মুম্বাই মেট্রোতে বড় পদে চাকরি পেল বিড়াল

মুম্বাই মেট্রোতে বড় পদে চাকরি পেল বিড়াল
সিজেডএন ডেস্ক

মুম্বাইয়ের ব্যস্ত গুণ্ডাওয়ালি মেট্রো স্টেশনে প্রতিদিন হাজারো মানুষের আনাগোনা। সেই চেনা ভিড়ের মাঝেই দীর্ঘদিন ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল এক বিড়াল। নিয়মিত যাতায়াত করা যাত্রীদের কাছে বিড়ালটি আগেই চেনা হয়ে উঠেছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিড়ালটিকে ঘিরে শুরু হয়েছে মজার কাণ্ড।
ঘটনার শুরু সন্দেশ সামন্ত নামের এক মেট্রো যাত্রীর একটি পোস্টকে ঘিরে। স্টেশনে বিড়ালটির প্রতিদিনের ঘোরাঘুরি দেখে তিনি মজার ছলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করেন। সেখানে মাহা মুম্বাই মেট্রো অপারেশন করপোরেশন লিমিটেডকে (এমএমএমওসিএল) ট্যাগ করে তিনি লিখেছিলেন, ‘প্রিয় মাহা মুম্বাই মেট্রো অপারেশন করপোরেশন লিমিটেড, গুণ্ডাওয়ালি মেট্রো স্টেশনের এই নিষ্পাপ প্রাণটিকে একটি সরকারি পদ দিন। আপাতত এটি বিনা বেতনে কাজ করছে।’
যাত্রীর এ আবদার এড়িয়ে যায়নি মেট্রো কর্তৃপক্ষ। বিষয়টিকে বেশ আনন্দের সঙ্গেই গ্রহণ করে তারা। যাত্রীদের সঙ্গে রসিকতায় মেতে এমএমএমওসিএল বিড়ালটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে না হলেও ভালোবেসে ‘চিফ ফেলাইন অফিসার’ বা ‘প্রধান বিড়াল কর্মকর্তা’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়।
কর্তৃপক্ষ শুধু পদের নাম দিয়েই থামেনি, বিড়ালটির কাজের এক চমৎকার বিবরণও দিয়েছে। তাদের ভাষ্যমতে, প্রতিদিন পুরো স্টেশন চত্বর পরিদর্শন করা, যাত্রীদের পর্যবেক্ষণ করা এবং এমন কোনো জায়গায় জাঁকিয়ে বসে থাকা যাতে সবাই তাকে দেখতে পায়। রসিকতা করে তারা আরও জানায়, নতুন পদে বিড়ালটির কর্মদক্ষতা এখন পর্যন্ত ‘একেবারেই নিখুঁত’।
মেট্রো কর্তৃপক্ষের এ সাড়া দেওয়ার ধরণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়। নেটিজেনদের একজন মন্তব্য করেন, প্রতিদিন সকালে গুণ্ডাওয়ালি স্টেশনে নেমেই তিনি আগে এ চারপেয়ে বন্ধুটিকে খোঁজেন। অন্য আরেকজন লেখেন, তাকে মেট্রোর ‘প্রধান ইঁদুর শিকারি’ পদে বসানো দরকার। যাত্রীদের মজার দাবি আর মেট্রো প্রশাসনের এমন প্রাণবন্ত সাড়ায় গুণ্ডাওয়ালি স্টেশনের বিড়ালটি এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সত্যিকারের তারকা।
সূত্র: এনডিটিভি

মুম্বাইয়ের ব্যস্ত গুণ্ডাওয়ালি মেট্রো স্টেশনে প্রতিদিন হাজারো মানুষের আনাগোনা। সেই চেনা ভিড়ের মাঝেই দীর্ঘদিন ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল এক বিড়াল। নিয়মিত যাতায়াত করা যাত্রীদের কাছে বিড়ালটি আগেই চেনা হয়ে উঠেছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিড়ালটিকে ঘিরে শুরু হয়েছে মজার কাণ্ড।
ঘটনার শুরু সন্দেশ সামন্ত নামের এক মেট্রো যাত্রীর একটি পোস্টকে ঘিরে। স্টেশনে বিড়ালটির প্রতিদিনের ঘোরাঘুরি দেখে তিনি মজার ছলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করেন। সেখানে মাহা মুম্বাই মেট্রো অপারেশন করপোরেশন লিমিটেডকে (এমএমএমওসিএল) ট্যাগ করে তিনি লিখেছিলেন, ‘প্রিয় মাহা মুম্বাই মেট্রো অপারেশন করপোরেশন লিমিটেড, গুণ্ডাওয়ালি মেট্রো স্টেশনের এই নিষ্পাপ প্রাণটিকে একটি সরকারি পদ দিন। আপাতত এটি বিনা বেতনে কাজ করছে।’
যাত্রীর এ আবদার এড়িয়ে যায়নি মেট্রো কর্তৃপক্ষ। বিষয়টিকে বেশ আনন্দের সঙ্গেই গ্রহণ করে তারা। যাত্রীদের সঙ্গে রসিকতায় মেতে এমএমএমওসিএল বিড়ালটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে না হলেও ভালোবেসে ‘চিফ ফেলাইন অফিসার’ বা ‘প্রধান বিড়াল কর্মকর্তা’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়।
কর্তৃপক্ষ শুধু পদের নাম দিয়েই থামেনি, বিড়ালটির কাজের এক চমৎকার বিবরণও দিয়েছে। তাদের ভাষ্যমতে, প্রতিদিন পুরো স্টেশন চত্বর পরিদর্শন করা, যাত্রীদের পর্যবেক্ষণ করা এবং এমন কোনো জায়গায় জাঁকিয়ে বসে থাকা যাতে সবাই তাকে দেখতে পায়। রসিকতা করে তারা আরও জানায়, নতুন পদে বিড়ালটির কর্মদক্ষতা এখন পর্যন্ত ‘একেবারেই নিখুঁত’।
মেট্রো কর্তৃপক্ষের এ সাড়া দেওয়ার ধরণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়। নেটিজেনদের একজন মন্তব্য করেন, প্রতিদিন সকালে গুণ্ডাওয়ালি স্টেশনে নেমেই তিনি আগে এ চারপেয়ে বন্ধুটিকে খোঁজেন। অন্য আরেকজন লেখেন, তাকে মেট্রোর ‘প্রধান ইঁদুর শিকারি’ পদে বসানো দরকার। যাত্রীদের মজার দাবি আর মেট্রো প্রশাসনের এমন প্রাণবন্ত সাড়ায় গুণ্ডাওয়ালি স্টেশনের বিড়ালটি এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সত্যিকারের তারকা।
সূত্র: এনডিটিভি

মুম্বাই মেট্রোতে বড় পদে চাকরি পেল বিড়াল
সিজেডএন ডেস্ক

মুম্বাইয়ের ব্যস্ত গুণ্ডাওয়ালি মেট্রো স্টেশনে প্রতিদিন হাজারো মানুষের আনাগোনা। সেই চেনা ভিড়ের মাঝেই দীর্ঘদিন ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছিল এক বিড়াল। নিয়মিত যাতায়াত করা যাত্রীদের কাছে বিড়ালটি আগেই চেনা হয়ে উঠেছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিড়ালটিকে ঘিরে শুরু হয়েছে মজার কাণ্ড।
ঘটনার শুরু সন্দেশ সামন্ত নামের এক মেট্রো যাত্রীর একটি পোস্টকে ঘিরে। স্টেশনে বিড়ালটির প্রতিদিনের ঘোরাঘুরি দেখে তিনি মজার ছলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করেন। সেখানে মাহা মুম্বাই মেট্রো অপারেশন করপোরেশন লিমিটেডকে (এমএমএমওসিএল) ট্যাগ করে তিনি লিখেছিলেন, ‘প্রিয় মাহা মুম্বাই মেট্রো অপারেশন করপোরেশন লিমিটেড, গুণ্ডাওয়ালি মেট্রো স্টেশনের এই নিষ্পাপ প্রাণটিকে একটি সরকারি পদ দিন। আপাতত এটি বিনা বেতনে কাজ করছে।’
যাত্রীর এ আবদার এড়িয়ে যায়নি মেট্রো কর্তৃপক্ষ। বিষয়টিকে বেশ আনন্দের সঙ্গেই গ্রহণ করে তারা। যাত্রীদের সঙ্গে রসিকতায় মেতে এমএমএমওসিএল বিড়ালটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে না হলেও ভালোবেসে ‘চিফ ফেলাইন অফিসার’ বা ‘প্রধান বিড়াল কর্মকর্তা’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়।
কর্তৃপক্ষ শুধু পদের নাম দিয়েই থামেনি, বিড়ালটির কাজের এক চমৎকার বিবরণও দিয়েছে। তাদের ভাষ্যমতে, প্রতিদিন পুরো স্টেশন চত্বর পরিদর্শন করা, যাত্রীদের পর্যবেক্ষণ করা এবং এমন কোনো জায়গায় জাঁকিয়ে বসে থাকা যাতে সবাই তাকে দেখতে পায়। রসিকতা করে তারা আরও জানায়, নতুন পদে বিড়ালটির কর্মদক্ষতা এখন পর্যন্ত ‘একেবারেই নিখুঁত’।
মেট্রো কর্তৃপক্ষের এ সাড়া দেওয়ার ধরণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়। নেটিজেনদের একজন মন্তব্য করেন, প্রতিদিন সকালে গুণ্ডাওয়ালি স্টেশনে নেমেই তিনি আগে এ চারপেয়ে বন্ধুটিকে খোঁজেন। অন্য আরেকজন লেখেন, তাকে মেট্রোর ‘প্রধান ইঁদুর শিকারি’ পদে বসানো দরকার। যাত্রীদের মজার দাবি আর মেট্রো প্রশাসনের এমন প্রাণবন্ত সাড়ায় গুণ্ডাওয়ালি স্টেশনের বিড়ালটি এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সত্যিকারের তারকা।
সূত্র: এনডিটিভি

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তির ১১৭তম জন্মদিন পালন






