ডেঙ্গু মোকাবিলায় ক্র্যাশ প্রোগ্রামে নামছে ডিএনসিসি

ডেঙ্গু মোকাবিলায় ক্র্যাশ প্রোগ্রামে নামছে ডিএনসিসি
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নগরীর সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা মোকাবিলা এবং ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আগেভাগেই বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শুরু করতে যাচ্ছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে গুলশান নগর ভবনে ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
সভা শেষে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের যেসব স্থানে বৃষ্টি হলে জলাবদ্ধতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেসব স্থানে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন ও খালের পানিপ্রবাহ সচল রাখা হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ও প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ প্রচারাভিযান পরিচালনার বিষয়ে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংসের চলমান কার্যক্রম আরও জোরদার করার জন্য ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, সভায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দ্রুততার সঙ্গে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের বিষয়ে করণীয় নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ডিএনসিসির ১০টি জোনে পৃথক ১০টি মনিটরিং টিম গঠন করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরও গতিশীল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, বর্ষা মৌসুমে ঢাকা শহরে ব্যাপকহারে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভায় ডিএনসিসির বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নগরীর সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা মোকাবিলা এবং ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আগেভাগেই বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শুরু করতে যাচ্ছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে গুলশান নগর ভবনে ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
সভা শেষে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের যেসব স্থানে বৃষ্টি হলে জলাবদ্ধতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেসব স্থানে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন ও খালের পানিপ্রবাহ সচল রাখা হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ও প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ প্রচারাভিযান পরিচালনার বিষয়ে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংসের চলমান কার্যক্রম আরও জোরদার করার জন্য ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, সভায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দ্রুততার সঙ্গে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের বিষয়ে করণীয় নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ডিএনসিসির ১০টি জোনে পৃথক ১০টি মনিটরিং টিম গঠন করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরও গতিশীল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, বর্ষা মৌসুমে ঢাকা শহরে ব্যাপকহারে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভায় ডিএনসিসির বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

ডেঙ্গু মোকাবিলায় ক্র্যাশ প্রোগ্রামে নামছে ডিএনসিসি
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নগরীর সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা মোকাবিলা এবং ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আগেভাগেই বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শুরু করতে যাচ্ছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে গুলশান নগর ভবনে ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
সভা শেষে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের যেসব স্থানে বৃষ্টি হলে জলাবদ্ধতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেসব স্থানে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন ও খালের পানিপ্রবাহ সচল রাখা হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ও প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ প্রচারাভিযান পরিচালনার বিষয়ে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংসের চলমান কার্যক্রম আরও জোরদার করার জন্য ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, সভায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দ্রুততার সঙ্গে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের বিষয়ে করণীয় নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ডিএনসিসির ১০টি জোনে পৃথক ১০টি মনিটরিং টিম গঠন করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরও গতিশীল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, বর্ষা মৌসুমে ঢাকা শহরে ব্যাপকহারে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভায় ডিএনসিসির বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।




