পাকিস্তানকে ২৯১ রানের লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশ

পাকিস্তানকে ২৯১ রানের লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশ
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

আগের ম্যাচে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছিল ১১৪ রানে। ওই ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা এনেছিল পাকিস্তান। তাই রবিবার (১৫ মার্চ) মিরপুরে তৃতীয় ওয়ানডেটি হয়ে উঠেছে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ করেছে ৫ উইকেটে ২৯০ রান।
বাংলাদেশ দল লড়াইয়ের জন্য ভালো পুঁজি পেয়েছে তানজিদ হাসান তামিম এর সেঞ্চুরিতে ভর করে। বাংলাদেশ দল ওপেনিং জুটিতে তোলে ১০৫ রান। সাইফ হাসান ৩ চারে ৫৫ বলে ৩৬ রান করে ফিরলে জুটি ভাঙে।
দ্বিতীয় উইকেটেও আসে পঞ্চাশ পেরোনো জুটি। নাজমুল হোসেন শান্ত ৩৪ বলে ২৭ রান করে আউট হলে ভাঙে সেই জুটি। দুই সতীর্থ সাজঘরে ফিরলেও একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন তানজিদ তামিম।
সালমান আগাকে লং অফ দিয়ে ছক্কা মেরে সেঞ্চুরি করেন তানজিদ তামিম। এটি ওয়ানডেতে তার প্রথম সেঞ্চুরি। ৯৮ বলে ৭ ছক্কা আর ৬ চারে পূর্ণ করেন সেঞ্চুরি। অবশ্য প্রথম সেঞ্চুরির পর বেশিক্ষণ টেকেননি। আবরার আহমেদের বলে ক্যাচ দেন শাহিন শাহ আফ্রিদির হাতে। ফেরার আগে তানজিদ ১০৭ বলে ১০৭ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল ৬ চার ও ৭ ছক্কা।
৩৮তম ওভারের প্রথম বলে দলীয় দুই শ রানের মাইলফলক পৌঁছায় বাংলাদেশ। ৪৫ ওভারে দলীয় রান ছিল ৩ উইকেটে ২৫১।
রান এগিয়ে নিচ্ছিলেন লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়। তবে ৪৭তম ওভারে টানা দুই উইকেট নিয়ে শেষ দিকে রানের লাগাম টেনে ধরেন হারিস রউফ। তৃতীয় বলে স্লগ করতে গিয়ে আউট হন লিটন দাস। হারিস রউফের স্লোয়ার ডেলিভারি খেলেছিলেন স্কয়ার বাউন্ডারির দিকে, জায়গায় দাঁড়িয়ে সহজ ক্যাচ নিয়েছেন গাজী ঘোরি। লিটন করেন ৫১ বলে ৪১ রান। পরের বলে বোল্ড হন রিশাদ হোসেন। হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েও পারেননি হারিস রউফ।
৪৮তম ওভারে ১৩ রান আসে। শাহিন আফ্রিদির করা ওভারটির চতুর্থ ও ষষ্ঠ বলে বাউন্ডারি মারেন তৌহিদ হৃদয়।
বাংলাদেশের ইনিংস তিন শ’র কাছাকাছি যায় তাওহীদ হৃদয়ের ইনিংসে। হৃদয় ৪ চারে ৪৪ বলে অপরাজিত থাকেন ৪৮ রানে। আফিফ অপরাজিত থাকেন ৫ রানে।

আগের ম্যাচে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছিল ১১৪ রানে। ওই ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা এনেছিল পাকিস্তান। তাই রবিবার (১৫ মার্চ) মিরপুরে তৃতীয় ওয়ানডেটি হয়ে উঠেছে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ করেছে ৫ উইকেটে ২৯০ রান।
বাংলাদেশ দল লড়াইয়ের জন্য ভালো পুঁজি পেয়েছে তানজিদ হাসান তামিম এর সেঞ্চুরিতে ভর করে। বাংলাদেশ দল ওপেনিং জুটিতে তোলে ১০৫ রান। সাইফ হাসান ৩ চারে ৫৫ বলে ৩৬ রান করে ফিরলে জুটি ভাঙে।
দ্বিতীয় উইকেটেও আসে পঞ্চাশ পেরোনো জুটি। নাজমুল হোসেন শান্ত ৩৪ বলে ২৭ রান করে আউট হলে ভাঙে সেই জুটি। দুই সতীর্থ সাজঘরে ফিরলেও একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন তানজিদ তামিম।
সালমান আগাকে লং অফ দিয়ে ছক্কা মেরে সেঞ্চুরি করেন তানজিদ তামিম। এটি ওয়ানডেতে তার প্রথম সেঞ্চুরি। ৯৮ বলে ৭ ছক্কা আর ৬ চারে পূর্ণ করেন সেঞ্চুরি। অবশ্য প্রথম সেঞ্চুরির পর বেশিক্ষণ টেকেননি। আবরার আহমেদের বলে ক্যাচ দেন শাহিন শাহ আফ্রিদির হাতে। ফেরার আগে তানজিদ ১০৭ বলে ১০৭ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল ৬ চার ও ৭ ছক্কা।
৩৮তম ওভারের প্রথম বলে দলীয় দুই শ রানের মাইলফলক পৌঁছায় বাংলাদেশ। ৪৫ ওভারে দলীয় রান ছিল ৩ উইকেটে ২৫১।
রান এগিয়ে নিচ্ছিলেন লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়। তবে ৪৭তম ওভারে টানা দুই উইকেট নিয়ে শেষ দিকে রানের লাগাম টেনে ধরেন হারিস রউফ। তৃতীয় বলে স্লগ করতে গিয়ে আউট হন লিটন দাস। হারিস রউফের স্লোয়ার ডেলিভারি খেলেছিলেন স্কয়ার বাউন্ডারির দিকে, জায়গায় দাঁড়িয়ে সহজ ক্যাচ নিয়েছেন গাজী ঘোরি। লিটন করেন ৫১ বলে ৪১ রান। পরের বলে বোল্ড হন রিশাদ হোসেন। হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েও পারেননি হারিস রউফ।
৪৮তম ওভারে ১৩ রান আসে। শাহিন আফ্রিদির করা ওভারটির চতুর্থ ও ষষ্ঠ বলে বাউন্ডারি মারেন তৌহিদ হৃদয়।
বাংলাদেশের ইনিংস তিন শ’র কাছাকাছি যায় তাওহীদ হৃদয়ের ইনিংসে। হৃদয় ৪ চারে ৪৪ বলে অপরাজিত থাকেন ৪৮ রানে। আফিফ অপরাজিত থাকেন ৫ রানে।

পাকিস্তানকে ২৯১ রানের লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশ
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

আগের ম্যাচে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছিল ১১৪ রানে। ওই ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা এনেছিল পাকিস্তান। তাই রবিবার (১৫ মার্চ) মিরপুরে তৃতীয় ওয়ানডেটি হয়ে উঠেছে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ করেছে ৫ উইকেটে ২৯০ রান।
বাংলাদেশ দল লড়াইয়ের জন্য ভালো পুঁজি পেয়েছে তানজিদ হাসান তামিম এর সেঞ্চুরিতে ভর করে। বাংলাদেশ দল ওপেনিং জুটিতে তোলে ১০৫ রান। সাইফ হাসান ৩ চারে ৫৫ বলে ৩৬ রান করে ফিরলে জুটি ভাঙে।
দ্বিতীয় উইকেটেও আসে পঞ্চাশ পেরোনো জুটি। নাজমুল হোসেন শান্ত ৩৪ বলে ২৭ রান করে আউট হলে ভাঙে সেই জুটি। দুই সতীর্থ সাজঘরে ফিরলেও একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন তানজিদ তামিম।
সালমান আগাকে লং অফ দিয়ে ছক্কা মেরে সেঞ্চুরি করেন তানজিদ তামিম। এটি ওয়ানডেতে তার প্রথম সেঞ্চুরি। ৯৮ বলে ৭ ছক্কা আর ৬ চারে পূর্ণ করেন সেঞ্চুরি। অবশ্য প্রথম সেঞ্চুরির পর বেশিক্ষণ টেকেননি। আবরার আহমেদের বলে ক্যাচ দেন শাহিন শাহ আফ্রিদির হাতে। ফেরার আগে তানজিদ ১০৭ বলে ১০৭ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল ৬ চার ও ৭ ছক্কা।
৩৮তম ওভারের প্রথম বলে দলীয় দুই শ রানের মাইলফলক পৌঁছায় বাংলাদেশ। ৪৫ ওভারে দলীয় রান ছিল ৩ উইকেটে ২৫১।
রান এগিয়ে নিচ্ছিলেন লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়। তবে ৪৭তম ওভারে টানা দুই উইকেট নিয়ে শেষ দিকে রানের লাগাম টেনে ধরেন হারিস রউফ। তৃতীয় বলে স্লগ করতে গিয়ে আউট হন লিটন দাস। হারিস রউফের স্লোয়ার ডেলিভারি খেলেছিলেন স্কয়ার বাউন্ডারির দিকে, জায়গায় দাঁড়িয়ে সহজ ক্যাচ নিয়েছেন গাজী ঘোরি। লিটন করেন ৫১ বলে ৪১ রান। পরের বলে বোল্ড হন রিশাদ হোসেন। হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েও পারেননি হারিস রউফ।
৪৮তম ওভারে ১৩ রান আসে। শাহিন আফ্রিদির করা ওভারটির চতুর্থ ও ষষ্ঠ বলে বাউন্ডারি মারেন তৌহিদ হৃদয়।
বাংলাদেশের ইনিংস তিন শ’র কাছাকাছি যায় তাওহীদ হৃদয়ের ইনিংসে। হৃদয় ৪ চারে ৪৪ বলে অপরাজিত থাকেন ৪৮ রানে। আফিফ অপরাজিত থাকেন ৫ রানে।




