ম্যাচ শেষে গ্যালারি পরিষ্কার করে প্রশংসায় ভাসছেন জাপানি সমর্থকরা

ম্যাচ শেষে গ্যালারি পরিষ্কার করে প্রশংসায় ভাসছেন জাপানি সমর্থকরা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচ ড্র করেছে জাপান। ম্যাচের পর ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করে নিয়েছেন জাপানি সমর্থকরা। খেলার ফলাফল ছাপিয়ে আবারও আলোচনায় এসেছে তাদের অনন্য স্টেডিয়াম পরিষ্কারের সংস্কৃতি। রবিবার (১৪ জুন) রাতের ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে জাপান।
তবে ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পরপরই গ্যালারিতে তৈরি হয় এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। অন্য দলগুলোর সমর্থকেরা যখন মাঠ ছাড়ছিলেন, তখন জাপানি দর্শকেরা গ্যালারিতে পড়ে থাকা প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের মোড়কসহ সব ধরনের আবর্জনা নিজে হাতে পরিষ্কার করতে শুরু করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানের ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে বিশ্বজুড়ে প্রশংসার জোয়ার ওঠে।
শুধু সমর্থকরাই নন, জাপানি ফুটবলারদের মধ্যেও ড্রেসিংরুম একদম ঝকঝকে রেখে আসার এই অভ্যাস রয়েছে। এর আগেও বহুবার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এ ঘটনা। মূলত ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ থেকেই বৈশ্বিক মঞ্চে নিয়মিতভাবে এ দায়িত্বশীল আচরণ প্রদর্শন করে আসছেন দেশটির নাগরিকেরা। জাপানি সংস্কৃতির মূল ভিত্তি ‘তাতসু তোরি আতও ও নিগোসাজু’ নীতি থেকেই মূলত এই অভ্যাসের উৎপত্তি, যার অর্থ হলো ‘ব্যবহার শেষে কোনো স্থানকে আগের মতোই পরিচ্ছন্ন রেখে যাওয়া।’ ফুটবল মাঠে তাদের এ শিক্ষণীয় আচরণ আবারও প্রমাণ করল কেন তারা সৌজন্য ও সভ্যতার অনন্য উদাহরণ।

বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচ ড্র করেছে জাপান। ম্যাচের পর ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করে নিয়েছেন জাপানি সমর্থকরা। খেলার ফলাফল ছাপিয়ে আবারও আলোচনায় এসেছে তাদের অনন্য স্টেডিয়াম পরিষ্কারের সংস্কৃতি। রবিবার (১৪ জুন) রাতের ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে জাপান।
তবে ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পরপরই গ্যালারিতে তৈরি হয় এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। অন্য দলগুলোর সমর্থকেরা যখন মাঠ ছাড়ছিলেন, তখন জাপানি দর্শকেরা গ্যালারিতে পড়ে থাকা প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের মোড়কসহ সব ধরনের আবর্জনা নিজে হাতে পরিষ্কার করতে শুরু করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানের ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে বিশ্বজুড়ে প্রশংসার জোয়ার ওঠে।
শুধু সমর্থকরাই নন, জাপানি ফুটবলারদের মধ্যেও ড্রেসিংরুম একদম ঝকঝকে রেখে আসার এই অভ্যাস রয়েছে। এর আগেও বহুবার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এ ঘটনা। মূলত ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ থেকেই বৈশ্বিক মঞ্চে নিয়মিতভাবে এ দায়িত্বশীল আচরণ প্রদর্শন করে আসছেন দেশটির নাগরিকেরা। জাপানি সংস্কৃতির মূল ভিত্তি ‘তাতসু তোরি আতও ও নিগোসাজু’ নীতি থেকেই মূলত এই অভ্যাসের উৎপত্তি, যার অর্থ হলো ‘ব্যবহার শেষে কোনো স্থানকে আগের মতোই পরিচ্ছন্ন রেখে যাওয়া।’ ফুটবল মাঠে তাদের এ শিক্ষণীয় আচরণ আবারও প্রমাণ করল কেন তারা সৌজন্য ও সভ্যতার অনন্য উদাহরণ।

ম্যাচ শেষে গ্যালারি পরিষ্কার করে প্রশংসায় ভাসছেন জাপানি সমর্থকরা
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচ ড্র করেছে জাপান। ম্যাচের পর ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করে নিয়েছেন জাপানি সমর্থকরা। খেলার ফলাফল ছাপিয়ে আবারও আলোচনায় এসেছে তাদের অনন্য স্টেডিয়াম পরিষ্কারের সংস্কৃতি। রবিবার (১৪ জুন) রাতের ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করে জাপান।
তবে ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পরপরই গ্যালারিতে তৈরি হয় এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। অন্য দলগুলোর সমর্থকেরা যখন মাঠ ছাড়ছিলেন, তখন জাপানি দর্শকেরা গ্যালারিতে পড়ে থাকা প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের মোড়কসহ সব ধরনের আবর্জনা নিজে হাতে পরিষ্কার করতে শুরু করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানের ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে বিশ্বজুড়ে প্রশংসার জোয়ার ওঠে।
শুধু সমর্থকরাই নন, জাপানি ফুটবলারদের মধ্যেও ড্রেসিংরুম একদম ঝকঝকে রেখে আসার এই অভ্যাস রয়েছে। এর আগেও বহুবার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এ ঘটনা। মূলত ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ থেকেই বৈশ্বিক মঞ্চে নিয়মিতভাবে এ দায়িত্বশীল আচরণ প্রদর্শন করে আসছেন দেশটির নাগরিকেরা। জাপানি সংস্কৃতির মূল ভিত্তি ‘তাতসু তোরি আতও ও নিগোসাজু’ নীতি থেকেই মূলত এই অভ্যাসের উৎপত্তি, যার অর্থ হলো ‘ব্যবহার শেষে কোনো স্থানকে আগের মতোই পরিচ্ছন্ন রেখে যাওয়া।’ ফুটবল মাঠে তাদের এ শিক্ষণীয় আচরণ আবারও প্রমাণ করল কেন তারা সৌজন্য ও সভ্যতার অনন্য উদাহরণ।

শেষ মুহূর্তের গোলে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে জাপানের ড্র


