বিদায়ের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে যা বললেন ক্রীড়া উপদেষ্টা

বিদায়ের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে যা বললেন ক্রীড়া উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাধারণত বিকেল পাঁচটার পর সরকারি অফিস ছুটি হয়ে যায়। তবে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ছয়টার পরও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তারা অফিসে ছিলেন। যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড.আসিফ নজরুল তার শেষ কর্মদিবসের শেষ ক্ষণে এসেছিলেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে।
অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের শুরু থেকে আইন ও প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন আসিফ নজরুল। তবে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়ার পদত্যাগের পর ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পান। দুই মাসের কম সময় ছিলেন এই দায়িত্বে। তার মধ্যে আসে কঠিন এক সিদ্ধান্ত, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ভারতে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করা।
চলছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বাংলাদেশ বিশ্বকাপে নেই। এই বিষয়ে প্রশ্ন হলে ক্রীড়া উপদেষ্টা প্রথমে উত্তর দিতে চাননি। বলেছেন, ‘কোনো রিগ্রেটের প্রশ্নই আসে না। আমাদের কী সিদ্ধান্ত, সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং খেলোয়াড়রা। তারা নিজেরা স্যাক্রিফাইস করেছে দেশের ক্রিকেটের নিরাপত্তার জন্য, দেশের মানুষের নিরাপত্তার জন্য। মানুষের মর্যাদা রক্ষার জন্য ভূমিকা রেখেছে।’
বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহণ না নেওয়ায় আর্থিক ও প্রশাসনিক নানা ক্ষতির শঙ্কা ছিল। তবে আইসিসি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
ক্রীড়া উপদেষ্টা বিসিবিকে ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে এটা একটা নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন হয়েছে। আইসিসি এখন বলেছে কোনো শাস্তি দেবে না, কোনো একটা বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চাই। ব্রিলিয়ান্ট অ্যাচিভমেন্ট, আমি স্যালুট জানাতে চাই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে। এমন সিদ্ধান্ত আসলে দশবারই এমনটা নেওয়া উচিত।’
আসিফ নজরুল ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি দায়িত্ব নেয়ার পরই বিকেএসপিকে জোরদারের কথা বলেছিলেন। মাস খানেক আগে বিকেএসপি পরির্দশনও করেছিলেন। আজ এ নিয়ে বলেন, ‘ন্যাশনাল স্পোর্টস ইন্সটিউট করতে অনেক সময় লাগবে। অর্থও লাগবে অনেক, বিসিবির কাছে চেয়েছিলা, সেন্টার অফ এক্সিলেন্স টাইপ কিছু করা যায় নাকি। স্বল্প পরিসরে কিছুটা শুরু করছি (আরচ্যারি, ফুটবল, টেবিল টেনিস)।’
আসিফ নজরুল আইনের অধ্যাপক হলেও খেলাধূলা পছন্দ করেন। দুই মাস দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সর্বোচ্চ পদে থেকে তার নিজের মূল্যায়ন করলেন এভাবে, ‘খেলা আমার খুবই প্যাশন। খেলা মানুষকে অনেক খারাপ কাজ থেকে দূরে রাখে। কিছইু করতে পারেনি ধরতে পারেন। বিগত সরকারের আমলে মন্ত্রীর এক আত্মীয় রেস্টুরেন্ট বানিয়ে দখল করেছিল, বিশাল জায়গা সেটা খালি করে কিছু ফেডারেশনের জাতীয় প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যুবদের নিয়ে অনেক কাজের সুযোগ রয়েছে।’
১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন। এরপর নির্বাচিত সরকারের মন্ত্রীপরিষদে একজন পাঁচ বছরের জন্য ক্রীড়া মন্ত্রীর দায়িত্ব পাবেন।

সাধারণত বিকেল পাঁচটার পর সরকারি অফিস ছুটি হয়ে যায়। তবে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ছয়টার পরও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তারা অফিসে ছিলেন। যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড.আসিফ নজরুল তার শেষ কর্মদিবসের শেষ ক্ষণে এসেছিলেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে।
অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের শুরু থেকে আইন ও প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন আসিফ নজরুল। তবে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়ার পদত্যাগের পর ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পান। দুই মাসের কম সময় ছিলেন এই দায়িত্বে। তার মধ্যে আসে কঠিন এক সিদ্ধান্ত, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ভারতে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করা।
চলছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বাংলাদেশ বিশ্বকাপে নেই। এই বিষয়ে প্রশ্ন হলে ক্রীড়া উপদেষ্টা প্রথমে উত্তর দিতে চাননি। বলেছেন, ‘কোনো রিগ্রেটের প্রশ্নই আসে না। আমাদের কী সিদ্ধান্ত, সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং খেলোয়াড়রা। তারা নিজেরা স্যাক্রিফাইস করেছে দেশের ক্রিকেটের নিরাপত্তার জন্য, দেশের মানুষের নিরাপত্তার জন্য। মানুষের মর্যাদা রক্ষার জন্য ভূমিকা রেখেছে।’
বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহণ না নেওয়ায় আর্থিক ও প্রশাসনিক নানা ক্ষতির শঙ্কা ছিল। তবে আইসিসি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
ক্রীড়া উপদেষ্টা বিসিবিকে ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে এটা একটা নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন হয়েছে। আইসিসি এখন বলেছে কোনো শাস্তি দেবে না, কোনো একটা বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চাই। ব্রিলিয়ান্ট অ্যাচিভমেন্ট, আমি স্যালুট জানাতে চাই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে। এমন সিদ্ধান্ত আসলে দশবারই এমনটা নেওয়া উচিত।’
আসিফ নজরুল ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি দায়িত্ব নেয়ার পরই বিকেএসপিকে জোরদারের কথা বলেছিলেন। মাস খানেক আগে বিকেএসপি পরির্দশনও করেছিলেন। আজ এ নিয়ে বলেন, ‘ন্যাশনাল স্পোর্টস ইন্সটিউট করতে অনেক সময় লাগবে। অর্থও লাগবে অনেক, বিসিবির কাছে চেয়েছিলা, সেন্টার অফ এক্সিলেন্স টাইপ কিছু করা যায় নাকি। স্বল্প পরিসরে কিছুটা শুরু করছি (আরচ্যারি, ফুটবল, টেবিল টেনিস)।’
আসিফ নজরুল আইনের অধ্যাপক হলেও খেলাধূলা পছন্দ করেন। দুই মাস দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সর্বোচ্চ পদে থেকে তার নিজের মূল্যায়ন করলেন এভাবে, ‘খেলা আমার খুবই প্যাশন। খেলা মানুষকে অনেক খারাপ কাজ থেকে দূরে রাখে। কিছইু করতে পারেনি ধরতে পারেন। বিগত সরকারের আমলে মন্ত্রীর এক আত্মীয় রেস্টুরেন্ট বানিয়ে দখল করেছিল, বিশাল জায়গা সেটা খালি করে কিছু ফেডারেশনের জাতীয় প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যুবদের নিয়ে অনেক কাজের সুযোগ রয়েছে।’
১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন। এরপর নির্বাচিত সরকারের মন্ত্রীপরিষদে একজন পাঁচ বছরের জন্য ক্রীড়া মন্ত্রীর দায়িত্ব পাবেন।

বিদায়ের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে যা বললেন ক্রীড়া উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাধারণত বিকেল পাঁচটার পর সরকারি অফিস ছুটি হয়ে যায়। তবে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ছয়টার পরও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তারা অফিসে ছিলেন। যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড.আসিফ নজরুল তার শেষ কর্মদিবসের শেষ ক্ষণে এসেছিলেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে।
অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের শুরু থেকে আইন ও প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন আসিফ নজরুল। তবে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়ার পদত্যাগের পর ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পান। দুই মাসের কম সময় ছিলেন এই দায়িত্বে। তার মধ্যে আসে কঠিন এক সিদ্ধান্ত, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ভারতে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ না করা।
চলছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বাংলাদেশ বিশ্বকাপে নেই। এই বিষয়ে প্রশ্ন হলে ক্রীড়া উপদেষ্টা প্রথমে উত্তর দিতে চাননি। বলেছেন, ‘কোনো রিগ্রেটের প্রশ্নই আসে না। আমাদের কী সিদ্ধান্ত, সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং খেলোয়াড়রা। তারা নিজেরা স্যাক্রিফাইস করেছে দেশের ক্রিকেটের নিরাপত্তার জন্য, দেশের মানুষের নিরাপত্তার জন্য। মানুষের মর্যাদা রক্ষার জন্য ভূমিকা রেখেছে।’
বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহণ না নেওয়ায় আর্থিক ও প্রশাসনিক নানা ক্ষতির শঙ্কা ছিল। তবে আইসিসি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
ক্রীড়া উপদেষ্টা বিসিবিকে ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে এটা একটা নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন হয়েছে। আইসিসি এখন বলেছে কোনো শাস্তি দেবে না, কোনো একটা বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চাই। ব্রিলিয়ান্ট অ্যাচিভমেন্ট, আমি স্যালুট জানাতে চাই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে। এমন সিদ্ধান্ত আসলে দশবারই এমনটা নেওয়া উচিত।’
আসিফ নজরুল ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি দায়িত্ব নেয়ার পরই বিকেএসপিকে জোরদারের কথা বলেছিলেন। মাস খানেক আগে বিকেএসপি পরির্দশনও করেছিলেন। আজ এ নিয়ে বলেন, ‘ন্যাশনাল স্পোর্টস ইন্সটিউট করতে অনেক সময় লাগবে। অর্থও লাগবে অনেক, বিসিবির কাছে চেয়েছিলা, সেন্টার অফ এক্সিলেন্স টাইপ কিছু করা যায় নাকি। স্বল্প পরিসরে কিছুটা শুরু করছি (আরচ্যারি, ফুটবল, টেবিল টেনিস)।’
আসিফ নজরুল আইনের অধ্যাপক হলেও খেলাধূলা পছন্দ করেন। দুই মাস দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সর্বোচ্চ পদে থেকে তার নিজের মূল্যায়ন করলেন এভাবে, ‘খেলা আমার খুবই প্যাশন। খেলা মানুষকে অনেক খারাপ কাজ থেকে দূরে রাখে। কিছইু করতে পারেনি ধরতে পারেন। বিগত সরকারের আমলে মন্ত্রীর এক আত্মীয় রেস্টুরেন্ট বানিয়ে দখল করেছিল, বিশাল জায়গা সেটা খালি করে কিছু ফেডারেশনের জাতীয় প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যুবদের নিয়ে অনেক কাজের সুযোগ রয়েছে।’
১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন। এরপর নির্বাচিত সরকারের মন্ত্রীপরিষদে একজন পাঁচ বছরের জন্য ক্রীড়া মন্ত্রীর দায়িত্ব পাবেন।




