ইয়েমেন সংঘাতে বাস্তুচ্যুত ৮৬ হাজার মানুষ: জাতিসংঘ

ইয়েমেন সংঘাতে বাস্তুচ্যুত ৮৬ হাজার মানুষ: জাতিসংঘ
সিজেডএন ডেস্ক

ইয়েমেনে সরকারি বাহিনী ও হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে নতুন সংঘাতের জেরে দেশটিতে চরম মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চলমান এ সহিংসতায় ইতোমধ্যে প্রায় ৮৬ হাজার মানুষ নিজেদের ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।
মাত্র একদিনের ব্যবধানেই বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার বেড়ে গেছে। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে আসা এ নিঃস্ব পরিবারগুলোকে এখন মাথা গোঁজার ঠাঁই এবং বেঁচে থাকার ন্যূনতম উপকরণের জন্য কঠিন লড়াই করতে হচ্ছে।
পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আইওএমের মহাপরিচালক এমি পোপ। তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রকাশিত প্রতিটি সংখ্যার পেছনে লুকিয়ে রয়েছে এমন এক একটি পরিবারের গল্প যারা তাদের সর্বস্ব হারিয়েছে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে দরিদ্রতা ও গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত ইয়েমেনের পক্ষে এককভাবে এই বিশাল সংকটের বোঝা বহন করা সম্ভব নয়।’ ফলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অতি দ্রুত মানবিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সংঘাতের তীব্রতা বাড়ায় জীবন বাঁচাতে অনেক মানুষ লোহিত সাগর পাড়ি দিয়ে প্রতিবেশী দেশ জিবুতিতে আশ্রয় নিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে এ পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি ইয়েমেনি জিবুতিতে পৌঁছেছেন। এর বেশির ভাগই নারী ও শিশু। জিবুতির উত্তরাঞ্চলীয় ওবকের একটি অস্থায়ী শিবিরে তাদের স্থানান্তরিত করে জরুরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তবে লড়াই যেভাবে আরও জোরদার হচ্ছে, তাতে সামনের দিনগুলোতে শরণার্থী আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ৩ সেপ্টেম্বর থেকে সৌদি সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার এবং হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে এ নতুন লড়াই শুরু হয়। মুহূর্তেই তা পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে এবং এতে ইতোমধ্যেই শত শত মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। একদিকে হুথিরা সীমান্ত পেরিয়ে সৌদি ভূখণ্ডে আক্রমণ চালাচ্ছে, অন্যদিকে হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে সৌদি জোটের বিমান হামলাও অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি এক অভিযানের মাধ্যমে হুথি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগর উপকূলের একটি বড় অংশসহ কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে নিয়েছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

ইয়েমেনে সরকারি বাহিনী ও হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে নতুন সংঘাতের জেরে দেশটিতে চরম মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চলমান এ সহিংসতায় ইতোমধ্যে প্রায় ৮৬ হাজার মানুষ নিজেদের ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।
মাত্র একদিনের ব্যবধানেই বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার বেড়ে গেছে। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে আসা এ নিঃস্ব পরিবারগুলোকে এখন মাথা গোঁজার ঠাঁই এবং বেঁচে থাকার ন্যূনতম উপকরণের জন্য কঠিন লড়াই করতে হচ্ছে।
পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আইওএমের মহাপরিচালক এমি পোপ। তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রকাশিত প্রতিটি সংখ্যার পেছনে লুকিয়ে রয়েছে এমন এক একটি পরিবারের গল্প যারা তাদের সর্বস্ব হারিয়েছে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে দরিদ্রতা ও গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত ইয়েমেনের পক্ষে এককভাবে এই বিশাল সংকটের বোঝা বহন করা সম্ভব নয়।’ ফলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অতি দ্রুত মানবিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সংঘাতের তীব্রতা বাড়ায় জীবন বাঁচাতে অনেক মানুষ লোহিত সাগর পাড়ি দিয়ে প্রতিবেশী দেশ জিবুতিতে আশ্রয় নিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে এ পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি ইয়েমেনি জিবুতিতে পৌঁছেছেন। এর বেশির ভাগই নারী ও শিশু। জিবুতির উত্তরাঞ্চলীয় ওবকের একটি অস্থায়ী শিবিরে তাদের স্থানান্তরিত করে জরুরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তবে লড়াই যেভাবে আরও জোরদার হচ্ছে, তাতে সামনের দিনগুলোতে শরণার্থী আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ৩ সেপ্টেম্বর থেকে সৌদি সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার এবং হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে এ নতুন লড়াই শুরু হয়। মুহূর্তেই তা পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে এবং এতে ইতোমধ্যেই শত শত মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। একদিকে হুথিরা সীমান্ত পেরিয়ে সৌদি ভূখণ্ডে আক্রমণ চালাচ্ছে, অন্যদিকে হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে সৌদি জোটের বিমান হামলাও অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি এক অভিযানের মাধ্যমে হুথি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগর উপকূলের একটি বড় অংশসহ কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে নিয়েছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

ইয়েমেন সংঘাতে বাস্তুচ্যুত ৮৬ হাজার মানুষ: জাতিসংঘ
সিজেডএন ডেস্ক

ইয়েমেনে সরকারি বাহিনী ও হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে নতুন সংঘাতের জেরে দেশটিতে চরম মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চলমান এ সহিংসতায় ইতোমধ্যে প্রায় ৮৬ হাজার মানুষ নিজেদের ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।
মাত্র একদিনের ব্যবধানেই বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার বেড়ে গেছে। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে আসা এ নিঃস্ব পরিবারগুলোকে এখন মাথা গোঁজার ঠাঁই এবং বেঁচে থাকার ন্যূনতম উপকরণের জন্য কঠিন লড়াই করতে হচ্ছে।
পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আইওএমের মহাপরিচালক এমি পোপ। তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রকাশিত প্রতিটি সংখ্যার পেছনে লুকিয়ে রয়েছে এমন এক একটি পরিবারের গল্প যারা তাদের সর্বস্ব হারিয়েছে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে দরিদ্রতা ও গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত ইয়েমেনের পক্ষে এককভাবে এই বিশাল সংকটের বোঝা বহন করা সম্ভব নয়।’ ফলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অতি দ্রুত মানবিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসার জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সংঘাতের তীব্রতা বাড়ায় জীবন বাঁচাতে অনেক মানুষ লোহিত সাগর পাড়ি দিয়ে প্রতিবেশী দেশ জিবুতিতে আশ্রয় নিচ্ছেন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে এ পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি ইয়েমেনি জিবুতিতে পৌঁছেছেন। এর বেশির ভাগই নারী ও শিশু। জিবুতির উত্তরাঞ্চলীয় ওবকের একটি অস্থায়ী শিবিরে তাদের স্থানান্তরিত করে জরুরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তবে লড়াই যেভাবে আরও জোরদার হচ্ছে, তাতে সামনের দিনগুলোতে শরণার্থী আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ৩ সেপ্টেম্বর থেকে সৌদি সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার এবং হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে এ নতুন লড়াই শুরু হয়। মুহূর্তেই তা পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে এবং এতে ইতোমধ্যেই শত শত মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। একদিকে হুথিরা সীমান্ত পেরিয়ে সৌদি ভূখণ্ডে আক্রমণ চালাচ্ছে, অন্যদিকে হুথি নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে সৌদি জোটের বিমান হামলাও অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি এক অভিযানের মাধ্যমে হুথি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগর উপকূলের একটি বড় অংশসহ কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে নিয়েছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

ইয়েমেনে নতুন সংঘাতের মূল্য দিচ্ছে সাধারণ মানুষ







