ওয়াই-ফাই স্লো? জেনে নিন সহজ সমাধান

ওয়াই-ফাই স্লো? জেনে নিন সহজ সমাধান
সিজেডএন ডেস্ক

ওয়াই-ফাইয়ের গতি কমে গেলে অনেকেই নতুন সংযোগ নেওয়া বা সেবাদাতাকে দোষ দিতে শুরু করেন। কিন্তু অনেক সময় রাউটার কোথায় রাখা হয়েছে বা কতদিন ধরে রিবুট করা হয়নি– এমন ছোটখাটো বিষয়েও ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। তবে কয়েকটি সহজ কৌশল অনুসরণ করেই বাড়ানো সম্ভব ওয়াই-ফাইয়ের গতি।
রাউটার বসানোর স্থান
ওয়াই-ফাইয়ের গতি ও কাভারেজ ভালো রাখতে রাউটার কোথায় রাখা হচ্ছে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবহারীকাদের উচিত বাসার এমন জায়গায় রাউটার রাখা– যেখান থেকে সহজেই সব কক্ষে সিগন্যাল পৌঁছাতে পারে। সম্ভব হলে বাসার মাঝামাঝি এবং অপেক্ষাকৃত খোলামেলা জায়গায় রাউটার রাখা ভালো।
পুরু দেয়াল, বড় আসবাবপত্র বা অন্য কোনো বাধার আড়ালে রাউটার রাখলে সিগন্যাল দুর্বল হয়ে যেতে পারে। তাই এসব জায়গা এড়িয়ে রাউটার স্থাপন করা উচিত। পাশাপাশি মাইক্রোওয়েভ ওভেনসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রের কাছ থেকেও রাউটার দূরে রাখা ভালো।
নিয়মিত রাউটার রিবুট
দীর্ঘ সময় চলার কারণে অনেক সময় রাউটারে সাময়িক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এতে ইন্টারনেটের গতি কমে যাওয়ার পাশাপাশি সংযোগেও সমস্যা হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে রাউটার বন্ধ করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে আবার চালু করা উচিত। প্রতি সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার রাউটার রিবুট করলে কিছু ক্ষেত্রে সাময়িক গতি-সংক্রান্ত সমস্যা কমতে পারে।
তবে ঘন ঘন রিবুট করার পরও যদি একই সমস্যা থেকে যায়, তাহলে শুধু রাউটার রিবুটের ওপর নির্ভর না করে সমস্যার অন্য কারণ খুঁজে দেখা প্রয়োজন।
একসঙ্গে বেশি ডিভাইস সংযুক্ত না রাখা
একই সময়ে অনেক ফোন, টিভি, ল্যাপটপ ও অন্যান্য স্মার্ট ডিভাইস নেটওয়ার্কে সক্রিয় থাকলে রাউটারের ওপর চাপ বাড়ে। বিশেষ করে ভিডিও স্ট্রিমিং, অনলাইন গেমিং বা বড় ফাইল ডাউনলোডের মতো কাজ চললে অন্য ডিভাইসে ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। তাই প্রয়োজন না থাকলে অতিরিক্ত ডিভাইসের ওয়াই-ফাই সংযোগ বন্ধ রাখা যেতে পারে।

ওয়াই-ফাইয়ের গতি কমে গেলে অনেকেই নতুন সংযোগ নেওয়া বা সেবাদাতাকে দোষ দিতে শুরু করেন। কিন্তু অনেক সময় রাউটার কোথায় রাখা হয়েছে বা কতদিন ধরে রিবুট করা হয়নি– এমন ছোটখাটো বিষয়েও ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। তবে কয়েকটি সহজ কৌশল অনুসরণ করেই বাড়ানো সম্ভব ওয়াই-ফাইয়ের গতি।
রাউটার বসানোর স্থান
ওয়াই-ফাইয়ের গতি ও কাভারেজ ভালো রাখতে রাউটার কোথায় রাখা হচ্ছে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবহারীকাদের উচিত বাসার এমন জায়গায় রাউটার রাখা– যেখান থেকে সহজেই সব কক্ষে সিগন্যাল পৌঁছাতে পারে। সম্ভব হলে বাসার মাঝামাঝি এবং অপেক্ষাকৃত খোলামেলা জায়গায় রাউটার রাখা ভালো।
পুরু দেয়াল, বড় আসবাবপত্র বা অন্য কোনো বাধার আড়ালে রাউটার রাখলে সিগন্যাল দুর্বল হয়ে যেতে পারে। তাই এসব জায়গা এড়িয়ে রাউটার স্থাপন করা উচিত। পাশাপাশি মাইক্রোওয়েভ ওভেনসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রের কাছ থেকেও রাউটার দূরে রাখা ভালো।
নিয়মিত রাউটার রিবুট
দীর্ঘ সময় চলার কারণে অনেক সময় রাউটারে সাময়িক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এতে ইন্টারনেটের গতি কমে যাওয়ার পাশাপাশি সংযোগেও সমস্যা হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে রাউটার বন্ধ করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে আবার চালু করা উচিত। প্রতি সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার রাউটার রিবুট করলে কিছু ক্ষেত্রে সাময়িক গতি-সংক্রান্ত সমস্যা কমতে পারে।
তবে ঘন ঘন রিবুট করার পরও যদি একই সমস্যা থেকে যায়, তাহলে শুধু রাউটার রিবুটের ওপর নির্ভর না করে সমস্যার অন্য কারণ খুঁজে দেখা প্রয়োজন।
একসঙ্গে বেশি ডিভাইস সংযুক্ত না রাখা
একই সময়ে অনেক ফোন, টিভি, ল্যাপটপ ও অন্যান্য স্মার্ট ডিভাইস নেটওয়ার্কে সক্রিয় থাকলে রাউটারের ওপর চাপ বাড়ে। বিশেষ করে ভিডিও স্ট্রিমিং, অনলাইন গেমিং বা বড় ফাইল ডাউনলোডের মতো কাজ চললে অন্য ডিভাইসে ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। তাই প্রয়োজন না থাকলে অতিরিক্ত ডিভাইসের ওয়াই-ফাই সংযোগ বন্ধ রাখা যেতে পারে।

ওয়াই-ফাই স্লো? জেনে নিন সহজ সমাধান
সিজেডএন ডেস্ক

ওয়াই-ফাইয়ের গতি কমে গেলে অনেকেই নতুন সংযোগ নেওয়া বা সেবাদাতাকে দোষ দিতে শুরু করেন। কিন্তু অনেক সময় রাউটার কোথায় রাখা হয়েছে বা কতদিন ধরে রিবুট করা হয়নি– এমন ছোটখাটো বিষয়েও ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। তবে কয়েকটি সহজ কৌশল অনুসরণ করেই বাড়ানো সম্ভব ওয়াই-ফাইয়ের গতি।
রাউটার বসানোর স্থান
ওয়াই-ফাইয়ের গতি ও কাভারেজ ভালো রাখতে রাউটার কোথায় রাখা হচ্ছে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবহারীকাদের উচিত বাসার এমন জায়গায় রাউটার রাখা– যেখান থেকে সহজেই সব কক্ষে সিগন্যাল পৌঁছাতে পারে। সম্ভব হলে বাসার মাঝামাঝি এবং অপেক্ষাকৃত খোলামেলা জায়গায় রাউটার রাখা ভালো।
পুরু দেয়াল, বড় আসবাবপত্র বা অন্য কোনো বাধার আড়ালে রাউটার রাখলে সিগন্যাল দুর্বল হয়ে যেতে পারে। তাই এসব জায়গা এড়িয়ে রাউটার স্থাপন করা উচিত। পাশাপাশি মাইক্রোওয়েভ ওভেনসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রের কাছ থেকেও রাউটার দূরে রাখা ভালো।
নিয়মিত রাউটার রিবুট
দীর্ঘ সময় চলার কারণে অনেক সময় রাউটারে সাময়িক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এতে ইন্টারনেটের গতি কমে যাওয়ার পাশাপাশি সংযোগেও সমস্যা হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে রাউটার বন্ধ করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে আবার চালু করা উচিত। প্রতি সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার রাউটার রিবুট করলে কিছু ক্ষেত্রে সাময়িক গতি-সংক্রান্ত সমস্যা কমতে পারে।
তবে ঘন ঘন রিবুট করার পরও যদি একই সমস্যা থেকে যায়, তাহলে শুধু রাউটার রিবুটের ওপর নির্ভর না করে সমস্যার অন্য কারণ খুঁজে দেখা প্রয়োজন।
একসঙ্গে বেশি ডিভাইস সংযুক্ত না রাখা
একই সময়ে অনেক ফোন, টিভি, ল্যাপটপ ও অন্যান্য স্মার্ট ডিভাইস নেটওয়ার্কে সক্রিয় থাকলে রাউটারের ওপর চাপ বাড়ে। বিশেষ করে ভিডিও স্ট্রিমিং, অনলাইন গেমিং বা বড় ফাইল ডাউনলোডের মতো কাজ চললে অন্য ডিভাইসে ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। তাই প্রয়োজন না থাকলে অতিরিক্ত ডিভাইসের ওয়াই-ফাই সংযোগ বন্ধ রাখা যেতে পারে।









