সেই মেটলাইফে আবারো কাঁদলেন মেসি

সেই মেটলাইফে আবারো কাঁদলেন মেসি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে এক দশক আগে লিওনেল মেসি কেঁদেছিলেন, ভেঙে পড়েছিলেন। ২০১৬ কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে হারের পর অশ্রুসিক্ত চোখে জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ১০ বছর পর একই স্টেডিয়ামে আবার কাঁদলেন মেসি।
মেটলাইফে এবারের বিশ্বকাপ ফাইনাল ছিল মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ইতিহাস গড়ার সুযোগ নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন তিনি। সুযোগ ছিল টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জেতার। কিন্তু ফাইনালের মঞ্চে স্পেনের কৌশলী ফুটবলের সামনে কিছুই করতে পারেননি আর্জেন্টাইন মহাতারকা। পুরো ম্যাচজুড়ে তাকে কঠোর নজরদারিতে রেখেছিল স্পেন।
শেষ পর্যন্ত জেতা হলো না আরেকটি বিশ্বকাপ। রানার্সআপ এর মেডেল গলায় ঝুলানোর পর মাঠের এক জায়গায় দাঁড়িয়ে রইলেন মেসি, কাঁদলেন।
২০১৬ সালে মেটলাইফে কান্না করে অবসরের কয়েক মাস পর সতীর্থদের অনুরোধ, সমর্থকদের ভালোবাসা আর নিজের ইচ্ছাশক্তিতে সিদ্ধান্ত বদলে জাতীয় দলে ফিরে আসেন মেসি। এরপর ২০২১ সালে আর্জেন্টিনার ২৮ বছরের শিরোপাখরা ঘুচিয়ে জেতেন কোপা আমেরিকা।
২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ, ফিনালিসিমা এবং ২০২৪ সালে আরও একটি কোপা আমেরিকা জিতে জাতীয় দলের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল অধিনায়কদের একজন হন।
ক্লাব ও দেশের হয়ে সব মিলিয়ে ৪৮টি শিরোপা জিতে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সফল খেলোয়াড় হিসেবে নিজের নাম প্রতিষ্ঠিত করেন। তবু দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপে রানার্সআপ হয়ে চোখের পানি লুকাতে পারেননি মেসি।
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে মেসির ভবিষ্যৎ নিয়ে চলছে আলোচনা। বিশ্বকাপ যে আর খেলবেন না তা বলাই যায়। ২০৩০ বিশ্বকাপের সময় মেসির বয়স হবে ৪৩ বছর। এবার ফাইনালের আগে ইন্সটাগ্রামে এক পোস্টে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। এবার হয়তো সরাসরি মুখেই বলবেন!
এক নজরে মেসির বিশ্বকাপ-
৬টি ফুটবল বিশ্বকাপে মেসি ৩৪ ম্যাচ খেলেছেন। ২৩টি জয়, ৫টি ড্র, ৬টি হার। ১৬ বার ম্যাচসেরা নির্বাচিত। গোল ২১টি, অ্যাসিস্ট ১২টি। একবার চ্যাম্পিয়ন (২০২২) ও দুইবার রানার্স-আপ (২০১৪, ২০২৬)।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে এক দশক আগে লিওনেল মেসি কেঁদেছিলেন, ভেঙে পড়েছিলেন। ২০১৬ কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে হারের পর অশ্রুসিক্ত চোখে জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ১০ বছর পর একই স্টেডিয়ামে আবার কাঁদলেন মেসি।
মেটলাইফে এবারের বিশ্বকাপ ফাইনাল ছিল মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ইতিহাস গড়ার সুযোগ নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন তিনি। সুযোগ ছিল টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জেতার। কিন্তু ফাইনালের মঞ্চে স্পেনের কৌশলী ফুটবলের সামনে কিছুই করতে পারেননি আর্জেন্টাইন মহাতারকা। পুরো ম্যাচজুড়ে তাকে কঠোর নজরদারিতে রেখেছিল স্পেন।
শেষ পর্যন্ত জেতা হলো না আরেকটি বিশ্বকাপ। রানার্সআপ এর মেডেল গলায় ঝুলানোর পর মাঠের এক জায়গায় দাঁড়িয়ে রইলেন মেসি, কাঁদলেন।
২০১৬ সালে মেটলাইফে কান্না করে অবসরের কয়েক মাস পর সতীর্থদের অনুরোধ, সমর্থকদের ভালোবাসা আর নিজের ইচ্ছাশক্তিতে সিদ্ধান্ত বদলে জাতীয় দলে ফিরে আসেন মেসি। এরপর ২০২১ সালে আর্জেন্টিনার ২৮ বছরের শিরোপাখরা ঘুচিয়ে জেতেন কোপা আমেরিকা।
২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ, ফিনালিসিমা এবং ২০২৪ সালে আরও একটি কোপা আমেরিকা জিতে জাতীয় দলের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল অধিনায়কদের একজন হন।
ক্লাব ও দেশের হয়ে সব মিলিয়ে ৪৮টি শিরোপা জিতে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সফল খেলোয়াড় হিসেবে নিজের নাম প্রতিষ্ঠিত করেন। তবু দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপে রানার্সআপ হয়ে চোখের পানি লুকাতে পারেননি মেসি।
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে মেসির ভবিষ্যৎ নিয়ে চলছে আলোচনা। বিশ্বকাপ যে আর খেলবেন না তা বলাই যায়। ২০৩০ বিশ্বকাপের সময় মেসির বয়স হবে ৪৩ বছর। এবার ফাইনালের আগে ইন্সটাগ্রামে এক পোস্টে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। এবার হয়তো সরাসরি মুখেই বলবেন!
এক নজরে মেসির বিশ্বকাপ-
৬টি ফুটবল বিশ্বকাপে মেসি ৩৪ ম্যাচ খেলেছেন। ২৩টি জয়, ৫টি ড্র, ৬টি হার। ১৬ বার ম্যাচসেরা নির্বাচিত। গোল ২১টি, অ্যাসিস্ট ১২টি। একবার চ্যাম্পিয়ন (২০২২) ও দুইবার রানার্স-আপ (২০১৪, ২০২৬)।

সেই মেটলাইফে আবারো কাঁদলেন মেসি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে এক দশক আগে লিওনেল মেসি কেঁদেছিলেন, ভেঙে পড়েছিলেন। ২০১৬ কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে হারের পর অশ্রুসিক্ত চোখে জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ১০ বছর পর একই স্টেডিয়ামে আবার কাঁদলেন মেসি।
মেটলাইফে এবারের বিশ্বকাপ ফাইনাল ছিল মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ইতিহাস গড়ার সুযোগ নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন তিনি। সুযোগ ছিল টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জেতার। কিন্তু ফাইনালের মঞ্চে স্পেনের কৌশলী ফুটবলের সামনে কিছুই করতে পারেননি আর্জেন্টাইন মহাতারকা। পুরো ম্যাচজুড়ে তাকে কঠোর নজরদারিতে রেখেছিল স্পেন।
শেষ পর্যন্ত জেতা হলো না আরেকটি বিশ্বকাপ। রানার্সআপ এর মেডেল গলায় ঝুলানোর পর মাঠের এক জায়গায় দাঁড়িয়ে রইলেন মেসি, কাঁদলেন।
২০১৬ সালে মেটলাইফে কান্না করে অবসরের কয়েক মাস পর সতীর্থদের অনুরোধ, সমর্থকদের ভালোবাসা আর নিজের ইচ্ছাশক্তিতে সিদ্ধান্ত বদলে জাতীয় দলে ফিরে আসেন মেসি। এরপর ২০২১ সালে আর্জেন্টিনার ২৮ বছরের শিরোপাখরা ঘুচিয়ে জেতেন কোপা আমেরিকা।
২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ, ফিনালিসিমা এবং ২০২৪ সালে আরও একটি কোপা আমেরিকা জিতে জাতীয় দলের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল অধিনায়কদের একজন হন।
ক্লাব ও দেশের হয়ে সব মিলিয়ে ৪৮টি শিরোপা জিতে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সফল খেলোয়াড় হিসেবে নিজের নাম প্রতিষ্ঠিত করেন। তবু দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপে রানার্সআপ হয়ে চোখের পানি লুকাতে পারেননি মেসি।
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে মেসির ভবিষ্যৎ নিয়ে চলছে আলোচনা। বিশ্বকাপ যে আর খেলবেন না তা বলাই যায়। ২০৩০ বিশ্বকাপের সময় মেসির বয়স হবে ৪৩ বছর। এবার ফাইনালের আগে ইন্সটাগ্রামে এক পোস্টে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। এবার হয়তো সরাসরি মুখেই বলবেন!
এক নজরে মেসির বিশ্বকাপ-
৬টি ফুটবল বিশ্বকাপে মেসি ৩৪ ম্যাচ খেলেছেন। ২৩টি জয়, ৫টি ড্র, ৬টি হার। ১৬ বার ম্যাচসেরা নির্বাচিত। গোল ২১টি, অ্যাসিস্ট ১২টি। একবার চ্যাম্পিয়ন (২০২২) ও দুইবার রানার্স-আপ (২০১৪, ২০২৬)।

আবার ইউরোর পর বিশ্বকাপ জয়ে অনন্য কীর্তি স্পেনের
গোল-অ্যাসিস্ট না করেও গোল্ডেন বল জিতলেন রদ্রি





