বিতর্ক এড়াতে ফাইনাল ম্যাচের দায়িত্বে সাত দেশের ১০ রেফারি

বিতর্ক এড়াতে ফাইনাল ম্যাচের দায়িত্বে সাত দেশের ১০ রেফারি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে ফুটবলবিশ্বে উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে। রবিবার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১টার হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। মাঠের লড়াইয়ে সবার চোখ লিওনেল মেসি কিংবা লামিনে ইয়ামালের ওপর থাকলেও, সমানভাবে আলোচনা চলছে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা রেফারিং দল নিয়ে। সাতটি ভিন্ন দেশের কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত ১০ সদস্যের এ রেফারিং প্যানেল পুরো ফুটবল দুনিয়ার নজর কেড়েছে। এবারের ফাইনাল পরিচালনার মূল দায়িত্বে থাকছেন স্লোভেনিয়ার রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ।
বিশ্বকাপের ফাইনালে ভিনচিচকে প্রধান রেফারি করার সিদ্ধান্তটি ফুটবল অঙ্গনে কিছুটা চমক তৈরি করেছে। চলতি মৌসুমে ইউরোপিয়ান ফুটবলে, বিশেষ করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তার কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র সমালোচনা হয়েছিল। বায়ার্ন মিউনিখ ও রিয়াল মাদ্রিদের মধ্যকার ম্যাচে এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গাকে লাল কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্তটি নিয়ে বিতর্ক এখনও কাটেনি। এর পাশাপাশি আরেকটি বিষয়ও আলোচনায় এসেছে। ভিনচিচ উয়েফা সভাপতি আলেকজান্ডার সেফেরিনের স্বদেশি। ফুটবল মহলে গুঞ্জন রয়েছে, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে সেফেরিনের সম্পর্ক খুব একটা মধুর নয়। ফলে এই নিয়োগ নিয়ে পর্দার আড়ালে নানা সমীকরণ মেলানো হচ্ছে।
মাঠে ভিনচিচের সহকারী হিসেবে থাকবেন তার নিজের দেশেরই দুই রেফারি টোমাজ ক্লানচনিক ও আন্দ্রাজ কোভাচিচ। এছাড়া ম্যাচের চতুর্থ ও পঞ্চম কর্মকর্তার ভূমিকা পালন করবেন জর্ডানের আধহাম মাখাদমেহ এবং মোহাম্মদ আলকালাফ। অন্যদিকে, ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) কক্ষে প্রধান দায়িত্বে থাকবেন জার্মানির বাস্টিয়ান ড্যাঙ্কার্ট, যিনি পুরো ভিএআর টিমের একমাত্র ইউরোপীয় কর্মকর্তা। তার সহযোগী হিসেবে থাকবেন কলম্বিয়ার নিকোলাস গায়ো ও কাতারের খামিস আল মারি। বিকল্প কর্মকর্তা হিসেবে আরও থাকছেন নিকারাগুয়ার তাতিয়ানা গুজমান এবং মেক্সিকোর গিয়ের্মো পাচেকো।
এ রেফারিং প্যানেলে একমাত্র নারী কর্মকর্তা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন নিকারাগুয়ার তাতিয়ানা গুজমান। চলতি বিশ্বকাপে সামগ্রিকভাবে নারী রেফারিদের অংশগ্রহণ তুলনামূলক কম হলেও ফাইনালের মতো এত বড় মঞ্চে তার উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। তারকা ফুটবলারদের নৈপুণ্যের পাশাপাশি সাত দেশের এ বৈচিত্র্যময় রেফারিং দলের প্রতিটি নিখুঁত সিদ্ধান্তের ওপরই এখন নির্ভর করছে বিশ্বমঞ্চের শ্রেষ্ঠত্বের ভাগ্য।

বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে ফুটবলবিশ্বে উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে। রবিবার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১টার হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। মাঠের লড়াইয়ে সবার চোখ লিওনেল মেসি কিংবা লামিনে ইয়ামালের ওপর থাকলেও, সমানভাবে আলোচনা চলছে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা রেফারিং দল নিয়ে। সাতটি ভিন্ন দেশের কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত ১০ সদস্যের এ রেফারিং প্যানেল পুরো ফুটবল দুনিয়ার নজর কেড়েছে। এবারের ফাইনাল পরিচালনার মূল দায়িত্বে থাকছেন স্লোভেনিয়ার রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ।
বিশ্বকাপের ফাইনালে ভিনচিচকে প্রধান রেফারি করার সিদ্ধান্তটি ফুটবল অঙ্গনে কিছুটা চমক তৈরি করেছে। চলতি মৌসুমে ইউরোপিয়ান ফুটবলে, বিশেষ করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তার কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র সমালোচনা হয়েছিল। বায়ার্ন মিউনিখ ও রিয়াল মাদ্রিদের মধ্যকার ম্যাচে এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গাকে লাল কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্তটি নিয়ে বিতর্ক এখনও কাটেনি। এর পাশাপাশি আরেকটি বিষয়ও আলোচনায় এসেছে। ভিনচিচ উয়েফা সভাপতি আলেকজান্ডার সেফেরিনের স্বদেশি। ফুটবল মহলে গুঞ্জন রয়েছে, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে সেফেরিনের সম্পর্ক খুব একটা মধুর নয়। ফলে এই নিয়োগ নিয়ে পর্দার আড়ালে নানা সমীকরণ মেলানো হচ্ছে।
মাঠে ভিনচিচের সহকারী হিসেবে থাকবেন তার নিজের দেশেরই দুই রেফারি টোমাজ ক্লানচনিক ও আন্দ্রাজ কোভাচিচ। এছাড়া ম্যাচের চতুর্থ ও পঞ্চম কর্মকর্তার ভূমিকা পালন করবেন জর্ডানের আধহাম মাখাদমেহ এবং মোহাম্মদ আলকালাফ। অন্যদিকে, ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) কক্ষে প্রধান দায়িত্বে থাকবেন জার্মানির বাস্টিয়ান ড্যাঙ্কার্ট, যিনি পুরো ভিএআর টিমের একমাত্র ইউরোপীয় কর্মকর্তা। তার সহযোগী হিসেবে থাকবেন কলম্বিয়ার নিকোলাস গায়ো ও কাতারের খামিস আল মারি। বিকল্প কর্মকর্তা হিসেবে আরও থাকছেন নিকারাগুয়ার তাতিয়ানা গুজমান এবং মেক্সিকোর গিয়ের্মো পাচেকো।
এ রেফারিং প্যানেলে একমাত্র নারী কর্মকর্তা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন নিকারাগুয়ার তাতিয়ানা গুজমান। চলতি বিশ্বকাপে সামগ্রিকভাবে নারী রেফারিদের অংশগ্রহণ তুলনামূলক কম হলেও ফাইনালের মতো এত বড় মঞ্চে তার উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। তারকা ফুটবলারদের নৈপুণ্যের পাশাপাশি সাত দেশের এ বৈচিত্র্যময় রেফারিং দলের প্রতিটি নিখুঁত সিদ্ধান্তের ওপরই এখন নির্ভর করছে বিশ্বমঞ্চের শ্রেষ্ঠত্বের ভাগ্য।

বিতর্ক এড়াতে ফাইনাল ম্যাচের দায়িত্বে সাত দেশের ১০ রেফারি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে ফুটবলবিশ্বে উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে। রবিবার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১টার হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। মাঠের লড়াইয়ে সবার চোখ লিওনেল মেসি কিংবা লামিনে ইয়ামালের ওপর থাকলেও, সমানভাবে আলোচনা চলছে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা রেফারিং দল নিয়ে। সাতটি ভিন্ন দেশের কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত ১০ সদস্যের এ রেফারিং প্যানেল পুরো ফুটবল দুনিয়ার নজর কেড়েছে। এবারের ফাইনাল পরিচালনার মূল দায়িত্বে থাকছেন স্লোভেনিয়ার রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ।
বিশ্বকাপের ফাইনালে ভিনচিচকে প্রধান রেফারি করার সিদ্ধান্তটি ফুটবল অঙ্গনে কিছুটা চমক তৈরি করেছে। চলতি মৌসুমে ইউরোপিয়ান ফুটবলে, বিশেষ করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তার কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র সমালোচনা হয়েছিল। বায়ার্ন মিউনিখ ও রিয়াল মাদ্রিদের মধ্যকার ম্যাচে এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গাকে লাল কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্তটি নিয়ে বিতর্ক এখনও কাটেনি। এর পাশাপাশি আরেকটি বিষয়ও আলোচনায় এসেছে। ভিনচিচ উয়েফা সভাপতি আলেকজান্ডার সেফেরিনের স্বদেশি। ফুটবল মহলে গুঞ্জন রয়েছে, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে সেফেরিনের সম্পর্ক খুব একটা মধুর নয়। ফলে এই নিয়োগ নিয়ে পর্দার আড়ালে নানা সমীকরণ মেলানো হচ্ছে।
মাঠে ভিনচিচের সহকারী হিসেবে থাকবেন তার নিজের দেশেরই দুই রেফারি টোমাজ ক্লানচনিক ও আন্দ্রাজ কোভাচিচ। এছাড়া ম্যাচের চতুর্থ ও পঞ্চম কর্মকর্তার ভূমিকা পালন করবেন জর্ডানের আধহাম মাখাদমেহ এবং মোহাম্মদ আলকালাফ। অন্যদিকে, ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) কক্ষে প্রধান দায়িত্বে থাকবেন জার্মানির বাস্টিয়ান ড্যাঙ্কার্ট, যিনি পুরো ভিএআর টিমের একমাত্র ইউরোপীয় কর্মকর্তা। তার সহযোগী হিসেবে থাকবেন কলম্বিয়ার নিকোলাস গায়ো ও কাতারের খামিস আল মারি। বিকল্প কর্মকর্তা হিসেবে আরও থাকছেন নিকারাগুয়ার তাতিয়ানা গুজমান এবং মেক্সিকোর গিয়ের্মো পাচেকো।
এ রেফারিং প্যানেলে একমাত্র নারী কর্মকর্তা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন নিকারাগুয়ার তাতিয়ানা গুজমান। চলতি বিশ্বকাপে সামগ্রিকভাবে নারী রেফারিদের অংশগ্রহণ তুলনামূলক কম হলেও ফাইনালের মতো এত বড় মঞ্চে তার উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। তারকা ফুটবলারদের নৈপুণ্যের পাশাপাশি সাত দেশের এ বৈচিত্র্যময় রেফারিং দলের প্রতিটি নিখুঁত সিদ্ধান্তের ওপরই এখন নির্ভর করছে বিশ্বমঞ্চের শ্রেষ্ঠত্বের ভাগ্য।

মেসিকে আটকে রাখা অসম্ভব: ইনিয়েস্তা



