অফিসে বসে ঝিমুনি, জেনে নিন কার্যকরী সমাধান

অফিসে বসে ঝিমুনি, জেনে নিন কার্যকরী সমাধান
সিটিজেন ডেস্ক

অফিসে কাজ করছেন, অথচ চোখ ভেঙে আসছে ঘুম– এমন পরিস্থিতি যেমন বিব্রতকর, তেমনি কাজের জন্যও ক্ষতিকর। দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা, একঘেয়েমি কিংবা রাতের ঘুমের ঘাটতি আমাদের কর্মশক্তি কমিয়ে দেয়। তবে কিছু কার্যকর কৌশল জানা থাকলে খুব সহজেই এই ঝিমুনি কাটিয়ে নিজেকে চাঙা রাখা সম্ভব।
দিনের নির্দিষ্ট সময়ের ওপর ভিত্তি করে আমাদের শরীরের ঘুমের চক্র ও মস্তিষ্কের কার্যকারিতা পরিবর্তিত হয়। সাধারণত অধিকাংশ কর্মজীবী মানুষ সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পূর্ণ উদ্যমে কাজ করতে পারলেও, মধ্যাহ্নভোজের পর ক্লান্তি বা ঝিমুনি আসা একটি প্রাকৃতিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
ঘুম পেলে করণীয়
ঠান্ডা পানি পান করুন: ঠান্ডা পানি শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে মনোযোগ ফেরাতে সহায়তা করে। অফিসে ঘুম পেলে পানি পানের মাধ্যমে সতেজতা ফিরে আসে।
হালকা হাঁটাহাঁটি করুন: কিছুক্ষণের জন্য করিডোরে বা অফিসের বাইরে হাঁটার ফলে শরীরের ক্লান্তি কমে, রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়।
স্ট্রেচিং করুন: ঘাড়, কাঁধ, হাত-পা হালকা স্ট্রেচ করলে পেশী শিথিল হয় এবং ঘুমের ভাব কেটে যায়।
মুখে ঠান্ডা পানি ছিটিয়ে নিন: ঠান্ডা পানি ছিটিয়ে নেওয়ার ফলে স্নায়ুতন্ত্র সচল হয়, ঘুম দূর হয়।
হালকা স্বাস্থ্যকর নাস্তা গ্রহণ করুন: বাদাম, ফল, ডার্ক চকলেট বা গ্রিন টি দ্রুত এনার্জি দেয় ও ঘুম দূর করে।
দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি
- প্রতিদিন অন্তত ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন।
- কাজের মাঝে নিয়মিত ছোট বিরতি নিন, যাতে শরীর আর মন সতেজ থাকে।
- অফিসের আলো যথেষ্ট এবং বসার ভঙ্গি সঠিক রাখুন।
- ক্যাফেইনের অতিরিক্ত সেবন এড়িয়ে চলুন, কারণ এটি শেষ পর্যন্ত ক্লান্তি বাড়ায়।
মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকদের মতে, অপর্যাপ্ত ঘুম মানুষের কাজের দক্ষতা কমিয়ে দেয় এবং মেজাজ খিটখিটে করে তোলে। এই সমস্যা এড়াতে অফিসের কর্মঘণ্টায় সজাগ থাকার পাশাপাশি রাতে গভীর ও আরামদায়ক ঘুমের ওপর বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি।

অফিসে কাজ করছেন, অথচ চোখ ভেঙে আসছে ঘুম– এমন পরিস্থিতি যেমন বিব্রতকর, তেমনি কাজের জন্যও ক্ষতিকর। দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা, একঘেয়েমি কিংবা রাতের ঘুমের ঘাটতি আমাদের কর্মশক্তি কমিয়ে দেয়। তবে কিছু কার্যকর কৌশল জানা থাকলে খুব সহজেই এই ঝিমুনি কাটিয়ে নিজেকে চাঙা রাখা সম্ভব।
দিনের নির্দিষ্ট সময়ের ওপর ভিত্তি করে আমাদের শরীরের ঘুমের চক্র ও মস্তিষ্কের কার্যকারিতা পরিবর্তিত হয়। সাধারণত অধিকাংশ কর্মজীবী মানুষ সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পূর্ণ উদ্যমে কাজ করতে পারলেও, মধ্যাহ্নভোজের পর ক্লান্তি বা ঝিমুনি আসা একটি প্রাকৃতিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
ঘুম পেলে করণীয়
ঠান্ডা পানি পান করুন: ঠান্ডা পানি শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে মনোযোগ ফেরাতে সহায়তা করে। অফিসে ঘুম পেলে পানি পানের মাধ্যমে সতেজতা ফিরে আসে।
হালকা হাঁটাহাঁটি করুন: কিছুক্ষণের জন্য করিডোরে বা অফিসের বাইরে হাঁটার ফলে শরীরের ক্লান্তি কমে, রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়।
স্ট্রেচিং করুন: ঘাড়, কাঁধ, হাত-পা হালকা স্ট্রেচ করলে পেশী শিথিল হয় এবং ঘুমের ভাব কেটে যায়।
মুখে ঠান্ডা পানি ছিটিয়ে নিন: ঠান্ডা পানি ছিটিয়ে নেওয়ার ফলে স্নায়ুতন্ত্র সচল হয়, ঘুম দূর হয়।
হালকা স্বাস্থ্যকর নাস্তা গ্রহণ করুন: বাদাম, ফল, ডার্ক চকলেট বা গ্রিন টি দ্রুত এনার্জি দেয় ও ঘুম দূর করে।
দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি
- প্রতিদিন অন্তত ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন।
- কাজের মাঝে নিয়মিত ছোট বিরতি নিন, যাতে শরীর আর মন সতেজ থাকে।
- অফিসের আলো যথেষ্ট এবং বসার ভঙ্গি সঠিক রাখুন।
- ক্যাফেইনের অতিরিক্ত সেবন এড়িয়ে চলুন, কারণ এটি শেষ পর্যন্ত ক্লান্তি বাড়ায়।
মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকদের মতে, অপর্যাপ্ত ঘুম মানুষের কাজের দক্ষতা কমিয়ে দেয় এবং মেজাজ খিটখিটে করে তোলে। এই সমস্যা এড়াতে অফিসের কর্মঘণ্টায় সজাগ থাকার পাশাপাশি রাতে গভীর ও আরামদায়ক ঘুমের ওপর বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি।

অফিসে বসে ঝিমুনি, জেনে নিন কার্যকরী সমাধান
সিটিজেন ডেস্ক

অফিসে কাজ করছেন, অথচ চোখ ভেঙে আসছে ঘুম– এমন পরিস্থিতি যেমন বিব্রতকর, তেমনি কাজের জন্যও ক্ষতিকর। দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা, একঘেয়েমি কিংবা রাতের ঘুমের ঘাটতি আমাদের কর্মশক্তি কমিয়ে দেয়। তবে কিছু কার্যকর কৌশল জানা থাকলে খুব সহজেই এই ঝিমুনি কাটিয়ে নিজেকে চাঙা রাখা সম্ভব।
দিনের নির্দিষ্ট সময়ের ওপর ভিত্তি করে আমাদের শরীরের ঘুমের চক্র ও মস্তিষ্কের কার্যকারিতা পরিবর্তিত হয়। সাধারণত অধিকাংশ কর্মজীবী মানুষ সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পূর্ণ উদ্যমে কাজ করতে পারলেও, মধ্যাহ্নভোজের পর ক্লান্তি বা ঝিমুনি আসা একটি প্রাকৃতিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
ঘুম পেলে করণীয়
ঠান্ডা পানি পান করুন: ঠান্ডা পানি শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে মনোযোগ ফেরাতে সহায়তা করে। অফিসে ঘুম পেলে পানি পানের মাধ্যমে সতেজতা ফিরে আসে।
হালকা হাঁটাহাঁটি করুন: কিছুক্ষণের জন্য করিডোরে বা অফিসের বাইরে হাঁটার ফলে শরীরের ক্লান্তি কমে, রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়।
স্ট্রেচিং করুন: ঘাড়, কাঁধ, হাত-পা হালকা স্ট্রেচ করলে পেশী শিথিল হয় এবং ঘুমের ভাব কেটে যায়।
মুখে ঠান্ডা পানি ছিটিয়ে নিন: ঠান্ডা পানি ছিটিয়ে নেওয়ার ফলে স্নায়ুতন্ত্র সচল হয়, ঘুম দূর হয়।
হালকা স্বাস্থ্যকর নাস্তা গ্রহণ করুন: বাদাম, ফল, ডার্ক চকলেট বা গ্রিন টি দ্রুত এনার্জি দেয় ও ঘুম দূর করে।
দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি
- প্রতিদিন অন্তত ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন।
- কাজের মাঝে নিয়মিত ছোট বিরতি নিন, যাতে শরীর আর মন সতেজ থাকে।
- অফিসের আলো যথেষ্ট এবং বসার ভঙ্গি সঠিক রাখুন।
- ক্যাফেইনের অতিরিক্ত সেবন এড়িয়ে চলুন, কারণ এটি শেষ পর্যন্ত ক্লান্তি বাড়ায়।
মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকদের মতে, অপর্যাপ্ত ঘুম মানুষের কাজের দক্ষতা কমিয়ে দেয় এবং মেজাজ খিটখিটে করে তোলে। এই সমস্যা এড়াতে অফিসের কর্মঘণ্টায় সজাগ থাকার পাশাপাশি রাতে গভীর ও আরামদায়ক ঘুমের ওপর বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি।




