শিরোনাম

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তির ১১৭তম জন্মদিন পালন

সিজেডএন ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তির ১১৭তম জন্মদিন পালন
১১৭তম জন্মদিন পালন করেছেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত ব্যক্তি এথেল কাটারহাম

দেখেছেন দুটি বিশ্বযুদ্ধ, এমনকি জীবনের শতক পার করার পর ১১০ বছর বয়সে জয় করেছেন প্রাণঘাতী কোভিড-১৯। জীবনের নানা চড়াই-উতরাই ও ইতিহাসের অসংখ্য বাঁক পেরিয়ে অবশেষে নিজের ১১৭তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত ব্যক্তি যুক্তরাজ্য়ের এথেল কাটারহাম। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডের সারে কাউন্টির একটি কেয়ার হোমে প্রিয়জনদের সান্নিধ্যে তার জন্মদিন উদযাপিত হয়।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ১৯০৯ সালে জন্ম নেওয়া কাটারহাম ২০২৫ সালের এপ্রিলে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত ব্যক্তির স্বীকৃতি পান। তার আগে এ খেতাবের অধিকারী ছিলেন ব্রাজিলের ইনা কানাবারো লুকাস। ১১৬ বছর বয়সে লুকাস মারা যাওয়ার পরই এ খেতাব পান তিনি। ৮ ভাইবোনের পরিবারে কাটারহাম ছিলেন দ্বিতীয় কনিষ্ঠতম সদস্য।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্যানুযায়ী, কাটারহামের দীর্ঘ জীবন যেমন বৈচিত্র্যময়, তেমনই অদম্য সাহসের গল্পে ভরা। বিশ্বযুদ্ধগুলোর ভয়াবহতার পাশাপাশি সাম্প্রতিককালের বড় ধাক্কা করোনা মহামারীতেও আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। তবে ১১০ বছর বয়সের নাজুক শরীরেও ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন তিনি। উল্লেখ্য, কোভিড জয়ী বিশ্বের অন্যতম বয়স্ক ক্যাটারহ্যাম।

কাটারহামের ব্যক্তিজীবনও ছিল দীর্ঘ পথচলার এক সাক্ষী। তার স্বামী নরম্যান ছিলেন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল। তিনি ১৯৭৬ সালে মারা যান। জীবনসংগ্রামের নানা মোড়ে নিজ দুই সন্তানকেও হারিয়েছেন তিনি। দুই মেয়েই তার আগে পাড়ি দিয়েছেন না ফেরার দেশে।

দীর্ঘ জীবনের স্বীকৃতিস্বরূপ গত বছর কাটারহামের ১১৬তম জন্মদিনে সারের কেয়ার হোমে তাকে দেখতে এসেছিলেন স্বয়ং রাজা চার্লস। সব স্বজন হারানোর বেদনা ও বয়সের ভার সামলেও জীবনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব ধরে রেখে ১১৭তম বছরেও এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এ প্রবীণ নারী।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

/এমএকে/