লোডশেডিংয়ে গ্রাহকদের ক্ষোভ, বিদ্যুৎ কর্মীদের নিরাপত্তা চেয়ে চিঠি

লোডশেডিংয়ে গ্রাহকদের ক্ষোভ, বিদ্যুৎ কর্মীদের নিরাপত্তা চেয়ে চিঠি
গোপালগঞ্জ সংবাদদাতা

সম্প্রতি দেশজুড়ে তীব্র বিদ্যুৎ সংকট দেখা দিয়েছে। এতে বাড়ছে লোডশেডিংয়ের ঘটনা। কোথাও দিন-রাতে ১৮ ঘণ্টা তো কোথাও ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টাই বিদ্যুত থাকে না। এবার গোপালগঞ্জে ঘন ঘন লোডশেডিংকে কেন্দ্র করে গ্রাহকরা দপ্তর ও উপকেন্দ্রে হামলা চালাতে পারে– এমন আশঙ্কায় স্থাপনা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা চেয়ে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে চিঠি দিয়েছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড-ওজোপাডিকো।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ওজোপাডিকো গোপালগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাঈন উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে পুলিশ সুপারের কাছে এ অনুরোধ জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, গোপালগঞ্জ পাওয়ার হাউজ ক্যাম্পাস ও চরপাথালিয়ায় অবস্থিত ওজোপাডিকোর দুটি ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের মাধ্যমে পৌর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। বর্তমানে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়া এবং জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদার তুলনায় কম বরাদ্দ পাওয়ায় ঘন ঘন লোডশেডিং করতে হচ্ছে। এতে গ্রাহকদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এর ফলে দপ্তর, বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ বা অন্য কোনো অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওজোপাডিকোর দপ্তর ও ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রগুলোকে নিয়মিত পুলিশ টহলের আওতায় আনা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর বিশেষ নজরদারির অনুরোধ জানানো হয়েছে।
চিঠির অনুলিপি জেলা প্রশাসক, এনএসআইয়ের যুগ্ম পরিচালক, গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওজোপাডিকোর গোপালগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মইনুদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, গ্রাহকদের কাছ থেকে কোনো নির্দিষ্ট হুমকি না পেলেও দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুৎ সেবাকে কেন্দ্র করে নাশকতামূলক বা আক্রোশমূলক ঘটনা ঘটছে। এজন্য সতর্কতামূলকভাবে পুলিশ সুপারের কাছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা চেয়েছি।’
জানা গেছে, গোপালগঞ্জ শহরে ১০ থেকে ১৫ ঘণ্টা করে লোডশেডিং হচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাকরা। তীব্র গরমের মধ্যে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে তাদের মধ্যে দিন দিন ক্ষোভ বাড়ছে। স্থানীয়রা এ সমস্যার দ্রুত সমাধান চেয়েছেন।

সম্প্রতি দেশজুড়ে তীব্র বিদ্যুৎ সংকট দেখা দিয়েছে। এতে বাড়ছে লোডশেডিংয়ের ঘটনা। কোথাও দিন-রাতে ১৮ ঘণ্টা তো কোথাও ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টাই বিদ্যুত থাকে না। এবার গোপালগঞ্জে ঘন ঘন লোডশেডিংকে কেন্দ্র করে গ্রাহকরা দপ্তর ও উপকেন্দ্রে হামলা চালাতে পারে– এমন আশঙ্কায় স্থাপনা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা চেয়ে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে চিঠি দিয়েছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড-ওজোপাডিকো।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ওজোপাডিকো গোপালগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাঈন উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে পুলিশ সুপারের কাছে এ অনুরোধ জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, গোপালগঞ্জ পাওয়ার হাউজ ক্যাম্পাস ও চরপাথালিয়ায় অবস্থিত ওজোপাডিকোর দুটি ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের মাধ্যমে পৌর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। বর্তমানে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়া এবং জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদার তুলনায় কম বরাদ্দ পাওয়ায় ঘন ঘন লোডশেডিং করতে হচ্ছে। এতে গ্রাহকদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এর ফলে দপ্তর, বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ বা অন্য কোনো অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওজোপাডিকোর দপ্তর ও ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রগুলোকে নিয়মিত পুলিশ টহলের আওতায় আনা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর বিশেষ নজরদারির অনুরোধ জানানো হয়েছে।
চিঠির অনুলিপি জেলা প্রশাসক, এনএসআইয়ের যুগ্ম পরিচালক, গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওজোপাডিকোর গোপালগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মইনুদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, গ্রাহকদের কাছ থেকে কোনো নির্দিষ্ট হুমকি না পেলেও দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুৎ সেবাকে কেন্দ্র করে নাশকতামূলক বা আক্রোশমূলক ঘটনা ঘটছে। এজন্য সতর্কতামূলকভাবে পুলিশ সুপারের কাছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা চেয়েছি।’
জানা গেছে, গোপালগঞ্জ শহরে ১০ থেকে ১৫ ঘণ্টা করে লোডশেডিং হচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাকরা। তীব্র গরমের মধ্যে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে তাদের মধ্যে দিন দিন ক্ষোভ বাড়ছে। স্থানীয়রা এ সমস্যার দ্রুত সমাধান চেয়েছেন।

লোডশেডিংয়ে গ্রাহকদের ক্ষোভ, বিদ্যুৎ কর্মীদের নিরাপত্তা চেয়ে চিঠি
গোপালগঞ্জ সংবাদদাতা

সম্প্রতি দেশজুড়ে তীব্র বিদ্যুৎ সংকট দেখা দিয়েছে। এতে বাড়ছে লোডশেডিংয়ের ঘটনা। কোথাও দিন-রাতে ১৮ ঘণ্টা তো কোথাও ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টাই বিদ্যুত থাকে না। এবার গোপালগঞ্জে ঘন ঘন লোডশেডিংকে কেন্দ্র করে গ্রাহকরা দপ্তর ও উপকেন্দ্রে হামলা চালাতে পারে– এমন আশঙ্কায় স্থাপনা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা চেয়ে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে চিঠি দিয়েছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড-ওজোপাডিকো।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ওজোপাডিকো গোপালগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাঈন উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে পুলিশ সুপারের কাছে এ অনুরোধ জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, গোপালগঞ্জ পাওয়ার হাউজ ক্যাম্পাস ও চরপাথালিয়ায় অবস্থিত ওজোপাডিকোর দুটি ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের মাধ্যমে পৌর এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। বর্তমানে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়া এবং জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদার তুলনায় কম বরাদ্দ পাওয়ায় ঘন ঘন লোডশেডিং করতে হচ্ছে। এতে গ্রাহকদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এর ফলে দপ্তর, বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ বা অন্য কোনো অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওজোপাডিকোর দপ্তর ও ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রগুলোকে নিয়মিত পুলিশ টহলের আওতায় আনা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর বিশেষ নজরদারির অনুরোধ জানানো হয়েছে।
চিঠির অনুলিপি জেলা প্রশাসক, এনএসআইয়ের যুগ্ম পরিচালক, গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওজোপাডিকোর গোপালগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মইনুদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, গ্রাহকদের কাছ থেকে কোনো নির্দিষ্ট হুমকি না পেলেও দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুৎ সেবাকে কেন্দ্র করে নাশকতামূলক বা আক্রোশমূলক ঘটনা ঘটছে। এজন্য সতর্কতামূলকভাবে পুলিশ সুপারের কাছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা চেয়েছি।’
জানা গেছে, গোপালগঞ্জ শহরে ১০ থেকে ১৫ ঘণ্টা করে লোডশেডিং হচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাকরা। তীব্র গরমের মধ্যে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে তাদের মধ্যে দিন দিন ক্ষোভ বাড়ছে। স্থানীয়রা এ সমস্যার দ্রুত সমাধান চেয়েছেন।

গ্যাস সংকট ও লোডশেডিং আর কতদিন চলবে






