পাকিস্তানকে বিধ্বস্ত করে জিতলো বাংলাদেশ

পাকিস্তানকে বিধ্বস্ত করে জিতলো বাংলাদেশ
সিটিজেন ডেস্ক

তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে বিধ্বস্ত করে জিতলো বাংলাদেশ। ২০৯ বল হাতে রেখে বিশ্ব র্যাংকিংয়ে ৪ নম্বরে থাকা দলকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে টাইগাররা।
সিরিজের শুরুতেই বাজিমাত বাংলাদেশের পেসার নাহিদ রানার। নিজের প্রথম পাঁচ ওভারেই ৫ উইকেট শিকার করেন এই পেসার। দলের হয়ে ২৪ রানের বিনিময়ে সর্বোচ্চ উইকেট নিয়েছেন তিনি।
টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৩০.৪ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১১৪ রান করে পাকিস্তান। যা বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডেতে পাকিস্তানের সর্বনিম্ন রান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেছেন ফাহিম আশরাফ।
তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান শুরুর দিকে বোলিংয়ে গেলেও তারা কেউই উইকেট এনে দিতে পারেননি। ফলে ইনিংসের সপ্তম ওভারে স্পিন আক্রমণে যায় বাংলাদেশ। অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ নিজে বোলিংয়ে আসেন। কিন্তু তাতেও উইকেটের দেখা মেলেনি।
দশম ওভারে তাসকিনকে সরিয়ে নাহিদের হাতে বল দেন মিরাজ। আক্রমণে এসেই দলকে ব্রেকথ্রু এনে দেন এই তরুণ পেসার। ওভারের শেষ বলে তাকে কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে আফিফ হোসেনের হাতে ধরা পড়েন সাহিবজাদা ফারহান। ২৭ রান করে এই ওপেনার ফিরলে ভাঙে ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি।
পরের চার ওভারে যথাক্রমে শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে সাজঘরে ফেরান নাহিদ। পাকিস্তানের টপ অর্ডার ভেঙে ফাইফার পূরণ করেন তিনি। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার।

১৯তম ওভারে নাহিদের সঙ্গে উইকেট শিকারে যোগ দেন মিরাজও। ওভারের শেষ বলে আব্দুল সামাদকে লিটনের গ্লাভসবন্দি করে ফেরান তিনি। এরপর হোসাইন তালাতকেও ফিরিয়েছেন মিরাজ। ২৩তম ওভারের প্রথম বলে এই ব্যাটারকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। একই ওভারের শেষ বলে শাহিন আফ্রিদিকেও আউট করেন তিনি।
প্রথম স্পেলে ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে উইকেট পেয়েছেন তাসকিন আহমেদ। ২৪তম ওভারের পঞ্চম বলে প্রথম স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ধরা পড়েন মোহাম্মদ ওয়াসিম।
৮২ রানে নবম উইকেট হারানোর পর একশর আগেই অলআউটের শঙ্কায় পড়ে পাকিস্তান। তবে ফাহিম আশরাফ আবরার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে শেষ উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়েন। ফাহিমের ৩৭ রানের ইনিংসে ভর করে কোনোরকমে একশ পার করে পাকিস্তান।
সর্বশেষ ২০১৫ সালে ঢাকায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল পাকিস্তান। ওই সিরিজে সফররত দলকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল স্বাগতিকরা। এবারও একই ধারাবাহিকতার শুরু বাংলাদেশের।

তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে বিধ্বস্ত করে জিতলো বাংলাদেশ। ২০৯ বল হাতে রেখে বিশ্ব র্যাংকিংয়ে ৪ নম্বরে থাকা দলকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে টাইগাররা।
সিরিজের শুরুতেই বাজিমাত বাংলাদেশের পেসার নাহিদ রানার। নিজের প্রথম পাঁচ ওভারেই ৫ উইকেট শিকার করেন এই পেসার। দলের হয়ে ২৪ রানের বিনিময়ে সর্বোচ্চ উইকেট নিয়েছেন তিনি।
টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৩০.৪ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১১৪ রান করে পাকিস্তান। যা বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডেতে পাকিস্তানের সর্বনিম্ন রান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেছেন ফাহিম আশরাফ।
তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান শুরুর দিকে বোলিংয়ে গেলেও তারা কেউই উইকেট এনে দিতে পারেননি। ফলে ইনিংসের সপ্তম ওভারে স্পিন আক্রমণে যায় বাংলাদেশ। অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ নিজে বোলিংয়ে আসেন। কিন্তু তাতেও উইকেটের দেখা মেলেনি।
দশম ওভারে তাসকিনকে সরিয়ে নাহিদের হাতে বল দেন মিরাজ। আক্রমণে এসেই দলকে ব্রেকথ্রু এনে দেন এই তরুণ পেসার। ওভারের শেষ বলে তাকে কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে আফিফ হোসেনের হাতে ধরা পড়েন সাহিবজাদা ফারহান। ২৭ রান করে এই ওপেনার ফিরলে ভাঙে ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি।
পরের চার ওভারে যথাক্রমে শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে সাজঘরে ফেরান নাহিদ। পাকিস্তানের টপ অর্ডার ভেঙে ফাইফার পূরণ করেন তিনি। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার।

১৯তম ওভারে নাহিদের সঙ্গে উইকেট শিকারে যোগ দেন মিরাজও। ওভারের শেষ বলে আব্দুল সামাদকে লিটনের গ্লাভসবন্দি করে ফেরান তিনি। এরপর হোসাইন তালাতকেও ফিরিয়েছেন মিরাজ। ২৩তম ওভারের প্রথম বলে এই ব্যাটারকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। একই ওভারের শেষ বলে শাহিন আফ্রিদিকেও আউট করেন তিনি।
প্রথম স্পেলে ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে উইকেট পেয়েছেন তাসকিন আহমেদ। ২৪তম ওভারের পঞ্চম বলে প্রথম স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ধরা পড়েন মোহাম্মদ ওয়াসিম।
৮২ রানে নবম উইকেট হারানোর পর একশর আগেই অলআউটের শঙ্কায় পড়ে পাকিস্তান। তবে ফাহিম আশরাফ আবরার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে শেষ উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়েন। ফাহিমের ৩৭ রানের ইনিংসে ভর করে কোনোরকমে একশ পার করে পাকিস্তান।
সর্বশেষ ২০১৫ সালে ঢাকায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল পাকিস্তান। ওই সিরিজে সফররত দলকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল স্বাগতিকরা। এবারও একই ধারাবাহিকতার শুরু বাংলাদেশের।

পাকিস্তানকে বিধ্বস্ত করে জিতলো বাংলাদেশ
সিটিজেন ডেস্ক

তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে বিধ্বস্ত করে জিতলো বাংলাদেশ। ২০৯ বল হাতে রেখে বিশ্ব র্যাংকিংয়ে ৪ নম্বরে থাকা দলকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে টাইগাররা।
সিরিজের শুরুতেই বাজিমাত বাংলাদেশের পেসার নাহিদ রানার। নিজের প্রথম পাঁচ ওভারেই ৫ উইকেট শিকার করেন এই পেসার। দলের হয়ে ২৪ রানের বিনিময়ে সর্বোচ্চ উইকেট নিয়েছেন তিনি।
টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৩০.৪ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১১৪ রান করে পাকিস্তান। যা বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডেতে পাকিস্তানের সর্বনিম্ন রান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেছেন ফাহিম আশরাফ।
তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান শুরুর দিকে বোলিংয়ে গেলেও তারা কেউই উইকেট এনে দিতে পারেননি। ফলে ইনিংসের সপ্তম ওভারে স্পিন আক্রমণে যায় বাংলাদেশ। অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ নিজে বোলিংয়ে আসেন। কিন্তু তাতেও উইকেটের দেখা মেলেনি।
দশম ওভারে তাসকিনকে সরিয়ে নাহিদের হাতে বল দেন মিরাজ। আক্রমণে এসেই দলকে ব্রেকথ্রু এনে দেন এই তরুণ পেসার। ওভারের শেষ বলে তাকে কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে আফিফ হোসেনের হাতে ধরা পড়েন সাহিবজাদা ফারহান। ২৭ রান করে এই ওপেনার ফিরলে ভাঙে ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি।
পরের চার ওভারে যথাক্রমে শ্যামল হোসাইন, মাজ সাদাকাত, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগাকে সাজঘরে ফেরান নাহিদ। পাকিস্তানের টপ অর্ডার ভেঙে ফাইফার পূরণ করেন তিনি। এটি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার।

১৯তম ওভারে নাহিদের সঙ্গে উইকেট শিকারে যোগ দেন মিরাজও। ওভারের শেষ বলে আব্দুল সামাদকে লিটনের গ্লাভসবন্দি করে ফেরান তিনি। এরপর হোসাইন তালাতকেও ফিরিয়েছেন মিরাজ। ২৩তম ওভারের প্রথম বলে এই ব্যাটারকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। একই ওভারের শেষ বলে শাহিন আফ্রিদিকেও আউট করেন তিনি।
প্রথম স্পেলে ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে উইকেট পেয়েছেন তাসকিন আহমেদ। ২৪তম ওভারের পঞ্চম বলে প্রথম স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ধরা পড়েন মোহাম্মদ ওয়াসিম।
৮২ রানে নবম উইকেট হারানোর পর একশর আগেই অলআউটের শঙ্কায় পড়ে পাকিস্তান। তবে ফাহিম আশরাফ আবরার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে শেষ উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়েন। ফাহিমের ৩৭ রানের ইনিংসে ভর করে কোনোরকমে একশ পার করে পাকিস্তান।
সর্বশেষ ২০১৫ সালে ঢাকায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল পাকিস্তান। ওই সিরিজে সফররত দলকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল স্বাগতিকরা। এবারও একই ধারাবাহিকতার শুরু বাংলাদেশের।




