সাত কলেজের শিক্ষকদের গবেষণামুখী মানসিকতা নেই: ডিসিইউ উপাচার্য

সাত কলেজের শিক্ষকদের গবেষণামুখী মানসিকতা নেই: ডিসিইউ উপাচার্য
ঢাকা কলেজ সংবাদদাতা

সারা দেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও সাত কলেজে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের শিক্ষকরা একই সঙ্গে ইন্টারমিডিয়েট, ডিগ্রি, অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ে পাঠদান করছেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পাঠদানের জন্য শিক্ষকদের যে ধরনের চিন্তা, গবেষণামুখী মানসিকতা ও একাডেমিক প্রস্তুতি প্রয়োজন, তা সাত কলেজের শিক্ষকদের মধ্যে নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সাভারের ব্র্যাক সিডিএমে ইউজিসির উদ্যোগে আয়োজিত উপাচার্যদের নিয়ে দুই দিনব্যাপী জাতীয় পর্যায়ের নীতিনির্ধারণী সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে প্রায় দেড় লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে। সাত কলেজ প্রথমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ছিল। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয় এবং বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলাদা হয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান কাঠামোর মধ্যেই কিছুটা পরিবর্তন এনে সাত কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংযুক্ত কলেজ হিসেবে রাখা হয়েছে। ফলে সাতটি বড় কলেজের একটি সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে নতুন করে আরও বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে।
সাত কলেজের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের শিক্ষকদের প্রসঙ্গে ডিসিইউ উপাচার্য বলেন, তাদের ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির কাঠামোর মধ্যে কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, সে বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, সরকারের বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নের পাশাপাশি উপাচার্যদের সীমিত সম্পদের মধ্যেই দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে কারা পড়াবেন, শিক্ষক হিসেবে কাদের নিয়োগ দেওয়া হবে—এসব বিষয় স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষকদের গবেষণার মান, তারা কী ধরনের জ্ঞান সৃষ্টি করবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশ কীভাবে গড়ে উঠবে, সেসব বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে।
ডিসিইউ উপাচার্যের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, রাতারাতি সবকিছু পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। শিক্ষার মান উন্নত করা গেলে ধীরে ধীরে মানসম্মত বা কোয়ালিটি এডুকেশন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সারা দেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও সাত কলেজে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের শিক্ষকরা একই সঙ্গে ইন্টারমিডিয়েট, ডিগ্রি, অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ে পাঠদান করছেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পাঠদানের জন্য শিক্ষকদের যে ধরনের চিন্তা, গবেষণামুখী মানসিকতা ও একাডেমিক প্রস্তুতি প্রয়োজন, তা সাত কলেজের শিক্ষকদের মধ্যে নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সাভারের ব্র্যাক সিডিএমে ইউজিসির উদ্যোগে আয়োজিত উপাচার্যদের নিয়ে দুই দিনব্যাপী জাতীয় পর্যায়ের নীতিনির্ধারণী সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে প্রায় দেড় লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে। সাত কলেজ প্রথমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ছিল। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয় এবং বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলাদা হয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান কাঠামোর মধ্যেই কিছুটা পরিবর্তন এনে সাত কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংযুক্ত কলেজ হিসেবে রাখা হয়েছে। ফলে সাতটি বড় কলেজের একটি সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে নতুন করে আরও বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে।
সাত কলেজের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের শিক্ষকদের প্রসঙ্গে ডিসিইউ উপাচার্য বলেন, তাদের ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির কাঠামোর মধ্যে কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, সে বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, সরকারের বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নের পাশাপাশি উপাচার্যদের সীমিত সম্পদের মধ্যেই দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে কারা পড়াবেন, শিক্ষক হিসেবে কাদের নিয়োগ দেওয়া হবে—এসব বিষয় স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষকদের গবেষণার মান, তারা কী ধরনের জ্ঞান সৃষ্টি করবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশ কীভাবে গড়ে উঠবে, সেসব বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে।
ডিসিইউ উপাচার্যের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, রাতারাতি সবকিছু পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। শিক্ষার মান উন্নত করা গেলে ধীরে ধীরে মানসম্মত বা কোয়ালিটি এডুকেশন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সাত কলেজের শিক্ষকদের গবেষণামুখী মানসিকতা নেই: ডিসিইউ উপাচার্য
ঢাকা কলেজ সংবাদদাতা

সারা দেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও সাত কলেজে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের শিক্ষকরা একই সঙ্গে ইন্টারমিডিয়েট, ডিগ্রি, অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ে পাঠদান করছেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পাঠদানের জন্য শিক্ষকদের যে ধরনের চিন্তা, গবেষণামুখী মানসিকতা ও একাডেমিক প্রস্তুতি প্রয়োজন, তা সাত কলেজের শিক্ষকদের মধ্যে নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সাভারের ব্র্যাক সিডিএমে ইউজিসির উদ্যোগে আয়োজিত উপাচার্যদের নিয়ে দুই দিনব্যাপী জাতীয় পর্যায়ের নীতিনির্ধারণী সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে প্রায় দেড় লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে। সাত কলেজ প্রথমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ছিল। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয় এবং বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলাদা হয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান কাঠামোর মধ্যেই কিছুটা পরিবর্তন এনে সাত কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংযুক্ত কলেজ হিসেবে রাখা হয়েছে। ফলে সাতটি বড় কলেজের একটি সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে নতুন করে আরও বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে।
সাত কলেজের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের শিক্ষকদের প্রসঙ্গে ডিসিইউ উপাচার্য বলেন, তাদের ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির কাঠামোর মধ্যে কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, সে বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, সরকারের বিভিন্ন এজেন্ডা বাস্তবায়নের পাশাপাশি উপাচার্যদের সীমিত সম্পদের মধ্যেই দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে কারা পড়াবেন, শিক্ষক হিসেবে কাদের নিয়োগ দেওয়া হবে—এসব বিষয় স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষকদের গবেষণার মান, তারা কী ধরনের জ্ঞান সৃষ্টি করবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশ কীভাবে গড়ে উঠবে, সেসব বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে।
ডিসিইউ উপাচার্যের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, রাতারাতি সবকিছু পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। শিক্ষার মান উন্নত করা গেলে ধীরে ধীরে মানসম্মত বা কোয়ালিটি এডুকেশন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।







