ঢাবির সূর্যসেন হলের নাম বদলে জিন্নাহ হল করার দাবি

ঢাবির সূর্যসেন হলের নাম বদলে জিন্নাহ হল করার দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মাস্টারদা সূর্যসেন হলের নাম পরিবর্তন করে আবার মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর নাম ফেরানোর দাবি জানিয়েছে নবাব সলিমুল্লাহ একাডেমি নামে একটি সংগঠন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ৭৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ দাবি জানানো হয়।
সভায় নবাব সলিমুল্লাহ একাডেমির সভাপতি মুহম্মদ আব্দুল জাব্বার বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহ হলের নাম পরিবর্তন করে সূর্যসেন হল করা হয়েছে, যিনি একজন ডাকাত, একজন খুনি। যার নামে হলটি হয়েছিল, পুনরায় তার নামেই অর্থাৎ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর নামে হলটির নামকরণ করা হোক।’
সভায় অল মুসলিম উম্মাহের চেয়ারম্যান ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ খান বলেন, ‘জিন্নাহ চেয়েছিলেন এই উপমহাদেশে মুসলিমরা যেন ক্ষমতার অধিকারী হয়। তিনি চেয়েছিলেন পুরো বাংলা এক থাকুক।’
তিনি আরও বলেন, ‘১৯০৫ সালে লর্ড কার্জন যখন বঙ্গভঙ্গ করলেন ও ঢাকাকে প্রাদেশিক রাজধানী করা হলো, তখন পুরো হিন্দু গোষ্ঠী এর বিরোধিতা করল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেও এর বিরোধিতা করল। অথচ আমরা রবীন্দ্রনাথকে কাজী নজরুলের চেয়ে বেশি মূল্যায়ন করে ফেলি।’
বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. শেখ আকরাম আলী বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহের নাম বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই। তাকে ছাড়া এ দেশের ইতিহাস পাঠ অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শেখ মুজিবের অবদান আমরা স্বীকার করব, কিন্তু জিন্নাহকে বাদ দিয়ে নয়। জিন্নাহের নামে একটা হল ছিল, কিন্তু সেটা মুছে দেওয়া হলো। আমরা কারও পক্ষে বা বিপক্ষে যাব না। আমরা ইতিহাসে যার যেটুকু অবস্থান, তাকে ততটুকু সম্মান করতে চাই।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মাস্টারদা সূর্যসেন হলের নাম পরিবর্তন করে আবার মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর নাম ফেরানোর দাবি জানিয়েছে নবাব সলিমুল্লাহ একাডেমি নামে একটি সংগঠন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ৭৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ দাবি জানানো হয়।
সভায় নবাব সলিমুল্লাহ একাডেমির সভাপতি মুহম্মদ আব্দুল জাব্বার বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহ হলের নাম পরিবর্তন করে সূর্যসেন হল করা হয়েছে, যিনি একজন ডাকাত, একজন খুনি। যার নামে হলটি হয়েছিল, পুনরায় তার নামেই অর্থাৎ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর নামে হলটির নামকরণ করা হোক।’
সভায় অল মুসলিম উম্মাহের চেয়ারম্যান ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ খান বলেন, ‘জিন্নাহ চেয়েছিলেন এই উপমহাদেশে মুসলিমরা যেন ক্ষমতার অধিকারী হয়। তিনি চেয়েছিলেন পুরো বাংলা এক থাকুক।’
তিনি আরও বলেন, ‘১৯০৫ সালে লর্ড কার্জন যখন বঙ্গভঙ্গ করলেন ও ঢাকাকে প্রাদেশিক রাজধানী করা হলো, তখন পুরো হিন্দু গোষ্ঠী এর বিরোধিতা করল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেও এর বিরোধিতা করল। অথচ আমরা রবীন্দ্রনাথকে কাজী নজরুলের চেয়ে বেশি মূল্যায়ন করে ফেলি।’
বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. শেখ আকরাম আলী বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহের নাম বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই। তাকে ছাড়া এ দেশের ইতিহাস পাঠ অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শেখ মুজিবের অবদান আমরা স্বীকার করব, কিন্তু জিন্নাহকে বাদ দিয়ে নয়। জিন্নাহের নামে একটা হল ছিল, কিন্তু সেটা মুছে দেওয়া হলো। আমরা কারও পক্ষে বা বিপক্ষে যাব না। আমরা ইতিহাসে যার যেটুকু অবস্থান, তাকে ততটুকু সম্মান করতে চাই।’

ঢাবির সূর্যসেন হলের নাম বদলে জিন্নাহ হল করার দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মাস্টারদা সূর্যসেন হলের নাম পরিবর্তন করে আবার মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর নাম ফেরানোর দাবি জানিয়েছে নবাব সলিমুল্লাহ একাডেমি নামে একটি সংগঠন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ৭৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ দাবি জানানো হয়।
সভায় নবাব সলিমুল্লাহ একাডেমির সভাপতি মুহম্মদ আব্দুল জাব্বার বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহ হলের নাম পরিবর্তন করে সূর্যসেন হল করা হয়েছে, যিনি একজন ডাকাত, একজন খুনি। যার নামে হলটি হয়েছিল, পুনরায় তার নামেই অর্থাৎ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর নামে হলটির নামকরণ করা হোক।’
সভায় অল মুসলিম উম্মাহের চেয়ারম্যান ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ খান বলেন, ‘জিন্নাহ চেয়েছিলেন এই উপমহাদেশে মুসলিমরা যেন ক্ষমতার অধিকারী হয়। তিনি চেয়েছিলেন পুরো বাংলা এক থাকুক।’
তিনি আরও বলেন, ‘১৯০৫ সালে লর্ড কার্জন যখন বঙ্গভঙ্গ করলেন ও ঢাকাকে প্রাদেশিক রাজধানী করা হলো, তখন পুরো হিন্দু গোষ্ঠী এর বিরোধিতা করল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেও এর বিরোধিতা করল। অথচ আমরা রবীন্দ্রনাথকে কাজী নজরুলের চেয়ে বেশি মূল্যায়ন করে ফেলি।’
বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. শেখ আকরাম আলী বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহের নাম বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই। তাকে ছাড়া এ দেশের ইতিহাস পাঠ অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শেখ মুজিবের অবদান আমরা স্বীকার করব, কিন্তু জিন্নাহকে বাদ দিয়ে নয়। জিন্নাহের নামে একটা হল ছিল, কিন্তু সেটা মুছে দেওয়া হলো। আমরা কারও পক্ষে বা বিপক্ষে যাব না। আমরা ইতিহাসে যার যেটুকু অবস্থান, তাকে ততটুকু সম্মান করতে চাই।’

‘জিন্নাহ, গোলাম আজম, নিজামীরা আমাদের নায়ক হতে পারে না’







