মহানবীর আদর্শ অনুসরণ করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব: ঢাবি উপাচার্য

মহানবীর আদর্শ অনুসরণ করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব: ঢাবি উপাচার্য
ঢাবি সংবাদদাতা

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) দোয়া মহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
এ সময় ঢাবি উপাচার্য বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন আল আমিন অর্থাৎ সত্যবাদী। অথচ বিনা কারণে আমরা মিথ্যা কথা বলি। নিঃস্বার্থ হওয়ার পরিবর্তে আমরা স্বার্থপর হই। পরমতসহিষ্ণুতার পরিবর্তে আমরা অসহিষ্ণু হই। অন্যের প্রতি দয়া প্রদর্শনের পরিবর্তে জুলুম করি।
তিনি বলেন, মহানবী (সা.) ছিলেন পূর্ণাঙ্গ মহামানব। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে সমাজে ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মিথ্যা কথা, অপবাদ, অন্যায়, অপকর্ম, হিংসা, বিদ্বেষ, উগ্রতা, অহংকার ও অহমিকা পরিহার করতে হবে। আমাদের কথা, কাজ ও আচরণের মাধ্যমে মহানবীর আদর্শের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পারলেই সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হবে। এতে ইসলাম ধর্ম ও মুসলিম জাতির শ্রেষ্ঠত্বও প্রমাণিত হবে।
অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম আরও বলেন, ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ জীবনে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে জীবন গড়ে তুলতে পারলেই সমাজে শান্তি আসবে।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) দোয়া মহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
এ সময় ঢাবি উপাচার্য বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন আল আমিন অর্থাৎ সত্যবাদী। অথচ বিনা কারণে আমরা মিথ্যা কথা বলি। নিঃস্বার্থ হওয়ার পরিবর্তে আমরা স্বার্থপর হই। পরমতসহিষ্ণুতার পরিবর্তে আমরা অসহিষ্ণু হই। অন্যের প্রতি দয়া প্রদর্শনের পরিবর্তে জুলুম করি।
তিনি বলেন, মহানবী (সা.) ছিলেন পূর্ণাঙ্গ মহামানব। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে সমাজে ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মিথ্যা কথা, অপবাদ, অন্যায়, অপকর্ম, হিংসা, বিদ্বেষ, উগ্রতা, অহংকার ও অহমিকা পরিহার করতে হবে। আমাদের কথা, কাজ ও আচরণের মাধ্যমে মহানবীর আদর্শের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পারলেই সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হবে। এতে ইসলাম ধর্ম ও মুসলিম জাতির শ্রেষ্ঠত্বও প্রমাণিত হবে।
অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম আরও বলেন, ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ জীবনে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে জীবন গড়ে তুলতে পারলেই সমাজে শান্তি আসবে।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী।

মহানবীর আদর্শ অনুসরণ করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব: ঢাবি উপাচার্য
ঢাবি সংবাদদাতা

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) দোয়া মহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
এ সময় ঢাবি উপাচার্য বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন আল আমিন অর্থাৎ সত্যবাদী। অথচ বিনা কারণে আমরা মিথ্যা কথা বলি। নিঃস্বার্থ হওয়ার পরিবর্তে আমরা স্বার্থপর হই। পরমতসহিষ্ণুতার পরিবর্তে আমরা অসহিষ্ণু হই। অন্যের প্রতি দয়া প্রদর্শনের পরিবর্তে জুলুম করি।
তিনি বলেন, মহানবী (সা.) ছিলেন পূর্ণাঙ্গ মহামানব। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে সমাজে ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মিথ্যা কথা, অপবাদ, অন্যায়, অপকর্ম, হিংসা, বিদ্বেষ, উগ্রতা, অহংকার ও অহমিকা পরিহার করতে হবে। আমাদের কথা, কাজ ও আচরণের মাধ্যমে মহানবীর আদর্শের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পারলেই সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হবে। এতে ইসলাম ধর্ম ও মুসলিম জাতির শ্রেষ্ঠত্বও প্রমাণিত হবে।
অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম আরও বলেন, ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ জীবনে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে জীবন গড়ে তুলতে পারলেই সমাজে শান্তি আসবে।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী।

প্রভোস্টের রুমে তালা দেওয়ায় ঢাবির হল সংসদের ভিপিকে শোকজ






