কোরআনে বর্ণিত রিজিক বৃদ্ধির দোয়া

কোরআনে বর্ণিত রিজিক বৃদ্ধির দোয়া
সিজেডএন ডেস্ক

রিজিক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জীবনের প্রয়োজন মেটাতে অর্থ-সম্পদ, খাবার, পোশাক, বাসস্থান, সুস্থতা সবই রিজিকের অন্তর্ভুক্ত। প্রত্যেক মানুষই স্বচ্ছল ও বরকতময় জীবনের প্রত্যাশা করে। কেউ জীবিকার সংকটে থাকেন, কেউ ঋণের চাপে, আবার কেউ পরিশ্রম করেও কাঙ্ক্ষিত স্বচ্ছলতা অর্জন করতে পারেন না।
এমন পরিস্থিতিতে একজন মুমিনের প্রথম আশ্রয় হওয়া উচিত আল্লাহ। কারণ তিনিই রিজিকের মালিক এবং তিনিই বান্দার প্রয়োজন পূরণ করতে সক্ষম। তবে রিজিকের জন্য শুধু দোয়া পড়লেই হবে না; হালাল পথে উপার্জনের চেষ্টা, তাকওয়া, ইস্তিগফার এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখাও জরুরি।
রিজিক বৃদ্ধির দোয়া
উচ্চারণ: রাব্বি ইন্নী লিমাআনঝালতা ইলাইইয়া মিন খাইরিন ফাকীর।
অর্থ : হে আমার প্রতিপালক! তুমি আমার প্রতি যে কল্যাণ বর্ষণ করবে আমি তার ভিখারী। (সুরা কাসাস, আয়াত: ২৪)
উচ্চারণ : রাব্বানা আ-তিনা ফিদ্দুনইয়া হাছানাতাওঁ ওয়া ফিল আখিরাতি হাছানাতাওঁ ওয়া কিনা আযা-বান্নার।
অর্থ : হে প্রতিপালক! আমাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ দান করুন এবং আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। (সুরা বাকারা, আয়াত : ২০১)
উচ্চারণ : রাব্বানা আনঝিল আলাইনা মাইদাতাম মিনাছ ছামাই তাকূনুলানা ঈদাল লি-আওওয়ালিনা ওয়া আ-খিরিনা, ওয়া আ-ইয়াতাম মিনকা ওয়ার-ঝুকনা ওয়া আনতা খাইরুর রা-ঝিকীন।
অর্থ : হে আল্লাহ, আমাদের প্রতিপালক! আমাদের জন্য আসমান থেকে একটি খাঞ্চা অবতীর্ণ করুন, যা হবে আমাদের এবং আমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকলের জন্য আনন্দ উদযাপনের কারণ এবং আপনার পক্ষ হতে একটি নিদর্শন। আমাদেরকে এ নেয়ামত অবশ্যই প্রদান করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রেষ্ঠ দাতা। (সুরা মায়িদা, আয়াত : ১১৪)

রিজিক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জীবনের প্রয়োজন মেটাতে অর্থ-সম্পদ, খাবার, পোশাক, বাসস্থান, সুস্থতা সবই রিজিকের অন্তর্ভুক্ত। প্রত্যেক মানুষই স্বচ্ছল ও বরকতময় জীবনের প্রত্যাশা করে। কেউ জীবিকার সংকটে থাকেন, কেউ ঋণের চাপে, আবার কেউ পরিশ্রম করেও কাঙ্ক্ষিত স্বচ্ছলতা অর্জন করতে পারেন না।
এমন পরিস্থিতিতে একজন মুমিনের প্রথম আশ্রয় হওয়া উচিত আল্লাহ। কারণ তিনিই রিজিকের মালিক এবং তিনিই বান্দার প্রয়োজন পূরণ করতে সক্ষম। তবে রিজিকের জন্য শুধু দোয়া পড়লেই হবে না; হালাল পথে উপার্জনের চেষ্টা, তাকওয়া, ইস্তিগফার এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখাও জরুরি।
রিজিক বৃদ্ধির দোয়া
উচ্চারণ: রাব্বি ইন্নী লিমাআনঝালতা ইলাইইয়া মিন খাইরিন ফাকীর।
অর্থ : হে আমার প্রতিপালক! তুমি আমার প্রতি যে কল্যাণ বর্ষণ করবে আমি তার ভিখারী। (সুরা কাসাস, আয়াত: ২৪)
উচ্চারণ : রাব্বানা আ-তিনা ফিদ্দুনইয়া হাছানাতাওঁ ওয়া ফিল আখিরাতি হাছানাতাওঁ ওয়া কিনা আযা-বান্নার।
অর্থ : হে প্রতিপালক! আমাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ দান করুন এবং আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। (সুরা বাকারা, আয়াত : ২০১)
উচ্চারণ : রাব্বানা আনঝিল আলাইনা মাইদাতাম মিনাছ ছামাই তাকূনুলানা ঈদাল লি-আওওয়ালিনা ওয়া আ-খিরিনা, ওয়া আ-ইয়াতাম মিনকা ওয়ার-ঝুকনা ওয়া আনতা খাইরুর রা-ঝিকীন।
অর্থ : হে আল্লাহ, আমাদের প্রতিপালক! আমাদের জন্য আসমান থেকে একটি খাঞ্চা অবতীর্ণ করুন, যা হবে আমাদের এবং আমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকলের জন্য আনন্দ উদযাপনের কারণ এবং আপনার পক্ষ হতে একটি নিদর্শন। আমাদেরকে এ নেয়ামত অবশ্যই প্রদান করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রেষ্ঠ দাতা। (সুরা মায়িদা, আয়াত : ১১৪)

কোরআনে বর্ণিত রিজিক বৃদ্ধির দোয়া
সিজেডএন ডেস্ক

রিজিক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জীবনের প্রয়োজন মেটাতে অর্থ-সম্পদ, খাবার, পোশাক, বাসস্থান, সুস্থতা সবই রিজিকের অন্তর্ভুক্ত। প্রত্যেক মানুষই স্বচ্ছল ও বরকতময় জীবনের প্রত্যাশা করে। কেউ জীবিকার সংকটে থাকেন, কেউ ঋণের চাপে, আবার কেউ পরিশ্রম করেও কাঙ্ক্ষিত স্বচ্ছলতা অর্জন করতে পারেন না।
এমন পরিস্থিতিতে একজন মুমিনের প্রথম আশ্রয় হওয়া উচিত আল্লাহ। কারণ তিনিই রিজিকের মালিক এবং তিনিই বান্দার প্রয়োজন পূরণ করতে সক্ষম। তবে রিজিকের জন্য শুধু দোয়া পড়লেই হবে না; হালাল পথে উপার্জনের চেষ্টা, তাকওয়া, ইস্তিগফার এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখাও জরুরি।
রিজিক বৃদ্ধির দোয়া
উচ্চারণ: রাব্বি ইন্নী লিমাআনঝালতা ইলাইইয়া মিন খাইরিন ফাকীর।
অর্থ : হে আমার প্রতিপালক! তুমি আমার প্রতি যে কল্যাণ বর্ষণ করবে আমি তার ভিখারী। (সুরা কাসাস, আয়াত: ২৪)
উচ্চারণ : রাব্বানা আ-তিনা ফিদ্দুনইয়া হাছানাতাওঁ ওয়া ফিল আখিরাতি হাছানাতাওঁ ওয়া কিনা আযা-বান্নার।
অর্থ : হে প্রতিপালক! আমাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ দান করুন এবং আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। (সুরা বাকারা, আয়াত : ২০১)
উচ্চারণ : রাব্বানা আনঝিল আলাইনা মাইদাতাম মিনাছ ছামাই তাকূনুলানা ঈদাল লি-আওওয়ালিনা ওয়া আ-খিরিনা, ওয়া আ-ইয়াতাম মিনকা ওয়ার-ঝুকনা ওয়া আনতা খাইরুর রা-ঝিকীন।
অর্থ : হে আল্লাহ, আমাদের প্রতিপালক! আমাদের জন্য আসমান থেকে একটি খাঞ্চা অবতীর্ণ করুন, যা হবে আমাদের এবং আমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকলের জন্য আনন্দ উদযাপনের কারণ এবং আপনার পক্ষ হতে একটি নিদর্শন। আমাদেরকে এ নেয়ামত অবশ্যই প্রদান করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রেষ্ঠ দাতা। (সুরা মায়িদা, আয়াত : ১১৪)









