রংপুরে ৪ খুন: আসামি-পুলিশের ‘একই শার্ট’ নিয়ে প্রশ্ন

রংপুরে ৪ খুন: আসামি-পুলিশের ‘একই শার্ট’ নিয়ে প্রশ্ন
রংপুর সংবাদদাতা

রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ের হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার দুই আসামির একজনের পরনের শার্ট নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের দিন ঘটনাস্থলে থাকা রংপুর মহানগর পুলিশের এক কর্মকর্তার পরনেও একই ধরনের শার্ট দেখা যাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
যদিও তদন্তসংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, একই ধরনের পোশাক একাধিক ব্যক্তির পরনে থাকা অস্বাভাবিক নয়। শুধু শার্টের মিলকে কোনো ব্যক্তির ঘটনাস্থলে উপস্থিতি বা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
এর আগে, গত শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার একটি নির্মাণাধীন দোতলা বাড়ি থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী। মামলা হওয়ার দিনই পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে।
পরবর্তীতে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে গতকাল রবিবার (২৩ আগস্ট) বিকালে দুই আসামিকে রংপুরের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে বিচারক মো. রফিকুল ইসলামের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়া হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিলন চ্যাটার্জি বলেন, চার খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামি আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। দায় স্বীকার করায় তাদের রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি।
এদিকে, এসব ঘটনার মধ্যেই গ্রেপ্তার আসামিদের একজনের পরনে থাকা শার্ট নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহ উদ্ধারের সময় স্থানীয় কয়েকটি ফেসবুক পেজের লাইভ ভিডিওতে এক ব্যক্তিকে একই ধরনের শার্ট পরে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে দেখা যায়। তার মুখে মাস্ক ছিল। পরে জানা যায়, তিনি রংপুর মহানগর পুলিশের একজন কর্মকর্তা।
গ্রেপ্তার আসামির শার্টের মতো পুলিশ সদস্যের পরনে একই ধরনের শার্ট দেখা যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তদন্তের স্বার্থে ভিডিওতে দেখা ব্যক্তির পরিচয়, ভিডিও ধারণের সঠিক সময়, আসামিদের অবস্থান এবং পোশাকের বিস্তারিত বৈশিষ্ট্য পরস্পরের সঙ্গে মেলে কি না, তা যাচাই করা উচিত।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশের ওই কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘একই শার্ট আলাদা আলাদা মানুষ পরতেই পারেন।’
শুধু তাই নয়, তদন্তে যুক্ত কর্মকর্তাদের পরিচয় নিয়েও স্যোশাল মিডিয়ায় আলোচনা চলছে।
চার খুনের ঘটনায় তদন্তের সঙ্গে যুক্ত সিআইডির ইনচার্জ, মরদেহ উদ্ধারে নেতৃত্ব দেওয়া উপ-কমিশনার এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা– সবাই হিন্দু ধর্মাবলম্বী। গ্রেপ্তার দুই সন্দেহভাজনও একই ধর্মের অনুসারী। তবে পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, এটি নিছক কাকতালীয় বিষয় এবং কাউকে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে তদন্তে যুক্ত করা হয়নি।

যে কারণে গণপতিসহ তার পরিবারের ৪ সদস্য হত্যা
গতকাল রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার আবদুল মাবুদ দাবি করেন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পাশের একটি ভবনের ওপর দিয়ে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে ওঠেন মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ। সেখানে ইয়াবা সেবনের সময় শব্দ শুনে ছাদে যান গণপতি। তাদের বাধা দিলে তাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। গণপতির চিৎকার শুনে স্ত্রী প্রীতিলতা ছাদে যাওয়ার চেষ্টা করলে সিঁড়িতেই তাকে হত্যা করা হয়। এরপর মেয়েকে এবং সর্বশেষ ১২ বছরের শিশু প্রিয়মকে হত্যা করা হয়।

রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ের হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার দুই আসামির একজনের পরনের শার্ট নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের দিন ঘটনাস্থলে থাকা রংপুর মহানগর পুলিশের এক কর্মকর্তার পরনেও একই ধরনের শার্ট দেখা যাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
যদিও তদন্তসংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, একই ধরনের পোশাক একাধিক ব্যক্তির পরনে থাকা অস্বাভাবিক নয়। শুধু শার্টের মিলকে কোনো ব্যক্তির ঘটনাস্থলে উপস্থিতি বা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
এর আগে, গত শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার একটি নির্মাণাধীন দোতলা বাড়ি থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী। মামলা হওয়ার দিনই পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে।
পরবর্তীতে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে গতকাল রবিবার (২৩ আগস্ট) বিকালে দুই আসামিকে রংপুরের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে বিচারক মো. রফিকুল ইসলামের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়া হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিলন চ্যাটার্জি বলেন, চার খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামি আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। দায় স্বীকার করায় তাদের রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি।
এদিকে, এসব ঘটনার মধ্যেই গ্রেপ্তার আসামিদের একজনের পরনে থাকা শার্ট নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহ উদ্ধারের সময় স্থানীয় কয়েকটি ফেসবুক পেজের লাইভ ভিডিওতে এক ব্যক্তিকে একই ধরনের শার্ট পরে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে দেখা যায়। তার মুখে মাস্ক ছিল। পরে জানা যায়, তিনি রংপুর মহানগর পুলিশের একজন কর্মকর্তা।
গ্রেপ্তার আসামির শার্টের মতো পুলিশ সদস্যের পরনে একই ধরনের শার্ট দেখা যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তদন্তের স্বার্থে ভিডিওতে দেখা ব্যক্তির পরিচয়, ভিডিও ধারণের সঠিক সময়, আসামিদের অবস্থান এবং পোশাকের বিস্তারিত বৈশিষ্ট্য পরস্পরের সঙ্গে মেলে কি না, তা যাচাই করা উচিত।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশের ওই কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘একই শার্ট আলাদা আলাদা মানুষ পরতেই পারেন।’
শুধু তাই নয়, তদন্তে যুক্ত কর্মকর্তাদের পরিচয় নিয়েও স্যোশাল মিডিয়ায় আলোচনা চলছে।
চার খুনের ঘটনায় তদন্তের সঙ্গে যুক্ত সিআইডির ইনচার্জ, মরদেহ উদ্ধারে নেতৃত্ব দেওয়া উপ-কমিশনার এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা– সবাই হিন্দু ধর্মাবলম্বী। গ্রেপ্তার দুই সন্দেহভাজনও একই ধর্মের অনুসারী। তবে পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, এটি নিছক কাকতালীয় বিষয় এবং কাউকে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে তদন্তে যুক্ত করা হয়নি।

যে কারণে গণপতিসহ তার পরিবারের ৪ সদস্য হত্যা
গতকাল রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার আবদুল মাবুদ দাবি করেন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পাশের একটি ভবনের ওপর দিয়ে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে ওঠেন মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ। সেখানে ইয়াবা সেবনের সময় শব্দ শুনে ছাদে যান গণপতি। তাদের বাধা দিলে তাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। গণপতির চিৎকার শুনে স্ত্রী প্রীতিলতা ছাদে যাওয়ার চেষ্টা করলে সিঁড়িতেই তাকে হত্যা করা হয়। এরপর মেয়েকে এবং সর্বশেষ ১২ বছরের শিশু প্রিয়মকে হত্যা করা হয়।

রংপুরে ৪ খুন: আসামি-পুলিশের ‘একই শার্ট’ নিয়ে প্রশ্ন
রংপুর সংবাদদাতা

রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ের হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার দুই আসামির একজনের পরনের শার্ট নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মরদেহ উদ্ধারের দিন ঘটনাস্থলে থাকা রংপুর মহানগর পুলিশের এক কর্মকর্তার পরনেও একই ধরনের শার্ট দেখা যাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।
যদিও তদন্তসংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, একই ধরনের পোশাক একাধিক ব্যক্তির পরনে থাকা অস্বাভাবিক নয়। শুধু শার্টের মিলকে কোনো ব্যক্তির ঘটনাস্থলে উপস্থিতি বা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
এর আগে, গত শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার একটি নির্মাণাধীন দোতলা বাড়ি থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী। মামলা হওয়ার দিনই পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে।
পরবর্তীতে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে গতকাল রবিবার (২৩ আগস্ট) বিকালে দুই আসামিকে রংপুরের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে বিচারক মো. রফিকুল ইসলামের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়া হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিলন চ্যাটার্জি বলেন, চার খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামি আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। দায় স্বীকার করায় তাদের রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হয়নি।
এদিকে, এসব ঘটনার মধ্যেই গ্রেপ্তার আসামিদের একজনের পরনে থাকা শার্ট নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহ উদ্ধারের সময় স্থানীয় কয়েকটি ফেসবুক পেজের লাইভ ভিডিওতে এক ব্যক্তিকে একই ধরনের শার্ট পরে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে দেখা যায়। তার মুখে মাস্ক ছিল। পরে জানা যায়, তিনি রংপুর মহানগর পুলিশের একজন কর্মকর্তা।
গ্রেপ্তার আসামির শার্টের মতো পুলিশ সদস্যের পরনে একই ধরনের শার্ট দেখা যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তদন্তের স্বার্থে ভিডিওতে দেখা ব্যক্তির পরিচয়, ভিডিও ধারণের সঠিক সময়, আসামিদের অবস্থান এবং পোশাকের বিস্তারিত বৈশিষ্ট্য পরস্পরের সঙ্গে মেলে কি না, তা যাচাই করা উচিত।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশের ওই কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘একই শার্ট আলাদা আলাদা মানুষ পরতেই পারেন।’
শুধু তাই নয়, তদন্তে যুক্ত কর্মকর্তাদের পরিচয় নিয়েও স্যোশাল মিডিয়ায় আলোচনা চলছে।
চার খুনের ঘটনায় তদন্তের সঙ্গে যুক্ত সিআইডির ইনচার্জ, মরদেহ উদ্ধারে নেতৃত্ব দেওয়া উপ-কমিশনার এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা– সবাই হিন্দু ধর্মাবলম্বী। গ্রেপ্তার দুই সন্দেহভাজনও একই ধর্মের অনুসারী। তবে পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, এটি নিছক কাকতালীয় বিষয় এবং কাউকে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে তদন্তে যুক্ত করা হয়নি।

যে কারণে গণপতিসহ তার পরিবারের ৪ সদস্য হত্যা
গতকাল রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার আবদুল মাবুদ দাবি করেন, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পাশের একটি ভবনের ওপর দিয়ে গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে ওঠেন মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ। সেখানে ইয়াবা সেবনের সময় শব্দ শুনে ছাদে যান গণপতি। তাদের বাধা দিলে তাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। গণপতির চিৎকার শুনে স্ত্রী প্রীতিলতা ছাদে যাওয়ার চেষ্টা করলে সিঁড়িতেই তাকে হত্যা করা হয়। এরপর মেয়েকে এবং সর্বশেষ ১২ বছরের শিশু প্রিয়মকে হত্যা করা হয়।

রংপুরে ৪ হত্যা: আদালতে দুই আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি






