ঢাকা কলেজের উন্নয়নে মাস্টারপ্ল্যান প্রয়োজন: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা কলেজের উন্নয়নে মাস্টারপ্ল্যান প্রয়োজন: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা কলেজ সংবাদদাতা

ঢাকা কলেজের অবকাঠামো উন্নয়নে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নসহ প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। তিনি বলেন, ‘ঢাকা কলেজের প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেলে আমি অবশ্যই তা করবো।’
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বেলা ১১টায় ঢাকা কলেজের শহীদ আ. ন. ম নজিব উদ্দীন খুররম অডিটোরিয়ামে ঢাকা কলেজ ডিবেটিং সোসাইটি (ডিসিডিএস) আয়োজিত পঞ্চম জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, ‘ঢাকা কলেজ দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ও প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্য এবং শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষা ও অন্যান্য কার্যক্রমে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত তৈরি করা প্রয়োজন।’
নিজের সঙ্গে ঢাকা কলেজের আবেগের সম্পর্ক তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ঢাকা কলেজের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত ও আবেগের সম্পর্ক রয়েছে। আমিও এই কলেজের শিক্ষার্থী ছিলাম। দীর্ঘদিন পর কলেজে এসে বর্তমান অবকাঠামো দেখে কিছু পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছি।’
কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে কলেজের অডিটোরিয়ামসহ পুরো ক্যাম্পাসের উন্নয়নে একটি মাস্টারপ্ল্যান করার প্রয়োজন রয়েছে।’
নিজের ভূমিকার বিষয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘একজন ঢাকা কলেজের প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে আমার যদি কোনো কাজ করার সুযোগ থাকে, অবশ্যই আমি সেটা করবো।’
ঢাকা কলেজের অবস্থান ও শিক্ষার্থীদের মেধাকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, রাজধানীর কেন্দ্রে অবস্থিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি দেশের মানুষের বেশি মনোযোগ আকর্ষণ করে। একই সঙ্গে তুলনামূলকভাবে ভালো ফল করা শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ এখানে ভর্তি হয়। এই বিশেষ অবস্থান ও সুযোগকে শুধু নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য উদাহরণ তৈরিতে কাজে লাগানো উচিত।’
শিক্ষার সঙ্গে সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘শিক্ষা শুধু অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বিতর্ক, বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং ছাত্র আন্দোলনও শিক্ষার্থীদের শেখার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।’
তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় শিক্ষা ও ছাত্র আন্দোলনকে নেতিবাচকভাবে দেখার সুযোগ নেই। তবে দখলদারিত্ব ও অন্যের অধিকার হরণের মতো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান থাকতে হবে।’
বিতর্কচর্চার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিতর্কের সময় কোনো বিষয়ে বিপক্ষ অবস্থান নেওয়ার অনুশীলন শিক্ষার্থীদের নিজেদের বিশ্বাস ও ধারণাকে প্রশ্ন করতে শেখায়। এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তিনির্ভরভাবে চিন্তা করার দক্ষতা তৈরি হয়। ভবিষ্যৎ কর্মজীবনেও এই দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস বলেন, ‘ঢাকা কলেজ সবসময়ই সহশিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে জোরালোভাবে সম্পৃক্ত। বিশেষ করে বিতর্কচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে কলেজটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘সমাজ যুক্তিনির্ভর হয়ে উঠুক। যুক্তি ও তর্কের মাধ্যমে চিন্তার বিকাশ ঘটবে। একই সঙ্গে অন্যের মতামত কীভাবে গ্রহণ করতে হয় এবং নিজের মতামত কীভাবে যুক্তির মাধ্যমে অন্যের কাছে তুলে ধরতে হয়– এই চর্চার মধ্য দিয়ে সমাজে স্থিতিশীলতা তৈরি হবে।’
অধ্যক্ষ আরও বলেন, ‘বিতর্কচর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের গড়ে তুলে ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করবে।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক আনোয়ার মাহমুদ ও শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আক্তারুজ্জামান। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত বিতার্কিক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা কলেজের অবকাঠামো উন্নয়নে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নসহ প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। তিনি বলেন, ‘ঢাকা কলেজের প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেলে আমি অবশ্যই তা করবো।’
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বেলা ১১টায় ঢাকা কলেজের শহীদ আ. ন. ম নজিব উদ্দীন খুররম অডিটোরিয়ামে ঢাকা কলেজ ডিবেটিং সোসাইটি (ডিসিডিএস) আয়োজিত পঞ্চম জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, ‘ঢাকা কলেজ দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ও প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্য এবং শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষা ও অন্যান্য কার্যক্রমে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত তৈরি করা প্রয়োজন।’
নিজের সঙ্গে ঢাকা কলেজের আবেগের সম্পর্ক তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ঢাকা কলেজের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত ও আবেগের সম্পর্ক রয়েছে। আমিও এই কলেজের শিক্ষার্থী ছিলাম। দীর্ঘদিন পর কলেজে এসে বর্তমান অবকাঠামো দেখে কিছু পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছি।’
কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে কলেজের অডিটোরিয়ামসহ পুরো ক্যাম্পাসের উন্নয়নে একটি মাস্টারপ্ল্যান করার প্রয়োজন রয়েছে।’
নিজের ভূমিকার বিষয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘একজন ঢাকা কলেজের প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে আমার যদি কোনো কাজ করার সুযোগ থাকে, অবশ্যই আমি সেটা করবো।’
ঢাকা কলেজের অবস্থান ও শিক্ষার্থীদের মেধাকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, রাজধানীর কেন্দ্রে অবস্থিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি দেশের মানুষের বেশি মনোযোগ আকর্ষণ করে। একই সঙ্গে তুলনামূলকভাবে ভালো ফল করা শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ এখানে ভর্তি হয়। এই বিশেষ অবস্থান ও সুযোগকে শুধু নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য উদাহরণ তৈরিতে কাজে লাগানো উচিত।’
শিক্ষার সঙ্গে সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘শিক্ষা শুধু অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বিতর্ক, বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং ছাত্র আন্দোলনও শিক্ষার্থীদের শেখার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।’
তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় শিক্ষা ও ছাত্র আন্দোলনকে নেতিবাচকভাবে দেখার সুযোগ নেই। তবে দখলদারিত্ব ও অন্যের অধিকার হরণের মতো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান থাকতে হবে।’
বিতর্কচর্চার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিতর্কের সময় কোনো বিষয়ে বিপক্ষ অবস্থান নেওয়ার অনুশীলন শিক্ষার্থীদের নিজেদের বিশ্বাস ও ধারণাকে প্রশ্ন করতে শেখায়। এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তিনির্ভরভাবে চিন্তা করার দক্ষতা তৈরি হয়। ভবিষ্যৎ কর্মজীবনেও এই দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস বলেন, ‘ঢাকা কলেজ সবসময়ই সহশিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে জোরালোভাবে সম্পৃক্ত। বিশেষ করে বিতর্কচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে কলেজটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘সমাজ যুক্তিনির্ভর হয়ে উঠুক। যুক্তি ও তর্কের মাধ্যমে চিন্তার বিকাশ ঘটবে। একই সঙ্গে অন্যের মতামত কীভাবে গ্রহণ করতে হয় এবং নিজের মতামত কীভাবে যুক্তির মাধ্যমে অন্যের কাছে তুলে ধরতে হয়– এই চর্চার মধ্য দিয়ে সমাজে স্থিতিশীলতা তৈরি হবে।’
অধ্যক্ষ আরও বলেন, ‘বিতর্কচর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের গড়ে তুলে ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করবে।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক আনোয়ার মাহমুদ ও শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আক্তারুজ্জামান। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত বিতার্কিক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা কলেজের উন্নয়নে মাস্টারপ্ল্যান প্রয়োজন: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা কলেজ সংবাদদাতা

ঢাকা কলেজের অবকাঠামো উন্নয়নে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নসহ প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। তিনি বলেন, ‘ঢাকা কলেজের প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেলে আমি অবশ্যই তা করবো।’
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বেলা ১১টায় ঢাকা কলেজের শহীদ আ. ন. ম নজিব উদ্দীন খুররম অডিটোরিয়ামে ঢাকা কলেজ ডিবেটিং সোসাইটি (ডিসিডিএস) আয়োজিত পঞ্চম জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, ‘ঢাকা কলেজ দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ও প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্য এবং শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষা ও অন্যান্য কার্যক্রমে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত তৈরি করা প্রয়োজন।’
নিজের সঙ্গে ঢাকা কলেজের আবেগের সম্পর্ক তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ঢাকা কলেজের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত ও আবেগের সম্পর্ক রয়েছে। আমিও এই কলেজের শিক্ষার্থী ছিলাম। দীর্ঘদিন পর কলেজে এসে বর্তমান অবকাঠামো দেখে কিছু পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছি।’
কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে কলেজের অডিটোরিয়ামসহ পুরো ক্যাম্পাসের উন্নয়নে একটি মাস্টারপ্ল্যান করার প্রয়োজন রয়েছে।’
নিজের ভূমিকার বিষয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘একজন ঢাকা কলেজের প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে আমার যদি কোনো কাজ করার সুযোগ থাকে, অবশ্যই আমি সেটা করবো।’
ঢাকা কলেজের অবস্থান ও শিক্ষার্থীদের মেধাকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, রাজধানীর কেন্দ্রে অবস্থিত হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি দেশের মানুষের বেশি মনোযোগ আকর্ষণ করে। একই সঙ্গে তুলনামূলকভাবে ভালো ফল করা শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ এখানে ভর্তি হয়। এই বিশেষ অবস্থান ও সুযোগকে শুধু নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য উদাহরণ তৈরিতে কাজে লাগানো উচিত।’
শিক্ষার সঙ্গে সহশিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘শিক্ষা শুধু অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বিতর্ক, বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং ছাত্র আন্দোলনও শিক্ষার্থীদের শেখার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।’
তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় শিক্ষা ও ছাত্র আন্দোলনকে নেতিবাচকভাবে দেখার সুযোগ নেই। তবে দখলদারিত্ব ও অন্যের অধিকার হরণের মতো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান থাকতে হবে।’
বিতর্কচর্চার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিতর্কের সময় কোনো বিষয়ে বিপক্ষ অবস্থান নেওয়ার অনুশীলন শিক্ষার্থীদের নিজেদের বিশ্বাস ও ধারণাকে প্রশ্ন করতে শেখায়। এর মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তিনির্ভরভাবে চিন্তা করার দক্ষতা তৈরি হয়। ভবিষ্যৎ কর্মজীবনেও এই দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস বলেন, ‘ঢাকা কলেজ সবসময়ই সহশিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে জোরালোভাবে সম্পৃক্ত। বিশেষ করে বিতর্কচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে কলেজটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘সমাজ যুক্তিনির্ভর হয়ে উঠুক। যুক্তি ও তর্কের মাধ্যমে চিন্তার বিকাশ ঘটবে। একই সঙ্গে অন্যের মতামত কীভাবে গ্রহণ করতে হয় এবং নিজের মতামত কীভাবে যুক্তির মাধ্যমে অন্যের কাছে তুলে ধরতে হয়– এই চর্চার মধ্য দিয়ে সমাজে স্থিতিশীলতা তৈরি হবে।’
অধ্যক্ষ আরও বলেন, ‘বিতর্কচর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের গড়ে তুলে ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করবে।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক আনোয়ার মাহমুদ ও শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আক্তারুজ্জামান। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত বিতার্কিক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

ফুটপাতের দোকান নিয়ে সংঘর্ষ: ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের ৫ নেতা বহিষ্কার







