‘হাইড্রেশন ব্রেক’ ভালো লাগছে না ফন ডাইকের

‘হাইড্রেশন ব্রেক’ ভালো লাগছে না ফন ডাইকের
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

দুই অর্ধে ৪৫ মিনিট করে ৯০ মিনিটের খেলা হয় একটি ফুটবল ম্যাচে। দুই অর্ধের মাঝে ১৫ মিনিটের বিরতি। এভাবেই চলে আসছিল ফুটবল ম্যাচ। কিন্তু ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে মরুভূমির গরমের কারণে ফিফা দুই অর্ধে বাধ্যতামূলক ৩ মিনিটের ‘কুলিং ব্রেক’ চালু করে। এবারের বিশ্বকাপেও দুই অর্ধে দুটি বিরতি আছে। নাম দেওয়া হয়েছে ‘হাইড্রেশন ব্রেক’।
কাতার বিশ্বকাপের কুলিং ব্রেক নিয়ে সমালোচনা কম হয়নি। অনেকেই সেবার বলেছিলেন, এই বিরতি খেলার স্বাভাবিক গতি নষ্ট করে। এবারের বিশ্বকাপের কুলিং ব্রেক নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়ে গেছে। অনেক মনে করছেন, এই বিরতি চালু করা হয়েছে শুধু টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য। হাইড্রেশন ব্রেকের সমালোচনা করেছেন নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইকও। গতকাল রোববার (১৫ জুন) রাতে টেক্সাসে জাপানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে নেদারল্যান্ডস। ২-২ গোলের ড্র ম্যাচ শেষে ফন ডাইক সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমার মনে হয় এই হাইড্রেশন ব্রেকের বিষয়টি বেশ কৌতূহল উদ্দীপক। আজকের ম্যাচের আগে আমি প্রায় সব খেলাই দেখেছি। প্রতিবার যখন এই বিরতির সুযোগে টিভিতে বিজ্ঞাপন দেখানো হয়, সত্যি বলতে এটা আমার একদমই পছন্দ নয়।’
ফিফার নতুন নিয়ম অনুযায়ী, আবহাওয়া যেমনই থাকুক, ম্যাচের প্রতিটি অর্ধের মাঝামাঝি সময়ে ৩ মিনিটের এই বাধ্যতামূলক হাইড্রেশন বিরতি দিতে হবে। এ কারণে ম্যাচ শুরুর ২২ মিনিটের মাথায় রেফারিদের খেলা থামাতে হচ্ছে। ফিফা বলছে, খেলোয়াড়েরা যেন গরমে অস্বস্তিতে না পড়েন ও পানি পান করতে পারেন, এ জন্যই এমন বিরতি।
তবে এ ধরনের বিরতি দর্শকদের জন্য বিরক্তিকর হতে পারে বলে মনে করেন ফন ডাইক, ‘টেলিভিশনে যারা খেলা দেখছেন, সেই নিরপেক্ষ দর্শকদের জন্যও এটা সুখকর নয়। প্রচণ্ড গরম থাকলে এই বিরতি দেওয়ার যুক্তি আছে। তবে আমার মতে, প্রতিটি ম্যাচের আবহাওয়া আলাদাভাবে বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।’
শুধু ফন ডাইকই নন, এই হাইড্রেশন ব্রেক নিয়ে তীব্র আপত্তি তুলেছেন লিভারপুলের সাবেক কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপও। তার মতে এই বিরতি খেলার স্বাভাবিক গতি নষ্ট করছে। জার্মান এই কোচের মতে তিন মিনিটের এই বিরতিগুলো ‘স্পনসরদের সুবিধার জন্য তৈরি করা একটি কারুকার্যময় দামি খাঁচা ছাড়া আর কিছু নয়।’
বেশ কড়া ভাষায় ফিফার সমালোচনা করে এই জার্মান কোচ বলেছিলেন, ‘যখন আমি দেখি তীব্র গরম না থাকার পরও খেলোয়াড়রা মাঠে দাঁড়িয়ে আছে। টিভির বিজ্ঞাপনের সময়সূচি ম্যাচের গতি নির্ধারণ করে দিচ্ছে, তখন আমি নিজেকে প্রশ্ন না করে পারি না যে এই বিশ্বকাপ আসলে কার স্বার্থ রক্ষা করছে সমর্থকদের, খেলোয়াড়দের, নাকি বিজ্ঞাপনদাতাদের?’

দুই অর্ধে ৪৫ মিনিট করে ৯০ মিনিটের খেলা হয় একটি ফুটবল ম্যাচে। দুই অর্ধের মাঝে ১৫ মিনিটের বিরতি। এভাবেই চলে আসছিল ফুটবল ম্যাচ। কিন্তু ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে মরুভূমির গরমের কারণে ফিফা দুই অর্ধে বাধ্যতামূলক ৩ মিনিটের ‘কুলিং ব্রেক’ চালু করে। এবারের বিশ্বকাপেও দুই অর্ধে দুটি বিরতি আছে। নাম দেওয়া হয়েছে ‘হাইড্রেশন ব্রেক’।
কাতার বিশ্বকাপের কুলিং ব্রেক নিয়ে সমালোচনা কম হয়নি। অনেকেই সেবার বলেছিলেন, এই বিরতি খেলার স্বাভাবিক গতি নষ্ট করে। এবারের বিশ্বকাপের কুলিং ব্রেক নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়ে গেছে। অনেক মনে করছেন, এই বিরতি চালু করা হয়েছে শুধু টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য। হাইড্রেশন ব্রেকের সমালোচনা করেছেন নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইকও। গতকাল রোববার (১৫ জুন) রাতে টেক্সাসে জাপানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে নেদারল্যান্ডস। ২-২ গোলের ড্র ম্যাচ শেষে ফন ডাইক সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমার মনে হয় এই হাইড্রেশন ব্রেকের বিষয়টি বেশ কৌতূহল উদ্দীপক। আজকের ম্যাচের আগে আমি প্রায় সব খেলাই দেখেছি। প্রতিবার যখন এই বিরতির সুযোগে টিভিতে বিজ্ঞাপন দেখানো হয়, সত্যি বলতে এটা আমার একদমই পছন্দ নয়।’
ফিফার নতুন নিয়ম অনুযায়ী, আবহাওয়া যেমনই থাকুক, ম্যাচের প্রতিটি অর্ধের মাঝামাঝি সময়ে ৩ মিনিটের এই বাধ্যতামূলক হাইড্রেশন বিরতি দিতে হবে। এ কারণে ম্যাচ শুরুর ২২ মিনিটের মাথায় রেফারিদের খেলা থামাতে হচ্ছে। ফিফা বলছে, খেলোয়াড়েরা যেন গরমে অস্বস্তিতে না পড়েন ও পানি পান করতে পারেন, এ জন্যই এমন বিরতি।
তবে এ ধরনের বিরতি দর্শকদের জন্য বিরক্তিকর হতে পারে বলে মনে করেন ফন ডাইক, ‘টেলিভিশনে যারা খেলা দেখছেন, সেই নিরপেক্ষ দর্শকদের জন্যও এটা সুখকর নয়। প্রচণ্ড গরম থাকলে এই বিরতি দেওয়ার যুক্তি আছে। তবে আমার মতে, প্রতিটি ম্যাচের আবহাওয়া আলাদাভাবে বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।’
শুধু ফন ডাইকই নন, এই হাইড্রেশন ব্রেক নিয়ে তীব্র আপত্তি তুলেছেন লিভারপুলের সাবেক কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপও। তার মতে এই বিরতি খেলার স্বাভাবিক গতি নষ্ট করছে। জার্মান এই কোচের মতে তিন মিনিটের এই বিরতিগুলো ‘স্পনসরদের সুবিধার জন্য তৈরি করা একটি কারুকার্যময় দামি খাঁচা ছাড়া আর কিছু নয়।’
বেশ কড়া ভাষায় ফিফার সমালোচনা করে এই জার্মান কোচ বলেছিলেন, ‘যখন আমি দেখি তীব্র গরম না থাকার পরও খেলোয়াড়রা মাঠে দাঁড়িয়ে আছে। টিভির বিজ্ঞাপনের সময়সূচি ম্যাচের গতি নির্ধারণ করে দিচ্ছে, তখন আমি নিজেকে প্রশ্ন না করে পারি না যে এই বিশ্বকাপ আসলে কার স্বার্থ রক্ষা করছে সমর্থকদের, খেলোয়াড়দের, নাকি বিজ্ঞাপনদাতাদের?’

‘হাইড্রেশন ব্রেক’ ভালো লাগছে না ফন ডাইকের
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

দুই অর্ধে ৪৫ মিনিট করে ৯০ মিনিটের খেলা হয় একটি ফুটবল ম্যাচে। দুই অর্ধের মাঝে ১৫ মিনিটের বিরতি। এভাবেই চলে আসছিল ফুটবল ম্যাচ। কিন্তু ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে মরুভূমির গরমের কারণে ফিফা দুই অর্ধে বাধ্যতামূলক ৩ মিনিটের ‘কুলিং ব্রেক’ চালু করে। এবারের বিশ্বকাপেও দুই অর্ধে দুটি বিরতি আছে। নাম দেওয়া হয়েছে ‘হাইড্রেশন ব্রেক’।
কাতার বিশ্বকাপের কুলিং ব্রেক নিয়ে সমালোচনা কম হয়নি। অনেকেই সেবার বলেছিলেন, এই বিরতি খেলার স্বাভাবিক গতি নষ্ট করে। এবারের বিশ্বকাপের কুলিং ব্রেক নিয়েও সমালোচনা শুরু হয়ে গেছে। অনেক মনে করছেন, এই বিরতি চালু করা হয়েছে শুধু টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য। হাইড্রেশন ব্রেকের সমালোচনা করেছেন নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইকও। গতকাল রোববার (১৫ জুন) রাতে টেক্সাসে জাপানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে নেদারল্যান্ডস। ২-২ গোলের ড্র ম্যাচ শেষে ফন ডাইক সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমার মনে হয় এই হাইড্রেশন ব্রেকের বিষয়টি বেশ কৌতূহল উদ্দীপক। আজকের ম্যাচের আগে আমি প্রায় সব খেলাই দেখেছি। প্রতিবার যখন এই বিরতির সুযোগে টিভিতে বিজ্ঞাপন দেখানো হয়, সত্যি বলতে এটা আমার একদমই পছন্দ নয়।’
ফিফার নতুন নিয়ম অনুযায়ী, আবহাওয়া যেমনই থাকুক, ম্যাচের প্রতিটি অর্ধের মাঝামাঝি সময়ে ৩ মিনিটের এই বাধ্যতামূলক হাইড্রেশন বিরতি দিতে হবে। এ কারণে ম্যাচ শুরুর ২২ মিনিটের মাথায় রেফারিদের খেলা থামাতে হচ্ছে। ফিফা বলছে, খেলোয়াড়েরা যেন গরমে অস্বস্তিতে না পড়েন ও পানি পান করতে পারেন, এ জন্যই এমন বিরতি।
তবে এ ধরনের বিরতি দর্শকদের জন্য বিরক্তিকর হতে পারে বলে মনে করেন ফন ডাইক, ‘টেলিভিশনে যারা খেলা দেখছেন, সেই নিরপেক্ষ দর্শকদের জন্যও এটা সুখকর নয়। প্রচণ্ড গরম থাকলে এই বিরতি দেওয়ার যুক্তি আছে। তবে আমার মতে, প্রতিটি ম্যাচের আবহাওয়া আলাদাভাবে বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।’
শুধু ফন ডাইকই নন, এই হাইড্রেশন ব্রেক নিয়ে তীব্র আপত্তি তুলেছেন লিভারপুলের সাবেক কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপও। তার মতে এই বিরতি খেলার স্বাভাবিক গতি নষ্ট করছে। জার্মান এই কোচের মতে তিন মিনিটের এই বিরতিগুলো ‘স্পনসরদের সুবিধার জন্য তৈরি করা একটি কারুকার্যময় দামি খাঁচা ছাড়া আর কিছু নয়।’
বেশ কড়া ভাষায় ফিফার সমালোচনা করে এই জার্মান কোচ বলেছিলেন, ‘যখন আমি দেখি তীব্র গরম না থাকার পরও খেলোয়াড়রা মাঠে দাঁড়িয়ে আছে। টিভির বিজ্ঞাপনের সময়সূচি ম্যাচের গতি নির্ধারণ করে দিচ্ছে, তখন আমি নিজেকে প্রশ্ন না করে পারি না যে এই বিশ্বকাপ আসলে কার স্বার্থ রক্ষা করছে সমর্থকদের, খেলোয়াড়দের, নাকি বিজ্ঞাপনদাতাদের?’

বিশ্বকাপ জেতার মতো দল নেদারল্যান্ডস: ডামফ্রিস


