নারীরা কেন রাতে ১১টার আগে ঘুমাবেন

নারীরা কেন রাতে ১১টার আগে ঘুমাবেন
সিটিজেন ডেস্ক

সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমের পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। তবে সবার ক্ষেত্রে এই নিয়ম সমানভাবে প্রযোজ্য নয়। কারও ৬ ঘণ্টার ঘুমেই শরীর চাঙা হয়ে ওঠে, আবার কারও ৯ ঘণ্টা ঘুমিয়েও ক্লান্তি কাটে না। তবে গবেষণা বলছে, পুরুষদের তুলনায় নারীদের কিছুটা বেশি ঘুমের প্রয়োজন হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নারীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে গড়ে অন্তত ১১ মিনিট বেশি ঘুম উপকারী। এর পেছনে শুধু দৈনন্দিন কাজের চাপ নয়, হরমোনজনিত কারণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
গবেষণায় দেখা গেছে, নারীদের মধ্যে অনিদ্রার সমস্যা তুলনামূলক বেশি। বিভিন্ন দায়িত্ব একসঙ্গে সামলাতে গিয়ে অনেক নারী পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে পারেন না। এর প্রভাবে শরীরের হরমোনের ভারসাম্য, বিপাকক্রিয়া এবং প্রজনন স্বাস্থ্যের ওপর।
স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের হরমোন নিঃসরণ জৈবিক ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদমের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত। দীর্ঘদিন রাত জাগার অভ্যাস ডিম্বস্ফোটনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে পারে এবং প্রজননসংক্রান্ত জটিলতার ঝুঁকি বাড়ায়।
পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। একই সঙ্গে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, অনিয়মিত ঋতুচক্র এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকিও দেখা দিতে পারে। এছাড়া মেলাটোনিন, ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন, লুটিনাইজিং হরমোন (এলএইচ) ও ফলিকল-স্টিমুলেটিং হরমোনের (এফএসএইচ) স্বাভাবিক কার্যক্রমেও ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস শরীরের প্রাকৃতিক ছন্দ বজায় রাখতে সহায়তা করে। অনেকের ক্ষেত্রে রাত ১১টার আগে ঘুমাতে যাওয়া উপকারী হতে পারে। তবে সবার জন্য একই সময় অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক নয়।
মূল বিষয় হলো, একটি নির্দিষ্ট ঘুমের রুটিন মেনে চলা। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করা শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি ভালো ঘুমের জন্য ‘স্লিপ হাইজিন’ মেনে চলারও পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমের পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। তবে সবার ক্ষেত্রে এই নিয়ম সমানভাবে প্রযোজ্য নয়। কারও ৬ ঘণ্টার ঘুমেই শরীর চাঙা হয়ে ওঠে, আবার কারও ৯ ঘণ্টা ঘুমিয়েও ক্লান্তি কাটে না। তবে গবেষণা বলছে, পুরুষদের তুলনায় নারীদের কিছুটা বেশি ঘুমের প্রয়োজন হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নারীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে গড়ে অন্তত ১১ মিনিট বেশি ঘুম উপকারী। এর পেছনে শুধু দৈনন্দিন কাজের চাপ নয়, হরমোনজনিত কারণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
গবেষণায় দেখা গেছে, নারীদের মধ্যে অনিদ্রার সমস্যা তুলনামূলক বেশি। বিভিন্ন দায়িত্ব একসঙ্গে সামলাতে গিয়ে অনেক নারী পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে পারেন না। এর প্রভাবে শরীরের হরমোনের ভারসাম্য, বিপাকক্রিয়া এবং প্রজনন স্বাস্থ্যের ওপর।
স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের হরমোন নিঃসরণ জৈবিক ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদমের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত। দীর্ঘদিন রাত জাগার অভ্যাস ডিম্বস্ফোটনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে পারে এবং প্রজননসংক্রান্ত জটিলতার ঝুঁকি বাড়ায়।
পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। একই সঙ্গে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, অনিয়মিত ঋতুচক্র এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকিও দেখা দিতে পারে। এছাড়া মেলাটোনিন, ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন, লুটিনাইজিং হরমোন (এলএইচ) ও ফলিকল-স্টিমুলেটিং হরমোনের (এফএসএইচ) স্বাভাবিক কার্যক্রমেও ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস শরীরের প্রাকৃতিক ছন্দ বজায় রাখতে সহায়তা করে। অনেকের ক্ষেত্রে রাত ১১টার আগে ঘুমাতে যাওয়া উপকারী হতে পারে। তবে সবার জন্য একই সময় অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক নয়।
মূল বিষয় হলো, একটি নির্দিষ্ট ঘুমের রুটিন মেনে চলা। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করা শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি ভালো ঘুমের জন্য ‘স্লিপ হাইজিন’ মেনে চলারও পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

নারীরা কেন রাতে ১১টার আগে ঘুমাবেন
সিটিজেন ডেস্ক

সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমের পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। তবে সবার ক্ষেত্রে এই নিয়ম সমানভাবে প্রযোজ্য নয়। কারও ৬ ঘণ্টার ঘুমেই শরীর চাঙা হয়ে ওঠে, আবার কারও ৯ ঘণ্টা ঘুমিয়েও ক্লান্তি কাটে না। তবে গবেষণা বলছে, পুরুষদের তুলনায় নারীদের কিছুটা বেশি ঘুমের প্রয়োজন হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নারীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে গড়ে অন্তত ১১ মিনিট বেশি ঘুম উপকারী। এর পেছনে শুধু দৈনন্দিন কাজের চাপ নয়, হরমোনজনিত কারণও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
গবেষণায় দেখা গেছে, নারীদের মধ্যে অনিদ্রার সমস্যা তুলনামূলক বেশি। বিভিন্ন দায়িত্ব একসঙ্গে সামলাতে গিয়ে অনেক নারী পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে পারেন না। এর প্রভাবে শরীরের হরমোনের ভারসাম্য, বিপাকক্রিয়া এবং প্রজনন স্বাস্থ্যের ওপর।
স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের হরমোন নিঃসরণ জৈবিক ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদমের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত। দীর্ঘদিন রাত জাগার অভ্যাস ডিম্বস্ফোটনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে পারে এবং প্রজননসংক্রান্ত জটিলতার ঝুঁকি বাড়ায়।
পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। একই সঙ্গে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, অনিয়মিত ঋতুচক্র এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকিও দেখা দিতে পারে। এছাড়া মেলাটোনিন, ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন, লুটিনাইজিং হরমোন (এলএইচ) ও ফলিকল-স্টিমুলেটিং হরমোনের (এফএসএইচ) স্বাভাবিক কার্যক্রমেও ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস শরীরের প্রাকৃতিক ছন্দ বজায় রাখতে সহায়তা করে। অনেকের ক্ষেত্রে রাত ১১টার আগে ঘুমাতে যাওয়া উপকারী হতে পারে। তবে সবার জন্য একই সময় অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক নয়।
মূল বিষয় হলো, একটি নির্দিষ্ট ঘুমের রুটিন মেনে চলা। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করা শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি ভালো ঘুমের জন্য ‘স্লিপ হাইজিন’ মেনে চলারও পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

যেভাবে আবিষ্কার হলো মেকআপ


