প্রতিদিন হাতে ব্যথা নিয়েই মাঠে নামি: এমি মার্তিনেজ

প্রতিদিন হাতে ব্যথা নিয়েই মাঠে নামি: এমি মার্তিনেজ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

গত বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য সব সেভ করে আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ের মহানায়ক বনে গিয়েছিলেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। তবে চার বছর আগের সেই অতিমানবীয় রূপের সঙ্গে চলতি বিশ্বকাপে তার পারফরম্যান্স মেলানো বেশ কঠিন। এবার স্পেনের বিপক্ষে মেগা ফাইনালের আগে এক সংবাদ সম্মেলনে আর্জেন্টাইন এই প্রাচীর জানিয়েছেন এক ভিন্ন গল্প।
বিশ্বকাপ শুরুর মাসখানেক আগে ইউরোপা লীগের ফাইনালে অনুশীলনের সময় ডান হাতের আঙুলে মারাত্মক চোট পান মার্তিনেজ। চিকিৎসকরা দ্রুত অপারেশনের পরামর্শ দিলেও বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার ভয়ে তিনি তা নাকচ করে দেন। টুর্নামেন্ট জুড়ে প্রতিনিয়ত তীব্র ব্যথা সহ্য করে খেলেছেন তিনি। চোটের কারণে গ্রুপ পর্বে সতীর্থদের সাথে অনুশীলন করতে না পেরে একা একা লড়েছেন, কাটিয়েছেন বিশ্রামে। নকআউট পর্বে এসে কিছুটা স্বাভাবিক অনুশীলনে ফিরলেও চোটের প্রভাব পড়েছে তার পারফরম্যান্সে। ৭ ম্যাচে মাত্র ২টি ক্লিন শিট রাখতে পেরেছেন তিনি। তবে ফাইনালের আগে আঙুলের চোট কমে আসায় এবং দলের সঙ্গে পুরোদমে যোগ দিতে পারায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এ তারকা।
একসময় আর্সেনালে সতীর্থ লেনোর চোটে কপাল খুলেছিল মার্তিনেজের। আজ চোট নিয়েই লড়ে যাচ্ছেন দেশের জন্য। তবে এবার আর খবরের কাগজের প্রথম পাতায় আসার বা নায়ক হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই তার। মার্তিনেজের কাছে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো কোচ আর সতীর্থদের ভরসা ধরে রাখা। ফাইনাল ম্যাচে নিজের কোনো দৃশ্যমান অবদান না থাকলেও দলের ট্রফি জয়েই একইভাবে উল্লাস করবেন তিনি। লাইমলাইট নিজের দিকে না টেনে সতীর্থদের আলোতেই খুশি থাকতে চান আর্জেন্টিনার এই গোলরক্ষক। তবে দলের প্রয়োজনে গোলপোস্টের নিচে প্রাচীর হয়ে দাঁড়াতে তিনি সবসময় প্রস্তুত।

গত বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য সব সেভ করে আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ের মহানায়ক বনে গিয়েছিলেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। তবে চার বছর আগের সেই অতিমানবীয় রূপের সঙ্গে চলতি বিশ্বকাপে তার পারফরম্যান্স মেলানো বেশ কঠিন। এবার স্পেনের বিপক্ষে মেগা ফাইনালের আগে এক সংবাদ সম্মেলনে আর্জেন্টাইন এই প্রাচীর জানিয়েছেন এক ভিন্ন গল্প।
বিশ্বকাপ শুরুর মাসখানেক আগে ইউরোপা লীগের ফাইনালে অনুশীলনের সময় ডান হাতের আঙুলে মারাত্মক চোট পান মার্তিনেজ। চিকিৎসকরা দ্রুত অপারেশনের পরামর্শ দিলেও বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার ভয়ে তিনি তা নাকচ করে দেন। টুর্নামেন্ট জুড়ে প্রতিনিয়ত তীব্র ব্যথা সহ্য করে খেলেছেন তিনি। চোটের কারণে গ্রুপ পর্বে সতীর্থদের সাথে অনুশীলন করতে না পেরে একা একা লড়েছেন, কাটিয়েছেন বিশ্রামে। নকআউট পর্বে এসে কিছুটা স্বাভাবিক অনুশীলনে ফিরলেও চোটের প্রভাব পড়েছে তার পারফরম্যান্সে। ৭ ম্যাচে মাত্র ২টি ক্লিন শিট রাখতে পেরেছেন তিনি। তবে ফাইনালের আগে আঙুলের চোট কমে আসায় এবং দলের সঙ্গে পুরোদমে যোগ দিতে পারায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এ তারকা।
একসময় আর্সেনালে সতীর্থ লেনোর চোটে কপাল খুলেছিল মার্তিনেজের। আজ চোট নিয়েই লড়ে যাচ্ছেন দেশের জন্য। তবে এবার আর খবরের কাগজের প্রথম পাতায় আসার বা নায়ক হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই তার। মার্তিনেজের কাছে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো কোচ আর সতীর্থদের ভরসা ধরে রাখা। ফাইনাল ম্যাচে নিজের কোনো দৃশ্যমান অবদান না থাকলেও দলের ট্রফি জয়েই একইভাবে উল্লাস করবেন তিনি। লাইমলাইট নিজের দিকে না টেনে সতীর্থদের আলোতেই খুশি থাকতে চান আর্জেন্টিনার এই গোলরক্ষক। তবে দলের প্রয়োজনে গোলপোস্টের নিচে প্রাচীর হয়ে দাঁড়াতে তিনি সবসময় প্রস্তুত।

প্রতিদিন হাতে ব্যথা নিয়েই মাঠে নামি: এমি মার্তিনেজ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

গত বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য সব সেভ করে আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ের মহানায়ক বনে গিয়েছিলেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। তবে চার বছর আগের সেই অতিমানবীয় রূপের সঙ্গে চলতি বিশ্বকাপে তার পারফরম্যান্স মেলানো বেশ কঠিন। এবার স্পেনের বিপক্ষে মেগা ফাইনালের আগে এক সংবাদ সম্মেলনে আর্জেন্টাইন এই প্রাচীর জানিয়েছেন এক ভিন্ন গল্প।
বিশ্বকাপ শুরুর মাসখানেক আগে ইউরোপা লীগের ফাইনালে অনুশীলনের সময় ডান হাতের আঙুলে মারাত্মক চোট পান মার্তিনেজ। চিকিৎসকরা দ্রুত অপারেশনের পরামর্শ দিলেও বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার ভয়ে তিনি তা নাকচ করে দেন। টুর্নামেন্ট জুড়ে প্রতিনিয়ত তীব্র ব্যথা সহ্য করে খেলেছেন তিনি। চোটের কারণে গ্রুপ পর্বে সতীর্থদের সাথে অনুশীলন করতে না পেরে একা একা লড়েছেন, কাটিয়েছেন বিশ্রামে। নকআউট পর্বে এসে কিছুটা স্বাভাবিক অনুশীলনে ফিরলেও চোটের প্রভাব পড়েছে তার পারফরম্যান্সে। ৭ ম্যাচে মাত্র ২টি ক্লিন শিট রাখতে পেরেছেন তিনি। তবে ফাইনালের আগে আঙুলের চোট কমে আসায় এবং দলের সঙ্গে পুরোদমে যোগ দিতে পারায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এ তারকা।
একসময় আর্সেনালে সতীর্থ লেনোর চোটে কপাল খুলেছিল মার্তিনেজের। আজ চোট নিয়েই লড়ে যাচ্ছেন দেশের জন্য। তবে এবার আর খবরের কাগজের প্রথম পাতায় আসার বা নায়ক হওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই তার। মার্তিনেজের কাছে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো কোচ আর সতীর্থদের ভরসা ধরে রাখা। ফাইনাল ম্যাচে নিজের কোনো দৃশ্যমান অবদান না থাকলেও দলের ট্রফি জয়েই একইভাবে উল্লাস করবেন তিনি। লাইমলাইট নিজের দিকে না টেনে সতীর্থদের আলোতেই খুশি থাকতে চান আর্জেন্টিনার এই গোলরক্ষক। তবে দলের প্রয়োজনে গোলপোস্টের নিচে প্রাচীর হয়ে দাঁড়াতে তিনি সবসময় প্রস্তুত।

বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন নেতানিয়াহুর







