ফিরলো ৯০ শতাংশ হারানো চুল, বাতের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধে অবিশ্বাস্য ফল

ফিরলো ৯০ শতাংশ হারানো চুল, বাতের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধে অবিশ্বাস্য ফল
সিজেডএন ডেস্ক

হঠাৎ করেই মাথা থেকে চুল ঝরতে ঝরতে একসময় ফাঁকা হয়ে যায় পুরো স্ক্যাল্প। কারও আবার চোখের ভ্রু থেকে শুরু করে শরীরের সমস্ত লোমও অদৃশ্য হয়ে যায়। ‘অ্যালোপেশিয়া এরিয়াটা’ নামের এ গুরুতর রোগের কারণে কেবল চেহারায় পরিবর্তন আসে না, মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েন অনেকে। দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর চিকিৎসার অভাবে ভুগতে থাকা এমন রোগীদের জন্য এবার এক সুখবর নিয়ে এসেছেন আন্তর্জাতিক গবেষকরা। আর নতুন আশার আলো দেখিয়েছে মূলত বাতের চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি পুরনো ওষুধ ‘আপাডাসিটিনিব’
সম্প্রতি দুটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে দেখা গেছে, বাতের ওষুধটি গুরুতর অ্যালোপেশিয়া রোগীদের মাথায় নতুন করে চুল গজাতে খুব ভালো কাজ করছে। মূলত এটি একটি অটোইমিউন ব্যাধি, যেখানে শরীরের রোগপ্রতিরোধী ব্যবস্থা ভুলবশত নিজের চুলের গোড়া বা ফলিকলে আক্রমণ করে বসে। দৈনিক একবার সেবনযোগ্য আপাডাসিটিনিব মূলত বাতের যন্ত্রণা ও প্রদাহ কমাতে ব্যবহৃত হলেও গবেষকরা ধারণা করেছিলেন, এটি চুলের ফলিকলের ওপর শরীরের অস্বাভাবিক আক্রমণ ঠেকাতেও কার্যকর হতে পারে।
এই ধারণার সত্যতা যাচাই করতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ ও চীনের বিভিন্ন নামীদামি হাসপাতালকে সঙ্গে নিয়ে দুটি ধাপের ট্রায়াল পরিচালনা করেন। এই গবেষণায় এমন সব রোগীদের নেওয়া হয়েছিল, যারা গড়ে মাথার প্রায় ৮৪ শতাংশ চুল হারিয়েছিলেন এবং অন্তত ছয় মাস ধরে যাদের মাথায় নতুন কোনো চুল গজায়নি।
২৪ সপ্তাহের গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের প্রতিদিন ১৫ মিলিগ্রাম ও ৩০ মিলিগ্রাম আপাডাসিটিনিব এবং কয়েকজনকে প্লাসিবো দেওয়া হয়। ফলাফলে দেখা যায়, ওষুধ সেবনকারীদের অর্ধেকেরই মাথার অন্তত ৮০ শতাংশ চুল ফিরে এসেছে। ১৫ মিলিগ্রাম ডোজ নেওয়া রোগীদের ৩৫ শতাংশের বেশি এবং ৩০ মিলিগ্রাম ডোজ নেওয়া প্রায় ৪৬ শতাংশ রোগীর মাথায় ৯০ শতাংশের বেশি চুল গজিয়েছে। সবচেয়ে অভাবনীয় বিষয় হলো, ওষুধ সেবনকারীদের প্রায় ২০ শতাংশের মাথার চুল পুরোপুরি ফিরে এসেছে, যেখানে প্লাসিবো নেওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে এই হার ছিল মাত্র এক শতাংশের কাছাকাছি।
১২ আগস্ট চিকিৎসা সাময়িকী ‘JAMA Dermatology’-তে গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়। গবেষণার প্রধান লেখক ও হার্ভার্ডের অধ্যাপক আরাশ মোস্তাঘিম বলেন, আপাডাসিটিনিব ব্যবহারে দ্রুত এবং উল্লেখযোগ্য মাত্রায় চুল ফিরে আসার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি আরও জানান, সরাসরি তুলনামূলক পরীক্ষা না হলেও ফলাফল ইঙ্গিত দেয় যে, অ্যালোপেশিয়া এরিয়াটার চিকিৎসায় এখন পর্যন্ত পরীক্ষা করা কার্যকর সিস্টেমিক চিকিৎসাগুলোর মধ্যে আপাডাসিটিনিব অন্যতম হতে পারে।
বায়োলজিক্যাল কাঠামোর দিক থেকে ওষুধটি শরীরের ‘JAK/STAT pathway’ নামক একটি সংকেত ব্যবস্থাকে বাধা দেওয়ার মাধ্যমে কাজ করে। এটি প্রদাহ ও রোগপ্রতিরোধী ব্যবস্থার অতিসক্রিয়তা কমিয়ে আনে। ফলে চুলের ফলিকলের ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত আক্রমণ বন্ধ হয় এবং ফলিকলগুলো আবার স্বাভাবিকভাবে চুল গজানোর সুযোগ পায়।
তবে চমকপ্রদ এ ফল মিললেও গবেষকরা এটিকে এখনই রোগের স্থায়ী প্রতিষেধক হিসেবে নিশ্চিত করছেন না। এ সমস্যার নির্দিষ্ট ওষুধ হিসেবে এটি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত নয়। তবে বাত চিকিৎসায় দীর্ঘ ব্যবহারের অভিজ্ঞতা থাকায় এর সুরক্ষার বিষয়টি চিকিৎসকদের জানা। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ও রোগীর শারীরিক ঝুঁকি বিবেচনা করেই কেবল এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, অ্যালোপেশিয়া এরিয়াটায় আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্ক ও কিশোরদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে ওষুধটি নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিচ্ছে।
সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

হঠাৎ করেই মাথা থেকে চুল ঝরতে ঝরতে একসময় ফাঁকা হয়ে যায় পুরো স্ক্যাল্প। কারও আবার চোখের ভ্রু থেকে শুরু করে শরীরের সমস্ত লোমও অদৃশ্য হয়ে যায়। ‘অ্যালোপেশিয়া এরিয়াটা’ নামের এ গুরুতর রোগের কারণে কেবল চেহারায় পরিবর্তন আসে না, মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েন অনেকে। দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর চিকিৎসার অভাবে ভুগতে থাকা এমন রোগীদের জন্য এবার এক সুখবর নিয়ে এসেছেন আন্তর্জাতিক গবেষকরা। আর নতুন আশার আলো দেখিয়েছে মূলত বাতের চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি পুরনো ওষুধ ‘আপাডাসিটিনিব’
সম্প্রতি দুটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে দেখা গেছে, বাতের ওষুধটি গুরুতর অ্যালোপেশিয়া রোগীদের মাথায় নতুন করে চুল গজাতে খুব ভালো কাজ করছে। মূলত এটি একটি অটোইমিউন ব্যাধি, যেখানে শরীরের রোগপ্রতিরোধী ব্যবস্থা ভুলবশত নিজের চুলের গোড়া বা ফলিকলে আক্রমণ করে বসে। দৈনিক একবার সেবনযোগ্য আপাডাসিটিনিব মূলত বাতের যন্ত্রণা ও প্রদাহ কমাতে ব্যবহৃত হলেও গবেষকরা ধারণা করেছিলেন, এটি চুলের ফলিকলের ওপর শরীরের অস্বাভাবিক আক্রমণ ঠেকাতেও কার্যকর হতে পারে।
এই ধারণার সত্যতা যাচাই করতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ ও চীনের বিভিন্ন নামীদামি হাসপাতালকে সঙ্গে নিয়ে দুটি ধাপের ট্রায়াল পরিচালনা করেন। এই গবেষণায় এমন সব রোগীদের নেওয়া হয়েছিল, যারা গড়ে মাথার প্রায় ৮৪ শতাংশ চুল হারিয়েছিলেন এবং অন্তত ছয় মাস ধরে যাদের মাথায় নতুন কোনো চুল গজায়নি।
২৪ সপ্তাহের গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের প্রতিদিন ১৫ মিলিগ্রাম ও ৩০ মিলিগ্রাম আপাডাসিটিনিব এবং কয়েকজনকে প্লাসিবো দেওয়া হয়। ফলাফলে দেখা যায়, ওষুধ সেবনকারীদের অর্ধেকেরই মাথার অন্তত ৮০ শতাংশ চুল ফিরে এসেছে। ১৫ মিলিগ্রাম ডোজ নেওয়া রোগীদের ৩৫ শতাংশের বেশি এবং ৩০ মিলিগ্রাম ডোজ নেওয়া প্রায় ৪৬ শতাংশ রোগীর মাথায় ৯০ শতাংশের বেশি চুল গজিয়েছে। সবচেয়ে অভাবনীয় বিষয় হলো, ওষুধ সেবনকারীদের প্রায় ২০ শতাংশের মাথার চুল পুরোপুরি ফিরে এসেছে, যেখানে প্লাসিবো নেওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে এই হার ছিল মাত্র এক শতাংশের কাছাকাছি।
১২ আগস্ট চিকিৎসা সাময়িকী ‘JAMA Dermatology’-তে গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়। গবেষণার প্রধান লেখক ও হার্ভার্ডের অধ্যাপক আরাশ মোস্তাঘিম বলেন, আপাডাসিটিনিব ব্যবহারে দ্রুত এবং উল্লেখযোগ্য মাত্রায় চুল ফিরে আসার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি আরও জানান, সরাসরি তুলনামূলক পরীক্ষা না হলেও ফলাফল ইঙ্গিত দেয় যে, অ্যালোপেশিয়া এরিয়াটার চিকিৎসায় এখন পর্যন্ত পরীক্ষা করা কার্যকর সিস্টেমিক চিকিৎসাগুলোর মধ্যে আপাডাসিটিনিব অন্যতম হতে পারে।
বায়োলজিক্যাল কাঠামোর দিক থেকে ওষুধটি শরীরের ‘JAK/STAT pathway’ নামক একটি সংকেত ব্যবস্থাকে বাধা দেওয়ার মাধ্যমে কাজ করে। এটি প্রদাহ ও রোগপ্রতিরোধী ব্যবস্থার অতিসক্রিয়তা কমিয়ে আনে। ফলে চুলের ফলিকলের ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত আক্রমণ বন্ধ হয় এবং ফলিকলগুলো আবার স্বাভাবিকভাবে চুল গজানোর সুযোগ পায়।
তবে চমকপ্রদ এ ফল মিললেও গবেষকরা এটিকে এখনই রোগের স্থায়ী প্রতিষেধক হিসেবে নিশ্চিত করছেন না। এ সমস্যার নির্দিষ্ট ওষুধ হিসেবে এটি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত নয়। তবে বাত চিকিৎসায় দীর্ঘ ব্যবহারের অভিজ্ঞতা থাকায় এর সুরক্ষার বিষয়টি চিকিৎসকদের জানা। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ও রোগীর শারীরিক ঝুঁকি বিবেচনা করেই কেবল এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, অ্যালোপেশিয়া এরিয়াটায় আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্ক ও কিশোরদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে ওষুধটি নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিচ্ছে।
সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

ফিরলো ৯০ শতাংশ হারানো চুল, বাতের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধে অবিশ্বাস্য ফল
সিজেডএন ডেস্ক

হঠাৎ করেই মাথা থেকে চুল ঝরতে ঝরতে একসময় ফাঁকা হয়ে যায় পুরো স্ক্যাল্প। কারও আবার চোখের ভ্রু থেকে শুরু করে শরীরের সমস্ত লোমও অদৃশ্য হয়ে যায়। ‘অ্যালোপেশিয়া এরিয়াটা’ নামের এ গুরুতর রোগের কারণে কেবল চেহারায় পরিবর্তন আসে না, মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েন অনেকে। দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর চিকিৎসার অভাবে ভুগতে থাকা এমন রোগীদের জন্য এবার এক সুখবর নিয়ে এসেছেন আন্তর্জাতিক গবেষকরা। আর নতুন আশার আলো দেখিয়েছে মূলত বাতের চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি পুরনো ওষুধ ‘আপাডাসিটিনিব’
সম্প্রতি দুটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে দেখা গেছে, বাতের ওষুধটি গুরুতর অ্যালোপেশিয়া রোগীদের মাথায় নতুন করে চুল গজাতে খুব ভালো কাজ করছে। মূলত এটি একটি অটোইমিউন ব্যাধি, যেখানে শরীরের রোগপ্রতিরোধী ব্যবস্থা ভুলবশত নিজের চুলের গোড়া বা ফলিকলে আক্রমণ করে বসে। দৈনিক একবার সেবনযোগ্য আপাডাসিটিনিব মূলত বাতের যন্ত্রণা ও প্রদাহ কমাতে ব্যবহৃত হলেও গবেষকরা ধারণা করেছিলেন, এটি চুলের ফলিকলের ওপর শরীরের অস্বাভাবিক আক্রমণ ঠেকাতেও কার্যকর হতে পারে।
এই ধারণার সত্যতা যাচাই করতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ ও চীনের বিভিন্ন নামীদামি হাসপাতালকে সঙ্গে নিয়ে দুটি ধাপের ট্রায়াল পরিচালনা করেন। এই গবেষণায় এমন সব রোগীদের নেওয়া হয়েছিল, যারা গড়ে মাথার প্রায় ৮৪ শতাংশ চুল হারিয়েছিলেন এবং অন্তত ছয় মাস ধরে যাদের মাথায় নতুন কোনো চুল গজায়নি।
২৪ সপ্তাহের গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের প্রতিদিন ১৫ মিলিগ্রাম ও ৩০ মিলিগ্রাম আপাডাসিটিনিব এবং কয়েকজনকে প্লাসিবো দেওয়া হয়। ফলাফলে দেখা যায়, ওষুধ সেবনকারীদের অর্ধেকেরই মাথার অন্তত ৮০ শতাংশ চুল ফিরে এসেছে। ১৫ মিলিগ্রাম ডোজ নেওয়া রোগীদের ৩৫ শতাংশের বেশি এবং ৩০ মিলিগ্রাম ডোজ নেওয়া প্রায় ৪৬ শতাংশ রোগীর মাথায় ৯০ শতাংশের বেশি চুল গজিয়েছে। সবচেয়ে অভাবনীয় বিষয় হলো, ওষুধ সেবনকারীদের প্রায় ২০ শতাংশের মাথার চুল পুরোপুরি ফিরে এসেছে, যেখানে প্লাসিবো নেওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে এই হার ছিল মাত্র এক শতাংশের কাছাকাছি।
১২ আগস্ট চিকিৎসা সাময়িকী ‘JAMA Dermatology’-তে গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়। গবেষণার প্রধান লেখক ও হার্ভার্ডের অধ্যাপক আরাশ মোস্তাঘিম বলেন, আপাডাসিটিনিব ব্যবহারে দ্রুত এবং উল্লেখযোগ্য মাত্রায় চুল ফিরে আসার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি আরও জানান, সরাসরি তুলনামূলক পরীক্ষা না হলেও ফলাফল ইঙ্গিত দেয় যে, অ্যালোপেশিয়া এরিয়াটার চিকিৎসায় এখন পর্যন্ত পরীক্ষা করা কার্যকর সিস্টেমিক চিকিৎসাগুলোর মধ্যে আপাডাসিটিনিব অন্যতম হতে পারে।
বায়োলজিক্যাল কাঠামোর দিক থেকে ওষুধটি শরীরের ‘JAK/STAT pathway’ নামক একটি সংকেত ব্যবস্থাকে বাধা দেওয়ার মাধ্যমে কাজ করে। এটি প্রদাহ ও রোগপ্রতিরোধী ব্যবস্থার অতিসক্রিয়তা কমিয়ে আনে। ফলে চুলের ফলিকলের ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত আক্রমণ বন্ধ হয় এবং ফলিকলগুলো আবার স্বাভাবিকভাবে চুল গজানোর সুযোগ পায়।
তবে চমকপ্রদ এ ফল মিললেও গবেষকরা এটিকে এখনই রোগের স্থায়ী প্রতিষেধক হিসেবে নিশ্চিত করছেন না। এ সমস্যার নির্দিষ্ট ওষুধ হিসেবে এটি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত নয়। তবে বাত চিকিৎসায় দীর্ঘ ব্যবহারের অভিজ্ঞতা থাকায় এর সুরক্ষার বিষয়টি চিকিৎসকদের জানা। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ও রোগীর শারীরিক ঝুঁকি বিবেচনা করেই কেবল এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, অ্যালোপেশিয়া এরিয়াটায় আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্ক ও কিশোরদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে ওষুধটি নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিচ্ছে।
সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

এইচএমপিভি ভাইরাস রোধে করণীয়
এআই তৈরি করেছে ভাইরাস






