সংবাদ সম্মেলন থেকে কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে গেলেন স্কালোনি

সংবাদ সম্মেলন থেকে কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে গেলেন স্কালোনি
সিজেডএন ডেস্ক

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়েছে আর্জেন্টিনার। ইতিহাসের খুব কাছে গিয়েও ট্রফি হাতছাড়া হওয়ার কষ্টে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। সংবাদ সম্মেলনে কথা বলতে গিয়ে একপর্যায়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি।
ফাইনাল হারার পর সংবাদ সম্মেলনে দলের পারফরম্যান্স, খেলোয়াড়দের অবদান এবং নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেন স্কালোনি। এ সময় আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসির প্রশংসা করতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি।
৩৯ বছর বয়সেও মেসির ফুটবল চালিয়ে যাওয়ার মানসিকতা ও নেতৃত্বের প্রশংসা করে স্কালোনি বলেন, ‘৩৯ বছর বয়স—এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। আমি জানি, যত দিন সে নিজে থেকে থামার সিদ্ধান্ত না নেবে, তত দিন খেলা চালিয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, জাতীয় দলের সতীর্থরা এবং মেসির চারপাশের সবাই তাঁর জন্য নিজেদের সর্বোচ্চটা দিতে প্রস্তুত। মেসি তাঁর সতীর্থদের নিয়ে গর্বিত এবং দেশের মানুষও জাতীয় দল ও মেসির অবদান নিয়ে গর্বিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে ডিসেম্বরের পর আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচের পদে থাকা নিয়ে অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন স্কালোনি। তিনি বলেন, ‘আমি চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাব। এরপর সম্ভবত আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের সঙ্গে আমার সম্পর্কের ইতি ঘটতে পারে। তবে দেখা যাক কী হয়।’
স্কালোনি জানান, আর্জেন্টিনা দলের কোচের দায়িত্ব অত্যন্ত সম্মানের এবং এটি একটি স্বপ্নের জায়গা। তবে দীর্ঘদিন ধরে একই পর্যায়ের সাফল্য ধরে রাখা কতটা সম্ভব, তা নিয়ে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
ফাইনালে ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। খেলোয়াড়দের প্রশংসা করে স্কালোনি বলেন, হারলেও দলের প্রচেষ্টায় তিনি গর্বিত।
তিনি বলেন, ‘আমাদের মনে কষ্ট আছে, তবে একই সঙ্গে গর্বও আছে। কারণ আমরা মাঠে নিজেদের সবটুকু দিয়েছি। মানুষ যেমন জয়ের আনন্দ উদযাপন করে, তেমনি হার মেনে নেওয়ার মানসিকতাও থাকতে হবে। আজ আমরা সেটিই দেখিয়েছি।’
আর্জেন্টিনা কোচ বলেন, ‘আমি এই খেলোয়াড়দের কাছে সবসময় কৃতজ্ঞ থাকব। তারা আমাদের আরেকটি বিশ্বকাপ ফাইনালে নিয়ে এসেছে এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করেছে। আজকের ম্যাচে স্পেন আমাদের চেয়ে ভালো দল ছিল—এটাই বাস্তবতা, আর আমাদের সেটি মেনে নিতে হবে।’
টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও দলের অর্জনকে বড় করে দেখছেন স্কালোনি। তাঁর মতে, বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে দ্বিতীয় হওয়াও গর্বের বিষয়।
তিনি বলেন, ‘এই পর্যায়ে পৌঁছানো কতটা কঠিন, তা বুঝতে হবে এবং এই অর্জনের মূল্য দিতে হবে।’
একপর্যায়ে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি স্কালোনি। কান্নায় ভেঙে পড়ে সংবাদ সম্মেলন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী কোচ।

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়েছে আর্জেন্টিনার। ইতিহাসের খুব কাছে গিয়েও ট্রফি হাতছাড়া হওয়ার কষ্টে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। সংবাদ সম্মেলনে কথা বলতে গিয়ে একপর্যায়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি।
ফাইনাল হারার পর সংবাদ সম্মেলনে দলের পারফরম্যান্স, খেলোয়াড়দের অবদান এবং নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেন স্কালোনি। এ সময় আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসির প্রশংসা করতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি।
৩৯ বছর বয়সেও মেসির ফুটবল চালিয়ে যাওয়ার মানসিকতা ও নেতৃত্বের প্রশংসা করে স্কালোনি বলেন, ‘৩৯ বছর বয়স—এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। আমি জানি, যত দিন সে নিজে থেকে থামার সিদ্ধান্ত না নেবে, তত দিন খেলা চালিয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, জাতীয় দলের সতীর্থরা এবং মেসির চারপাশের সবাই তাঁর জন্য নিজেদের সর্বোচ্চটা দিতে প্রস্তুত। মেসি তাঁর সতীর্থদের নিয়ে গর্বিত এবং দেশের মানুষও জাতীয় দল ও মেসির অবদান নিয়ে গর্বিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে ডিসেম্বরের পর আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচের পদে থাকা নিয়ে অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন স্কালোনি। তিনি বলেন, ‘আমি চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাব। এরপর সম্ভবত আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের সঙ্গে আমার সম্পর্কের ইতি ঘটতে পারে। তবে দেখা যাক কী হয়।’
স্কালোনি জানান, আর্জেন্টিনা দলের কোচের দায়িত্ব অত্যন্ত সম্মানের এবং এটি একটি স্বপ্নের জায়গা। তবে দীর্ঘদিন ধরে একই পর্যায়ের সাফল্য ধরে রাখা কতটা সম্ভব, তা নিয়ে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
ফাইনালে ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। খেলোয়াড়দের প্রশংসা করে স্কালোনি বলেন, হারলেও দলের প্রচেষ্টায় তিনি গর্বিত।
তিনি বলেন, ‘আমাদের মনে কষ্ট আছে, তবে একই সঙ্গে গর্বও আছে। কারণ আমরা মাঠে নিজেদের সবটুকু দিয়েছি। মানুষ যেমন জয়ের আনন্দ উদযাপন করে, তেমনি হার মেনে নেওয়ার মানসিকতাও থাকতে হবে। আজ আমরা সেটিই দেখিয়েছি।’
আর্জেন্টিনা কোচ বলেন, ‘আমি এই খেলোয়াড়দের কাছে সবসময় কৃতজ্ঞ থাকব। তারা আমাদের আরেকটি বিশ্বকাপ ফাইনালে নিয়ে এসেছে এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করেছে। আজকের ম্যাচে স্পেন আমাদের চেয়ে ভালো দল ছিল—এটাই বাস্তবতা, আর আমাদের সেটি মেনে নিতে হবে।’
টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও দলের অর্জনকে বড় করে দেখছেন স্কালোনি। তাঁর মতে, বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে দ্বিতীয় হওয়াও গর্বের বিষয়।
তিনি বলেন, ‘এই পর্যায়ে পৌঁছানো কতটা কঠিন, তা বুঝতে হবে এবং এই অর্জনের মূল্য দিতে হবে।’
একপর্যায়ে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি স্কালোনি। কান্নায় ভেঙে পড়ে সংবাদ সম্মেলন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী কোচ।

সংবাদ সম্মেলন থেকে কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে গেলেন স্কালোনি
সিজেডএন ডেস্ক

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়েছে আর্জেন্টিনার। ইতিহাসের খুব কাছে গিয়েও ট্রফি হাতছাড়া হওয়ার কষ্টে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। সংবাদ সম্মেলনে কথা বলতে গিয়ে একপর্যায়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি।
ফাইনাল হারার পর সংবাদ সম্মেলনে দলের পারফরম্যান্স, খেলোয়াড়দের অবদান এবং নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেন স্কালোনি। এ সময় আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসির প্রশংসা করতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি।
৩৯ বছর বয়সেও মেসির ফুটবল চালিয়ে যাওয়ার মানসিকতা ও নেতৃত্বের প্রশংসা করে স্কালোনি বলেন, ‘৩৯ বছর বয়স—এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। আমি জানি, যত দিন সে নিজে থেকে থামার সিদ্ধান্ত না নেবে, তত দিন খেলা চালিয়ে যাবে।’
তিনি বলেন, জাতীয় দলের সতীর্থরা এবং মেসির চারপাশের সবাই তাঁর জন্য নিজেদের সর্বোচ্চটা দিতে প্রস্তুত। মেসি তাঁর সতীর্থদের নিয়ে গর্বিত এবং দেশের মানুষও জাতীয় দল ও মেসির অবদান নিয়ে গর্বিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে ডিসেম্বরের পর আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচের পদে থাকা নিয়ে অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন স্কালোনি। তিনি বলেন, ‘আমি চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাব। এরপর সম্ভবত আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের সঙ্গে আমার সম্পর্কের ইতি ঘটতে পারে। তবে দেখা যাক কী হয়।’
স্কালোনি জানান, আর্জেন্টিনা দলের কোচের দায়িত্ব অত্যন্ত সম্মানের এবং এটি একটি স্বপ্নের জায়গা। তবে দীর্ঘদিন ধরে একই পর্যায়ের সাফল্য ধরে রাখা কতটা সম্ভব, তা নিয়ে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
ফাইনালে ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার পরও শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। খেলোয়াড়দের প্রশংসা করে স্কালোনি বলেন, হারলেও দলের প্রচেষ্টায় তিনি গর্বিত।
তিনি বলেন, ‘আমাদের মনে কষ্ট আছে, তবে একই সঙ্গে গর্বও আছে। কারণ আমরা মাঠে নিজেদের সবটুকু দিয়েছি। মানুষ যেমন জয়ের আনন্দ উদযাপন করে, তেমনি হার মেনে নেওয়ার মানসিকতাও থাকতে হবে। আজ আমরা সেটিই দেখিয়েছি।’
আর্জেন্টিনা কোচ বলেন, ‘আমি এই খেলোয়াড়দের কাছে সবসময় কৃতজ্ঞ থাকব। তারা আমাদের আরেকটি বিশ্বকাপ ফাইনালে নিয়ে এসেছে এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করেছে। আজকের ম্যাচে স্পেন আমাদের চেয়ে ভালো দল ছিল—এটাই বাস্তবতা, আর আমাদের সেটি মেনে নিতে হবে।’
টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও দলের অর্জনকে বড় করে দেখছেন স্কালোনি। তাঁর মতে, বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে দ্বিতীয় হওয়াও গর্বের বিষয়।
তিনি বলেন, ‘এই পর্যায়ে পৌঁছানো কতটা কঠিন, তা বুঝতে হবে এবং এই অর্জনের মূল্য দিতে হবে।’
একপর্যায়ে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি স্কালোনি। কান্নায় ভেঙে পড়ে সংবাদ সম্মেলন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী কোচ।









