সহযোগিতা ছাড়া জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি পরস্পরবিরোধী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সহযোগিতা ছাড়া জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি পরস্পরবিরোধী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আপনারা সবই জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে চাইবেন, অথচ বাস্তবায়নের জন্য সহযোগিতায় আসবেন না। বিষয় দুইটি পরস্পরবিরোধী হয়ে যায়।
রবিবার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একতরফাভাবে আপনাদের সব দাবি মানতে হবে, তারপরও আপনারা সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আসবেন না—এটা তো হতে পারে না। কমিটিতে বিভিন্ন বিষয়ে মতভেদ থাকবে। আবার কিছু প্রস্তাবে সবাই একমতও হতে পারেন। এ ছাড়া সংবিধানে নতুন কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব এলে সেগুলোও বিবেচনা করা হবে।
তিনি বলেন, সংসদে প্রতিনিধিত্বশীল অন্যান্য রাজনৈতিক দল, স্বতন্ত্র সদস্যসহ বিভিন্ন পক্ষের প্রতিনিধিত্বও কমিটিতে রাখা হয়েছে। বিরোধী দল নীতিগতভাবে কমিটিতে না আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা তাদের নীতিগত সিদ্ধান্ত হতেই পারে। যদি সংবিধান সংশোধিত না হয়, জুলাই জাতীয় সনদ তো বাস্তবায়িত হলো না। হওয়ার পরে হবে। আমরা কাজ শুরু করেছি, সেই কমিটি গঠিত হয়েছে।
বক্তব্যের শেষে হাস্যরস করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আজকে আমি আপনাদের মনে নিশ্চয়ই কোনো কষ্ট দিইনি।
এর আগে, বিরোধী দলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, অতীতে সংসদে স্পিকারকে পিটিয়ে মারা হয়েছে, ডেপুটি স্পিকার শাহেদ আলী সাহেবকে হত্যা করা হয়েছে এবং জুতা ছোড়াছুড়ি হয়েছে। আমরা সেই কালো ইতিহাসে ফিরে যেতে চাই না।
আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, সংসদে বিরোধী দলের সদস্য সংখ্যার অনুপাতে ২৬ শতাংশ স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ পাওয়ার কথা। একইভাবে কমিটিগুলোর সভাপতির পদেও ২৬ শতাংশ পাওয়ার প্রত্যাশা ছিল তাদের। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদে বিরোধী দলের কাউকে দেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দল অংশ নিলে তাদের সভাপতি পদ দেওয়া হবে-এমন কোনো সমঝোতা হয়নি। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আমরা যাবো এবং সেই হিসেবে আপনি আমাদের সভাপতি দেবেন-এমন কথা আমরা কখনোই বলিনি। আমাদের নীতিগত সিদ্ধান্ত হলো, আমরা সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশগ্রহণ করবো না। একটি কমিটিতে জয়েন করানোর জন্য শর্ত আরোপ করে জোর-জবরদস্তি করার ট্র্যাডিশন আমরা সঠিক মনে করি না।
বিরোধী দলীয় উপনেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন এটি জনগণের সংসদ। তাই বৈষম্যবিরোধী এই সংসদে বিরোধী দল হিসেবে তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা উচিত।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আপনারা সবই জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে চাইবেন, অথচ বাস্তবায়নের জন্য সহযোগিতায় আসবেন না। বিষয় দুইটি পরস্পরবিরোধী হয়ে যায়।
রবিবার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একতরফাভাবে আপনাদের সব দাবি মানতে হবে, তারপরও আপনারা সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আসবেন না—এটা তো হতে পারে না। কমিটিতে বিভিন্ন বিষয়ে মতভেদ থাকবে। আবার কিছু প্রস্তাবে সবাই একমতও হতে পারেন। এ ছাড়া সংবিধানে নতুন কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব এলে সেগুলোও বিবেচনা করা হবে।
তিনি বলেন, সংসদে প্রতিনিধিত্বশীল অন্যান্য রাজনৈতিক দল, স্বতন্ত্র সদস্যসহ বিভিন্ন পক্ষের প্রতিনিধিত্বও কমিটিতে রাখা হয়েছে। বিরোধী দল নীতিগতভাবে কমিটিতে না আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা তাদের নীতিগত সিদ্ধান্ত হতেই পারে। যদি সংবিধান সংশোধিত না হয়, জুলাই জাতীয় সনদ তো বাস্তবায়িত হলো না। হওয়ার পরে হবে। আমরা কাজ শুরু করেছি, সেই কমিটি গঠিত হয়েছে।
বক্তব্যের শেষে হাস্যরস করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আজকে আমি আপনাদের মনে নিশ্চয়ই কোনো কষ্ট দিইনি।
এর আগে, বিরোধী দলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, অতীতে সংসদে স্পিকারকে পিটিয়ে মারা হয়েছে, ডেপুটি স্পিকার শাহেদ আলী সাহেবকে হত্যা করা হয়েছে এবং জুতা ছোড়াছুড়ি হয়েছে। আমরা সেই কালো ইতিহাসে ফিরে যেতে চাই না।
আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, সংসদে বিরোধী দলের সদস্য সংখ্যার অনুপাতে ২৬ শতাংশ স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ পাওয়ার কথা। একইভাবে কমিটিগুলোর সভাপতির পদেও ২৬ শতাংশ পাওয়ার প্রত্যাশা ছিল তাদের। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদে বিরোধী দলের কাউকে দেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দল অংশ নিলে তাদের সভাপতি পদ দেওয়া হবে-এমন কোনো সমঝোতা হয়নি। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আমরা যাবো এবং সেই হিসেবে আপনি আমাদের সভাপতি দেবেন-এমন কথা আমরা কখনোই বলিনি। আমাদের নীতিগত সিদ্ধান্ত হলো, আমরা সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশগ্রহণ করবো না। একটি কমিটিতে জয়েন করানোর জন্য শর্ত আরোপ করে জোর-জবরদস্তি করার ট্র্যাডিশন আমরা সঠিক মনে করি না।
বিরোধী দলীয় উপনেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন এটি জনগণের সংসদ। তাই বৈষম্যবিরোধী এই সংসদে বিরোধী দল হিসেবে তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা উচিত।

সহযোগিতা ছাড়া জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি পরস্পরবিরোধী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আপনারা সবই জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে চাইবেন, অথচ বাস্তবায়নের জন্য সহযোগিতায় আসবেন না। বিষয় দুইটি পরস্পরবিরোধী হয়ে যায়।
রবিবার (৩০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একতরফাভাবে আপনাদের সব দাবি মানতে হবে, তারপরও আপনারা সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আসবেন না—এটা তো হতে পারে না। কমিটিতে বিভিন্ন বিষয়ে মতভেদ থাকবে। আবার কিছু প্রস্তাবে সবাই একমতও হতে পারেন। এ ছাড়া সংবিধানে নতুন কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব এলে সেগুলোও বিবেচনা করা হবে।
তিনি বলেন, সংসদে প্রতিনিধিত্বশীল অন্যান্য রাজনৈতিক দল, স্বতন্ত্র সদস্যসহ বিভিন্ন পক্ষের প্রতিনিধিত্বও কমিটিতে রাখা হয়েছে। বিরোধী দল নীতিগতভাবে কমিটিতে না আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা তাদের নীতিগত সিদ্ধান্ত হতেই পারে। যদি সংবিধান সংশোধিত না হয়, জুলাই জাতীয় সনদ তো বাস্তবায়িত হলো না। হওয়ার পরে হবে। আমরা কাজ শুরু করেছি, সেই কমিটি গঠিত হয়েছে।
বক্তব্যের শেষে হাস্যরস করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আজকে আমি আপনাদের মনে নিশ্চয়ই কোনো কষ্ট দিইনি।
এর আগে, বিরোধী দলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, অতীতে সংসদে স্পিকারকে পিটিয়ে মারা হয়েছে, ডেপুটি স্পিকার শাহেদ আলী সাহেবকে হত্যা করা হয়েছে এবং জুতা ছোড়াছুড়ি হয়েছে। আমরা সেই কালো ইতিহাসে ফিরে যেতে চাই না।
আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, সংসদে বিরোধী দলের সদস্য সংখ্যার অনুপাতে ২৬ শতাংশ স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ পাওয়ার কথা। একইভাবে কমিটিগুলোর সভাপতির পদেও ২৬ শতাংশ পাওয়ার প্রত্যাশা ছিল তাদের। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদে বিরোধী দলের কাউকে দেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দল অংশ নিলে তাদের সভাপতি পদ দেওয়া হবে-এমন কোনো সমঝোতা হয়নি। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আমরা যাবো এবং সেই হিসেবে আপনি আমাদের সভাপতি দেবেন-এমন কথা আমরা কখনোই বলিনি। আমাদের নীতিগত সিদ্ধান্ত হলো, আমরা সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশগ্রহণ করবো না। একটি কমিটিতে জয়েন করানোর জন্য শর্ত আরোপ করে জোর-জবরদস্তি করার ট্র্যাডিশন আমরা সঠিক মনে করি না।
বিরোধী দলীয় উপনেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন এটি জনগণের সংসদ। তাই বৈষম্যবিরোধী এই সংসদে বিরোধী দল হিসেবে তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা উচিত।

অতীতে সংসদে স্পিকারকে পিটিয়ে মারা হয়েছে: ডা. তাহের







