মারা গেছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইক স্মিথ
সিটিজেন ডেস্ক

মারা গেছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইক স্মিথ
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ১৯: ৫৫

ক্রিকেট বিশ্বকে কাঁদিয়ে ৯২ বছর বয়সে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের সাবেক সফল অধিনায়ক মাইক স্মিথ। তার প্রয়াণে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। এ ক্রিকেটারের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সোমবার (১৮ মে) এজবাস্টনে ওয়ারউইকশায়ার ও গ্ল্যামারগনের মধ্যকার কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচ শুরুর আগে ক্রিকেটার এবং ম্যাচ অফিশিয়ালরা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন।
দীর্ঘ ১৪ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ইংল্যান্ডের হয়ে ৫০টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন এ ক্লাসিক ডানহাতি ব্যাটার, যার মধ্যে ২৫টি টেস্টেই তিনি দলের নেতৃত্বভার সামলেছেন। ১৯৫৮ সালে এজবাস্টনেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া স্মিথ ৩টি সেঞ্চুরি ও ১১টি হাফ সেঞ্চুরিসহ মোট ২,২৭৮ রান সংগ্রহ করেন। ক্রিকেটে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৬০ সালে তিনি উইজডেন ক্রিকেটার অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হন এবং ১৯৭৬ সালে লাভ করেন মর্যাদাপূর্ণ ওবিই উপাধি।
ঘরোয়া ক্রিকেটে ওয়ারউইকশায়ারের কিংবদন্তি ছিলেন মাইক স্মিথ। ১৯৫৬ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৯ বছর এ ক্লাবের হয়ে খেলেন তিনি এবং ১৯৫৭ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত অধিনায়কত্ব করেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৬৩৭ ম্যাচে ৩৯,৮৩২ রান করে তিনি ক্রিকেট ইতিহাসের ১৮তম সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে নিজের নাম লিখিয়েছেন। বিশেষ করে, ১৯৫৯ মৌসুমে ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে এক আসরে ২,৪১৭ রানের রেকর্ড তিনি গড়েছিলেন। তার রেকর্ডটি আজ পর্যন্ত ক্লাবটির ইতিহাসে এক আসরে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড হিসেবে অক্ষুণ্ণ রয়েছে।
স্মিথ কেবল ক্রিকেটেই নন, ইংল্যান্ডের হয়ে রাগবিতেও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছিলেন। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও লেস্টারের হয়ে রাগবি ইউনিয়ন খেলার পাশাপাশি ১৯৫৬ সালের জানুয়ারিতে ওয়েলসের বিপক্ষে ইংল্যান্ড জাতীয় রাগবি দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্যাপ অর্জন করেন তিনি। ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের ইতিহাসে তিনিই ছিলেন সর্বশেষ দ্বৈত আন্তর্জাতিক তারকা, যিনি দুই ভিন্ন খেলায় দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। খেলোয়াড়ি জীবন থেকে অবসরের পরও ক্রিকেটের সাথেই জড়িয়ে ছিলেন স্মিথ। পরবর্তী সময়ে তিনি ওয়ারউইকশায়ারের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন এবং আইসিসির ম্যাচ রেফারি হিসেবে ৪টি টেস্ট ও ১৭টি ওডিআই ম্যাচ পরিচালনা করেন।

ক্রিকেট বিশ্বকে কাঁদিয়ে ৯২ বছর বয়সে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের সাবেক সফল অধিনায়ক মাইক স্মিথ। তার প্রয়াণে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। এ ক্রিকেটারের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সোমবার (১৮ মে) এজবাস্টনে ওয়ারউইকশায়ার ও গ্ল্যামারগনের মধ্যকার কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচ শুরুর আগে ক্রিকেটার এবং ম্যাচ অফিশিয়ালরা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন।
দীর্ঘ ১৪ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ইংল্যান্ডের হয়ে ৫০টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন এ ক্লাসিক ডানহাতি ব্যাটার, যার মধ্যে ২৫টি টেস্টেই তিনি দলের নেতৃত্বভার সামলেছেন। ১৯৫৮ সালে এজবাস্টনেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া স্মিথ ৩টি সেঞ্চুরি ও ১১টি হাফ সেঞ্চুরিসহ মোট ২,২৭৮ রান সংগ্রহ করেন। ক্রিকেটে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৬০ সালে তিনি উইজডেন ক্রিকেটার অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হন এবং ১৯৭৬ সালে লাভ করেন মর্যাদাপূর্ণ ওবিই উপাধি।
ঘরোয়া ক্রিকেটে ওয়ারউইকশায়ারের কিংবদন্তি ছিলেন মাইক স্মিথ। ১৯৫৬ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৯ বছর এ ক্লাবের হয়ে খেলেন তিনি এবং ১৯৫৭ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত অধিনায়কত্ব করেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৬৩৭ ম্যাচে ৩৯,৮৩২ রান করে তিনি ক্রিকেট ইতিহাসের ১৮তম সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে নিজের নাম লিখিয়েছেন। বিশেষ করে, ১৯৫৯ মৌসুমে ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে এক আসরে ২,৪১৭ রানের রেকর্ড তিনি গড়েছিলেন। তার রেকর্ডটি আজ পর্যন্ত ক্লাবটির ইতিহাসে এক আসরে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড হিসেবে অক্ষুণ্ণ রয়েছে।
স্মিথ কেবল ক্রিকেটেই নন, ইংল্যান্ডের হয়ে রাগবিতেও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছিলেন। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও লেস্টারের হয়ে রাগবি ইউনিয়ন খেলার পাশাপাশি ১৯৫৬ সালের জানুয়ারিতে ওয়েলসের বিপক্ষে ইংল্যান্ড জাতীয় রাগবি দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্যাপ অর্জন করেন তিনি। ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের ইতিহাসে তিনিই ছিলেন সর্বশেষ দ্বৈত আন্তর্জাতিক তারকা, যিনি দুই ভিন্ন খেলায় দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। খেলোয়াড়ি জীবন থেকে অবসরের পরও ক্রিকেটের সাথেই জড়িয়ে ছিলেন স্মিথ। পরবর্তী সময়ে তিনি ওয়ারউইকশায়ারের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন এবং আইসিসির ম্যাচ রেফারি হিসেবে ৪টি টেস্ট ও ১৭টি ওডিআই ম্যাচ পরিচালনা করেন।

মারা গেছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইক স্মিথ
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ১৯: ৫৫

ক্রিকেট বিশ্বকে কাঁদিয়ে ৯২ বছর বয়সে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের সাবেক সফল অধিনায়ক মাইক স্মিথ। তার প্রয়াণে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। এ ক্রিকেটারের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সোমবার (১৮ মে) এজবাস্টনে ওয়ারউইকশায়ার ও গ্ল্যামারগনের মধ্যকার কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচ শুরুর আগে ক্রিকেটার এবং ম্যাচ অফিশিয়ালরা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন।
দীর্ঘ ১৪ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ইংল্যান্ডের হয়ে ৫০টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন এ ক্লাসিক ডানহাতি ব্যাটার, যার মধ্যে ২৫টি টেস্টেই তিনি দলের নেতৃত্বভার সামলেছেন। ১৯৫৮ সালে এজবাস্টনেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া স্মিথ ৩টি সেঞ্চুরি ও ১১টি হাফ সেঞ্চুরিসহ মোট ২,২৭৮ রান সংগ্রহ করেন। ক্রিকেটে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৬০ সালে তিনি উইজডেন ক্রিকেটার অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হন এবং ১৯৭৬ সালে লাভ করেন মর্যাদাপূর্ণ ওবিই উপাধি।
ঘরোয়া ক্রিকেটে ওয়ারউইকশায়ারের কিংবদন্তি ছিলেন মাইক স্মিথ। ১৯৫৬ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৯ বছর এ ক্লাবের হয়ে খেলেন তিনি এবং ১৯৫৭ থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত অধিনায়কত্ব করেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৬৩৭ ম্যাচে ৩৯,৮৩২ রান করে তিনি ক্রিকেট ইতিহাসের ১৮তম সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে নিজের নাম লিখিয়েছেন। বিশেষ করে, ১৯৫৯ মৌসুমে ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে এক আসরে ২,৪১৭ রানের রেকর্ড তিনি গড়েছিলেন। তার রেকর্ডটি আজ পর্যন্ত ক্লাবটির ইতিহাসে এক আসরে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড হিসেবে অক্ষুণ্ণ রয়েছে।
স্মিথ কেবল ক্রিকেটেই নন, ইংল্যান্ডের হয়ে রাগবিতেও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছিলেন। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও লেস্টারের হয়ে রাগবি ইউনিয়ন খেলার পাশাপাশি ১৯৫৬ সালের জানুয়ারিতে ওয়েলসের বিপক্ষে ইংল্যান্ড জাতীয় রাগবি দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্যাপ অর্জন করেন তিনি। ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের ইতিহাসে তিনিই ছিলেন সর্বশেষ দ্বৈত আন্তর্জাতিক তারকা, যিনি দুই ভিন্ন খেলায় দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। খেলোয়াড়ি জীবন থেকে অবসরের পরও ক্রিকেটের সাথেই জড়িয়ে ছিলেন স্মিথ। পরবর্তী সময়ে তিনি ওয়ারউইকশায়ারের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন এবং আইসিসির ম্যাচ রেফারি হিসেবে ৪টি টেস্ট ও ১৭টি ওডিআই ম্যাচ পরিচালনা করেন।
/এমএকে/

৫৭ গোল করা ফুটবলারকে দলে না রাখা নিয়ে রহস্য


