আগে জুলাই সনদ, এরপর ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে আলোচনা: পরওয়ার

আগে জুলাই সনদ, এরপর ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে আলোচনা: পরওয়ার
নিজস্ব প্রতিবেদক

সংসদে জুলাই সনদ নিয়ে আলোচনার পর ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে নিজেদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আপাতত সরকারের প্রস্তাব নাকচ করার কথা জানিয়েছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
বুধবার (১১ মার্চ) জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধী দলীয় সংসদীয় কমিটির সভা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।
এর আগে, গত ২ মার্চ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছিলেন, জুলাই জাতীয় সনদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে এবং ঐকমত্যের ভিত্তিতে যেটা আমরা সমঝোতায় এসেছি, রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে, সেটার বাস্তবায়ন এখন থেকেই শুরু করতে চাই। আমাদের দলের পক্ষ থেকে প্রধান বিরোধী দলকে মৌখিকভাবে ও সাক্ষাতে প্রস্তাব দিয়েছি, তারা যেন ডেপুটি স্পিকার ঠিক করেন। সেটা জাতীয় সংসদে স্পিকার নির্বাচনের দিন একইসঙ্গে নির্বাচিত হতে পারে।
গতকাল মঙ্গলবার (১০ মার্চ) নিজের ফেসবুক পেজ থেকে দেয়া এক পোস্টে জুলাই সনদ এবং গণভোট অনুযায়ী সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের দাবি জানান জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তিনি বলেন, জুলাই সনদ এবং গণভোট অনুযায়ী সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়িত না হলে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী কেবল অলংকার হিসেবে ডেপুটি স্পিকারের পদ গ্রহণ করবে না।
এদিন সকালে আরেক পোস্টে তিনি লেখেন, ১৮ কোটি মানুষ, বড় অর্থনীতি। ক্রাইসিস ছিল, আছে এবং থাকবে। ক্রাইসিস মোকাবিলায় দরকার সৎ-দক্ষ জনশক্তি এবং জাতীয় ঐক্য। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ না মানায় অনৈক্য বেড়েই চলছে। সাবধান হোন।

সংসদে জুলাই সনদ নিয়ে আলোচনার পর ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে নিজেদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আপাতত সরকারের প্রস্তাব নাকচ করার কথা জানিয়েছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
বুধবার (১১ মার্চ) জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধী দলীয় সংসদীয় কমিটির সভা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।
এর আগে, গত ২ মার্চ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছিলেন, জুলাই জাতীয় সনদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে এবং ঐকমত্যের ভিত্তিতে যেটা আমরা সমঝোতায় এসেছি, রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে, সেটার বাস্তবায়ন এখন থেকেই শুরু করতে চাই। আমাদের দলের পক্ষ থেকে প্রধান বিরোধী দলকে মৌখিকভাবে ও সাক্ষাতে প্রস্তাব দিয়েছি, তারা যেন ডেপুটি স্পিকার ঠিক করেন। সেটা জাতীয় সংসদে স্পিকার নির্বাচনের দিন একইসঙ্গে নির্বাচিত হতে পারে।
গতকাল মঙ্গলবার (১০ মার্চ) নিজের ফেসবুক পেজ থেকে দেয়া এক পোস্টে জুলাই সনদ এবং গণভোট অনুযায়ী সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের দাবি জানান জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তিনি বলেন, জুলাই সনদ এবং গণভোট অনুযায়ী সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়িত না হলে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী কেবল অলংকার হিসেবে ডেপুটি স্পিকারের পদ গ্রহণ করবে না।
এদিন সকালে আরেক পোস্টে তিনি লেখেন, ১৮ কোটি মানুষ, বড় অর্থনীতি। ক্রাইসিস ছিল, আছে এবং থাকবে। ক্রাইসিস মোকাবিলায় দরকার সৎ-দক্ষ জনশক্তি এবং জাতীয় ঐক্য। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ না মানায় অনৈক্য বেড়েই চলছে। সাবধান হোন।

আগে জুলাই সনদ, এরপর ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে আলোচনা: পরওয়ার
নিজস্ব প্রতিবেদক

সংসদে জুলাই সনদ নিয়ে আলোচনার পর ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে নিজেদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আপাতত সরকারের প্রস্তাব নাকচ করার কথা জানিয়েছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
বুধবার (১১ মার্চ) জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধী দলীয় সংসদীয় কমিটির সভা শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।
এর আগে, গত ২ মার্চ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছিলেন, জুলাই জাতীয় সনদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে এবং ঐকমত্যের ভিত্তিতে যেটা আমরা সমঝোতায় এসেছি, রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে, সেটার বাস্তবায়ন এখন থেকেই শুরু করতে চাই। আমাদের দলের পক্ষ থেকে প্রধান বিরোধী দলকে মৌখিকভাবে ও সাক্ষাতে প্রস্তাব দিয়েছি, তারা যেন ডেপুটি স্পিকার ঠিক করেন। সেটা জাতীয় সংসদে স্পিকার নির্বাচনের দিন একইসঙ্গে নির্বাচিত হতে পারে।
গতকাল মঙ্গলবার (১০ মার্চ) নিজের ফেসবুক পেজ থেকে দেয়া এক পোস্টে জুলাই সনদ এবং গণভোট অনুযায়ী সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের দাবি জানান জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তিনি বলেন, জুলাই সনদ এবং গণভোট অনুযায়ী সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়িত না হলে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী কেবল অলংকার হিসেবে ডেপুটি স্পিকারের পদ গ্রহণ করবে না।
এদিন সকালে আরেক পোস্টে তিনি লেখেন, ১৮ কোটি মানুষ, বড় অর্থনীতি। ক্রাইসিস ছিল, আছে এবং থাকবে। ক্রাইসিস মোকাবিলায় দরকার সৎ-দক্ষ জনশক্তি এবং জাতীয় ঐক্য। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ না মানায় অনৈক্য বেড়েই চলছে। সাবধান হোন।




