রাজধানীতে হোস্টেলের বাথরুমে পড়ে ছিল শ্রমিকের গলাকাটা মরদেহ

রাজধানীতে হোস্টেলের বাথরুমে পড়ে ছিল শ্রমিকের গলাকাটা মরদেহ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর কামরাঙ্গীচর এলাকায় একটি হোস্টেল থেকে ইয়াকুব আলী (২৫) নামে এক শ্রমিকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। বুধবার (২৩ এপ্রিল) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন প্রতিষ্ঠানের সহকারী ম্যানেজার বজলুর রহমান।
এর আগে, গতকাল বুধবার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে কামরাঙ্গীচরের লেকপাড় এলাকার ম্যাটাডোর গ্রুপের এমপ্লয়িজ হোস্টেলের বাথরুমে ইয়াকুবকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে সহকর্মীরা। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ইয়াকুবকে মৃত ঘোষণা করেন।
ইয়াকুব আলী মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার আড়ালিয়া গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে। তিনি কাজের সুবাদে কোম্পানির হোস্টেলে থাকতেন।
সহকারী ম্যানেজার বজলুর রহমান জানান, অন্য শ্রমিকরা বিষয়টি জানালে দ্রুত ইয়াকুবকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের নিয়ে যাওয়া হয়। জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ২টা ৫৫ মিনিটে ইয়াকুবকে মৃত ঘোষণা করে চিকিৎসক। তার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ইয়াকুবের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। তবে কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এদিকে, খবর পেয়ে নিহত ইয়াকুবের বড় ভাই মো. আরফান ঢামেক হাসপাতালে ছুটে আসেন। তিনি দাবি করে বলেন, তার ভাইকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট ছিল ইয়াকুব।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা—তা তদন্ত শেষে জানা যাবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

রাজধানীর কামরাঙ্গীচর এলাকায় একটি হোস্টেল থেকে ইয়াকুব আলী (২৫) নামে এক শ্রমিকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। বুধবার (২৩ এপ্রিল) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন প্রতিষ্ঠানের সহকারী ম্যানেজার বজলুর রহমান।
এর আগে, গতকাল বুধবার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে কামরাঙ্গীচরের লেকপাড় এলাকার ম্যাটাডোর গ্রুপের এমপ্লয়িজ হোস্টেলের বাথরুমে ইয়াকুবকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে সহকর্মীরা। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ইয়াকুবকে মৃত ঘোষণা করেন।
ইয়াকুব আলী মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার আড়ালিয়া গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে। তিনি কাজের সুবাদে কোম্পানির হোস্টেলে থাকতেন।
সহকারী ম্যানেজার বজলুর রহমান জানান, অন্য শ্রমিকরা বিষয়টি জানালে দ্রুত ইয়াকুবকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের নিয়ে যাওয়া হয়। জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ২টা ৫৫ মিনিটে ইয়াকুবকে মৃত ঘোষণা করে চিকিৎসক। তার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ইয়াকুবের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। তবে কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এদিকে, খবর পেয়ে নিহত ইয়াকুবের বড় ভাই মো. আরফান ঢামেক হাসপাতালে ছুটে আসেন। তিনি দাবি করে বলেন, তার ভাইকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট ছিল ইয়াকুব।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা—তা তদন্ত শেষে জানা যাবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

রাজধানীতে হোস্টেলের বাথরুমে পড়ে ছিল শ্রমিকের গলাকাটা মরদেহ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর কামরাঙ্গীচর এলাকায় একটি হোস্টেল থেকে ইয়াকুব আলী (২৫) নামে এক শ্রমিকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। বুধবার (২৩ এপ্রিল) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন প্রতিষ্ঠানের সহকারী ম্যানেজার বজলুর রহমান।
এর আগে, গতকাল বুধবার দিবাগত রাত সোয়া একটার দিকে কামরাঙ্গীচরের লেকপাড় এলাকার ম্যাটাডোর গ্রুপের এমপ্লয়িজ হোস্টেলের বাথরুমে ইয়াকুবকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে সহকর্মীরা। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ইয়াকুবকে মৃত ঘোষণা করেন।
ইয়াকুব আলী মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার আড়ালিয়া গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে। তিনি কাজের সুবাদে কোম্পানির হোস্টেলে থাকতেন।
সহকারী ম্যানেজার বজলুর রহমান জানান, অন্য শ্রমিকরা বিষয়টি জানালে দ্রুত ইয়াকুবকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের নিয়ে যাওয়া হয়। জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ২টা ৫৫ মিনিটে ইয়াকুবকে মৃত ঘোষণা করে চিকিৎসক। তার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ইয়াকুবের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। তবে কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এদিকে, খবর পেয়ে নিহত ইয়াকুবের বড় ভাই মো. আরফান ঢামেক হাসপাতালে ছুটে আসেন। তিনি দাবি করে বলেন, তার ভাইকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট ছিল ইয়াকুব।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা—তা তদন্ত শেষে জানা যাবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।




