ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হওয়ার আশঙ্কা মির্জা আব্বাসের

ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হওয়ার আশঙ্কা মির্জা আব্বাসের
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকশন ইন্জিনিয়ারিং হওয়ার আশঙ্কা করছেন ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস। ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, নির্বাচনের দিন কেন্দ্র পাহারা দিবেন। যারা পোলিং এজেন্ট হবেন, তারা রেজাল্ট শিট প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষরিত নিয়ে রুম থেকে বের হবেন। যদি বলা হয়, ভোট অফিসে গিয়ে গণনা করা হবে, এটা কোনোভাবেই হতে দেবেন না। নব্য প্রার্থীদের কথাবার্তায় বুঝতে পারছি, ইলেকশন ইন্জিনিয়ারিং হওয়ার চান্স রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলিস্তান হল মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা-৮ আসনে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এনসিপির নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর বিষয়ে ইঙ্গিত করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘অল্প পানির মাছ বেশি পানিতে গেলে যেমন করে, তাদের অবস্থা এখন এমন হয়ে গেছে। তারা আমার বিরুদ্ধে কথা বলা শুরু করেছে, যেটা তাদের মুখে মানায় না।’ তিনি বলেন, ‘জনগণ জানে চুলার মুখে দিয়ে কখনো স্বর্ণ বের হয় না। চুলার মুখ দিয়ে ছাই বের হয়। আর স্বর্ণের খনি থেকে কখনো ছাই বের হয় না।’
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আপনারা যদি ভাবেন, মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে একটু কথা বললেই প্রচারণায় থাকা যায়। এর জন্য বহু রাস্তা আছে, এজন্য আপনারা দান-খয়রাত করেন এবং ভালোভাবে কথা বলেন। কিন্তু এভাবে গালিগালাজ করে, অসভ্য ভাষায় কথা বলে নিজেকে জাহির করবেন না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার অবস্থান বরাবরই চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী এবং মাদকব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে রয়েছে। এটা নতুন কোনো বিষয় নয়। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে দেশ-বিদেশে থেকে যেগুলো বলা হচ্ছে, সেটা এদেশের মানুষ বিশ্বাস করবে না।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘সকাল-সন্ধ্যা জামায়াতে ইসলামের একটা জুনিয়র গ্রুপ বিএনপি সম্পর্কে অসংখ্য নোংরা কথাবার্তা বলছে। জামায়াতের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতারা আমাদের দেশের চাকরিজীবী মেয়েদের সম্পর্কে খারাপ কথা বলেছে। তাদের মুখের কথাবার্তা লাগামহীন হয়ে গেছে।’
‘কখনো কোনো সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করিনি’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে যারা কথা বলছেন, আমি একটু স্পষ্ট করতে চাই– যদি আপনাদের বুকের পাটা থেকে থাকে, তাহলে আসেন বায়তুল মোকাররমের সামনে। আমার নামে শালিস বসান। কোনো অসুবিধা নেই, আমার বুকে সাহস আছে। আমি চুরি-চামারি করে বড় হইনি। গায়ে খেটে বড় হয়েছি এবং নিজ হাতে কাজ করেছি।’
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘দয়া করে একজন মানুষের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করবেন না। বরং নিজে কী করবেন, কী করেছেন, সেটা বলেন।’
মতবিনিময় সভার পর তিনি গুলিস্তানের পাতাল মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেটে নির্বাচনী প্রচারণা করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকশন ইন্জিনিয়ারিং হওয়ার আশঙ্কা করছেন ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস। ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, নির্বাচনের দিন কেন্দ্র পাহারা দিবেন। যারা পোলিং এজেন্ট হবেন, তারা রেজাল্ট শিট প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষরিত নিয়ে রুম থেকে বের হবেন। যদি বলা হয়, ভোট অফিসে গিয়ে গণনা করা হবে, এটা কোনোভাবেই হতে দেবেন না। নব্য প্রার্থীদের কথাবার্তায় বুঝতে পারছি, ইলেকশন ইন্জিনিয়ারিং হওয়ার চান্স রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলিস্তান হল মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা-৮ আসনে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এনসিপির নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর বিষয়ে ইঙ্গিত করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘অল্প পানির মাছ বেশি পানিতে গেলে যেমন করে, তাদের অবস্থা এখন এমন হয়ে গেছে। তারা আমার বিরুদ্ধে কথা বলা শুরু করেছে, যেটা তাদের মুখে মানায় না।’ তিনি বলেন, ‘জনগণ জানে চুলার মুখে দিয়ে কখনো স্বর্ণ বের হয় না। চুলার মুখ দিয়ে ছাই বের হয়। আর স্বর্ণের খনি থেকে কখনো ছাই বের হয় না।’
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আপনারা যদি ভাবেন, মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে একটু কথা বললেই প্রচারণায় থাকা যায়। এর জন্য বহু রাস্তা আছে, এজন্য আপনারা দান-খয়রাত করেন এবং ভালোভাবে কথা বলেন। কিন্তু এভাবে গালিগালাজ করে, অসভ্য ভাষায় কথা বলে নিজেকে জাহির করবেন না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার অবস্থান বরাবরই চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী এবং মাদকব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে রয়েছে। এটা নতুন কোনো বিষয় নয়। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে দেশ-বিদেশে থেকে যেগুলো বলা হচ্ছে, সেটা এদেশের মানুষ বিশ্বাস করবে না।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘সকাল-সন্ধ্যা জামায়াতে ইসলামের একটা জুনিয়র গ্রুপ বিএনপি সম্পর্কে অসংখ্য নোংরা কথাবার্তা বলছে। জামায়াতের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতারা আমাদের দেশের চাকরিজীবী মেয়েদের সম্পর্কে খারাপ কথা বলেছে। তাদের মুখের কথাবার্তা লাগামহীন হয়ে গেছে।’
‘কখনো কোনো সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করিনি’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে যারা কথা বলছেন, আমি একটু স্পষ্ট করতে চাই– যদি আপনাদের বুকের পাটা থেকে থাকে, তাহলে আসেন বায়তুল মোকাররমের সামনে। আমার নামে শালিস বসান। কোনো অসুবিধা নেই, আমার বুকে সাহস আছে। আমি চুরি-চামারি করে বড় হইনি। গায়ে খেটে বড় হয়েছি এবং নিজ হাতে কাজ করেছি।’
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘দয়া করে একজন মানুষের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করবেন না। বরং নিজে কী করবেন, কী করেছেন, সেটা বলেন।’
মতবিনিময় সভার পর তিনি গুলিস্তানের পাতাল মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেটে নির্বাচনী প্রচারণা করেন।

ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হওয়ার আশঙ্কা মির্জা আব্বাসের
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকশন ইন্জিনিয়ারিং হওয়ার আশঙ্কা করছেন ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস। ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, নির্বাচনের দিন কেন্দ্র পাহারা দিবেন। যারা পোলিং এজেন্ট হবেন, তারা রেজাল্ট শিট প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষরিত নিয়ে রুম থেকে বের হবেন। যদি বলা হয়, ভোট অফিসে গিয়ে গণনা করা হবে, এটা কোনোভাবেই হতে দেবেন না। নব্য প্রার্থীদের কথাবার্তায় বুঝতে পারছি, ইলেকশন ইন্জিনিয়ারিং হওয়ার চান্স রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলিস্তান হল মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা-৮ আসনে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এনসিপির নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর বিষয়ে ইঙ্গিত করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘অল্প পানির মাছ বেশি পানিতে গেলে যেমন করে, তাদের অবস্থা এখন এমন হয়ে গেছে। তারা আমার বিরুদ্ধে কথা বলা শুরু করেছে, যেটা তাদের মুখে মানায় না।’ তিনি বলেন, ‘জনগণ জানে চুলার মুখে দিয়ে কখনো স্বর্ণ বের হয় না। চুলার মুখ দিয়ে ছাই বের হয়। আর স্বর্ণের খনি থেকে কখনো ছাই বের হয় না।’
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আপনারা যদি ভাবেন, মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে একটু কথা বললেই প্রচারণায় থাকা যায়। এর জন্য বহু রাস্তা আছে, এজন্য আপনারা দান-খয়রাত করেন এবং ভালোভাবে কথা বলেন। কিন্তু এভাবে গালিগালাজ করে, অসভ্য ভাষায় কথা বলে নিজেকে জাহির করবেন না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার অবস্থান বরাবরই চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী এবং মাদকব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে রয়েছে। এটা নতুন কোনো বিষয় নয়। কিন্তু আমার বিরুদ্ধে দেশ-বিদেশে থেকে যেগুলো বলা হচ্ছে, সেটা এদেশের মানুষ বিশ্বাস করবে না।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘সকাল-সন্ধ্যা জামায়াতে ইসলামের একটা জুনিয়র গ্রুপ বিএনপি সম্পর্কে অসংখ্য নোংরা কথাবার্তা বলছে। জামায়াতের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতারা আমাদের দেশের চাকরিজীবী মেয়েদের সম্পর্কে খারাপ কথা বলেছে। তাদের মুখের কথাবার্তা লাগামহীন হয়ে গেছে।’
‘কখনো কোনো সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করিনি’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে যারা কথা বলছেন, আমি একটু স্পষ্ট করতে চাই– যদি আপনাদের বুকের পাটা থেকে থাকে, তাহলে আসেন বায়তুল মোকাররমের সামনে। আমার নামে শালিস বসান। কোনো অসুবিধা নেই, আমার বুকে সাহস আছে। আমি চুরি-চামারি করে বড় হইনি। গায়ে খেটে বড় হয়েছি এবং নিজ হাতে কাজ করেছি।’
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘দয়া করে একজন মানুষের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করবেন না। বরং নিজে কী করবেন, কী করেছেন, সেটা বলেন।’
মতবিনিময় সভার পর তিনি গুলিস্তানের পাতাল মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেটে নির্বাচনী প্রচারণা করেন।




