শিরোনাম

‘বিএনপির সেক্রেটারি হতে ৫০ লাখ খরচ করেছি, তোরা পৌরসভায় আসবি না’

লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতা
লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতা
‘বিএনপির সেক্রেটারি হতে ৫০ লাখ খরচ করেছি, তোরা পৌরসভায় আসবি না’
গিয়াস উদ্দিন পলাশ (বামে) ও তাওহীদ হোসেন মারুফ ভূঁইয়া (ডানে)। কোলাজ: সিজেডএন টোয়েন্টিফোর

‘আমি পৌর বিএনপির সেক্রেটারি, আমার নাম ব্যানারে আসে নাই। আপনি নাকি বলেছেন পলাশ কে? নির্বাচিত সেক্রেটারি, সেক্রেটারি হতে ৫০ লাখ টাকা খরচ করে ফেলেছি। তোরা কেউ পৌরসভায় আসবি না।’-এমন কথা বলে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তাওহীদ হোসেন মারুফ ভূঁইয়াকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

রামগঞ্জ পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন পলাশ একটি বিদ্যালয়ের প্রধান অতিথি হতে না পেরে মোবাইল ফোনে এ হুমকি দিয়েছেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) বিকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও কলরেকর্ডে এই হুমকির প্রমাণ পাওয়া গেছে। এতে পদ পেতে ৫০ লাখ টাকা খরচের দাবি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সেইসঙ্গে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।

কল রেকর্ড অনুযায়ী, পানিওয়ালা নামক একটি স্কুলের অনুষ্ঠানে মনোয়ার নামের একজনকে প্রধান অতিথি এবং মারুফকে বিশেষ অতিথি করা হয়। এতে ক্ষুব্ধ হন পলাশ। তিনি বারবার প্রশ্ন তোলেন কেন তাকে প্রধান অতিথি করা হলো না। জবাবে মারুফ ভূঁইয়াকে আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলতে শোনা যায়, ‘আমি কিছু বলিনি ভাই।’ একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।

পলাশকে আরও বলতে শোনা যায়, ‘সাংগঠনিক রাজনীতি যদি না বোঝেন, তাহলে করবেন না। আমি পানিওয়ালাতে যাব, সেখানেই কথা হবে।’

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন নোয়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তাওহীদ হোসেন মারুফ। তবে তিনি দাবি করেন, ‘অডিওটি পুরোনো। সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে বিষয়টি ইতিমধ্যে মীমাংসা হয়ে গেছে। পলাশ ভাই আমার কাছে দুঃখপ্রকাশ করেছেন।’

এ ব্যাপারে জানতে গিয়াস উদ্দিন পলাশের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল ও খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।

/জেএইচ/