‘অর্থনৈতিক অবরোধ’ চললে হরমুজ দিয়ে এক ফোঁটাও তেল রপ্তানি হবে না: ইরান

‘অর্থনৈতিক অবরোধ’ চললে হরমুজ দিয়ে এক ফোঁটাও তেল রপ্তানি হবে না: ইরান
সিজেডএন ডেস্ক

ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক অবরোধ অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে এক ফোঁটা তেলও রপ্তানি হতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসিন রেজাই।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রেজাই লেখেন, যদি অর্থনৈতিক যুদ্ধ চলতে থাকে, তাহলে হরমুজ প্রণালী দিয়ে কিংবা পারস্য উপসাগরের কোথাও থেকে এক ফোঁটাও তেল রপ্তানি করা হবে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর কঠোর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি তেহরানের বাণিজ্যিক অংশীদারদেরও ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়ার হুমকি দেন। এর পরপরই তেহরানের তরফ থেকে এ কড়া প্রতিক্রিয়া এলো। একই সঙ্গে তেহরানের জানিয়েছে, ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে আমেরিকার চালানো এ অর্থনৈতিক লড়াইয়ে অন্য কোনো দেশ অংশ নিলে বা সমর্থন জোগালে, সেটিকে সরাসরি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে গণ্য করবে ইরান।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান কী শেষ ধাপে চলে এসেছে
ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন আর্থিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের এৱ পদক্ষেপকে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, তেহরানকে কোণঠাসা করতে ওয়াশিংটন এখন ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আর্থিক আক্রমণের শেষ ধাপে রয়েছে। ইরান সরকারকে টিকিয়ে রাখা সব ধরণের আর্থিক পথ রুদ্ধ করতেই এই সর্বাত্মক শক্তি প্রয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বেসেন্ট আরও বলেন, আমরা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশ করছি। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হচ্ছে এক অর্থনৈতিক ডি-ডে। কোনো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পরিচালিত এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ আর্থিক আক্রমণ।
সবশেষে তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো এ স্বৈরাচারী শাসনকে টিকিয়ে রাখা প্রতিটি অর্থনৈতিক রেখা ছিন্ন করা, যতক্ষণ না তেহরান একা হয়ে পড়ে।’
হরমুজ প্রণালি সংঘাতের মূল কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে রয়ে গেছে
বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি পরিবহন রুট হওয়ায় হরমুজ প্রণালিতে যেকোনো দীর্ঘমেয়াদি সংকট বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য বড় ধরণের ঝুঁকি তৈরি করছে। যদিও এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রয়েছে এবং সেখানে স্বাভাবিকভাবেই জাহাজ চলাচল অব্যাহত আছে।
তবে ট্রাম্পের সে দাবি নাকচ করে দিয়ে ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন অবরোধ তুলে না নেওয়া, জব্দকৃত ইরানি সম্পদ ফেরত না দেওয়া এবং তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল না করা পর্যন্ত তেহরান এ জলপথ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করবে না। উপরন্তু চাপ আরও বাড়িয়ে ইরানের পার্লামেন্ট এ জলপথ দিয়ে যাতায়াতকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর মাশুল বা টোল আরোপের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক অবরোধ অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে এক ফোঁটা তেলও রপ্তানি হতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসিন রেজাই।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রেজাই লেখেন, যদি অর্থনৈতিক যুদ্ধ চলতে থাকে, তাহলে হরমুজ প্রণালী দিয়ে কিংবা পারস্য উপসাগরের কোথাও থেকে এক ফোঁটাও তেল রপ্তানি করা হবে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর কঠোর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি তেহরানের বাণিজ্যিক অংশীদারদেরও ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়ার হুমকি দেন। এর পরপরই তেহরানের তরফ থেকে এ কড়া প্রতিক্রিয়া এলো। একই সঙ্গে তেহরানের জানিয়েছে, ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে আমেরিকার চালানো এ অর্থনৈতিক লড়াইয়ে অন্য কোনো দেশ অংশ নিলে বা সমর্থন জোগালে, সেটিকে সরাসরি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে গণ্য করবে ইরান।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান কী শেষ ধাপে চলে এসেছে
ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন আর্থিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের এৱ পদক্ষেপকে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, তেহরানকে কোণঠাসা করতে ওয়াশিংটন এখন ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আর্থিক আক্রমণের শেষ ধাপে রয়েছে। ইরান সরকারকে টিকিয়ে রাখা সব ধরণের আর্থিক পথ রুদ্ধ করতেই এই সর্বাত্মক শক্তি প্রয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বেসেন্ট আরও বলেন, আমরা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশ করছি। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হচ্ছে এক অর্থনৈতিক ডি-ডে। কোনো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পরিচালিত এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ আর্থিক আক্রমণ।
সবশেষে তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো এ স্বৈরাচারী শাসনকে টিকিয়ে রাখা প্রতিটি অর্থনৈতিক রেখা ছিন্ন করা, যতক্ষণ না তেহরান একা হয়ে পড়ে।’
হরমুজ প্রণালি সংঘাতের মূল কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে রয়ে গেছে
বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি পরিবহন রুট হওয়ায় হরমুজ প্রণালিতে যেকোনো দীর্ঘমেয়াদি সংকট বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য বড় ধরণের ঝুঁকি তৈরি করছে। যদিও এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রয়েছে এবং সেখানে স্বাভাবিকভাবেই জাহাজ চলাচল অব্যাহত আছে।
তবে ট্রাম্পের সে দাবি নাকচ করে দিয়ে ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন অবরোধ তুলে না নেওয়া, জব্দকৃত ইরানি সম্পদ ফেরত না দেওয়া এবং তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল না করা পর্যন্ত তেহরান এ জলপথ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করবে না। উপরন্তু চাপ আরও বাড়িয়ে ইরানের পার্লামেন্ট এ জলপথ দিয়ে যাতায়াতকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর মাশুল বা টোল আরোপের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

‘অর্থনৈতিক অবরোধ’ চললে হরমুজ দিয়ে এক ফোঁটাও তেল রপ্তানি হবে না: ইরান
সিজেডএন ডেস্ক

ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক অবরোধ অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে এক ফোঁটা তেলও রপ্তানি হতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসিন রেজাই।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রেজাই লেখেন, যদি অর্থনৈতিক যুদ্ধ চলতে থাকে, তাহলে হরমুজ প্রণালী দিয়ে কিংবা পারস্য উপসাগরের কোথাও থেকে এক ফোঁটাও তেল রপ্তানি করা হবে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর কঠোর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি তেহরানের বাণিজ্যিক অংশীদারদেরও ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়ার হুমকি দেন। এর পরপরই তেহরানের তরফ থেকে এ কড়া প্রতিক্রিয়া এলো। একই সঙ্গে তেহরানের জানিয়েছে, ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে আমেরিকার চালানো এ অর্থনৈতিক লড়াইয়ে অন্য কোনো দেশ অংশ নিলে বা সমর্থন জোগালে, সেটিকে সরাসরি ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে গণ্য করবে ইরান।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান কী শেষ ধাপে চলে এসেছে
ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন আর্থিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের এৱ পদক্ষেপকে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, তেহরানকে কোণঠাসা করতে ওয়াশিংটন এখন ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আর্থিক আক্রমণের শেষ ধাপে রয়েছে। ইরান সরকারকে টিকিয়ে রাখা সব ধরণের আর্থিক পথ রুদ্ধ করতেই এই সর্বাত্মক শক্তি প্রয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বেসেন্ট আরও বলেন, আমরা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশ করছি। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হচ্ছে এক অর্থনৈতিক ডি-ডে। কোনো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পরিচালিত এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ আর্থিক আক্রমণ।
সবশেষে তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো এ স্বৈরাচারী শাসনকে টিকিয়ে রাখা প্রতিটি অর্থনৈতিক রেখা ছিন্ন করা, যতক্ষণ না তেহরান একা হয়ে পড়ে।’
হরমুজ প্রণালি সংঘাতের মূল কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে রয়ে গেছে
বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি পরিবহন রুট হওয়ায় হরমুজ প্রণালিতে যেকোনো দীর্ঘমেয়াদি সংকট বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য বড় ধরণের ঝুঁকি তৈরি করছে। যদিও এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রয়েছে এবং সেখানে স্বাভাবিকভাবেই জাহাজ চলাচল অব্যাহত আছে।
তবে ট্রাম্পের সে দাবি নাকচ করে দিয়ে ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন অবরোধ তুলে না নেওয়া, জব্দকৃত ইরানি সম্পদ ফেরত না দেওয়া এবং তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল না করা পর্যন্ত তেহরান এ জলপথ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করবে না। উপরন্তু চাপ আরও বাড়িয়ে ইরানের পার্লামেন্ট এ জলপথ দিয়ে যাতায়াতকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর মাশুল বা টোল আরোপের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

ইরানে আবারও হিজাব বিতর্ক, খোলা চুলে রাস্তায় নারীরা
ইরানি হ্যাকারদের হামলায় বন্ধ ছিলো যুক্তরাজ্যের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে 






