পিএসএলে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব, খেলা হবে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে

পিএসএলে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব, খেলা হবে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার প্রভাব পড়লো ক্রিকেট মাঠে। বড় কোনো অঘটন এড়াতে ও উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ২০২৬ আসর দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
ভেন্যুর সংখ্যাতেও এসেছে বদল। মাত্র দুটি শহরে হবে এবারের টুর্নামেন্ট। লাহোরে হতে যাওয়া জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটিও বাতিল করা হয়েছে। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি জানিয়েছেন, টুর্নামেন্টের সব ম্যাচ করাচি ও লাহোরে অনুষ্ঠিত হবে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে বিশ্বজুড়ে যে তেলের সংকট তৈরি হয়েছে, তার বড় ধাক্কা লেগেছে পাকিস্তানেও। হরমুজ প্রণালিতে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় দেশটিতে জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে নাকভি বলেন, ‘জ্বালানি–সংকটের কারণে প্রধানমন্ত্রী পুরো দেশের মানুষকে চলাফেরা সীমিত করার অনুরোধ জানিয়েছেন। আমরা স্কুল বন্ধ রেখেছি, হোম অফিস চালু করেছি এবং ঈদের ছুটিও বাড়িয়েছি। আমরা জানি না এই যুদ্ধ কত দিন চলবে।’
গ্যালারি কেন খালি থাকবে, তার ব্যাখ্যায় পিসিবির প্রধান বলেন, ‘নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনার পর আমরা সূচি অনুযায়ী পিএসএল চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু যেখানে দেশের মানুষকে চলাফেরা সীমিত করতে বলা হচ্ছে, সেখানে প্রতিদিন ৩০ হাজার মানুষকে মাঠে আসার আমন্ত্রণ জানানো স্ববিরোধী। সিদ্ধান্তটি কঠিন ছিল, কিন্তু এর বিকল্প ছিল না।’
দর্শক না থাকায় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হবে। নাকভি আশ্বস্ত করেছেন, পিসিবি এই ক্ষতির ভার নেবে এবং যারা আগে টিকিট কিনেছিলেন, তাদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।
তবে পরিস্থিতির উন্নতি হলে শেষ দিকে মাঠে এসে খেলা দেখার ব্যবস্থা করতে পারে পাকিস্তান বোর্ড।
২৬ মার্চ পর্দা উঠবে পিএসএলের এবারের আসরের, ৩ মে ফাইনালের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এ টুর্নামেন্ট।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার প্রভাব পড়লো ক্রিকেট মাঠে। বড় কোনো অঘটন এড়াতে ও উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ২০২৬ আসর দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
ভেন্যুর সংখ্যাতেও এসেছে বদল। মাত্র দুটি শহরে হবে এবারের টুর্নামেন্ট। লাহোরে হতে যাওয়া জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটিও বাতিল করা হয়েছে। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি জানিয়েছেন, টুর্নামেন্টের সব ম্যাচ করাচি ও লাহোরে অনুষ্ঠিত হবে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে বিশ্বজুড়ে যে তেলের সংকট তৈরি হয়েছে, তার বড় ধাক্কা লেগেছে পাকিস্তানেও। হরমুজ প্রণালিতে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় দেশটিতে জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে নাকভি বলেন, ‘জ্বালানি–সংকটের কারণে প্রধানমন্ত্রী পুরো দেশের মানুষকে চলাফেরা সীমিত করার অনুরোধ জানিয়েছেন। আমরা স্কুল বন্ধ রেখেছি, হোম অফিস চালু করেছি এবং ঈদের ছুটিও বাড়িয়েছি। আমরা জানি না এই যুদ্ধ কত দিন চলবে।’
গ্যালারি কেন খালি থাকবে, তার ব্যাখ্যায় পিসিবির প্রধান বলেন, ‘নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনার পর আমরা সূচি অনুযায়ী পিএসএল চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু যেখানে দেশের মানুষকে চলাফেরা সীমিত করতে বলা হচ্ছে, সেখানে প্রতিদিন ৩০ হাজার মানুষকে মাঠে আসার আমন্ত্রণ জানানো স্ববিরোধী। সিদ্ধান্তটি কঠিন ছিল, কিন্তু এর বিকল্প ছিল না।’
দর্শক না থাকায় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হবে। নাকভি আশ্বস্ত করেছেন, পিসিবি এই ক্ষতির ভার নেবে এবং যারা আগে টিকিট কিনেছিলেন, তাদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।
তবে পরিস্থিতির উন্নতি হলে শেষ দিকে মাঠে এসে খেলা দেখার ব্যবস্থা করতে পারে পাকিস্তান বোর্ড।
২৬ মার্চ পর্দা উঠবে পিএসএলের এবারের আসরের, ৩ মে ফাইনালের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এ টুর্নামেন্ট।

পিএসএলে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব, খেলা হবে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার প্রভাব পড়লো ক্রিকেট মাঠে। বড় কোনো অঘটন এড়াতে ও উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ২০২৬ আসর দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
ভেন্যুর সংখ্যাতেও এসেছে বদল। মাত্র দুটি শহরে হবে এবারের টুর্নামেন্ট। লাহোরে হতে যাওয়া জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটিও বাতিল করা হয়েছে। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি জানিয়েছেন, টুর্নামেন্টের সব ম্যাচ করাচি ও লাহোরে অনুষ্ঠিত হবে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে বিশ্বজুড়ে যে তেলের সংকট তৈরি হয়েছে, তার বড় ধাক্কা লেগেছে পাকিস্তানেও। হরমুজ প্রণালিতে তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় দেশটিতে জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে নাকভি বলেন, ‘জ্বালানি–সংকটের কারণে প্রধানমন্ত্রী পুরো দেশের মানুষকে চলাফেরা সীমিত করার অনুরোধ জানিয়েছেন। আমরা স্কুল বন্ধ রেখেছি, হোম অফিস চালু করেছি এবং ঈদের ছুটিও বাড়িয়েছি। আমরা জানি না এই যুদ্ধ কত দিন চলবে।’
গ্যালারি কেন খালি থাকবে, তার ব্যাখ্যায় পিসিবির প্রধান বলেন, ‘নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনার পর আমরা সূচি অনুযায়ী পিএসএল চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু যেখানে দেশের মানুষকে চলাফেরা সীমিত করতে বলা হচ্ছে, সেখানে প্রতিদিন ৩০ হাজার মানুষকে মাঠে আসার আমন্ত্রণ জানানো স্ববিরোধী। সিদ্ধান্তটি কঠিন ছিল, কিন্তু এর বিকল্প ছিল না।’
দর্শক না থাকায় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হবে। নাকভি আশ্বস্ত করেছেন, পিসিবি এই ক্ষতির ভার নেবে এবং যারা আগে টিকিট কিনেছিলেন, তাদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।
তবে পরিস্থিতির উন্নতি হলে শেষ দিকে মাঠে এসে খেলা দেখার ব্যবস্থা করতে পারে পাকিস্তান বোর্ড।
২৬ মার্চ পর্দা উঠবে পিএসএলের এবারের আসরের, ৩ মে ফাইনালের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এ টুর্নামেন্ট।




