ইমরানের জন্য শেহবাজকে ২১ সাবেক অধিনায়কের চিঠি

ইমরানের জন্য শেহবাজকে ২১ সাবেক অধিনায়কের চিঠি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

গত তিন বছরের অধিক সময় ধরে কারাগারে আটক রয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খান। তার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের কাছে নতুন করে চিঠি লিখেছেন বিভিন্ন দেশের ২১ জন সাবেক অধিনায়ক।
ছয় মাসের মধ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবেক অধিনায়কদের এটি দ্বিতীয় চিঠি। এর আগে ১৪ জন সাবেক অধিনায়ক চিঠিতে স্বাক্ষর করেন। রবিবার (২৩ আগস্ট) পাঠানো এ চিঠিতে ইমরান খানের প্রতি মানবিক আচরণ ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করার দাবি জানানো হয়েছে।
এই আবেদনটি এমন এক সময়ে এসেছে যখন ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ ক্রমাগত বাড়ছে। সাবেক অধিনায়কদের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ইমরানকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও তিনি যথাযথ চিকিৎসা পাননি।
চিঠিতে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট ইমরান খানকে এমন একটি মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে পরীক্ষা করানোর নির্দেশ দিয়েছিল, যেখানে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং তার বোন ড. উজমা খানও থাকবেন। একইসঙ্গে আদালত সাপ্তাহিক পারিবারিক সাক্ষাতের সুযোগও পুনর্বহাল করেছিল। তবে ইমরানের হাসপাতালে অবস্থান মাত্র কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী হয়। আদালতের নির্দেশিত মেডিকেল বোর্ডের পরিবর্তে রাষ্ট্রনিযুক্ত একটি দল তাকে পরীক্ষা করে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করে। এরপর আদালতের নির্দেশিত বোর্ড তাদের কাজ শেষ করার আগেই তাকে আদিয়ালা কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।
চিঠিতে খানের স্বাস্থ্য নিয়ে তিনটি নির্দিষ্ট দাবি জানিয়েছেন সাবেক অধিনায়করা। প্রথমত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিত মেডিকেল বোর্ডকে ইমরানের স্বাস্থ্য নিয়ে পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন মূল্যায়ন শেষ করার সুযোগ দিতে হবে। বিশেষ করে ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি হারানোর যে খবর এসেছে, সেটির যথাযথ পরীক্ষা করতে হবে।
দ্বিতীয়ত, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সাপ্তাহিক পারিবারিক সাক্ষাতের সুযোগ কোনো ধরনের বাধা বা প্রশাসনিক বিলম্ব ছাড়াই নিশ্চিত করতে হবে।
তৃতীয়ত, মেডিকেল বোর্ডের মূল্যায়নের ফলাফল যা-ই হোক না কেন, তাদের সুপারিশ অনুযায়ী দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে হবে।
সাবেক অধিনায়করা জোর দিয়ে বলেছেন, তারা পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়ার অবস্থানে যেতে চান না। ক্রিকেট মাঠে ৭৩ বছর বয়সী এই ব্যক্তির সঙ্গে তাদের সম্পর্কের কারণেই তারা এই দাবি তুলেছেন।
২১ জন সাবেক অধিনায়কের এই তালিকায় রয়েছেন গ্রেগ চ্যাপেল, ইয়ান চ্যাপেল, অ্যালান বোর্ডার, সুনীল গাভাস্কার, কপিল দেব, ডেভিড গাওয়ার, ক্লাইভ লয়েড, অর্জুনা রানাতুঙ্গা, স্টিভ ওয়াহ ও জন রাইট।
এছাড়া মাইকেল আথারটন, অ্যালেক্স ব্ল্যাকওয়েল, মাইকেল ব্রিয়ারলি, বেলিন্ডা ক্লার্ক, অ্যালিস্টার কুক, মাইকেল গ্যাটিং, লি জার্মন, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, কিম হিউজ, নাসের হুসেইন, অ্যান্ড্রু স্ট্রস ও দিলীপ ভেংসরকারও চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে নির্বাচনে ইমরান খানের দল পিটিআই সর্ববৃহৎ দল হিসেবে আবির্ভূত হয়। তবে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় তিনি জোট করে সরকার গঠন করে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ওই বছর তার বিরুদ্ধে ‘নো কনফিডেন্স মোশন’ ডেকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। এরপর দুর্নীতির বিভিন্ন মামলায় তাকে ১০, ১৪ ও ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে ইমরান খানকে।
২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে বিয়েসংক্রান্ত একটি মামলাতেও তাকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে ইমরানের বিচার ও কারাগারে তার অবস্থার বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোরও উদ্বেগ রয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব হিউম্যান রাইটস তার বিচারপ্রক্রিয়ার ন্যায্যতা ও কারাগারের পরিস্থিতি নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন তুলেছে।

গত তিন বছরের অধিক সময় ধরে কারাগারে আটক রয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খান। তার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের কাছে নতুন করে চিঠি লিখেছেন বিভিন্ন দেশের ২১ জন সাবেক অধিনায়ক।
ছয় মাসের মধ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবেক অধিনায়কদের এটি দ্বিতীয় চিঠি। এর আগে ১৪ জন সাবেক অধিনায়ক চিঠিতে স্বাক্ষর করেন। রবিবার (২৩ আগস্ট) পাঠানো এ চিঠিতে ইমরান খানের প্রতি মানবিক আচরণ ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করার দাবি জানানো হয়েছে।
এই আবেদনটি এমন এক সময়ে এসেছে যখন ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ ক্রমাগত বাড়ছে। সাবেক অধিনায়কদের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ইমরানকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও তিনি যথাযথ চিকিৎসা পাননি।
চিঠিতে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট ইমরান খানকে এমন একটি মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে পরীক্ষা করানোর নির্দেশ দিয়েছিল, যেখানে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং তার বোন ড. উজমা খানও থাকবেন। একইসঙ্গে আদালত সাপ্তাহিক পারিবারিক সাক্ষাতের সুযোগও পুনর্বহাল করেছিল। তবে ইমরানের হাসপাতালে অবস্থান মাত্র কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী হয়। আদালতের নির্দেশিত মেডিকেল বোর্ডের পরিবর্তে রাষ্ট্রনিযুক্ত একটি দল তাকে পরীক্ষা করে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করে। এরপর আদালতের নির্দেশিত বোর্ড তাদের কাজ শেষ করার আগেই তাকে আদিয়ালা কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।
চিঠিতে খানের স্বাস্থ্য নিয়ে তিনটি নির্দিষ্ট দাবি জানিয়েছেন সাবেক অধিনায়করা। প্রথমত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিত মেডিকেল বোর্ডকে ইমরানের স্বাস্থ্য নিয়ে পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন মূল্যায়ন শেষ করার সুযোগ দিতে হবে। বিশেষ করে ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি হারানোর যে খবর এসেছে, সেটির যথাযথ পরীক্ষা করতে হবে।
দ্বিতীয়ত, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সাপ্তাহিক পারিবারিক সাক্ষাতের সুযোগ কোনো ধরনের বাধা বা প্রশাসনিক বিলম্ব ছাড়াই নিশ্চিত করতে হবে।
তৃতীয়ত, মেডিকেল বোর্ডের মূল্যায়নের ফলাফল যা-ই হোক না কেন, তাদের সুপারিশ অনুযায়ী দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে হবে।
সাবেক অধিনায়করা জোর দিয়ে বলেছেন, তারা পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়ার অবস্থানে যেতে চান না। ক্রিকেট মাঠে ৭৩ বছর বয়সী এই ব্যক্তির সঙ্গে তাদের সম্পর্কের কারণেই তারা এই দাবি তুলেছেন।
২১ জন সাবেক অধিনায়কের এই তালিকায় রয়েছেন গ্রেগ চ্যাপেল, ইয়ান চ্যাপেল, অ্যালান বোর্ডার, সুনীল গাভাস্কার, কপিল দেব, ডেভিড গাওয়ার, ক্লাইভ লয়েড, অর্জুনা রানাতুঙ্গা, স্টিভ ওয়াহ ও জন রাইট।
এছাড়া মাইকেল আথারটন, অ্যালেক্স ব্ল্যাকওয়েল, মাইকেল ব্রিয়ারলি, বেলিন্ডা ক্লার্ক, অ্যালিস্টার কুক, মাইকেল গ্যাটিং, লি জার্মন, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, কিম হিউজ, নাসের হুসেইন, অ্যান্ড্রু স্ট্রস ও দিলীপ ভেংসরকারও চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে নির্বাচনে ইমরান খানের দল পিটিআই সর্ববৃহৎ দল হিসেবে আবির্ভূত হয়। তবে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় তিনি জোট করে সরকার গঠন করে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ওই বছর তার বিরুদ্ধে ‘নো কনফিডেন্স মোশন’ ডেকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। এরপর দুর্নীতির বিভিন্ন মামলায় তাকে ১০, ১৪ ও ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে ইমরান খানকে।
২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে বিয়েসংক্রান্ত একটি মামলাতেও তাকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে ইমরানের বিচার ও কারাগারে তার অবস্থার বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোরও উদ্বেগ রয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব হিউম্যান রাইটস তার বিচারপ্রক্রিয়ার ন্যায্যতা ও কারাগারের পরিস্থিতি নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন তুলেছে।

ইমরানের জন্য শেহবাজকে ২১ সাবেক অধিনায়কের চিঠি
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

গত তিন বছরের অধিক সময় ধরে কারাগারে আটক রয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খান। তার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের কাছে নতুন করে চিঠি লিখেছেন বিভিন্ন দেশের ২১ জন সাবেক অধিনায়ক।
ছয় মাসের মধ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাবেক অধিনায়কদের এটি দ্বিতীয় চিঠি। এর আগে ১৪ জন সাবেক অধিনায়ক চিঠিতে স্বাক্ষর করেন। রবিবার (২৩ আগস্ট) পাঠানো এ চিঠিতে ইমরান খানের প্রতি মানবিক আচরণ ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করার দাবি জানানো হয়েছে।
এই আবেদনটি এমন এক সময়ে এসেছে যখন ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ ক্রমাগত বাড়ছে। সাবেক অধিনায়কদের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ইমরানকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও তিনি যথাযথ চিকিৎসা পাননি।
চিঠিতে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট ইমরান খানকে এমন একটি মেডিকেল বোর্ডের মাধ্যমে পরীক্ষা করানোর নির্দেশ দিয়েছিল, যেখানে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং তার বোন ড. উজমা খানও থাকবেন। একইসঙ্গে আদালত সাপ্তাহিক পারিবারিক সাক্ষাতের সুযোগও পুনর্বহাল করেছিল। তবে ইমরানের হাসপাতালে অবস্থান মাত্র কয়েক ঘণ্টা স্থায়ী হয়। আদালতের নির্দেশিত মেডিকেল বোর্ডের পরিবর্তে রাষ্ট্রনিযুক্ত একটি দল তাকে পরীক্ষা করে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করে। এরপর আদালতের নির্দেশিত বোর্ড তাদের কাজ শেষ করার আগেই তাকে আদিয়ালা কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।
চিঠিতে খানের স্বাস্থ্য নিয়ে তিনটি নির্দিষ্ট দাবি জানিয়েছেন সাবেক অধিনায়করা। প্রথমত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিত মেডিকেল বোর্ডকে ইমরানের স্বাস্থ্য নিয়ে পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন মূল্যায়ন শেষ করার সুযোগ দিতে হবে। বিশেষ করে ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি হারানোর যে খবর এসেছে, সেটির যথাযথ পরীক্ষা করতে হবে।
দ্বিতীয়ত, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সাপ্তাহিক পারিবারিক সাক্ষাতের সুযোগ কোনো ধরনের বাধা বা প্রশাসনিক বিলম্ব ছাড়াই নিশ্চিত করতে হবে।
তৃতীয়ত, মেডিকেল বোর্ডের মূল্যায়নের ফলাফল যা-ই হোক না কেন, তাদের সুপারিশ অনুযায়ী দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে হবে।
সাবেক অধিনায়করা জোর দিয়ে বলেছেন, তারা পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়ার অবস্থানে যেতে চান না। ক্রিকেট মাঠে ৭৩ বছর বয়সী এই ব্যক্তির সঙ্গে তাদের সম্পর্কের কারণেই তারা এই দাবি তুলেছেন।
২১ জন সাবেক অধিনায়কের এই তালিকায় রয়েছেন গ্রেগ চ্যাপেল, ইয়ান চ্যাপেল, অ্যালান বোর্ডার, সুনীল গাভাস্কার, কপিল দেব, ডেভিড গাওয়ার, ক্লাইভ লয়েড, অর্জুনা রানাতুঙ্গা, স্টিভ ওয়াহ ও জন রাইট।
এছাড়া মাইকেল আথারটন, অ্যালেক্স ব্ল্যাকওয়েল, মাইকেল ব্রিয়ারলি, বেলিন্ডা ক্লার্ক, অ্যালিস্টার কুক, মাইকেল গ্যাটিং, লি জার্মন, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, কিম হিউজ, নাসের হুসেইন, অ্যান্ড্রু স্ট্রস ও দিলীপ ভেংসরকারও চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে নির্বাচনে ইমরান খানের দল পিটিআই সর্ববৃহৎ দল হিসেবে আবির্ভূত হয়। তবে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় তিনি জোট করে সরকার গঠন করে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ওই বছর তার বিরুদ্ধে ‘নো কনফিডেন্স মোশন’ ডেকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। এরপর দুর্নীতির বিভিন্ন মামলায় তাকে ১০, ১৪ ও ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে ইমরান খানকে।
২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে বিয়েসংক্রান্ত একটি মামলাতেও তাকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে ইমরানের বিচার ও কারাগারে তার অবস্থার বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোরও উদ্বেগ রয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব হিউম্যান রাইটস তার বিচারপ্রক্রিয়ার ন্যায্যতা ও কারাগারের পরিস্থিতি নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন তুলেছে।

ইমরান খানকে শিফা হাসপাতালে না নেওয়ায় আদালত অবমাননার পিটিশন পিটিআইয়ের
স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবারও কারাগারে ইমরান খান







