শিরোনাম

বড় মাছ বিক্রি করা চান্দু মোল্লার আড়তে হামলা, আহত ২

রাজবাড়ী সংবাদদাতা
রাজবাড়ী সংবাদদাতা
 বড় মাছ বিক্রি করা চান্দু মোল্লার আড়তে হামলা, আহত ২
হামলার পর চান্দু মোল্লা মৎস আড়তে এলোমেলোভাবে পড়ে আছে জিনিসপত্র

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে ধরা পড়া বড় মাছ কেনাবেচা করেন মৎস্য ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা। তার মৎস্য আড়তে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ সময় হামলায় দুই স্বজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) দুপুরে চান্দু মোল্লা মৎস্য আড়তে হামলার এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সন্ধ্যায় মৎস্য আড়তের সত্ত্বাধিকারী চান্দু মোল্লা বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

মৎস্য ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা বলেন, ‘অভিযুক্ত রমজান শেখ পেশায় একজন জেলে। তিনি গতকাল শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে রমজান শেখ আমার আড়তে মাছ বিক্রি করতে আসেন। এ সময় মাছের দরদাম নিয়ে তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। পরে তিনি চলে গেলে আমিও বাড়ি চলে যাই।’

তিনি আরও বলেন, আমার ব্যবসা দেখাশোনা করেন খালাতো ভাই মমিন ও ভাগিনা শাহাদৎ বেপারী। দুপুর দেড়টার দিকে রমজান তার ছোট ভাই জয়নাল শেখ ও স্থানীয় আমিন ও অজ্ঞাত কয়েকজনসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আড়তে হামলা চালিয়ে মমিনকে মারধর শুরু করেন। ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় কোপ দিয়ে তাকে আহত করেন। ঠেকাতে গেলে ভাগ্নে শাহাদৎকেও মারধর করে আহত করেন তারা। পরে তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে মমিন ও শাহাদৎকে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করেনি।

অভিযোগের বিষয়ে রমজান শেখ বা অন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম শনিবার দুপুরে বলেন, সন্ধ্যায় অভিযোগ পাওয়ার পর রাতেই অভিযোগটি মামলা হিসেবে রুজু করা হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

/এসআর/