শিরোনাম

মিত্রদের সঙ্গে নৈশভোজে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

সিজেডএন  ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
মিত্রদের সঙ্গে নৈশভোজে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর
যুগপৎ আন্দোলনে শরিক রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: পিএমও

যুগপৎ আন্দোলনের শরিক রাজনৈতিক দল ও জোটগুলোর নেতাদের সঙ্গে সরকার গঠনের পাঁচ মাস পর প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক নৈশভোজ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় জাতীয় ঐক্য আরও সুসংহত করা এবং রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে ঘোষিত ৩১ দফা ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

সোমবার (২০ জুলাই) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ব্রিফিংয়ের শুরুতে তিনি জুলাই ২০২৪–এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নিহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই দেশে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত হয়েছে। একই সঙ্গে আন্দোলনে আহত ও স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণকারী ব্যক্তিদের অবদানও জাতি চিরকাল স্মরণে রাখবে বলে উল্লেখ করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ ১৫ থেকে ১৬ বছরের আন্দোলনে যেসব রাজনৈতিক দল একসঙ্গে কাজ করেছে, তাদের এই পুনর্মিলন দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা এবং রাষ্ট্র সংস্কারের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। তিনি জানান, বৈঠকে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সরকারের পাঁচ মাসের কার্যক্রম এবং রাষ্ট্র সংস্কারের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ৩১ দফা ও জুলাই সনদ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, দীর্ঘ আন্দোলনে যারা কারাবরণ করেছেন, গুম, নির্যাতন কিংবা হত্যার শিকার হয়েছেন, তাদের অবদান দেশের মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও দলীয় মনোনয়ন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, বিষয়টি নিয়ে এখনো শরিক দলগুলোর সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, বর্তমান আইনে দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার সুযোগ নেই। তবে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে পারস্পরিক আলোচনা ও ঐকমত্যের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলকে সঙ্গে নিয়েই দেশ পরিচালনা ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।

বৈঠক-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে ৪১টি রাজনৈতিক দলের ১৮৪ জন প্রতিনিধি নৈশভোজে অংশ নেন। তবে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) এবং জমিয়তে ইসলাম অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি।

/এমআর/