অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে মধ্যরাতে উত্তাল তিতুমীর কলেজ

অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে মধ্যরাতে উত্তাল তিতুমীর কলেজ
তিতুমীর কলেজ সংবাদদাতা

আবাসিক হলের অতিরিক্ত হল ফি নির্ধারণের প্রতিবাদে সরকারি তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভে ছাত্রীরাও অংশ নেন।
রবিবার (২০ জুলাই) রাত ১০টায় শহীদ মামুন ছাত্রাবাস থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। পরে মিছিলটি সরকারি তিতুমীর কলেজের প্রধান ফটকে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি তুলে ধরেন এবং নতুন প্রকাশিত হল ফি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করেন।
এর আগে, ২০ জুলাই সরকারি তিতুমীর কলেজ কর্তৃপক্ষ এক প্রজ্ঞাপনে জানায়, লিফট-সুবিধাসহ শহীদ মামুন হল ও অপরাজিতা ছাত্রী নিবাসের হল ফি ৭ হাজার ৮০০ টাকা এবং লিফটবিহীন সুফিয়া কামাল ছাত্রী নিবাস ও সিরাজ ছাত্রী নিবাসের হল ফি ৭ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পূর্বের ফি থেকে মাত্র ২০০ টাকা কমিয়ে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।
তাদের অভিযোগ, প্রশাসন আলোচনায় এক হাজার টাকা কমানোর আশ্বাস দিলেও প্রজ্ঞাপনে সেই প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন ঘটেনি।
বিক্ষোভ শেষে শহীদ মামুন হলের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘অধ্যক্ষের সঙ্গে আমরা দফায় দফায় বসেছি। ঢাকার সাতটি সরকারি কলেজের মধ্যে শুধু তিতুমীর কলেজের হল ফি সবচেয়ে বেশি। অধ্যক্ষ এক হাজার টাকা কমানোর আশ্বাস দিলেও প্রজ্ঞাপনে মাত্র ২০০ টাকা কমানো হয়েছে। প্রশাসনের এই নোটিশ আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।’
উল্লেখ্য, হল ফি কমানোর দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন অবস্থান কর্মসূচি ও স্মারকলিপি প্রদানসহ ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে আসছে। তবে প্রশাসনের সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের দাবি প্রতিফলিত না হওয়ায় তাদের ক্ষোভ আরও বেড়েছে।

আবাসিক হলের অতিরিক্ত হল ফি নির্ধারণের প্রতিবাদে সরকারি তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভে ছাত্রীরাও অংশ নেন।
রবিবার (২০ জুলাই) রাত ১০টায় শহীদ মামুন ছাত্রাবাস থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। পরে মিছিলটি সরকারি তিতুমীর কলেজের প্রধান ফটকে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি তুলে ধরেন এবং নতুন প্রকাশিত হল ফি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করেন।
এর আগে, ২০ জুলাই সরকারি তিতুমীর কলেজ কর্তৃপক্ষ এক প্রজ্ঞাপনে জানায়, লিফট-সুবিধাসহ শহীদ মামুন হল ও অপরাজিতা ছাত্রী নিবাসের হল ফি ৭ হাজার ৮০০ টাকা এবং লিফটবিহীন সুফিয়া কামাল ছাত্রী নিবাস ও সিরাজ ছাত্রী নিবাসের হল ফি ৭ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পূর্বের ফি থেকে মাত্র ২০০ টাকা কমিয়ে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।
তাদের অভিযোগ, প্রশাসন আলোচনায় এক হাজার টাকা কমানোর আশ্বাস দিলেও প্রজ্ঞাপনে সেই প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন ঘটেনি।
বিক্ষোভ শেষে শহীদ মামুন হলের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘অধ্যক্ষের সঙ্গে আমরা দফায় দফায় বসেছি। ঢাকার সাতটি সরকারি কলেজের মধ্যে শুধু তিতুমীর কলেজের হল ফি সবচেয়ে বেশি। অধ্যক্ষ এক হাজার টাকা কমানোর আশ্বাস দিলেও প্রজ্ঞাপনে মাত্র ২০০ টাকা কমানো হয়েছে। প্রশাসনের এই নোটিশ আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।’
উল্লেখ্য, হল ফি কমানোর দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন অবস্থান কর্মসূচি ও স্মারকলিপি প্রদানসহ ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে আসছে। তবে প্রশাসনের সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের দাবি প্রতিফলিত না হওয়ায় তাদের ক্ষোভ আরও বেড়েছে।

অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে মধ্যরাতে উত্তাল তিতুমীর কলেজ
তিতুমীর কলেজ সংবাদদাতা

আবাসিক হলের অতিরিক্ত হল ফি নির্ধারণের প্রতিবাদে সরকারি তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভে ছাত্রীরাও অংশ নেন।
রবিবার (২০ জুলাই) রাত ১০টায় শহীদ মামুন ছাত্রাবাস থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। পরে মিছিলটি সরকারি তিতুমীর কলেজের প্রধান ফটকে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি তুলে ধরেন এবং নতুন প্রকাশিত হল ফি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করেন।
এর আগে, ২০ জুলাই সরকারি তিতুমীর কলেজ কর্তৃপক্ষ এক প্রজ্ঞাপনে জানায়, লিফট-সুবিধাসহ শহীদ মামুন হল ও অপরাজিতা ছাত্রী নিবাসের হল ফি ৭ হাজার ৮০০ টাকা এবং লিফটবিহীন সুফিয়া কামাল ছাত্রী নিবাস ও সিরাজ ছাত্রী নিবাসের হল ফি ৭ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পূর্বের ফি থেকে মাত্র ২০০ টাকা কমিয়ে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।
তাদের অভিযোগ, প্রশাসন আলোচনায় এক হাজার টাকা কমানোর আশ্বাস দিলেও প্রজ্ঞাপনে সেই প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন ঘটেনি।
বিক্ষোভ শেষে শহীদ মামুন হলের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘অধ্যক্ষের সঙ্গে আমরা দফায় দফায় বসেছি। ঢাকার সাতটি সরকারি কলেজের মধ্যে শুধু তিতুমীর কলেজের হল ফি সবচেয়ে বেশি। অধ্যক্ষ এক হাজার টাকা কমানোর আশ্বাস দিলেও প্রজ্ঞাপনে মাত্র ২০০ টাকা কমানো হয়েছে। প্রশাসনের এই নোটিশ আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।’
উল্লেখ্য, হল ফি কমানোর দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন অবস্থান কর্মসূচি ও স্মারকলিপি প্রদানসহ ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে আসছে। তবে প্রশাসনের সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের দাবি প্রতিফলিত না হওয়ায় তাদের ক্ষোভ আরও বেড়েছে।

তিতুমীর কলেজে আবাসিক হলের ফি কমানোর দাবি






