গাছের বুকে পেরেক-বিলবোর্ড, অপসারণের উদ্যোগ বৃক্ষপ্রেমীদের

গাছের বুকে পেরেক-বিলবোর্ড, অপসারণের উদ্যোগ বৃক্ষপ্রেমীদের
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

‘বৃক্ষ বাঁচাই, কুড়িগ্রাম সাজাই’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে গাছের বুকে পেরেক ঠুকে লাগানো বিলবোর্ড, ফেস্টুন ও সাইনবোর্ড অপসারণে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘পরিবেশ বীক্ষণ’। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে সংগঠনটির স্বেচ্ছাসেবীরা কুড়িগ্রাম কলেজ মোড় থেকে জেলা প্রশাসকের বাসভবন এলাকা পর্যন্ত এবং টাউন হল মার্কেট থেকে পৌরবাজার পর্যন্ত সড়কের গাছে লাগানো বিলবোর্ড, ফেস্টুন ও সাইনবোর্ড অপসারণ করেন। একই সঙ্গে গাছের কাণ্ডে গেঁথে দেওয়া পেরেকগুলোও তুলে ফেলেন তারা। এ সময় তারা প্রায় দেড় শতাধিক রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ করেন।
সংগঠনের সদস্যরা জানালেন, দীর্ঘদিন ধরে শহরের বিভিন্ন সড়কের গাছে নির্বিচারে পেরেক ঠুকে রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক ও ব্যক্তিগত বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন টানানো হচ্ছিলো। এগুলোর মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)র নেতাকর্মীদের বিলবোর্ড, ইউসিসি কোচিং সেন্টার, উদ্ভাস কোচিং সেন্টারসহ বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের প্রচারণামূলক বিলবোর্ড, কয়েকজন চিকিৎসকের বিলবোর্ড এবং জমি বিক্রির বিজ্ঞাপনও ছিলো। আমাদের সংগঠন এসব নৈতিকতার জায়গা থেকে অপসারণ করেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ চলমান থাকবে।
সংগঠনের যুগ্ম আহ্বাবায়ক ফাতিহা তাফসির বর্ষা বলেন, ‘একটি গাছের অপমৃত্যুর প্রথম ধাপ হলো পেরেক ঢুকানো। আমরা তা হতে দিতে পারি না। শহরের গাছগুলোকে তিলে তিলে যারা হত্যা করছিলো, আমরা তাদের বিচার চাই।’
পরিবেশ বীক্ষণের যুগ্ম আহ্বায়ক আফরা আনান প্রভা বলেন, ‘গাছ আমাদের পরম বন্ধু। গাছের প্রাণ আছে। এটা হয়তো তারা ভুলে গেছে। পরিবেশ অধিদপ্তরসহ অন্য সরকারি দপ্তরকে জানাব, তারা যেন এই ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়। তাই আসুন গাছ বাঁচাই, কুড়িগ্রাম সাজাই।’
সংগঠনের সদস্য আল আকসা সৌখিন বলেন, ‘একটি বিজ্ঞাপন টাঙানোর জন্য একটি জীবন্ত গাছকে ক্ষতবিক্ষত করা পরিবেশের প্রতি চরম অবহেলা। এ কারণেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। এমন অবস্থা চলতে থাকলে কুড়িগ্রাম আর সবুজ শূন্য হতে আর দেরি হবে না।’
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এটি একদিনের কর্মসূচি নয়, আগামী কয়েক সপ্তাহ কুড়িগ্রাম শহরের বিভিন্ন এলাকায় গাছে লাগানো অবৈধ বিলবোর্ড, ফেস্টুন ও পেরেক অপসারণের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি জনসচেতনতা তৈরিতে প্রচারণাও চালানো হবে।
পরিবেশ সচেতন নাগরিক অনিরুদ্ধ প্রণয় প্রান্তিক এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘গাছ শুধু সৌন্দর্যের অংশ নয়, মানুষের বেঁচে থাকার অন্যতম ভিত্তি। তা গাছকে রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।’

‘বৃক্ষ বাঁচাই, কুড়িগ্রাম সাজাই’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে গাছের বুকে পেরেক ঠুকে লাগানো বিলবোর্ড, ফেস্টুন ও সাইনবোর্ড অপসারণে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘পরিবেশ বীক্ষণ’। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে সংগঠনটির স্বেচ্ছাসেবীরা কুড়িগ্রাম কলেজ মোড় থেকে জেলা প্রশাসকের বাসভবন এলাকা পর্যন্ত এবং টাউন হল মার্কেট থেকে পৌরবাজার পর্যন্ত সড়কের গাছে লাগানো বিলবোর্ড, ফেস্টুন ও সাইনবোর্ড অপসারণ করেন। একই সঙ্গে গাছের কাণ্ডে গেঁথে দেওয়া পেরেকগুলোও তুলে ফেলেন তারা। এ সময় তারা প্রায় দেড় শতাধিক রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ করেন।
সংগঠনের সদস্যরা জানালেন, দীর্ঘদিন ধরে শহরের বিভিন্ন সড়কের গাছে নির্বিচারে পেরেক ঠুকে রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক ও ব্যক্তিগত বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন টানানো হচ্ছিলো। এগুলোর মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)র নেতাকর্মীদের বিলবোর্ড, ইউসিসি কোচিং সেন্টার, উদ্ভাস কোচিং সেন্টারসহ বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের প্রচারণামূলক বিলবোর্ড, কয়েকজন চিকিৎসকের বিলবোর্ড এবং জমি বিক্রির বিজ্ঞাপনও ছিলো। আমাদের সংগঠন এসব নৈতিকতার জায়গা থেকে অপসারণ করেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ চলমান থাকবে।
সংগঠনের যুগ্ম আহ্বাবায়ক ফাতিহা তাফসির বর্ষা বলেন, ‘একটি গাছের অপমৃত্যুর প্রথম ধাপ হলো পেরেক ঢুকানো। আমরা তা হতে দিতে পারি না। শহরের গাছগুলোকে তিলে তিলে যারা হত্যা করছিলো, আমরা তাদের বিচার চাই।’
পরিবেশ বীক্ষণের যুগ্ম আহ্বায়ক আফরা আনান প্রভা বলেন, ‘গাছ আমাদের পরম বন্ধু। গাছের প্রাণ আছে। এটা হয়তো তারা ভুলে গেছে। পরিবেশ অধিদপ্তরসহ অন্য সরকারি দপ্তরকে জানাব, তারা যেন এই ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়। তাই আসুন গাছ বাঁচাই, কুড়িগ্রাম সাজাই।’
সংগঠনের সদস্য আল আকসা সৌখিন বলেন, ‘একটি বিজ্ঞাপন টাঙানোর জন্য একটি জীবন্ত গাছকে ক্ষতবিক্ষত করা পরিবেশের প্রতি চরম অবহেলা। এ কারণেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। এমন অবস্থা চলতে থাকলে কুড়িগ্রাম আর সবুজ শূন্য হতে আর দেরি হবে না।’
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এটি একদিনের কর্মসূচি নয়, আগামী কয়েক সপ্তাহ কুড়িগ্রাম শহরের বিভিন্ন এলাকায় গাছে লাগানো অবৈধ বিলবোর্ড, ফেস্টুন ও পেরেক অপসারণের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি জনসচেতনতা তৈরিতে প্রচারণাও চালানো হবে।
পরিবেশ সচেতন নাগরিক অনিরুদ্ধ প্রণয় প্রান্তিক এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘গাছ শুধু সৌন্দর্যের অংশ নয়, মানুষের বেঁচে থাকার অন্যতম ভিত্তি। তা গাছকে রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।’

গাছের বুকে পেরেক-বিলবোর্ড, অপসারণের উদ্যোগ বৃক্ষপ্রেমীদের
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

‘বৃক্ষ বাঁচাই, কুড়িগ্রাম সাজাই’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে গাছের বুকে পেরেক ঠুকে লাগানো বিলবোর্ড, ফেস্টুন ও সাইনবোর্ড অপসারণে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘পরিবেশ বীক্ষণ’। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে সংগঠনটির স্বেচ্ছাসেবীরা কুড়িগ্রাম কলেজ মোড় থেকে জেলা প্রশাসকের বাসভবন এলাকা পর্যন্ত এবং টাউন হল মার্কেট থেকে পৌরবাজার পর্যন্ত সড়কের গাছে লাগানো বিলবোর্ড, ফেস্টুন ও সাইনবোর্ড অপসারণ করেন। একই সঙ্গে গাছের কাণ্ডে গেঁথে দেওয়া পেরেকগুলোও তুলে ফেলেন তারা। এ সময় তারা প্রায় দেড় শতাধিক রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ করেন।
সংগঠনের সদস্যরা জানালেন, দীর্ঘদিন ধরে শহরের বিভিন্ন সড়কের গাছে নির্বিচারে পেরেক ঠুকে রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক ও ব্যক্তিগত বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন টানানো হচ্ছিলো। এগুলোর মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)র নেতাকর্মীদের বিলবোর্ড, ইউসিসি কোচিং সেন্টার, উদ্ভাস কোচিং সেন্টারসহ বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের প্রচারণামূলক বিলবোর্ড, কয়েকজন চিকিৎসকের বিলবোর্ড এবং জমি বিক্রির বিজ্ঞাপনও ছিলো। আমাদের সংগঠন এসব নৈতিকতার জায়গা থেকে অপসারণ করেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ চলমান থাকবে।
সংগঠনের যুগ্ম আহ্বাবায়ক ফাতিহা তাফসির বর্ষা বলেন, ‘একটি গাছের অপমৃত্যুর প্রথম ধাপ হলো পেরেক ঢুকানো। আমরা তা হতে দিতে পারি না। শহরের গাছগুলোকে তিলে তিলে যারা হত্যা করছিলো, আমরা তাদের বিচার চাই।’
পরিবেশ বীক্ষণের যুগ্ম আহ্বায়ক আফরা আনান প্রভা বলেন, ‘গাছ আমাদের পরম বন্ধু। গাছের প্রাণ আছে। এটা হয়তো তারা ভুলে গেছে। পরিবেশ অধিদপ্তরসহ অন্য সরকারি দপ্তরকে জানাব, তারা যেন এই ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়। তাই আসুন গাছ বাঁচাই, কুড়িগ্রাম সাজাই।’
সংগঠনের সদস্য আল আকসা সৌখিন বলেন, ‘একটি বিজ্ঞাপন টাঙানোর জন্য একটি জীবন্ত গাছকে ক্ষতবিক্ষত করা পরিবেশের প্রতি চরম অবহেলা। এ কারণেই আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। এমন অবস্থা চলতে থাকলে কুড়িগ্রাম আর সবুজ শূন্য হতে আর দেরি হবে না।’
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এটি একদিনের কর্মসূচি নয়, আগামী কয়েক সপ্তাহ কুড়িগ্রাম শহরের বিভিন্ন এলাকায় গাছে লাগানো অবৈধ বিলবোর্ড, ফেস্টুন ও পেরেক অপসারণের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি জনসচেতনতা তৈরিতে প্রচারণাও চালানো হবে।
পরিবেশ সচেতন নাগরিক অনিরুদ্ধ প্রণয় প্রান্তিক এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘গাছ শুধু সৌন্দর্যের অংশ নয়, মানুষের বেঁচে থাকার অন্যতম ভিত্তি। তা গাছকে রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।’








