পারস্য উপসাগরের তলদেশে ইন্টারনেট কেবলে হামলার হুমকি ইরানের
সিটিজেন ডেস্ক

পারস্য উপসাগরের তলদেশে ইন্টারনেট কেবলে হামলার হুমকি ইরানের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১১: ১৫

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ পারস্য উপসাগরের তলদেশে অবস্থিত ইন্টারনেট কেবল ও ক্লাউড অবকাঠামোর একটি বিস্তারিত মানচিত্র প্রকাশ করেছে। বিষয়টিকে ওই অঞ্চলের ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর তেহরানের এক শক্তিশালী ও প্রচ্ছন্ন হুমকি হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
বুধবার (২২ এপ্রিল) প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাসনিম উল্লেখ করেছে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কেবল জ্বালানি সরবরাহের পথ নয়, বরং এটি সাবমেরিন কেবলের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল করিডোর। এ পথ দিয়েই মূলত সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও সৌদি আরবের মতো দেশগুলোর বৈশ্বিক ইন্টারনেট সংযোগের প্রধান কেবলগুলো অতিক্রম করেছে।
প্রতিবেদনে যুক্তি দেওয়া হয়েছে, পারস্য উপসাগরের দক্ষিণের দেশগুলো ইন্টারনেটের জন্য ইরানের তুলনায় সমুদ্রপথের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল। বিশ্লেষকদের মতে, তাসনিমের এই প্রতিবেদনটি কেবল সাধারণ কারিগরি তথ্য সরবরাহ করার উদ্দেশ্যে করা হয়নি। বরং চলমান ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ওই অঞ্চলের কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন এবং ডেটা সেন্টারগুলোকে কৌশলগত চাপের প্রধান উৎস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে আরব আমিরাত ও বাহরাইনে অবস্থিত ক্লাউড অবকাঠামো এবং বড় বড় ডেটা সেন্টারগুলোর ওপর কোনো ধরনের বিপর্যয় ঘটলে তার অর্থনৈতিক ও যোগাযোগগত প্রভাব যে ভয়াবহ হবে, ইরান পরোক্ষভাবে সেই বার্তাই পৌঁছে দিয়েছে।
এ সতর্কবার্তা এমন এক সময় সামনে এলো যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে ডিজিটাল অবকাঠামোতে সাইবার ও শারীরিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আরব আমিরাত ও বাহরাইনে আমাজন ওয়েব সার্ভিসের স্থাপনায় ইরানের ড্রোন হামলা হয়েছে, যা বাণিজ্যিক ক্লাউড অবকাঠামোর বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকিকে জনসমক্ষে নিয়ে এসেছে। তাসনিমের সর্বশেষ পদক্ষেপটি ইঙ্গিত দিচ্ছে, প্রচলিত যুদ্ধক্ষেত্রের পাশাপাশি বন্দর, জাহাজ চলাচল এবং জ্বালানি স্থাপনার মতো এখন থেকে সাবমেরিন কেবল ও আঞ্চলিক ডেটা সেন্টারগুলোও ইরানের সামরিক ও কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় সরাসরি যুক্ত হয়েছে।
সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ পারস্য উপসাগরের তলদেশে অবস্থিত ইন্টারনেট কেবল ও ক্লাউড অবকাঠামোর একটি বিস্তারিত মানচিত্র প্রকাশ করেছে। বিষয়টিকে ওই অঞ্চলের ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর তেহরানের এক শক্তিশালী ও প্রচ্ছন্ন হুমকি হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
বুধবার (২২ এপ্রিল) প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাসনিম উল্লেখ করেছে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কেবল জ্বালানি সরবরাহের পথ নয়, বরং এটি সাবমেরিন কেবলের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল করিডোর। এ পথ দিয়েই মূলত সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও সৌদি আরবের মতো দেশগুলোর বৈশ্বিক ইন্টারনেট সংযোগের প্রধান কেবলগুলো অতিক্রম করেছে।
প্রতিবেদনে যুক্তি দেওয়া হয়েছে, পারস্য উপসাগরের দক্ষিণের দেশগুলো ইন্টারনেটের জন্য ইরানের তুলনায় সমুদ্রপথের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল। বিশ্লেষকদের মতে, তাসনিমের এই প্রতিবেদনটি কেবল সাধারণ কারিগরি তথ্য সরবরাহ করার উদ্দেশ্যে করা হয়নি। বরং চলমান ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ওই অঞ্চলের কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন এবং ডেটা সেন্টারগুলোকে কৌশলগত চাপের প্রধান উৎস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে আরব আমিরাত ও বাহরাইনে অবস্থিত ক্লাউড অবকাঠামো এবং বড় বড় ডেটা সেন্টারগুলোর ওপর কোনো ধরনের বিপর্যয় ঘটলে তার অর্থনৈতিক ও যোগাযোগগত প্রভাব যে ভয়াবহ হবে, ইরান পরোক্ষভাবে সেই বার্তাই পৌঁছে দিয়েছে।
এ সতর্কবার্তা এমন এক সময় সামনে এলো যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে ডিজিটাল অবকাঠামোতে সাইবার ও শারীরিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আরব আমিরাত ও বাহরাইনে আমাজন ওয়েব সার্ভিসের স্থাপনায় ইরানের ড্রোন হামলা হয়েছে, যা বাণিজ্যিক ক্লাউড অবকাঠামোর বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকিকে জনসমক্ষে নিয়ে এসেছে। তাসনিমের সর্বশেষ পদক্ষেপটি ইঙ্গিত দিচ্ছে, প্রচলিত যুদ্ধক্ষেত্রের পাশাপাশি বন্দর, জাহাজ চলাচল এবং জ্বালানি স্থাপনার মতো এখন থেকে সাবমেরিন কেবল ও আঞ্চলিক ডেটা সেন্টারগুলোও ইরানের সামরিক ও কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় সরাসরি যুক্ত হয়েছে।
সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল

পারস্য উপসাগরের তলদেশে ইন্টারনেট কেবলে হামলার হুমকি ইরানের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১১: ১৫

ছবি: সংগৃহীত
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ পারস্য উপসাগরের তলদেশে অবস্থিত ইন্টারনেট কেবল ও ক্লাউড অবকাঠামোর একটি বিস্তারিত মানচিত্র প্রকাশ করেছে। বিষয়টিকে ওই অঞ্চলের ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর তেহরানের এক শক্তিশালী ও প্রচ্ছন্ন হুমকি হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
বুধবার (২২ এপ্রিল) প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাসনিম উল্লেখ করেছে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কেবল জ্বালানি সরবরাহের পথ নয়, বরং এটি সাবমেরিন কেবলের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল করিডোর। এ পথ দিয়েই মূলত সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও সৌদি আরবের মতো দেশগুলোর বৈশ্বিক ইন্টারনেট সংযোগের প্রধান কেবলগুলো অতিক্রম করেছে।
প্রতিবেদনে যুক্তি দেওয়া হয়েছে, পারস্য উপসাগরের দক্ষিণের দেশগুলো ইন্টারনেটের জন্য ইরানের তুলনায় সমুদ্রপথের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল। বিশ্লেষকদের মতে, তাসনিমের এই প্রতিবেদনটি কেবল সাধারণ কারিগরি তথ্য সরবরাহ করার উদ্দেশ্যে করা হয়নি। বরং চলমান ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ওই অঞ্চলের কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন এবং ডেটা সেন্টারগুলোকে কৌশলগত চাপের প্রধান উৎস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষ করে আরব আমিরাত ও বাহরাইনে অবস্থিত ক্লাউড অবকাঠামো এবং বড় বড় ডেটা সেন্টারগুলোর ওপর কোনো ধরনের বিপর্যয় ঘটলে তার অর্থনৈতিক ও যোগাযোগগত প্রভাব যে ভয়াবহ হবে, ইরান পরোক্ষভাবে সেই বার্তাই পৌঁছে দিয়েছে।
এ সতর্কবার্তা এমন এক সময় সামনে এলো যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে ডিজিটাল অবকাঠামোতে সাইবার ও শারীরিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আরব আমিরাত ও বাহরাইনে আমাজন ওয়েব সার্ভিসের স্থাপনায় ইরানের ড্রোন হামলা হয়েছে, যা বাণিজ্যিক ক্লাউড অবকাঠামোর বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকিকে জনসমক্ষে নিয়ে এসেছে। তাসনিমের সর্বশেষ পদক্ষেপটি ইঙ্গিত দিচ্ছে, প্রচলিত যুদ্ধক্ষেত্রের পাশাপাশি বন্দর, জাহাজ চলাচল এবং জ্বালানি স্থাপনার মতো এখন থেকে সাবমেরিন কেবল ও আঞ্চলিক ডেটা সেন্টারগুলোও ইরানের সামরিক ও কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় সরাসরি যুক্ত হয়েছে।
সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল
/এমএকে/




