বিভিন্ন জেলায় দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের উদ্যোগ

বিভিন্ন জেলায় দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের উদ্যোগ
সিজেডএন ডেস্ক

দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম চালু রয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়াধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিস এবং তথ্য অধিদফতরের আঞ্চলিক অফিসগুলো থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস ও পাহাড়ধসসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা তথ্য অফিসের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার ১৫টি উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী, সন্দ্বীপ এই ৬টি উপজেলা অধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
হবিগঞ্জের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেলার সকল উপজেলার বন্যার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। বর্তমানে কোনো পানিবন্দি পরিবার নেই। কোনো হতাহত হয়নি এবং জেলায় পাহাড়ধস বা ভূমিধসের ঘটনাও ঘটেনি। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ মি.মি. বৃষ্টিপাত হয়েছে।
অন্যদিকে খাগড়াছড়ির জেলা তথ্য অফিসের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় অতিবৃষ্টি নেই। নতুন করে কোনো এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেনি। অধিকাংশ এলাকায় বন্যার পানি নেমে গেছে। তবে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরেনি। নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস, বন্যা এবং বন্যা-পরবর্তী করণীয় বিষয়ে জেলা তথ্য অফিস কর্তৃক সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার অব্যাহত রয়েছে।
কক্সবাজারের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে জেলার দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো বৃষ্টি হয়নি। বন্যা-পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং অন্যান্য বিপদ এড়াতে জরুরি বার্তা নিয়ে মাইকিং প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে জেলা তথ্য অফিস।
মৌলভীবাজার জেলার বন্যা পরিস্থিতিও ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে। আকস্মিক বন্যায় মৌলভীবাজার জেলায় ৫৭ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলা তথ্য অফিস বন্যাকালীন ও বন্যা-পরবর্তী সময়ে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
এছাড়া রাঙামাটির সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী জেলার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আছে। ভারী বর্ষণের প্রথম থেকেই পাহাড়ধসের ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাবার জন্য জনসচেতনতা তৈরি করতে রাঙামাটি জেলা তথ্য অফিসের সড়ক প্রচার অব্যাহতভাবে চলছে।
অন্যদিকে বান্দরবানে বর্তমানে দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলাটিতে ১০ মিলিমিটারের কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে বন্যার পানি নেমে গেছে। আশ্রয়কেন্দ্র হতে লোকজন তাদের বাসা-বাড়িতে ফিরে যাচ্ছে।
বান্দরবান লামা উপজেলার তথ্য অফিস অনুযায়ী, সেখানে আবহাওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সকাল থেকে কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি। বন্যা, পাহাড়ধস বা ভূমিধসের কোনো ঘটনা ঘটেনি। মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার বেশ নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এছাড়া চট্টগ্রামের পটিয়ার তথ্য অফিস সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, উপজেলায় পাহাড়ধস বা ভূমিধস হয়নি। বন্যা পরবর্তী করণীয়সহ ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে কাপ্তাই, রাজস্থলী ও বিলাইছড়ি উপজেলার আবহাওয়া আজ স্বাভাবিক থাকবে বলে জানিয়েছে কাপ্তাই জেলা অফিস।

দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম চালু রয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়াধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিস এবং তথ্য অধিদফতরের আঞ্চলিক অফিসগুলো থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস ও পাহাড়ধসসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা তথ্য অফিসের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার ১৫টি উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী, সন্দ্বীপ এই ৬টি উপজেলা অধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
হবিগঞ্জের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেলার সকল উপজেলার বন্যার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। বর্তমানে কোনো পানিবন্দি পরিবার নেই। কোনো হতাহত হয়নি এবং জেলায় পাহাড়ধস বা ভূমিধসের ঘটনাও ঘটেনি। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ মি.মি. বৃষ্টিপাত হয়েছে।
অন্যদিকে খাগড়াছড়ির জেলা তথ্য অফিসের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় অতিবৃষ্টি নেই। নতুন করে কোনো এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেনি। অধিকাংশ এলাকায় বন্যার পানি নেমে গেছে। তবে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরেনি। নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস, বন্যা এবং বন্যা-পরবর্তী করণীয় বিষয়ে জেলা তথ্য অফিস কর্তৃক সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার অব্যাহত রয়েছে।
কক্সবাজারের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে জেলার দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো বৃষ্টি হয়নি। বন্যা-পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং অন্যান্য বিপদ এড়াতে জরুরি বার্তা নিয়ে মাইকিং প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে জেলা তথ্য অফিস।
মৌলভীবাজার জেলার বন্যা পরিস্থিতিও ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে। আকস্মিক বন্যায় মৌলভীবাজার জেলায় ৫৭ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলা তথ্য অফিস বন্যাকালীন ও বন্যা-পরবর্তী সময়ে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
এছাড়া রাঙামাটির সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী জেলার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আছে। ভারী বর্ষণের প্রথম থেকেই পাহাড়ধসের ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাবার জন্য জনসচেতনতা তৈরি করতে রাঙামাটি জেলা তথ্য অফিসের সড়ক প্রচার অব্যাহতভাবে চলছে।
অন্যদিকে বান্দরবানে বর্তমানে দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলাটিতে ১০ মিলিমিটারের কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে বন্যার পানি নেমে গেছে। আশ্রয়কেন্দ্র হতে লোকজন তাদের বাসা-বাড়িতে ফিরে যাচ্ছে।
বান্দরবান লামা উপজেলার তথ্য অফিস অনুযায়ী, সেখানে আবহাওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সকাল থেকে কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি। বন্যা, পাহাড়ধস বা ভূমিধসের কোনো ঘটনা ঘটেনি। মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার বেশ নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এছাড়া চট্টগ্রামের পটিয়ার তথ্য অফিস সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, উপজেলায় পাহাড়ধস বা ভূমিধস হয়নি। বন্যা পরবর্তী করণীয়সহ ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে কাপ্তাই, রাজস্থলী ও বিলাইছড়ি উপজেলার আবহাওয়া আজ স্বাভাবিক থাকবে বলে জানিয়েছে কাপ্তাই জেলা অফিস।

বিভিন্ন জেলায় দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের উদ্যোগ
সিজেডএন ডেস্ক

দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম চালু রয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়াধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিস এবং তথ্য অধিদফতরের আঞ্চলিক অফিসগুলো থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস ও পাহাড়ধসসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা তথ্য অফিসের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার ১৫টি উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, বোয়ালখালী, সন্দ্বীপ এই ৬টি উপজেলা অধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
হবিগঞ্জের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেলার সকল উপজেলার বন্যার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। বর্তমানে কোনো পানিবন্দি পরিবার নেই। কোনো হতাহত হয়নি এবং জেলায় পাহাড়ধস বা ভূমিধসের ঘটনাও ঘটেনি। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ মি.মি. বৃষ্টিপাত হয়েছে।
অন্যদিকে খাগড়াছড়ির জেলা তথ্য অফিসের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় অতিবৃষ্টি নেই। নতুন করে কোনো এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেনি। অধিকাংশ এলাকায় বন্যার পানি নেমে গেছে। তবে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরেনি। নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। ভারী বৃষ্টির প্রথম থেকেই পাহাড়ধস, বন্যা এবং বন্যা-পরবর্তী করণীয় বিষয়ে জেলা তথ্য অফিস কর্তৃক সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার অব্যাহত রয়েছে।
কক্সবাজারের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে জেলার দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো বৃষ্টি হয়নি। বন্যা-পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং অন্যান্য বিপদ এড়াতে জরুরি বার্তা নিয়ে মাইকিং প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে জেলা তথ্য অফিস।
মৌলভীবাজার জেলার বন্যা পরিস্থিতিও ক্রমেই উন্নতি হচ্ছে। আকস্মিক বন্যায় মৌলভীবাজার জেলায় ৫৭ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলা তথ্য অফিস বন্যাকালীন ও বন্যা-পরবর্তী সময়ে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
এছাড়া রাঙামাটির সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী জেলার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আছে। ভারী বর্ষণের প্রথম থেকেই পাহাড়ধসের ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাবার জন্য জনসচেতনতা তৈরি করতে রাঙামাটি জেলা তথ্য অফিসের সড়ক প্রচার অব্যাহতভাবে চলছে।
অন্যদিকে বান্দরবানে বর্তমানে দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলাটিতে ১০ মিলিমিটারের কম বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে বন্যার পানি নেমে গেছে। আশ্রয়কেন্দ্র হতে লোকজন তাদের বাসা-বাড়িতে ফিরে যাচ্ছে।
বান্দরবান লামা উপজেলার তথ্য অফিস অনুযায়ী, সেখানে আবহাওয়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সকাল থেকে কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি। বন্যা, পাহাড়ধস বা ভূমিধসের কোনো ঘটনা ঘটেনি। মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার বেশ নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এছাড়া চট্টগ্রামের পটিয়ার তথ্য অফিস সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, উপজেলায় পাহাড়ধস বা ভূমিধস হয়নি। বন্যা পরবর্তী করণীয়সহ ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে কাপ্তাই, রাজস্থলী ও বিলাইছড়ি উপজেলার আবহাওয়া আজ স্বাভাবিক থাকবে বলে জানিয়েছে কাপ্তাই জেলা অফিস।

দুর্যোগের প্রস্তুতি সবসময় থাকা উচিত: ত্রাণমন্ত্রী






