গ্রামের পণ্য যাবে বিদেশে, হবে ৭৫ লাখ মানুষের কাজের সুযোগ

গ্রামের পণ্য যাবে বিদেশে, হবে ৭৫ লাখ মানুষের কাজের সুযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

সম্ভাবনাময় গ্রামীণ পণ্যকে আধুনিক নকশা ও আন্তর্জাতিক বাজার উপযোগী করে সৃজনশীল অর্থনীতির নতুন দুয়ার খুলতে যাচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে শীতলপাটি, শতরঞ্জি, তাঁত, মৃৎশিল্প ও বুনন শিল্পের মতো ৫টি পণ্য নিয়ে ‘এক গ্রাম এক পণ্য’ কর্মসূচির পাইলট প্রকল্প শুরু হচ্ছে।
ধাপে ধাপে প্রতিটি গ্রামের সম্ভাবনাময় একটি পণ্যকে ব্র্যান্ডে পরিণত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব পণ্য ঘিরে গড়ে উঠতে পারে গ্রামীণ পর্যটন, প্রদর্শনী ও বিক্রয়কেন্দ্রভিত্তিক কর্মসংস্থানও। এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে গ্রামেই ৭৫ লাখ মানুষের নতুন কর্মসংস্থান হতে পারে।
সম্প্রতি পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) এক বৈঠকে ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির বিষয়ে আলোচকরা নীতিগত সংস্কার, কর-সহায়তা, কপিরাইট সুরক্ষা, লাইসেন্স প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং টেকসই সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেন।
এদিকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সম্প্রতি অর্থ বিভাগে ক্রিয়েটিভ অর্থনীতিসংক্রান্ত এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধি ছাড়াও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সভার কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে– সরকারের লক্ষ্য ক্রিয়েটিভ শিল্পের অবদান বাংলাদেশের জিডিপিতে ১ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করা। এর অংশ হিসেবে ‘ক্রিয়েটেড ইন বাংলাদেশ’ নামে জাতীয় ব্র্যান্ড চালু, আন্তর্জাতিকমানের ফিল্ম স্টুডিও, ওটিটি খাতের উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সৃজনশীল পণ্য তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।
সভায় জানানো হয়, দেশের সৃজনশীল অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে পূর্বাচলে ১৬০ একর জমিতে সেন্ট্রাল ক্রিয়েটিভ হাব, দেশীয় ডিজাইনারদের নিয়ে ‘ন্যাশনাল পুল অব ডিজাইনার্স’ এবং বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আঞ্চলিক ক্রিয়েটিভ হাব গড়ে তোলার পরিকল্পনাও এগিয়ে চলছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওই আলোচনায় শীতলপাটি, শতরঞ্জি, তাঁতশিল্প, মৃৎশিল্প ও বুনন শিল্পসহ বিভিন্ন পণ্যের কথা উঠে আসে। সভায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এসএম জিয়াউদ্দিন হায়দার জানান, গত এক বছর ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ‘একটি গ্রাম একটি পণ্য’ বাস্তবায়নের সম্ভাবনা যাচাই করা হয়েছে।
সভায় ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ জানান, বাজারের চাহিদা বিশ্লেষণ করে কোন এলাকায় কোন ধরনের পণ্য তৈরি হচ্ছে, তার ওপর এরইমধ্যে কাজ করা হয়েছে। ব্র্যাক এ বিষয়ে ৩৩-৩৪টি ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা করেছে। তিনি জানান, ‘একটি গ্রাম একটি পণ্য’ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৭৫ লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
প্রথমত, উৎপাদন খাতে তাঁতি, কারুশিল্পী, মৃৎশিল্পী, বাঁশ-বেতশিল্পী, কৃষক, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী ও অন্যান্য দক্ষ কারিগরের কাজ বাড়বে।
দ্বিতীয়ত, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্যাকেজিং খাতে মেশিন অপারেটর, প্যাকেজিং কর্মী, লেবেলিং ও সংরক্ষণকর্মীর প্রয়োজন হবে।
তৃতীয়ত, মান নিয়ন্ত্রণ ও ডিজাইন খাতে পণ্য ডিজাইনার, মান যাচাইকারী, পণ্য উন্নয়ন কর্মকর্তা ও কারিগরি প্রশিক্ষকের কর্মসংস্থান হবে।
চতুর্থত, পরিবহণ ও সরবরাহ ব্যবস্থায় সংগ্রহকারী, গুদামকর্মী, চালক ও ডেলিভারিকর্মীর চাহিদা বাড়বে।
এছাড়া বিপণন ও বিক্রয় খাতে বিক্রয়কর্মী, বাজারসংযোগ কর্মকর্তা, ই-কমার্স উদ্যোক্তা, ডিজিটাল মার্কেটার ও রপ্তানি সহায়তাকারীর সুযোগ তৈরি হবে।
বিবি রাসেলের নেতৃত্বে ডিজাইনার পুল
গ্রামীণ পণ্যের আধুনিক নকশা ও আন্তর্জাতিক বাজারের উপযোগী উপস্থাপনের লক্ষ্যে দেশীয় খ্যাতিমান ডিজাইনারদের সমন্বয়ে ‘ন্যাশনাল পুল অব ডিজাইনার্স’ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় ফ্যাশন ডিজাইনার বিবি রাসেলকে যুক্ত করে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক), বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে এ পুল গঠনের জন্য সভা আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে স্থানীয় কারুশিল্পীদের সঙ্গে পেশাদার ডিজাইনারদের সরাসরি যোগাযোগ তৈরি হবে।
এছাড়া আসন্ন শীতে জব্বারের বলীখেলা, বনবিবি উৎসবের মতো স্থানীয় ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিক আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়ও আলোচনায় এসেছে।

সম্ভাবনাময় গ্রামীণ পণ্যকে আধুনিক নকশা ও আন্তর্জাতিক বাজার উপযোগী করে সৃজনশীল অর্থনীতির নতুন দুয়ার খুলতে যাচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে শীতলপাটি, শতরঞ্জি, তাঁত, মৃৎশিল্প ও বুনন শিল্পের মতো ৫টি পণ্য নিয়ে ‘এক গ্রাম এক পণ্য’ কর্মসূচির পাইলট প্রকল্প শুরু হচ্ছে।
ধাপে ধাপে প্রতিটি গ্রামের সম্ভাবনাময় একটি পণ্যকে ব্র্যান্ডে পরিণত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব পণ্য ঘিরে গড়ে উঠতে পারে গ্রামীণ পর্যটন, প্রদর্শনী ও বিক্রয়কেন্দ্রভিত্তিক কর্মসংস্থানও। এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে গ্রামেই ৭৫ লাখ মানুষের নতুন কর্মসংস্থান হতে পারে।
সম্প্রতি পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) এক বৈঠকে ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির বিষয়ে আলোচকরা নীতিগত সংস্কার, কর-সহায়তা, কপিরাইট সুরক্ষা, লাইসেন্স প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং টেকসই সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেন।
এদিকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সম্প্রতি অর্থ বিভাগে ক্রিয়েটিভ অর্থনীতিসংক্রান্ত এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধি ছাড়াও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সভার কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে– সরকারের লক্ষ্য ক্রিয়েটিভ শিল্পের অবদান বাংলাদেশের জিডিপিতে ১ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করা। এর অংশ হিসেবে ‘ক্রিয়েটেড ইন বাংলাদেশ’ নামে জাতীয় ব্র্যান্ড চালু, আন্তর্জাতিকমানের ফিল্ম স্টুডিও, ওটিটি খাতের উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সৃজনশীল পণ্য তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।
সভায় জানানো হয়, দেশের সৃজনশীল অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে পূর্বাচলে ১৬০ একর জমিতে সেন্ট্রাল ক্রিয়েটিভ হাব, দেশীয় ডিজাইনারদের নিয়ে ‘ন্যাশনাল পুল অব ডিজাইনার্স’ এবং বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আঞ্চলিক ক্রিয়েটিভ হাব গড়ে তোলার পরিকল্পনাও এগিয়ে চলছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওই আলোচনায় শীতলপাটি, শতরঞ্জি, তাঁতশিল্প, মৃৎশিল্প ও বুনন শিল্পসহ বিভিন্ন পণ্যের কথা উঠে আসে। সভায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এসএম জিয়াউদ্দিন হায়দার জানান, গত এক বছর ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ‘একটি গ্রাম একটি পণ্য’ বাস্তবায়নের সম্ভাবনা যাচাই করা হয়েছে।
সভায় ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ জানান, বাজারের চাহিদা বিশ্লেষণ করে কোন এলাকায় কোন ধরনের পণ্য তৈরি হচ্ছে, তার ওপর এরইমধ্যে কাজ করা হয়েছে। ব্র্যাক এ বিষয়ে ৩৩-৩৪টি ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা করেছে। তিনি জানান, ‘একটি গ্রাম একটি পণ্য’ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৭৫ লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
প্রথমত, উৎপাদন খাতে তাঁতি, কারুশিল্পী, মৃৎশিল্পী, বাঁশ-বেতশিল্পী, কৃষক, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী ও অন্যান্য দক্ষ কারিগরের কাজ বাড়বে।
দ্বিতীয়ত, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্যাকেজিং খাতে মেশিন অপারেটর, প্যাকেজিং কর্মী, লেবেলিং ও সংরক্ষণকর্মীর প্রয়োজন হবে।
তৃতীয়ত, মান নিয়ন্ত্রণ ও ডিজাইন খাতে পণ্য ডিজাইনার, মান যাচাইকারী, পণ্য উন্নয়ন কর্মকর্তা ও কারিগরি প্রশিক্ষকের কর্মসংস্থান হবে।
চতুর্থত, পরিবহণ ও সরবরাহ ব্যবস্থায় সংগ্রহকারী, গুদামকর্মী, চালক ও ডেলিভারিকর্মীর চাহিদা বাড়বে।
এছাড়া বিপণন ও বিক্রয় খাতে বিক্রয়কর্মী, বাজারসংযোগ কর্মকর্তা, ই-কমার্স উদ্যোক্তা, ডিজিটাল মার্কেটার ও রপ্তানি সহায়তাকারীর সুযোগ তৈরি হবে।
বিবি রাসেলের নেতৃত্বে ডিজাইনার পুল
গ্রামীণ পণ্যের আধুনিক নকশা ও আন্তর্জাতিক বাজারের উপযোগী উপস্থাপনের লক্ষ্যে দেশীয় খ্যাতিমান ডিজাইনারদের সমন্বয়ে ‘ন্যাশনাল পুল অব ডিজাইনার্স’ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় ফ্যাশন ডিজাইনার বিবি রাসেলকে যুক্ত করে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক), বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে এ পুল গঠনের জন্য সভা আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে স্থানীয় কারুশিল্পীদের সঙ্গে পেশাদার ডিজাইনারদের সরাসরি যোগাযোগ তৈরি হবে।
এছাড়া আসন্ন শীতে জব্বারের বলীখেলা, বনবিবি উৎসবের মতো স্থানীয় ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিক আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়ও আলোচনায় এসেছে।

গ্রামের পণ্য যাবে বিদেশে, হবে ৭৫ লাখ মানুষের কাজের সুযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক

সম্ভাবনাময় গ্রামীণ পণ্যকে আধুনিক নকশা ও আন্তর্জাতিক বাজার উপযোগী করে সৃজনশীল অর্থনীতির নতুন দুয়ার খুলতে যাচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে শীতলপাটি, শতরঞ্জি, তাঁত, মৃৎশিল্প ও বুনন শিল্পের মতো ৫টি পণ্য নিয়ে ‘এক গ্রাম এক পণ্য’ কর্মসূচির পাইলট প্রকল্প শুরু হচ্ছে।
ধাপে ধাপে প্রতিটি গ্রামের সম্ভাবনাময় একটি পণ্যকে ব্র্যান্ডে পরিণত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব পণ্য ঘিরে গড়ে উঠতে পারে গ্রামীণ পর্যটন, প্রদর্শনী ও বিক্রয়কেন্দ্রভিত্তিক কর্মসংস্থানও। এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে গ্রামেই ৭৫ লাখ মানুষের নতুন কর্মসংস্থান হতে পারে।
সম্প্রতি পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) এক বৈঠকে ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির বিষয়ে আলোচকরা নীতিগত সংস্কার, কর-সহায়তা, কপিরাইট সুরক্ষা, লাইসেন্স প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং টেকসই সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দেন।
এদিকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সম্প্রতি অর্থ বিভাগে ক্রিয়েটিভ অর্থনীতিসংক্রান্ত এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধি ছাড়াও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সভার কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে– সরকারের লক্ষ্য ক্রিয়েটিভ শিল্পের অবদান বাংলাদেশের জিডিপিতে ১ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করা। এর অংশ হিসেবে ‘ক্রিয়েটেড ইন বাংলাদেশ’ নামে জাতীয় ব্র্যান্ড চালু, আন্তর্জাতিকমানের ফিল্ম স্টুডিও, ওটিটি খাতের উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সৃজনশীল পণ্য তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।
সভায় জানানো হয়, দেশের সৃজনশীল অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে পূর্বাচলে ১৬০ একর জমিতে সেন্ট্রাল ক্রিয়েটিভ হাব, দেশীয় ডিজাইনারদের নিয়ে ‘ন্যাশনাল পুল অব ডিজাইনার্স’ এবং বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আঞ্চলিক ক্রিয়েটিভ হাব গড়ে তোলার পরিকল্পনাও এগিয়ে চলছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওই আলোচনায় শীতলপাটি, শতরঞ্জি, তাঁতশিল্প, মৃৎশিল্প ও বুনন শিল্পসহ বিভিন্ন পণ্যের কথা উঠে আসে। সভায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এসএম জিয়াউদ্দিন হায়দার জানান, গত এক বছর ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ‘একটি গ্রাম একটি পণ্য’ বাস্তবায়নের সম্ভাবনা যাচাই করা হয়েছে।
সভায় ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ জানান, বাজারের চাহিদা বিশ্লেষণ করে কোন এলাকায় কোন ধরনের পণ্য তৈরি হচ্ছে, তার ওপর এরইমধ্যে কাজ করা হয়েছে। ব্র্যাক এ বিষয়ে ৩৩-৩৪টি ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা করেছে। তিনি জানান, ‘একটি গ্রাম একটি পণ্য’ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৭৫ লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
প্রথমত, উৎপাদন খাতে তাঁতি, কারুশিল্পী, মৃৎশিল্পী, বাঁশ-বেতশিল্পী, কৃষক, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী ও অন্যান্য দক্ষ কারিগরের কাজ বাড়বে।
দ্বিতীয়ত, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্যাকেজিং খাতে মেশিন অপারেটর, প্যাকেজিং কর্মী, লেবেলিং ও সংরক্ষণকর্মীর প্রয়োজন হবে।
তৃতীয়ত, মান নিয়ন্ত্রণ ও ডিজাইন খাতে পণ্য ডিজাইনার, মান যাচাইকারী, পণ্য উন্নয়ন কর্মকর্তা ও কারিগরি প্রশিক্ষকের কর্মসংস্থান হবে।
চতুর্থত, পরিবহণ ও সরবরাহ ব্যবস্থায় সংগ্রহকারী, গুদামকর্মী, চালক ও ডেলিভারিকর্মীর চাহিদা বাড়বে।
এছাড়া বিপণন ও বিক্রয় খাতে বিক্রয়কর্মী, বাজারসংযোগ কর্মকর্তা, ই-কমার্স উদ্যোক্তা, ডিজিটাল মার্কেটার ও রপ্তানি সহায়তাকারীর সুযোগ তৈরি হবে।
বিবি রাসেলের নেতৃত্বে ডিজাইনার পুল
গ্রামীণ পণ্যের আধুনিক নকশা ও আন্তর্জাতিক বাজারের উপযোগী উপস্থাপনের লক্ষ্যে দেশীয় খ্যাতিমান ডিজাইনারদের সমন্বয়ে ‘ন্যাশনাল পুল অব ডিজাইনার্স’ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় ফ্যাশন ডিজাইনার বিবি রাসেলকে যুক্ত করে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক), বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে এ পুল গঠনের জন্য সভা আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে স্থানীয় কারুশিল্পীদের সঙ্গে পেশাদার ডিজাইনারদের সরাসরি যোগাযোগ তৈরি হবে।
এছাড়া আসন্ন শীতে জব্বারের বলীখেলা, বনবিবি উৎসবের মতো স্থানীয় ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিক আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করার বিষয়ও আলোচনায় এসেছে।

ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি খাতের উন্নয়নে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ 





