জাবির ১৩ হল মসজিদ ও কেন্দ্রীয় মন্দিরে ধর্মীয় পাঠাগার চালু

জাবির ১৩ হল মসজিদ ও কেন্দ্রীয় মন্দিরে ধর্মীয় পাঠাগার চালু
জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩টি হলের মসজিদ ও কেন্দ্রীয় মন্দিরে ধর্মীয় পাঠাগার চালু করা হয়েছে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ‘জাকসু রিলিজিয়াস লাইব্রেরি ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পের আওতায় এসব পাঠাগারের জন্য বিভিন্ন ধর্মীয় ও জীবনঘনিষ্ঠ বইসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জাকসু ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পাঠাগারগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। একই অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্দিরে পাঠাগার স্থাপনের জন্য ৫০ হাজার টাকার অনুদানও হস্তান্তর করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সোহেল রানা বলেন, ধর্মীয় পাঠাগারগুলোকে আরও সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি এর বই ও অন্যান্য উপকরণ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা ও নৈতিক বিকাশে এসব পাঠাগার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলাম বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ মানুষের হতাশা কাটিয়ে নতুন করে আশাবাদী ও অনুপ্রাণিত হতে সহায়তা করতে পারে। সেই লক্ষ্যেই পাঠাগারগুলোতে শুধু ধর্মীয় বিষয়ক বই রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে জীবন, সমাজ ও ব্যক্তিগত উন্নয়নমূলক বিভিন্ন বইয়ের সমন্বয়ে একটি সমৃদ্ধ সংগ্রহ গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও চিন্তার পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে এই উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরের জন্য স্থায়ী জায়গা নির্ধারণ এবং সেটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।
নবাব সলিমুল্লাহ হলের ইমাম ও লাইব্রেরির সিলেবাস সমন্বয়কারী সাইফুল্লাহ সাদ বলেন, মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন মানুষ ও কল্যাণমুখী নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে ধর্মীয় জ্ঞানের গুরুত্ব অনেক। আশা করি, পাঠাগারে সংযোজিত বইগুলো শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি জীবন গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে জাকসুর সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ফেরদৌস আল হাসান ধর্মীয় পাঠাগার বাস্তবায়নের পূর্ণাঙ্গ হিসাব তুলে ধরেন। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতা ও পরিশ্রম করা সংশ্লিষ্ট সবাইকে তিনি ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী হলগুলোর মসজিদ সংস্কারের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩টি হলের মসজিদ ও কেন্দ্রীয় মন্দিরে ধর্মীয় পাঠাগার চালু করা হয়েছে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ‘জাকসু রিলিজিয়াস লাইব্রেরি ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পের আওতায় এসব পাঠাগারের জন্য বিভিন্ন ধর্মীয় ও জীবনঘনিষ্ঠ বইসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জাকসু ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পাঠাগারগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। একই অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্দিরে পাঠাগার স্থাপনের জন্য ৫০ হাজার টাকার অনুদানও হস্তান্তর করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সোহেল রানা বলেন, ধর্মীয় পাঠাগারগুলোকে আরও সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি এর বই ও অন্যান্য উপকরণ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা ও নৈতিক বিকাশে এসব পাঠাগার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলাম বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ মানুষের হতাশা কাটিয়ে নতুন করে আশাবাদী ও অনুপ্রাণিত হতে সহায়তা করতে পারে। সেই লক্ষ্যেই পাঠাগারগুলোতে শুধু ধর্মীয় বিষয়ক বই রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে জীবন, সমাজ ও ব্যক্তিগত উন্নয়নমূলক বিভিন্ন বইয়ের সমন্বয়ে একটি সমৃদ্ধ সংগ্রহ গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও চিন্তার পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে এই উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরের জন্য স্থায়ী জায়গা নির্ধারণ এবং সেটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।
নবাব সলিমুল্লাহ হলের ইমাম ও লাইব্রেরির সিলেবাস সমন্বয়কারী সাইফুল্লাহ সাদ বলেন, মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন মানুষ ও কল্যাণমুখী নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে ধর্মীয় জ্ঞানের গুরুত্ব অনেক। আশা করি, পাঠাগারে সংযোজিত বইগুলো শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি জীবন গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে জাকসুর সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ফেরদৌস আল হাসান ধর্মীয় পাঠাগার বাস্তবায়নের পূর্ণাঙ্গ হিসাব তুলে ধরেন। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতা ও পরিশ্রম করা সংশ্লিষ্ট সবাইকে তিনি ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী হলগুলোর মসজিদ সংস্কারের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

জাবির ১৩ হল মসজিদ ও কেন্দ্রীয় মন্দিরে ধর্মীয় পাঠাগার চালু
জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩টি হলের মসজিদ ও কেন্দ্রীয় মন্দিরে ধর্মীয় পাঠাগার চালু করা হয়েছে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ‘জাকসু রিলিজিয়াস লাইব্রেরি ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পের আওতায় এসব পাঠাগারের জন্য বিভিন্ন ধর্মীয় ও জীবনঘনিষ্ঠ বইসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জাকসু ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পাঠাগারগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। একই অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্দিরে পাঠাগার স্থাপনের জন্য ৫০ হাজার টাকার অনুদানও হস্তান্তর করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সোহেল রানা বলেন, ধর্মীয় পাঠাগারগুলোকে আরও সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি এর বই ও অন্যান্য উপকরণ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা ও নৈতিক বিকাশে এসব পাঠাগার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলাম বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ মানুষের হতাশা কাটিয়ে নতুন করে আশাবাদী ও অনুপ্রাণিত হতে সহায়তা করতে পারে। সেই লক্ষ্যেই পাঠাগারগুলোতে শুধু ধর্মীয় বিষয়ক বই রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে জীবন, সমাজ ও ব্যক্তিগত উন্নয়নমূলক বিভিন্ন বইয়ের সমন্বয়ে একটি সমৃদ্ধ সংগ্রহ গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও চিন্তার পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে এই উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরের জন্য স্থায়ী জায়গা নির্ধারণ এবং সেটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।
নবাব সলিমুল্লাহ হলের ইমাম ও লাইব্রেরির সিলেবাস সমন্বয়কারী সাইফুল্লাহ সাদ বলেন, মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন মানুষ ও কল্যাণমুখী নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে ধর্মীয় জ্ঞানের গুরুত্ব অনেক। আশা করি, পাঠাগারে সংযোজিত বইগুলো শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি জীবন গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে জাকসুর সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ফেরদৌস আল হাসান ধর্মীয় পাঠাগার বাস্তবায়নের পূর্ণাঙ্গ হিসাব তুলে ধরেন। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতা ও পরিশ্রম করা সংশ্লিষ্ট সবাইকে তিনি ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী হলগুলোর মসজিদ সংস্কারের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

কাগজ, সিল আর স্বাক্ষরের গোলকধাঁধায় জাবি শিক্ষার্থীরা






