ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপে ভারতের আইআইটিতে বেরোবির বাইজিদ

ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপে ভারতের আইআইটিতে বেরোবির বাইজিদ
বেরোবি সংবাদদাতা

ভারতের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (আইআইটি)’ ফুল ফান্ডেড পিএইচডি স্কলারশিপ পেয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক শিক্ষার্থী বাইজিদ আহমেদ। মার্কেটিং বিষয়ে টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপসহ চলতি বছরের জুলাই মাসে পিএইচডি প্রোগ্রামে যোগ দিয়েছেন তিনি।
বাইজিদ আহমেদ বেরোবির মার্কেটিং বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসরুম থেকে গবেষণার প্রতি আগ্রহ, এরপর শিক্ষকতা ও অ্যাকাডেমিক জীবনের নানা অভিজ্ঞতা। বর্তমানে তিনি চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। পিএইচডিতে যোগদানের আগে তিনি একই বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছেন। তার বাড়ি গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে।
শুধু ভারতের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হিসেবেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পরিচিত আইআইটি কানপুর। বিশ্বমানের গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে ভারত ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশেষ অবস্থান ধরে রেখেছে। এমন একটি প্রতিষ্ঠানে পিএইচডির সুযোগ পাওয়াকে নিজের দীর্ঘ গবেষণা-যাত্রার নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন বাইজিদ।
স্কলারশিপের আওতায় তিনি টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের পাশাপাশি মাসিক উপবৃত্তি পাবেন। এছাড়া গবেষণা সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য ভ্রমণ ভাতা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অ্যাকাডেমিক ও গবেষণাসংক্রান্ত বিভিন্ন খাতে আর্থিক সহায়তাও থাকবে।
নিজের এই অর্জন প্রসঙ্গে বাইজিদ আহমেদ বলেন, আইআইটিতে ফুল ফান্ডেড পিএইচডিতে অধ্যয়নের সুযোগ পেয়ে আমি সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পাশাপাশি আমাকে ভালো মানের গবেষণা করতে হবে, সেই দিকটিও বিবেচনায় রয়েছে। সব মিলিয়ে আইআইটির মতো ভালো মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করার সুযোগ যেহেতু পেয়েছি, তাই এখন এটিকে কাজে লাগিয়ে নিজের গবেষণার দক্ষতা বৃদ্ধি করতে চাই। সঠিক সময়ে পিএইচডি শেষ করে আবার দেশের কল্যাণে নিজেকে মনোনিবেশ করতে চাই।
নিজের এই পথচলার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই অ্যাকাডেমিক ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন ছিল তার। সেই স্বপ্নের ভিত্তি তৈরি হয়েছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময়। এখান থেকেই গবেষণার প্রতি তার আগ্রহ তৈরি হয় এবং উচ্চশিক্ষার পথে এগিয়ে যাওয়ার সাহস পান।
বেরোবির সাবেক এই শিক্ষার্থী জানান, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করার পর শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হলেও গবেষণার কাজ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেননি। চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করার পর নিজের আগ্রহের ক্ষেত্র নিয়ে নিয়মিত কাজ ও গবেষণায় মনোযোগী হন।
বাইজিদের বিশ্বাস, গবেষণা ও উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে যেতে হলে শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজ করার লক্ষ্য নিয়ে নিয়মিত পড়াশোনা, গবেষণা দক্ষতা এবং নতুন জ্ঞান অর্জনের অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।
নিজের এই অর্জনকে ব্যক্তিগত সাফল্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চান না তিনি। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীরা যেন গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখতে উৎসাহিত হন, সেটিই তার প্রত্যাশা।
বাইজিদ আহমেদ বলেন, আইআইটির মতো আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত প্রতিষ্ঠানগুলো গবেষণায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয়। সঠিক প্রস্তুতি, ধৈর্য এবং নিজের লক্ষ্যে অবিচল থাকলে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরাও বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে নিজেদের জায়গা করে নিতে পারেন।

ভারতের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (আইআইটি)’ ফুল ফান্ডেড পিএইচডি স্কলারশিপ পেয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক শিক্ষার্থী বাইজিদ আহমেদ। মার্কেটিং বিষয়ে টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপসহ চলতি বছরের জুলাই মাসে পিএইচডি প্রোগ্রামে যোগ দিয়েছেন তিনি।
বাইজিদ আহমেদ বেরোবির মার্কেটিং বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসরুম থেকে গবেষণার প্রতি আগ্রহ, এরপর শিক্ষকতা ও অ্যাকাডেমিক জীবনের নানা অভিজ্ঞতা। বর্তমানে তিনি চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। পিএইচডিতে যোগদানের আগে তিনি একই বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছেন। তার বাড়ি গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে।
শুধু ভারতের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হিসেবেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পরিচিত আইআইটি কানপুর। বিশ্বমানের গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে ভারত ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশেষ অবস্থান ধরে রেখেছে। এমন একটি প্রতিষ্ঠানে পিএইচডির সুযোগ পাওয়াকে নিজের দীর্ঘ গবেষণা-যাত্রার নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন বাইজিদ।
স্কলারশিপের আওতায় তিনি টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের পাশাপাশি মাসিক উপবৃত্তি পাবেন। এছাড়া গবেষণা সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য ভ্রমণ ভাতা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অ্যাকাডেমিক ও গবেষণাসংক্রান্ত বিভিন্ন খাতে আর্থিক সহায়তাও থাকবে।
নিজের এই অর্জন প্রসঙ্গে বাইজিদ আহমেদ বলেন, আইআইটিতে ফুল ফান্ডেড পিএইচডিতে অধ্যয়নের সুযোগ পেয়ে আমি সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পাশাপাশি আমাকে ভালো মানের গবেষণা করতে হবে, সেই দিকটিও বিবেচনায় রয়েছে। সব মিলিয়ে আইআইটির মতো ভালো মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করার সুযোগ যেহেতু পেয়েছি, তাই এখন এটিকে কাজে লাগিয়ে নিজের গবেষণার দক্ষতা বৃদ্ধি করতে চাই। সঠিক সময়ে পিএইচডি শেষ করে আবার দেশের কল্যাণে নিজেকে মনোনিবেশ করতে চাই।
নিজের এই পথচলার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই অ্যাকাডেমিক ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন ছিল তার। সেই স্বপ্নের ভিত্তি তৈরি হয়েছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময়। এখান থেকেই গবেষণার প্রতি তার আগ্রহ তৈরি হয় এবং উচ্চশিক্ষার পথে এগিয়ে যাওয়ার সাহস পান।
বেরোবির সাবেক এই শিক্ষার্থী জানান, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করার পর শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হলেও গবেষণার কাজ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেননি। চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করার পর নিজের আগ্রহের ক্ষেত্র নিয়ে নিয়মিত কাজ ও গবেষণায় মনোযোগী হন।
বাইজিদের বিশ্বাস, গবেষণা ও উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে যেতে হলে শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজ করার লক্ষ্য নিয়ে নিয়মিত পড়াশোনা, গবেষণা দক্ষতা এবং নতুন জ্ঞান অর্জনের অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।
নিজের এই অর্জনকে ব্যক্তিগত সাফল্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চান না তিনি। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীরা যেন গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখতে উৎসাহিত হন, সেটিই তার প্রত্যাশা।
বাইজিদ আহমেদ বলেন, আইআইটির মতো আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত প্রতিষ্ঠানগুলো গবেষণায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয়। সঠিক প্রস্তুতি, ধৈর্য এবং নিজের লক্ষ্যে অবিচল থাকলে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরাও বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে নিজেদের জায়গা করে নিতে পারেন।

ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপে ভারতের আইআইটিতে বেরোবির বাইজিদ
বেরোবি সংবাদদাতা

ভারতের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (আইআইটি)’ ফুল ফান্ডেড পিএইচডি স্কলারশিপ পেয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক শিক্ষার্থী বাইজিদ আহমেদ। মার্কেটিং বিষয়ে টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপসহ চলতি বছরের জুলাই মাসে পিএইচডি প্রোগ্রামে যোগ দিয়েছেন তিনি।
বাইজিদ আহমেদ বেরোবির মার্কেটিং বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসরুম থেকে গবেষণার প্রতি আগ্রহ, এরপর শিক্ষকতা ও অ্যাকাডেমিক জীবনের নানা অভিজ্ঞতা। বর্তমানে তিনি চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। পিএইচডিতে যোগদানের আগে তিনি একই বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছেন। তার বাড়ি গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে।
শুধু ভারতের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হিসেবেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পরিচিত আইআইটি কানপুর। বিশ্বমানের গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে ভারত ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশেষ অবস্থান ধরে রেখেছে। এমন একটি প্রতিষ্ঠানে পিএইচডির সুযোগ পাওয়াকে নিজের দীর্ঘ গবেষণা-যাত্রার নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন বাইজিদ।
স্কলারশিপের আওতায় তিনি টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের পাশাপাশি মাসিক উপবৃত্তি পাবেন। এছাড়া গবেষণা সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য ভ্রমণ ভাতা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অ্যাকাডেমিক ও গবেষণাসংক্রান্ত বিভিন্ন খাতে আর্থিক সহায়তাও থাকবে।
নিজের এই অর্জন প্রসঙ্গে বাইজিদ আহমেদ বলেন, আইআইটিতে ফুল ফান্ডেড পিএইচডিতে অধ্যয়নের সুযোগ পেয়ে আমি সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পাশাপাশি আমাকে ভালো মানের গবেষণা করতে হবে, সেই দিকটিও বিবেচনায় রয়েছে। সব মিলিয়ে আইআইটির মতো ভালো মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করার সুযোগ যেহেতু পেয়েছি, তাই এখন এটিকে কাজে লাগিয়ে নিজের গবেষণার দক্ষতা বৃদ্ধি করতে চাই। সঠিক সময়ে পিএইচডি শেষ করে আবার দেশের কল্যাণে নিজেকে মনোনিবেশ করতে চাই।
নিজের এই পথচলার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই অ্যাকাডেমিক ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন ছিল তার। সেই স্বপ্নের ভিত্তি তৈরি হয়েছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময়। এখান থেকেই গবেষণার প্রতি তার আগ্রহ তৈরি হয় এবং উচ্চশিক্ষার পথে এগিয়ে যাওয়ার সাহস পান।
বেরোবির সাবেক এই শিক্ষার্থী জানান, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করার পর শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হলেও গবেষণার কাজ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেননি। চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করার পর নিজের আগ্রহের ক্ষেত্র নিয়ে নিয়মিত কাজ ও গবেষণায় মনোযোগী হন।
বাইজিদের বিশ্বাস, গবেষণা ও উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে যেতে হলে শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজ করার লক্ষ্য নিয়ে নিয়মিত পড়াশোনা, গবেষণা দক্ষতা এবং নতুন জ্ঞান অর্জনের অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।
নিজের এই অর্জনকে ব্যক্তিগত সাফল্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চান না তিনি। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীরা যেন গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখতে উৎসাহিত হন, সেটিই তার প্রত্যাশা।
বাইজিদ আহমেদ বলেন, আইআইটির মতো আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত প্রতিষ্ঠানগুলো গবেষণায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয়। সঠিক প্রস্তুতি, ধৈর্য এবং নিজের লক্ষ্যে অবিচল থাকলে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরাও বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে নিজেদের জায়গা করে নিতে পারেন।

বেরোবির সেই বাস মেরামত করলো দরজা-জানালা তৈরির ওয়ার্কশপ






