‘রাজনীতির সদরে অন্দরে’ বইটি প্রবহমান ধারার দলিল: তথ্যমন্ত্রী

‘রাজনীতির সদরে অন্দরে’ বইটি প্রবহমান ধারার দলিল: তথ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘রাজনীতির সদরে অন্দরে’ বইটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রবহমান ধারার দলিল মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, আমি মনে করি, এই বইটি কেবল সুখপাঠ্য নয়, রাজনৈতিক কর্মী, সমাজকর্মী এবং সচেতন যেকোনো নাগরিকের জন্যই সংগ্রহে রাখার মতো একটি দলিল।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে সূচিপত্র প্রকাশিত দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশের সম্পাদক মারুফ কামাল খানের লেখা ‘রাজনীতির সদরে-অন্দরে’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বইটি পাঠ করলেই কমবেশি অনেক বিষয় সামনে চলে আসে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে, তা হলো আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রবহমান ধারা। সেই ধারার মধ্যে আঁকাবাঁকা ও জটিল পথ অতিক্রম করে রাজনীতি কীভাবে রূপান্তরিত, পরিবর্তিত ও বিবর্তিত হচ্ছে, তা এই বইয়ের মধ্য দিয়ে বোঝা যায়।
তিনি আরও বলেন, মারুফ কামাল খান তার স্মৃতির ভাণ্ডার থেকে ‘রাজনীতির সদরে অন্দরে’ বইয়ে অনেক চরিত্র, ঘটনা ও পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন। সেখান থেকে রস আস্বাদন করা এবং জ্ঞান আহরণ করা– দুটিই নির্ভর করবে পাঠকের ওপর।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বইটিতে রাজনীতির সঙ্গে ক্ষমতার সম্পর্ক, রাজনীতির সঙ্গে বৃত্তের সম্পর্ক, রাজনীতির সঙ্গে মানুষের প্রবৃত্তির সম্পর্ক– সবই কমবেশি উঠে এসেছে।
তি বলেন, বইটির ব্যাপ্তিকালও কম নয়। প্রায় স্বাধীনতার পর থেকেই বিভিন্ন চরিত্র এখানে এসেছে। তিনি যেসব চরিত্রকে সামনে নিয়ে এসেছেন, সেসব চরিত্রও বিভিন্ন বিক্ষিপ্ত ও বিচ্ছিন্ন কথার মধ্য দিয়ে নানা ধরনের প্রবৃত্তিকে সামনে নিয়ে এসেছে। কখনো কখনো সেগুলো সুকুমারবৃত্তির পরিচয় দিয়েছে, আবার কখনো তার বিপরীত চিত্রও সামনে এসেছে। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি তার বইটি আগেই সংগ্রহ করেছিলাম।
প্রকাশনা অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেছেন সূচিপত্রের প্রধান নির্বাহী ও প্রকাশক সাঈদ বারী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংসদ সদস্য ও জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদক ও কবি আবদুল হাই শিকদার, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গণি চৌধুরী প্রমুখ।

‘রাজনীতির সদরে অন্দরে’ বইটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রবহমান ধারার দলিল মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, আমি মনে করি, এই বইটি কেবল সুখপাঠ্য নয়, রাজনৈতিক কর্মী, সমাজকর্মী এবং সচেতন যেকোনো নাগরিকের জন্যই সংগ্রহে রাখার মতো একটি দলিল।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে সূচিপত্র প্রকাশিত দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশের সম্পাদক মারুফ কামাল খানের লেখা ‘রাজনীতির সদরে-অন্দরে’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বইটি পাঠ করলেই কমবেশি অনেক বিষয় সামনে চলে আসে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে, তা হলো আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রবহমান ধারা। সেই ধারার মধ্যে আঁকাবাঁকা ও জটিল পথ অতিক্রম করে রাজনীতি কীভাবে রূপান্তরিত, পরিবর্তিত ও বিবর্তিত হচ্ছে, তা এই বইয়ের মধ্য দিয়ে বোঝা যায়।
তিনি আরও বলেন, মারুফ কামাল খান তার স্মৃতির ভাণ্ডার থেকে ‘রাজনীতির সদরে অন্দরে’ বইয়ে অনেক চরিত্র, ঘটনা ও পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন। সেখান থেকে রস আস্বাদন করা এবং জ্ঞান আহরণ করা– দুটিই নির্ভর করবে পাঠকের ওপর।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বইটিতে রাজনীতির সঙ্গে ক্ষমতার সম্পর্ক, রাজনীতির সঙ্গে বৃত্তের সম্পর্ক, রাজনীতির সঙ্গে মানুষের প্রবৃত্তির সম্পর্ক– সবই কমবেশি উঠে এসেছে।
তি বলেন, বইটির ব্যাপ্তিকালও কম নয়। প্রায় স্বাধীনতার পর থেকেই বিভিন্ন চরিত্র এখানে এসেছে। তিনি যেসব চরিত্রকে সামনে নিয়ে এসেছেন, সেসব চরিত্রও বিভিন্ন বিক্ষিপ্ত ও বিচ্ছিন্ন কথার মধ্য দিয়ে নানা ধরনের প্রবৃত্তিকে সামনে নিয়ে এসেছে। কখনো কখনো সেগুলো সুকুমারবৃত্তির পরিচয় দিয়েছে, আবার কখনো তার বিপরীত চিত্রও সামনে এসেছে। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি তার বইটি আগেই সংগ্রহ করেছিলাম।
প্রকাশনা অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেছেন সূচিপত্রের প্রধান নির্বাহী ও প্রকাশক সাঈদ বারী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংসদ সদস্য ও জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদক ও কবি আবদুল হাই শিকদার, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গণি চৌধুরী প্রমুখ।

‘রাজনীতির সদরে অন্দরে’ বইটি প্রবহমান ধারার দলিল: তথ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘রাজনীতির সদরে অন্দরে’ বইটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রবহমান ধারার দলিল মন্তব্য করে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, আমি মনে করি, এই বইটি কেবল সুখপাঠ্য নয়, রাজনৈতিক কর্মী, সমাজকর্মী এবং সচেতন যেকোনো নাগরিকের জন্যই সংগ্রহে রাখার মতো একটি দলিল।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে সূচিপত্র প্রকাশিত দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশের সম্পাদক মারুফ কামাল খানের লেখা ‘রাজনীতির সদরে-অন্দরে’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বইটি পাঠ করলেই কমবেশি অনেক বিষয় সামনে চলে আসে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে, তা হলো আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রবহমান ধারা। সেই ধারার মধ্যে আঁকাবাঁকা ও জটিল পথ অতিক্রম করে রাজনীতি কীভাবে রূপান্তরিত, পরিবর্তিত ও বিবর্তিত হচ্ছে, তা এই বইয়ের মধ্য দিয়ে বোঝা যায়।
তিনি আরও বলেন, মারুফ কামাল খান তার স্মৃতির ভাণ্ডার থেকে ‘রাজনীতির সদরে অন্দরে’ বইয়ে অনেক চরিত্র, ঘটনা ও পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন। সেখান থেকে রস আস্বাদন করা এবং জ্ঞান আহরণ করা– দুটিই নির্ভর করবে পাঠকের ওপর।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বইটিতে রাজনীতির সঙ্গে ক্ষমতার সম্পর্ক, রাজনীতির সঙ্গে বৃত্তের সম্পর্ক, রাজনীতির সঙ্গে মানুষের প্রবৃত্তির সম্পর্ক– সবই কমবেশি উঠে এসেছে।
তি বলেন, বইটির ব্যাপ্তিকালও কম নয়। প্রায় স্বাধীনতার পর থেকেই বিভিন্ন চরিত্র এখানে এসেছে। তিনি যেসব চরিত্রকে সামনে নিয়ে এসেছেন, সেসব চরিত্রও বিভিন্ন বিক্ষিপ্ত ও বিচ্ছিন্ন কথার মধ্য দিয়ে নানা ধরনের প্রবৃত্তিকে সামনে নিয়ে এসেছে। কখনো কখনো সেগুলো সুকুমারবৃত্তির পরিচয় দিয়েছে, আবার কখনো তার বিপরীত চিত্রও সামনে এসেছে। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি তার বইটি আগেই সংগ্রহ করেছিলাম।
প্রকাশনা অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেছেন সূচিপত্রের প্রধান নির্বাহী ও প্রকাশক সাঈদ বারী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, সংসদ সদস্য ও জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদক ও কবি আবদুল হাই শিকদার, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গণি চৌধুরী প্রমুখ।

নিন্দিতরা রাজনীতিতে পিছিয়ে পড়ে: নজরুল ইসলাম খান






