামকে মৃত ঘোষণা করেন।
ডেমরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. কাকন মিয়া জানান, পিকআপটির চালক পালিয়ে গেছে। তাকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
এদিকে, বুধবার (৬ মে) দিবাগত রাত ১১টার দিকে ডেমরা কোনাপাড়া বাঁশেরপুল এলাকায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নাজমুল হোসেন (১৯) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে রাত একটার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাজমুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত নাজমুল চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাঁও গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। বর্তমানে তিনি পরিবারের সঙ্গে ডেমরা কেনাপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন।
মৃত নাজমুলের নানা এমএ বারী জানান, নাজমুল তার বাবার সঙ্গে পার্টসের ব্যবসা দেখাশুনা করতো। রাতে বন্ধু ইমনের সঙ্গে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছিল সে। এরপর দুর্ঘটনার শিকার হয় নাজমুল।
ডেমরা থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. রুবেল হাওলাদার জানান, রাতে নাজমুল তার বন্ধু ইমনকে নিয়ে মোটরসাইকেলে ঘুরতে বের হয়। মোটরসাইকেল চালক ছিল ইমন। বৃষ্টির কারণে পিচ্ছিল রাস্তায় স্লিপ কেটে পড়ে গিয়ে আহত হয় দুজন। এরপর তাদের ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে নাজমুল মারা যায়। ইমন (২০) সামান্য আহত হয়। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করায় মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই হস্তান্তর করা হয়েছে।

রাজধানীর ডেমরায় পৃথক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ১০টার দিকে ডেমড়া সুলতানা কামাল ব্রিজের পশ্চিম পাশে পিকআপের ধাক্কায় সাদ্দাম হোসেন (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
নিহত সাদ্দাম হোসেন নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জ রুপশীর আব্দুল লতিফের ছেলে। তিনি রাজধানীর কাকরাইলে একটি রিক্রুটিং এজেন্সিতে কাজ করতেন।
এজেন্সির মালিক মো. সজল হোসেন জানান, কাকরাইলে আমার ‘এসএসবি গ্লোবাল ওভাসিস’ নামে আমার একটি এজেন্সি আছে। সেই এজেন্সিতে মার্কেটিংয়ে কাজ করতো সাদ্দাম। প্রতিদিনের মতো আজও সে রূপগঞ্জের রুপশী থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে অফিসে আসছিল। পথে ডেমরা সুলতানা কামাল ব্রিজের পশ্চিম পাশে পিকআপের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়। পরে থানা পুলিশ তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাদ্দামকে মৃত ঘোষণা করেন।
ডেমরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. কাকন মিয়া জানান, পিকআপটির চালক পালিয়ে গেছে। তাকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
এদিকে, বুধবার (৬ মে) দিবাগত রাত ১১টার দিকে ডেমরা কোনাপাড়া বাঁশেরপুল এলাকায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নাজমুল হোসেন (১৯) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে রাত একটার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাজমুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত নাজমুল চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাঁও গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। বর্তমানে তিনি পরিবারের সঙ্গে ডেমরা কেনাপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন।
মৃত নাজমুলের নানা এমএ বারী জানান, নাজমুল তার বাবার সঙ্গে পার্টসের ব্যবসা দেখাশুনা করতো। রাতে বন্ধু ইমনের সঙ্গে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছিল সে। এরপর দুর্ঘটনার শিকার হয় নাজমুল।
ডেমরা থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. রুবেল হাওলাদার জানান, রাতে নাজমুল তার বন্ধু ইমনকে নিয়ে মোটরসাইকেলে ঘুরতে বের হয়। মোটরসাইকেল চালক ছিল ইমন। বৃষ্টির কারণে পিচ্ছিল রাস্তায় স্লিপ কেটে পড়ে গিয়ে আহত হয় দুজন। এরপর তাদের ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে নাজমুল মারা যায়। ইমন (২০) সামান্য আহত হয়। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করায় মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই হস্তান্তর করা হয়েছে।

রাজধানীর ডেমরায় পৃথক দুর্ঘটনায় ২ বাইক আরোহী নিহত
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ডেমরায় পৃথক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ১০টার দিকে ডেমড়া সুলতানা কামাল ব্রিজের পশ্চিম পাশে পিকআপের ধাক্কায় সাদ্দাম হোসেন (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
নিহত সাদ্দাম হোসেন নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জ রুপশীর আব্দুল লতিফের ছেলে। তিনি রাজধানীর কাকরাইলে একটি রিক্রুটিং এজেন্সিতে কাজ করতেন।
এজেন্সির মালিক মো. সজল হোসেন জানান, কাকরাইলে আমার ‘এসএসবি গ্লোবাল ওভাসিস’ নামে আমার একটি এজেন্সি আছে। সেই এজেন্সিতে মার্কেটিংয়ে কাজ করতো সাদ্দাম। প্রতিদিনের মতো আজও সে রূপগঞ্জের রুপশী থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে অফিসে আসছিল। পথে ডেমরা সুলতানা কামাল ব্রিজের পশ্চিম পাশে পিকআপের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়। পরে থানা পুলিশ তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাদ্দামকে মৃত ঘোষণা করেন।
ডেমরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. কাকন মিয়া জানান, পিকআপটির চালক পালিয়ে গেছে। তাকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
এদিকে, বুধবার (৬ মে) দিবাগত রাত ১১টার দিকে ডেমরা কোনাপাড়া বাঁশেরপুল এলাকায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নাজমুল হোসেন (১৯) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে রাত একটার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাজমুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত নাজমুল চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাঁও গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে। বর্তমানে তিনি পরিবারের সঙ্গে ডেমরা কেনাপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন।
মৃত নাজমুলের নানা এমএ বারী জানান, নাজমুল তার বাবার সঙ্গে পার্টসের ব্যবসা দেখাশুনা করতো। রাতে বন্ধু ইমনের সঙ্গে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছিল সে। এরপর দুর্ঘটনার শিকার হয় নাজমুল।
ডেমরা থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. রুবেল হাওলাদার জানান, রাতে নাজমুল তার বন্ধু ইমনকে নিয়ে মোটরসাইকেলে ঘুরতে বের হয়। মোটরসাইকেল চালক ছিল ইমন। বৃষ্টির কারণে পিচ্ছিল রাস্তায় স্লিপ কেটে পড়ে গিয়ে আহত হয় দুজন। এরপর তাদের ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে নাজমুল মারা যায়। ইমন (২০) সামান্য আহত হয়। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করায় মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই হস্তান্তর করা হয়েছে।

রাজধানীর ডেমরায় সুইমিংপুলে ডুবে এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু


