মঙ্গল গ্রহেও জন্মাবে গাছ, বসতি গড়বে মানুষ

মঙ্গল গ্রহেও জন্মাবে গাছ, বসতি গড়বে মানুষ
সিটিজেন ডেস্ক

মঙ্গল গ্রহকে মানুষের বসবাসের উপযোগী করে তোলার স্বপ্ন নিয়ে বহুদিন ধরেই গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। বিশেষ করে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এ বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, পৃথিবীর কিছু শক্তিশালী অণুজীব একদিন লালগ্রহকে সবুজ ও বাসযোগ্য করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বর্তমানে মঙ্গল একটি শুষ্ক ও হিমশীতল মরুভূমি। সেখানে বায়ুমণ্ডল অত্যন্ত পাতলা এবং প্রাণের অস্তিত্বের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ নেই বললেই চলে। তবে গবেষণায় জানা গেছে, অতীতে মঙ্গল তুলনামূলক উষ্ণ ছিল এবং সেখানে পানির উপস্থিতিও ছিল। সেই পুরোনো পরিবেশ ফিরিয়ে আনতেই এখন নানা পরিকল্পনা করছেন বিজ্ঞানীরা।
গবেষকদের মতে, এমন কিছু অণুজীব রয়েছে যেগুলো মঙ্গলের কঠিন পরিবেশে টিকে থাকতে সক্ষম। এসব অণুজীব কার্বন-ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে অক্সিজেন উৎপাদন করতে পারে। এর ফলে ধীরে ধীরে মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল ঘন হতে পারে এবং ভবিষ্যতে সেখানে উদ্ভিদ জন্মানোর পরিবেশ তৈরি হতে পারে।
শুধু তাই নয়, কিছু বিশেষ ব্যাকটেরিয়া মঙ্গলের মাটিকে কংক্রিটের মতো শক্ত পদার্থে রূপান্তর করতে সক্ষম হতে পারে বলেও মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। এতে করে ভবিষ্যতে মঙ্গলে ঘরবাড়ি বা স্থাপনা নির্মাণের জন্য পৃথিবী থেকে অতিরিক্ত নির্মাণসামগ্রী বহনের প্রয়োজন কমে যেতে পারে।
মঙ্গল গ্রহ গবেষক ডেভন স্টর্ক ও এরিকা ডিবেনেডিকটিস জানিয়েছেন, মঙ্গলকে পুরোপুরি বাসযোগ্য করে তুলতে একদিন বা এক দশক নয়, বরং শতাধিক বছর সময় লাগতে পারে। ভবিষ্যতে আন্টার্কটিকার মতো সীমিত পরিসরে মঙ্গলেও ছোট ছোট মানববসতি গড়ে উঠতে পারে। প্রাথমিকভাবে এসব বসতি মাটির নিচে তৈরি করাই নিরাপদ হবে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, মঙ্গল গ্রহে টিকে থাকতে হলে মানুষকে স্থানীয় সম্পদ ব্যবহার করে খাদ্য ও প্রয়োজনীয় রসদ উৎপাদনের কৌশল জানতে হবে। ভবিষ্যতে কাচের গম্বুজ আকৃতির ঘর তৈরি করে সেখানে চাষাবাদ ও বসবাসের ব্যবস্থা করা হতে পারে।
সম্প্রতি মঙ্গলের দক্ষিণাঞ্চলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কার্বন-ডাই-অক্সাইডের অস্তিত্বের তথ্য পেয়েছেন গবেষকরা। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই গ্যাস ভবিষ্যতে অণুজীবের মাধ্যমে ব্যবহার হয়ে মঙ্গলের পরিবেশ পরিবর্তনে সহায়ক হতে পারে।
বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী ফ্রন্টিয়ার্স ইন মাইক্রোবায়োলজিতে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ‘স্পোরসারসিনা প্যাসটিউরি’ নামের একটি ব্যাকটেরিয়া ক্যালসিয়াম কার্বনেট তৈরি করে মঙ্গলের মাটিকে শক্ত করতে পারে। অন্যদিকে ‘ক্রুকোসিডিয়োপসিস’ নামের আরেকটি অণুজীব চরম পরিবেশেও টিকে থেকে অক্সিজেন উৎপাদনে সহায়তা করতে পারে।
তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এখনই সম্ভব নয়। বিজ্ঞানীদের মতে, মঙ্গল গ্রহকে মানুষের বসবাসের উপযোগী করে তুলতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং ধাপে ধাপে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা।

মঙ্গল গ্রহকে মানুষের বসবাসের উপযোগী করে তোলার স্বপ্ন নিয়ে বহুদিন ধরেই গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। বিশেষ করে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এ বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, পৃথিবীর কিছু শক্তিশালী অণুজীব একদিন লালগ্রহকে সবুজ ও বাসযোগ্য করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বর্তমানে মঙ্গল একটি শুষ্ক ও হিমশীতল মরুভূমি। সেখানে বায়ুমণ্ডল অত্যন্ত পাতলা এবং প্রাণের অস্তিত্বের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ নেই বললেই চলে। তবে গবেষণায় জানা গেছে, অতীতে মঙ্গল তুলনামূলক উষ্ণ ছিল এবং সেখানে পানির উপস্থিতিও ছিল। সেই পুরোনো পরিবেশ ফিরিয়ে আনতেই এখন নানা পরিকল্পনা করছেন বিজ্ঞানীরা।
গবেষকদের মতে, এমন কিছু অণুজীব রয়েছে যেগুলো মঙ্গলের কঠিন পরিবেশে টিকে থাকতে সক্ষম। এসব অণুজীব কার্বন-ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে অক্সিজেন উৎপাদন করতে পারে। এর ফলে ধীরে ধীরে মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল ঘন হতে পারে এবং ভবিষ্যতে সেখানে উদ্ভিদ জন্মানোর পরিবেশ তৈরি হতে পারে।
শুধু তাই নয়, কিছু বিশেষ ব্যাকটেরিয়া মঙ্গলের মাটিকে কংক্রিটের মতো শক্ত পদার্থে রূপান্তর করতে সক্ষম হতে পারে বলেও মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। এতে করে ভবিষ্যতে মঙ্গলে ঘরবাড়ি বা স্থাপনা নির্মাণের জন্য পৃথিবী থেকে অতিরিক্ত নির্মাণসামগ্রী বহনের প্রয়োজন কমে যেতে পারে।
মঙ্গল গ্রহ গবেষক ডেভন স্টর্ক ও এরিকা ডিবেনেডিকটিস জানিয়েছেন, মঙ্গলকে পুরোপুরি বাসযোগ্য করে তুলতে একদিন বা এক দশক নয়, বরং শতাধিক বছর সময় লাগতে পারে। ভবিষ্যতে আন্টার্কটিকার মতো সীমিত পরিসরে মঙ্গলেও ছোট ছোট মানববসতি গড়ে উঠতে পারে। প্রাথমিকভাবে এসব বসতি মাটির নিচে তৈরি করাই নিরাপদ হবে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, মঙ্গল গ্রহে টিকে থাকতে হলে মানুষকে স্থানীয় সম্পদ ব্যবহার করে খাদ্য ও প্রয়োজনীয় রসদ উৎপাদনের কৌশল জানতে হবে। ভবিষ্যতে কাচের গম্বুজ আকৃতির ঘর তৈরি করে সেখানে চাষাবাদ ও বসবাসের ব্যবস্থা করা হতে পারে।
সম্প্রতি মঙ্গলের দক্ষিণাঞ্চলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কার্বন-ডাই-অক্সাইডের অস্তিত্বের তথ্য পেয়েছেন গবেষকরা। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই গ্যাস ভবিষ্যতে অণুজীবের মাধ্যমে ব্যবহার হয়ে মঙ্গলের পরিবেশ পরিবর্তনে সহায়ক হতে পারে।
বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী ফ্রন্টিয়ার্স ইন মাইক্রোবায়োলজিতে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ‘স্পোরসারসিনা প্যাসটিউরি’ নামের একটি ব্যাকটেরিয়া ক্যালসিয়াম কার্বনেট তৈরি করে মঙ্গলের মাটিকে শক্ত করতে পারে। অন্যদিকে ‘ক্রুকোসিডিয়োপসিস’ নামের আরেকটি অণুজীব চরম পরিবেশেও টিকে থেকে অক্সিজেন উৎপাদনে সহায়তা করতে পারে।
তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এখনই সম্ভব নয়। বিজ্ঞানীদের মতে, মঙ্গল গ্রহকে মানুষের বসবাসের উপযোগী করে তুলতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং ধাপে ধাপে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা।

মঙ্গল গ্রহেও জন্মাবে গাছ, বসতি গড়বে মানুষ
সিটিজেন ডেস্ক

মঙ্গল গ্রহকে মানুষের বসবাসের উপযোগী করে তোলার স্বপ্ন নিয়ে বহুদিন ধরেই গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। বিশেষ করে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এ বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, পৃথিবীর কিছু শক্তিশালী অণুজীব একদিন লালগ্রহকে সবুজ ও বাসযোগ্য করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বর্তমানে মঙ্গল একটি শুষ্ক ও হিমশীতল মরুভূমি। সেখানে বায়ুমণ্ডল অত্যন্ত পাতলা এবং প্রাণের অস্তিত্বের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ নেই বললেই চলে। তবে গবেষণায় জানা গেছে, অতীতে মঙ্গল তুলনামূলক উষ্ণ ছিল এবং সেখানে পানির উপস্থিতিও ছিল। সেই পুরোনো পরিবেশ ফিরিয়ে আনতেই এখন নানা পরিকল্পনা করছেন বিজ্ঞানীরা।
গবেষকদের মতে, এমন কিছু অণুজীব রয়েছে যেগুলো মঙ্গলের কঠিন পরিবেশে টিকে থাকতে সক্ষম। এসব অণুজীব কার্বন-ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে অক্সিজেন উৎপাদন করতে পারে। এর ফলে ধীরে ধীরে মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল ঘন হতে পারে এবং ভবিষ্যতে সেখানে উদ্ভিদ জন্মানোর পরিবেশ তৈরি হতে পারে।
শুধু তাই নয়, কিছু বিশেষ ব্যাকটেরিয়া মঙ্গলের মাটিকে কংক্রিটের মতো শক্ত পদার্থে রূপান্তর করতে সক্ষম হতে পারে বলেও মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। এতে করে ভবিষ্যতে মঙ্গলে ঘরবাড়ি বা স্থাপনা নির্মাণের জন্য পৃথিবী থেকে অতিরিক্ত নির্মাণসামগ্রী বহনের প্রয়োজন কমে যেতে পারে।
মঙ্গল গ্রহ গবেষক ডেভন স্টর্ক ও এরিকা ডিবেনেডিকটিস জানিয়েছেন, মঙ্গলকে পুরোপুরি বাসযোগ্য করে তুলতে একদিন বা এক দশক নয়, বরং শতাধিক বছর সময় লাগতে পারে। ভবিষ্যতে আন্টার্কটিকার মতো সীমিত পরিসরে মঙ্গলেও ছোট ছোট মানববসতি গড়ে উঠতে পারে। প্রাথমিকভাবে এসব বসতি মাটির নিচে তৈরি করাই নিরাপদ হবে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, মঙ্গল গ্রহে টিকে থাকতে হলে মানুষকে স্থানীয় সম্পদ ব্যবহার করে খাদ্য ও প্রয়োজনীয় রসদ উৎপাদনের কৌশল জানতে হবে। ভবিষ্যতে কাচের গম্বুজ আকৃতির ঘর তৈরি করে সেখানে চাষাবাদ ও বসবাসের ব্যবস্থা করা হতে পারে।
সম্প্রতি মঙ্গলের দক্ষিণাঞ্চলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কার্বন-ডাই-অক্সাইডের অস্তিত্বের তথ্য পেয়েছেন গবেষকরা। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই গ্যাস ভবিষ্যতে অণুজীবের মাধ্যমে ব্যবহার হয়ে মঙ্গলের পরিবেশ পরিবর্তনে সহায়ক হতে পারে।
বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী ফ্রন্টিয়ার্স ইন মাইক্রোবায়োলজিতে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ‘স্পোরসারসিনা প্যাসটিউরি’ নামের একটি ব্যাকটেরিয়া ক্যালসিয়াম কার্বনেট তৈরি করে মঙ্গলের মাটিকে শক্ত করতে পারে। অন্যদিকে ‘ক্রুকোসিডিয়োপসিস’ নামের আরেকটি অণুজীব চরম পরিবেশেও টিকে থেকে অক্সিজেন উৎপাদনে সহায়তা করতে পারে।
তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এখনই সম্ভব নয়। বিজ্ঞানীদের মতে, মঙ্গল গ্রহকে মানুষের বসবাসের উপযোগী করে তুলতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং ধাপে ধাপে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা।

পৃথিবীর আয়ু কত 


